ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

ইটালিতে পাঠানোর নাম করে মরিশাস-এ নিয়ে নিযার্তনের শিকার হয়ে দেশে ফিরে আদালতে মামলা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০২:৩৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • ৬৩৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
নারায়নগঞ্জ জেলার বন্দর থানার হেলাল উদ্দিন বেপারীর ছেলে মোঃ আঃ রহিম ‍”ক্রাইম নিউজ মিডিয়া”কে জানান, বিদেশ যাওয়ার জন্য মন ইসতির করিলে মুকুল ওরফে সনজিব কুমার দাস ও রাহাতদের সাথে সিকান্দার ওভার সীজ ইন্টারস্যাশনাল রিক্রটিং লাইসেন্স আর.এল নং-১৪৩৫, ঠিকানা: ৪৭৬/এ, ফ্রাট টাওয়ার ৪র্থ ফ্লোর, ডি.আই.টি রোড, মালিবাগ, ঢাকা। উক্ত অফিসে যায় অফিসে যাওয়ার পর মালিক পরিচয় দানকারী রাজিয়া সুলতানা, ম্যানেজার হরিদাস, সহকারী ম্যানেজার ফাতেমা, কর্মচারী জুয়েলদের সাথে ইতালিতে যাওয়ার জন্য কথাবার্তা হয়। বিভিন্ন সময় তাহাদের সাথে আঃ রহিম-এর কথাবার্তা হয়। এক পর্যায় তাদের সাথে আঃ রহিম-এর চুড়ান্ত কথা হয়। তারা ইতালী (ইউরোপ কান্ট্রিতে) পাঠাবে বলে সুলতানা গংদের আঃ রহিম তের লক্ষ টাকা দিলে তাহাকে ইতালী পাঠাবে (ইউরোপ কান্ট্রি) ।
আঃ রহিম আরো বলেন, রাজিয়া সুলতানা গংদের তের লক্ষ টাকা আমি প্রদান করি। তারা আমাকে ইতালী পাঠানোর নাম করে কৌশলে গত ১৭/০৩/২০২০ইং তারিখে ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট মরিশাসের এক কোম্পানীর জাল-জালিয়াতি কাগজপত্র তৈরি করে,পাসর্পোট নাম্বার- বি.এক্স ০০৬৮২৪৪, শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হতে ১২:৫৫ মিনিটের ফ্লাইটে মরিশাস পাঠায়। সেখানে এয়ারপোর্ট হতে ঐ দেশী লোকের মাধ্যমে আমাকে মরিশাসের অজ্ঞাত নাম একটি এলাকায় নিয়ে চারদেয়ালে ঘেরা একটি বাড়ীর ভিতর ফ্লাটে নিয়ে আমাকে রুমে আটক করে রাখে। উক্ত ফ্লাটের কয়েটি রুমের বেশ কিছু বাংলাদেশী ও ইন্ডিয়ান বাঙালি লোক রয়েছে। যাহারা আমার মতো রাজিয়া গংদের ক্ষপরে পরেছে । আমাকে সেখানকার দালালরা বলে যে তোমাকে ইতালি পাঠানো হবেনা। এই মরিশাস তোমার শেষ ঠিকানা। এখন যদি তুমি বাঁচতে চাও তাহলে বাংলাদেশ হইতে ৫ লক্ষ টাকা এনে রাজিয়া সুলতানা কাছে পৌছে দাও তাহলে তোমাকে বাংলাদেশে পাঠাইয়া দিব না হয় মরিশাসে কাজ পাইয়ে দিব তাদের কথায় অনিহা প্রকাশ করলে তখন সেখানকার দালালরা আমাকে প্রতিনিয়ত তাহাদের চর্টার সেলের রুমে ডুকিয়ে মারপিট করত ও বিভিন্ন নাম্বার হতে আমাকে দিয়ে পরিবারের কাছে বাংলাদেশে ফোন করে আমার পরিবারে কাছ হইতে টাকা চাইতে বলত। এ ভাবে আমাকে সেখানে প্রায় আট মাস আটক রাখার পর তাহাদের শাররীক-মানশীক ও না-খাওয়া ক্ষুধার যন্ত্রনা দায়ক নির্যাতনে শিকার হয়ে হঠাৎ একদিন কোন রকম ফাক পেয়ে আমি সহ ৫-৬ জন ইন্ডিয়ান বাঙালি ও বাংলাদেশী পাসপোর্ট ধারী দুইজন রোহীঙ্গা সহ আমরা পালিয়ে উক্ত আটক থাকা বাড়ী হইতে বেরিয়ে যে যার মত একেকজন এক দিকে দৌড়ে পালিয়েছি। আমি একপর্যায় কিছুদুর গিয়ে এক ইন্ডিয়ান বাঙালির দেখা পাই। আমার ঘটনা তাহার কাছে খুলে বলি এবং