মেঘ বুনে যাই -পাগলা জাঈদ উৎসর্গঃ Mousumi কে এখনো তো নিয়ম করে পাঁজর জুড়ে মেঘ বুনে যাই মন খারাপের আকাশ পানে উথলে উঠে দু’ হাত বাড়াই এখনো ঠিক আগের মত
বাবা বাতাসে শুনি তোমার নিঃশ্বাসের শব্দ —নুরুন্নবী সোহেল এখন আর চোখ ভিজে না, কান্নার শব্দও থেমে গেছে, শুধু শূন্যতার এক অস্ফুট স্পন্দন বুকের গভীরে ঢেকে রেখেছি যত্নে। ভোলা কি যায়?
নারী পাগলা জাঈদ তোমার মাঝে আমি মা এর ছায়া দেখতে পাই.. তবে কি তুমি মা এর মতই মমতাময়ি ? তোমাকে দেখলে আমার বুকে ট্রয় নগরীর নীল ধ্বংসের ডামাডোল বাজে.. তবে
নীরব বিস্ফোরণ, — নুরুন্নবী সোহেল মরুর বুকে আজ ধাতব সূর্য ওঠে, তার আলো আগুনের, উষ্ণতা নয়। আকাশ জুড়ে উড়ে বেড়ায় শব্দের শকুন, ডানায় তাদের বারুদের গন্ধ। খেজুরগাছের ছায়া কাঁপে মনে
তুই ফুল হয়ে আয় —- নুরুন্নবী সোহেল রাতের গভীরতম শিরায় যেখানে সময় থমকে দাঁড়িয়ে থাকে এক ফোঁটা রক্তের শব্দ হয়ে। শহীদের বেদী মানে শুধু পাথর নয় ওখানে মাটির ভেতর ঘুমিয়ে
দেশনেত্রী কে বিদায় বেলার সালাম। মোঃ মতিন খান সে এক মহাকাব্যের নায়িকা, জনতা মুকুটে তার। অশ্রু তে ভাসিয়ে সবাইকে, এসেছিল তার বিদায়ের খন, সে চলে গেছে বিধাতার কাছে, এখনও কাঁদছে
বেকার লাবু ( মাত্রাবৃত্ত ছন্দ) জাহাঙ্গীর বারী দুধ ভাত আহারে খেতে মজা আহা রে ফুল কলি বাহারে ডাকে তারা লাবু রে লাবু যায় হাটে রে হয়ে যায় সে হাটুরে। সাথে
কষ্টের বিবর্ণ রূপ জি এম জামাল পাহাড়ের কষ্টে ঝরনা নামে আকাশের কষ্টে বৃষ্টি, নদীর কষ্টে কুল ভেঙ্গে যায় মানুষের সজল দৃষ্টি। সাগরের কষ্ট নিম্নচাপে প্রকৃতির কষ্ট ঝড়ে, রাতের কষ্ট একাকিত্বে
শবেবরাত মোহাম্মদ মনির হোসেন শবে বরাত শবে বরাত চালের রুটি গরুর গোস্ত ,তার সাথে হালুয়া মস্ত।খাওয়া নিয়ে বেজায় ব্যস্ত, মনির সাহেব বেজায় কষ্ট মন বসে না খাওয়া দাওয়ায়।মন গেছে তার
নিত্য বধূ জাহাঙ্গীর বারী বুক পাজরে আছো তুমি মিশে আছো দেহে, তোমায় আমি ছাড়ব না’কো থেকে যাবো গৃহে। তোমায় আমি ভালোবাসি মন প্রাণ উজাড় করে, তোমায় আমি রাখব কাছে রাখব