ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

তিতাসে সেতুর মাঝে গর্ত, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৭:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে
সাকিব হোসেইনঃ
সেতুর মাঝে কংক্রিটের ঢালাই ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বের হয়ে গেছে রড। সেই গর্তের ওপর স্টিলের পাটাতন বিছিয়ে দেওয়া রয়েছে। পাশাপাশি ভেঙে গেছে সেতুটির একপাশের রেলিং। ফাটল ধরেছে পিলারেও। এমতাবস্থায় ঝুঁকি নিয়েই সেতুটি দিয়ে চলছে যানবাহন।
কুমিল্লা তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের সাহাবৃদ্দি-মজিদপুর সড়কের সাহাবৃদ্দি পশ্চিম পাড়া গ্রামের খালের ওপর নির্মিত সেতুটির। দ্রুত সংস্কার করা না হলে যে কোনো সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি নতুন একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দুই বছর ধরে সেতুর এ অবস্থা থাকলেও এটি সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে না স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৩০ ফুট লম্বা ও ১৪ ফুট চওড়া সেতুটির মাঝামাঝি অংশে পাঁচ থেকে ছয় ফুট চওড়া এবং ১০ ফুট লম্বা গর্ত হয়ে রড বের হয়ে গেছে। সেতুটির এক পাশের রেলিং ভেঙে গেছে অনেক আগে। গর্তে ওপর স্টিলের পাটাতন বিছিয়ে দিয়ে কোনো রকমে চলাচল করছে যানবাহন ৷ তবে ভারি কোনো গাড়ি বা পণ্যবাহী যানবাহন সেতুটি দিয়ে চলাচল করছে না।
স্থানীয় বাসিন্দা ওয়াছেক ও মিজানসহ কয়েকজন জানান, সেতুটি দিয়ে চার থেকে পাঁচটি গ্রামের মানুষ ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করেন। ১৪ বছর আগে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। দুই বছর আগে সেতুর মাঝখানের একটি অংশের খসে পড়ে। পরে স্থানীয়দের অর্থায়নে ভাঙা অংশে স্টিলের পাটাতন বিছিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ঝুঁকি নিয়ে সেতুটি দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।
উপজেলা প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘গত বছর সেতুটিতে হওয়া গর্ত বন্ধে স্লাপের জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু অনুমোদন দেয় নাই। এখন শুনেছি গর্ত বড় হয়ে গেছে। তাই সরেজমিনে গিয়ে দেখে কালভার্ট বা পুনরায় সেতুর জন্য প্রস্তাব পাঠাবো’
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

তিতাসে সেতুর মাঝে গর্ত, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

আপডেট সময় ০৭:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
সাকিব হোসেইনঃ
সেতুর মাঝে কংক্রিটের ঢালাই ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বের হয়ে গেছে রড। সেই গর্তের ওপর স্টিলের পাটাতন বিছিয়ে দেওয়া রয়েছে। পাশাপাশি ভেঙে গেছে সেতুটির একপাশের রেলিং। ফাটল ধরেছে পিলারেও। এমতাবস্থায় ঝুঁকি নিয়েই সেতুটি দিয়ে চলছে যানবাহন।
কুমিল্লা তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের সাহাবৃদ্দি-মজিদপুর সড়কের সাহাবৃদ্দি পশ্চিম পাড়া গ্রামের খালের ওপর নির্মিত সেতুটির। দ্রুত সংস্কার করা না হলে যে কোনো সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি নতুন একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দুই বছর ধরে সেতুর এ অবস্থা থাকলেও এটি সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে না স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৩০ ফুট লম্বা ও ১৪ ফুট চওড়া সেতুটির মাঝামাঝি অংশে পাঁচ থেকে ছয় ফুট চওড়া এবং ১০ ফুট লম্বা গর্ত হয়ে রড বের হয়ে গেছে। সেতুটির এক পাশের রেলিং ভেঙে গেছে অনেক আগে। গর্তে ওপর স্টিলের পাটাতন বিছিয়ে দিয়ে কোনো রকমে চলাচল করছে যানবাহন ৷ তবে ভারি কোনো গাড়ি বা পণ্যবাহী যানবাহন সেতুটি দিয়ে চলাচল করছে না।
স্থানীয় বাসিন্দা ওয়াছেক ও মিজানসহ কয়েকজন জানান, সেতুটি দিয়ে চার থেকে পাঁচটি গ্রামের মানুষ ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করেন। ১৪ বছর আগে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। দুই বছর আগে সেতুর মাঝখানের একটি অংশের খসে পড়ে। পরে স্থানীয়দের অর্থায়নে ভাঙা অংশে স্টিলের পাটাতন বিছিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ঝুঁকি নিয়ে সেতুটি দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।
উপজেলা প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘গত বছর সেতুটিতে হওয়া গর্ত বন্ধে স্লাপের জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু অনুমোদন দেয় নাই। এখন শুনেছি গর্ত বড় হয়ে গেছে। তাই সরেজমিনে গিয়ে দেখে কালভার্ট বা পুনরায় সেতুর জন্য প্রস্তাব পাঠাবো’