উক্ত ব্যক্তির সহায়তায় বাংলাদেশ হতে আমার পরিবারের কাছে থেকে টাকা নিয়ে বিমানের টিকেট কেটে ০২/১১/২০২০ইং তারিখে মরিশাসের এয়ারর্পোট হতে একটি ফ্লাইটের মাধ্যমে শাহ জালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে নেমে বাংলাদেশে এসে আমার পরিবারে কাছে সব ঘটনা খুলে বলি। কিছু দিন পর সিকান্দার ওভারসীজ ইন্টারন্যাশনাল গিয়ে রাজিয়া সুলতানা গংদের সাথে দেখা করে আমার টাকা ফেরত ও ক্ষতিপুরন দাবি করি কিন্তু তাহারা ক্ষতিপূরন দেওয়াতো দুরের কথা। আমাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি হুমকি প্রদর্শন করে অফিসে নিয়ে যাওয়া আমার পাসপোর্টটি কেড়ে রেখে দেয় এবং রাজিয়া সুলতানা বলে জনশক্তি ব্যুরো মহা পরিচালক প্রশাসনের উর্ধ্বতন কোন এক কর্মকর্তা তার স্বামীর বন্ধু তাই উক্ত রিক্রুটিং এজেন্সির আন্তরালে শতশত রোহীঙ্গা বাংলাদেশ হতে অবৈধ পরিচয়পত্রের মাধ্যমে পার্সপোট বানিয়ে মরিশাস সহ বাংলাদেশ হতে বিভিন্ন দেশে তাহারা নারী ও পুরুষ পাঠাচ্ছে। তাতে প্রাশাসন ও তাদের কিছু বলতে সাহস পায়না। আর আমি তাদের কাছে চুনো পুটি, তাই তাদের কাছে থেকে টাকা উঠিয়ে নেওয়া তো দুরে কথা। এনিয়ে বেশী বারাবারী করলে শেষে আমার জীবনটাও হারাতে হবে।
আমি নিরুপায় হয়ে ন্যায় বিচার পাওয়ার স্বার্থে বিজ্ঞ মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল ঢাকায় পিটিশন মামলা নং-০১/২০২১, ধারাঃ মানব পাচার অপরাধ আইন-এ ৭/৮/৯/১০/১৪ আদালতে মামলা দায়ের করি। বিজ্ঞ মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে তদন্তের নিদের্শ দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

ইটালিতে পাঠানোর নাম করে মরিশাস-এ নিয়ে নিযার্তনের শিকার হয়ে দেশে ফিরে আদালতে মামলা

আপডেট সময় ০২:৩৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
নারায়নগঞ্জ জেলার বন্দর থানার হেলাল উদ্দিন বেপারীর ছেলে মোঃ আঃ রহিম ‍”ক্রাইম নিউজ মিডিয়া”কে জানান, বিদেশ যাওয়ার জন্য মন ইসতির করিলে মুকুল ওরফে সনজিব কুমার দাস ও রাহাতদের সাথে সিকান্দার ওভার সীজ ইন্টারস্যাশনাল রিক্রটিং লাইসেন্স আর.এল নং-১৪৩৫, ঠিকানা: ৪৭৬/এ, ফ্রাট টাওয়ার ৪র্থ ফ্লোর, ডি.আই.টি রোড, মালিবাগ, ঢাকা। উক্ত অফিসে যায় অফিসে যাওয়ার পর মালিক পরিচয় দানকারী রাজিয়া সুলতানা, ম্যানেজার হরিদাস, সহকারী ম্যানেজার ফাতেমা, কর্মচারী জুয়েলদের সাথে ইতালিতে যাওয়ার জন্য কথাবার্তা হয়। বিভিন্ন সময় তাহাদের সাথে আঃ রহিম-এর কথাবার্তা হয়। এক পর্যায় তাদের সাথে আঃ রহিম-এর চুড়ান্ত কথা হয়। তারা ইতালী (ইউরোপ কান্ট্রিতে) পাঠাবে বলে সুলতানা গংদের আঃ রহিম তের লক্ষ টাকা দিলে তাহাকে ইতালী পাঠাবে (ইউরোপ কান্ট্রি) ।
