1. hrhfbd01977993@gmail.com : admi2017 :
  2. editorr@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
  3. editor@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫
সংবাদ শিরোনাম ::
থাইল্যান্ডে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা আসামী প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুজে পায় না যুদ্ধ ব্যয়ের অর্থ জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় ব্যবহার হলে বিশ্ব রক্ষা পেত: প্রধানমন্ত্রী আসামী প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুজে পায় না তাকে আরআরএফের সভাপতি হাবিবুল্লাহ মিজান, সম্পাদক নিশাত বিজয় দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছতার সাথে সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাই হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৪ এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু চিরন্তন সত্য — জিএম জামাল

রমজান মাসেও থেমে নেই মাদক ব্যবসা

  • আপডেট সময় সোমবার, ৩ মে, ২০২১, ৬.০৩ এএম
  • ২৪৭ বার পড়া হয়েছে
রমজান মাসেও থেমে নেই মাদক ব্যবসা

সিএনএম প্রতিনিধিঃ

সিলেটে রমজান মাসেও থেমে নেই মাদক ব্যবসায়। হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা, হেরোইন, ফেনসিডিল ও গাজাসহ নানা জাতের মাদক।
সিলেটের সীমান্ত দিয়ে শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঢুকছে এসব মাদক। হাত বদল হয়ে এসব মাদক চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। মাদক ইস্যূতে বসে নেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কড়া নজরদারির কারণে প্রতিদিনই মাদকসহ ধরা পড়ছে কারবারিরা। গত এক মাসে সিলেটে র‌্যাব ও পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে শতাধিক মাদক কারবারি। উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদক। তবে গ্রেফতারকৃতদের বেশিরভাগই খুচরা কারবারি ও ক্যারিয়ার।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কড়া নজরদারির পরও লাগাম টানা যাচ্ছে না মাদক ব্যবসায়ের। বিশেষ করে নগরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ইয়াবা। চিহ্নিত স্পট ছাড়াও পাড়া-মহল্লায় এজেন্টদের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা। প্রতিদিনই ইয়াবাসহ হাতে নাতে ধরা পড়ছেন মাদক কারবারিরা। কিন্তু এরপরও থামানো যাচ্ছে না ইয়াবার বিস্তার। মাদক কারবারিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতারের পর কয়েক মাস জেল খেটে জামিনে বের হয়ে পুণরায় মাদক ব্যবসার সাথে জড়াচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, সিলেটের জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে আসছে ইয়াবা। এর মধ্যে জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়েই বেশি আসছে এই মরণনেশার ট্যাবলেট। জকিগঞ্জ থেকে শহরে আসার পথে মাঝে মধ্যে ইয়াবার বড় চালান আটক হলেও বেশিরভাগই রয়ে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।
সূত্র জানায়, জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে আসা ইয়াবার চালান প্রথমে স্থানীয় মাদক কারবারিরা তাদের হেফাজতে মজুদ করে রাখে। তাদের সিন্ডিকেটের সদস্যদের মাধ্যমে নিয়ে আসা হয় সিলেট নগরে। সেখানে এজেন্টদের মাধ্যমে সারা নগরীতে ভ্রাম্যমান বিক্রেতাদের দিয়ে বিক্রি করা হয়। কিছু চালান ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়ও পাঠিয়ে থাকে মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যরা। বিভিন্ন সময় গ্রেফতার হওয়া মাদক কারবারিদের কাছ থেকে এমন তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

সিলেটস্থ র‌্যাব-৯ এর মূখপাত্র এএসপি ওবাইন জানান, সিলেটের তিন দিকেই ভারত সীমান্ত। এসব সীমান্ত পথ দিয়েই সিলেটে প্রবেশ করছে মাদক। এর মধ্যে জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা বেশি আসে, বিভিন্ন সময় অভিযানে এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে।
মাদকের বিরুদ্ধে র‌্যাব কঠোর অবস্থানে রয়েছে জানিয়ে ওবাইন বলেন, ‘কোথাও মাদক কেনাবেচা বা পাচারের খবর পেলে র‌্যাব সাথে সাথে অভিযান চালাচ্ছে। এতে মাদকসহ কারবারিরা আটকও হচ্ছে।’

