বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫

মাইকে ঘোষণা দিয়ে ব্যান্ডপার্টির বাদ্য বাজিয়ে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৩, ৬.২২ পিএম
  • ৪০৩ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুর:

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মাইকে ঘোষণা দিয়ে ব্যান্ডপার্টির বাদ্য বাজিয়ে হাজার হাজার সমর্থকদের ডেকে এনে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার শিমুল বাজার এলাকা ও এর আশপাশে এ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা।
সংঘর্ষের সময় এলাকার রণক্ষেত্র পরিণত হয়। বেলা ১২টা পর্যন্ত ধাওয়া পাল্টাধাওয়া চলতে থাকে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।

খবর পেয়ে ঘারুয়া কালামৃর্ধা ও আজিমনগর ৩ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের প্রচেষ্টায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ভাঙ্গা থানা পুলিশ। তবে এলাকায় থমথম অবস্থা বিরাজ করেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ৪-৫ দিন আগে আজিমনগর ইউনিয়ন পরিষদে পাতরাইল থানমাত্তা ও পুকুরপাড় গ্রামের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে এক সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সালিশ চলাকালে পাতরাইল থানমাত্তা গ্রামের ৪/৫ জন যুবককে পুকুরপাড় গ্রামের লোকজন মারধর করে। এর সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার সকাল দশটার দিকে পাত্রাইল থানমাত্তা গ্রামের পক্ষ হয়ে কালামৃর্ধা ইউনিয়নের লোকজন এবং পুকুরপাড় গ্রামের লোকজনের আজিমনগর ইউনিয়নবাসী সমর্থন দেয়।
দুই ইউনিয়নবাসীর মধ্যে হাজার হাজার সমর্থক সংঘর্ষের প্রস্তুতি নেয়। সংঘর্ষের চলাকালে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ব্যান্ডপার্টির বাদ্য বাজিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় । স্থানীয় তিন ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশের সহযোগিতায় বড় ধরনের সংঘর্ষ থেকে রক্ষা পায়। এ ঘটনায় এলাকায় থমথম অবস্থা বিরাজ করেছে।
আজিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহজাহান হাওলাদার বলেন, ওই সালিশে পুকুরপাড় গ্রামের কয়েকজন লোক থানমাত্তা পাতরাইল গ্রামের কয়েকজন লোককে মারধর করে। এই নিয়ে ওই ঘটনার জের ধরে আজকের এই সংঘর্ষের রূপ নেয়। আমরা স্থানীয় ঘারুয়া, কালামৃর্ধা ও আজিমনগর তিন ইউপি চেয়ারম্যান মিলে পরিবেশ শান্ত করি।
কালামৃর্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল মাতুব্বর বলেন, আমার এলাকার লোকজন পাতরাইল থানমাত্তা গ্রামের সমর্থন দেয়। পরে আমিও তাদের ফিরিয়ে দিয়েছি। তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে আল্লাহ হেফাজত করেছেন।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়ারুল ইসলাম জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে। তবে বড় ধরনের ক্ষতি থেকে আল্লাহ রক্ষা করেছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
প্রকাশনায় : ২৪ ক্রাইম নিউজ মিডিয়া লিমিটেড
Theme Developed BY ThemesBazar.Com