আঃ রহিম আরো বলেন, রাজিয়া সুলতানা গংদের তের লক্ষ টাকা আমি প্রদান করি। তারা আমাকে ইতালী পাঠানোর নাম করে কৌশলে গত ১৭/০৩/২০২০ইং তারিখে ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট মরিশাসের এক কোম্পানীর জাল-জালিয়াতি কাগজপত্র তৈরি করে,পাসর্পোট নাম্বার- বি.এক্স ০০৬৮২৪৪, শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হতে ১২:৫৫ মিনিটের ফ্লাইটে মরিশাস পাঠায়। সেখানে এয়ারপোর্ট হতে ঐ দেশী লোকের মাধ্যমে আমাকে মরিশাসের অজ্ঞাত নাম একটি এলাকায় নিয়ে চারদেয়ালে ঘেরা একটি বাড়ীর ভিতর ফ্লাটে নিয়ে আমাকে রুমে আটক করে রাখে। উক্ত ফ্লাটের কয়েটি রুমের বেশ কিছু বাংলাদেশী ও ইন্ডিয়ান বাঙালি লোক রয়েছে। যাহারা আমার মতো রাজিয়া গংদের ক্ষপরে পরেছে । আমাকে সেখানকার দালালরা বলে যে তোমাকে ইতালি পাঠানো হবেনা। এই মরিশাস তোমার শেষ ঠিকানা। এখন যদি তুমি বাঁচতে চাও তাহলে বাংলাদেশ হইতে ৫ লক্ষ টাকা এনে রাজিয়া সুলতানা কাছে পৌছে দাও তাহলে তোমাকে বাংলাদেশে পাঠাইয়া দিব না হয় মরিশাসে কাজ পাইয়ে দিব তাদের কথায় অনিহা প্রকাশ করলে তখন সেখানকার দালালরা আমাকে প্রতিনিয়ত তাহাদের চর্টার সেলের রুমে ডুকিয়ে মারপিট করত ও বিভিন্ন নাম্বার হতে আমাকে দিয়ে পরিবারের কাছে বাংলাদেশে ফোন করে আমার পরিবারে কাছ হইতে টাকা চাইতে বলত। এ ভাবে আমাকে সেখানে প্রায় আট মাস আটক রাখার পর তাহাদের শাররীক-মানশীক ও না-খাওয়া ক্ষুধার যন্ত্রনা দায়ক নির্যাতনে শিকার হয়ে হঠাৎ একদিন কোন রকম ফাক পেয়ে আমি সহ ৫-৬ জন ইন্ডিয়ান বাঙালি ও বাংলাদেশী পাসপোর্ট ধারী দুইজন রোহীঙ্গা সহ আমরা পালিয়ে উক্ত আটক থাকা বাড়ী হইতে বেরিয়ে যে যার মত একেকজন এক দিকে দৌড়ে পালিয়েছি। আমি একপর্যায় কিছুদুর গিয়ে এক ইন্ডিয়ান বাঙালির দেখা পাই। আমার ঘটনা তাহার কাছে খুলে বলি এবং উক্ত ব্যক্তির সহায়তায় বাংলাদেশ হতে আমার পরিবারের কাছে থেকে টাকা নিয়ে বিমানের টিকেট কেটে ০২/১১/২০২০ইং তারিখে মরিশাসের এয়ারর্পোট হতে একটি ফ্লাইটের মাধ্যমে শাহ জালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে নেমে বাংলাদেশে এসে আমার পরিবারে কাছে সব ঘটনা খুলে বলি। কিছু দিন পর সিকান্দার ওভারসীজ ইন্টারন্যাশনাল গিয়ে রাজিয়া সুলতানা গংদের সাথে দেখা করে আমার টাকা ফেরত ও ক্ষতিপুরন দাবি করি কিন্তু তাহারা ক্ষতিপূরন দেওয়াতো দুরের কথা। আমাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি হুমকি প্রদর্শন করে অফিসে নিয়ে যাওয়া আমার পাসপোর্টটি কেড়ে রেখে দেয় এবং রাজিয়া সুলতানা বলে জনশক্তি ব্যুরো মহা পরিচালক প্রশাসনের উর্ধ্বতন কোন এক কর্মকর্তা তার স্বামীর বন্ধু তাই উক্ত রিক্রুটিং এজেন্সির আন্তরালে শতশত রোহীঙ্গা বাংলাদেশ হতে অবৈধ পরিচয়পত্রের মাধ্যমে পার্সপোট বানিয়ে মরিশাস সহ বাংলাদেশ হতে বিভিন্ন দেশে তাহারা নারী ও পুরুষ পাঠাচ্ছে। তাতে প্রাশাসন ও তাদের কিছু বলতে সাহস পায়না। আর আমি তাদের কাছে চুনো পুটি, তাই তাদের কাছে থেকে টাকা উঠিয়ে নেওয়া তো দুরে কথা। এনিয়ে বেশী বারাবারী করলে শেষে আমার জীবনটাও হারাতে হবে।
আমি নিরুপায় হয়ে ন্যায় বিচার পাওয়ার স্বার্থে বিজ্ঞ মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল ঢাকায় পিটিশন মামলা নং-০১/২০২১, ধারাঃ মানব পাচার অপরাধ আইন-এ ৭/৮/৯/১০/১৪ আদালতে মামলা দায়ের করি। বিজ্ঞ মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে তদন্তের নিদের্শ দেন।