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের জানান, মাদকের বিরুদ্ধে সুক্ষ্ম নজরদারি রয়েছে। ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সিলেট মহানগর পুলিশ কাজ করছে। মাদক কারবারিদের ধরতে সাদা পোষাকে পুলিশের বিশেষ টিম কাজ করছে।

সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, সিলেটের সবকটি সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত থেকে মাদক আসে। এর মধ্যে জকিগঞ্জ সীমান্ত বেশি মাদকপ্রবণ। তবে পুলিশের তৎপরতার কারণে মাদক কারবারিরা নিয়মিত ধরা পড়ছে ও মাদক উদ্ধার হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

জাতীয় ঈদগাহে সুষ্ঠুভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত করার লক্ষে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। এছাড়াও রাজধানীর প্রতিটি ঈদ জামাতকে ঘিরে আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ডিএমপি কমিশনার। ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীর প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। জাতীয় ঈদগাহে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধান বিচারপতি, মাননীয় বিচারপতিবৃন্দ, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবর্গ, ঢাকাস্থ মুসলিম দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঈদ জামাত আদায় করবেন। প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একত্রে এই ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করতে পারবেন। গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, ঈদের প্রধান জামাতসহ রাজধানীর সকল মসজিদ ও ইদগাহে ঈদের জামাতকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদগাহ ও আশপাশ এলাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এর ইকুইপমেন্ট ও ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করানো হবে। পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়াও ড্রোন পেট্রোলিং ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে জাতীয় ঈদগাহের চারপাশে বহির্বেষ্টনী ও আন্ত:বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে। প্রবেশ গেটে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশ, এসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা সিভিল পোশাকে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোয়াট টিম, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে। এছাড়াও দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিস ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবায় মেডিকেল টিম নিয়োজিত থাকবে। তিনি বলেন, প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে দশটি স্থানে পার্কিং ব্যবস্থা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক রমনা বিভাগ। ঈদ জামাত ঘিরে আটটি রাস্তা ডাইভারসন দেওয়া হবে, যাতে কোনোরকমের হয়রানি ছাড়া মুসল্লিরা আসতে পারেন। নারীদের জন্য নামাজের পৃথক ব্যবস্থা থাকবে, তাদেরকে নারী পুলিশ সদস্যরা তল্লাশি করবেন। তিনি আরো বলেন, এবার ঢাকায় ১৮৪টি ঈদগাহে ও ১ হাজার ৪৮৮ টি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেকটি ঈদ জামাতের জন্য আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। একটি জামাতও নিরাপত্তা বলয়ের বাইরে থাকবে না। নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা ঈদের নামাজে অংশ নিতে আসবেন তারা আমাদের তল্লাশি কার্যক্রমে সাহায্য করবেন। কেউ দাহ্য বা ধারালো বস্তু নিয়ে আসবেন না। যে কোনো সমস্যা হলে পুলিশকে জানান। জামাত থেকে বের হওয়ার সময় ধৈর্যের সঙ্গে সুশৃঙ্খলভাবে বের হবেন। সাংবাদিকদেরে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকায় পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) কোনো তৎপরতার তথ্য নেই। পাশাপাশাপি কোন ধরনের জঙ্গি তৎপরতার তথ্যও নেই। তারপরও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সকল বিষয় বিবেচনায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বাস মালিক সমিতিসহ সকল স্টেকহোল্ডারদের আমাদের বৈঠক হয়েছে। তারা আমাদের নির্ধারিত ভাড়া আদায়েরর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাজধানীর সকল যাত্রীবাহী বাস কাউন্টার ও স্টেশনগুলোতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তৎপর রয়েছে। কোন ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খঃ মহিদ উদ্দিন বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মহাঃ আশরাফুজ্জামান বিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মুনিবুর রহমান বিপিএম-সেবা; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম (বার); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম (বার), পিপিএম (বার); যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণসহ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

themesbazar_crimenew87
© All rights reserved © 2015-2021
Site Customized Crimenewsmedia24.Com