বাঈালীর আলপনা নুরুন্নবী সোহেল ক্যালেন্ডারের প্রথম পাতায় ঘুম ভাঙে সময়ের। মাটির গন্ধে লেখা কিছু অক্ষর যে ভাষা কেউ শেখায় না, তবু সবাই বোঝে। মাঠ জেগে ওঠে ঘামে, ফসল শুধু ফসল
গাদ্দার কারা নুরুন্নবী সোহেল ইতিহাসের বুকের ভেতর একটি শব্দ কাঁটার মতো আটকে আছে গাদ্দার। কেউ তাকে উচ্চারণ করে না জোরে, তবু বাতাসে তার ধাতব গন্ধ ভেসে থাকে পোড়া লোহার মতো।
প্রকৃতির অনন্ত গল্প মোঃ কাইউম নিশীথ রাতের নীরবতায় চাঁদের আলো ঝরে পড়ে, শিউলি ফুলের গন্ধ ভেসে মনটা কেমন হারায় দূরে। ভোরের আলো ধীরে ধীরে আঁধার ভেঙ্গে পথ দেখায়, ঘাসের ডগায়
হারানো অতীত জিএম জামাল অতীতের সব স্মৃতি গুলি আজ কেমন করে ভুলি, ছোট বেলার খেলাধুলা কানামাছি ডাংগুলি। দাঁড়িয়া বাঁধা পাঁচ গুটি হাডুডু আর গোল্লাছুট, লুডু খেলায় মজা ছিল পড়লে হত
সব ঋতুতে চাই জাহাঙ্গীর বারী কেউ থাকুক বা না থাকুক তুমি থেকো পাশে, বেশি নয় রে থেকো অল্প একটু ভালোবেসে। গ্রীষ্ম বর্ষা শরৎ শীতে তোমায় আমি চাই, সব ঋতুতে আমি
আর জনমের নীল পোট্রেট (প্রাইম ভার্সন) -পাগলা জাঈদ উৎসর্গঃ Sheikh Mousumi পরজনমে তোর ও আমার বয়স দেখিস থাকবে ষোল এই কি হল? চমকে গেলি? বুক মাদুলি খুলবো দেখিস এক কামড়ে
ইতিহাস কখনো মরে না নুরুন্নবী সোহেল আজ লজ্জায় আমার শরীরের রক্তগুলো ধীরে ধীরে শীতল হয়ে আসে যেনো শিরার ভেতর দিয়ে আর রক্ত নয়, বয়ে যাচ্ছে কোনো নির্বাক শীতকাল। চোখের সামনে
মেঘ বুনে যাই -পাগলা জাঈদ উৎসর্গঃ Mousumi কে এখনো তো নিয়ম করে পাঁজর জুড়ে মেঘ বুনে যাই মন খারাপের আকাশ পানে উথলে উঠে দু’ হাত বাড়াই এখনো ঠিক আগের মত
বাবা বাতাসে শুনি তোমার নিঃশ্বাসের শব্দ —নুরুন্নবী সোহেল এখন আর চোখ ভিজে না, কান্নার শব্দও থেমে গেছে, শুধু শূন্যতার এক অস্ফুট স্পন্দন বুকের গভীরে ঢেকে রেখেছি যত্নে। ভোলা কি যায়?
নারী পাগলা জাঈদ তোমার মাঝে আমি মা এর ছায়া দেখতে পাই.. তবে কি তুমি মা এর মতই মমতাময়ি ? তোমাকে দেখলে আমার বুকে ট্রয় নগরীর নীল ধ্বংসের ডামাডোল বাজে.. তবে