ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে পুলিশ পরিবারের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও সুদ বাণিজ্যের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:৩২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে পুলিশ পরিবারের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও সুদ বাণিজ্যের অভিযোগ
সিএনএম প্রতিবেদনঃ
দীর্ঘদিন যাবত ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন ইকুরিয়া এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাসকারী এক নারী । এরইমধ্যে তার বাসায় ডাকাতী হয়। ডাকাত দলেরা ঐ পরিবারের প্রায় ৩ লক্ষ ৯৯ হাজার ১০০ শত টাকার মালামাল নিয়া যায়। ঐ মর্মে তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-৯৪, তারিখ-২৬/০৬/২০২৬ইং ঐ মামলায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরদ্ধে  মামলা দায়ের করেন। এলাকাবাসী ২জনকে সিসি ক্যামরার ফুটেজে শনাক্তপূর্বক আটক করিয়া দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় পুলিশে সোপর্দ করে।এরপর হতে অন্যান্য আসামীরা বিভিন্ন সময় ঐ নারীকে হুমকি দিয়া আসতেছিল

গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো  পুলিশ কনস্টেবল রাসেল ও এস.আই সাচ্চুর সোর্স হওয়ায় ঐ নারীকে বিভিন্নভাবে ডাকাত ও চোর সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যরা নানাভাবে ঐ নারী ও তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসতেছিল। এমতাবস্থায় ঐ নারী নিরুপায় হয়ে পুলিশ আইজিপিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন মহলে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে পারভীন বলেন-
এস.আই. সাচ্চু ও রাসেল সিন্ডিকেটের বিবাদীরা আমাকে বিভিন্ন সময় আমার যাতায়াত এর পথে আমাকে গতিরোধ করিয়া বিভিন্ন সময় নানা ধরনের ভয়ভীতি হুমকি প্রদর্শন করিয়া আসিতেছে। যাতে আমি আমার মামলায় কোন আসামীকে গ্রেফতার না করাই এবং দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা হতে মামলা তুলিয়া নেই।
এমতাবস্থায়, আমি মামলা তুলিয়া না নেওয়ায় আমার মামলার অজ্ঞাত ও নামীয় আসামী অনেকেই বিবাদীদের সেল্টারে ঢাকা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা ও নারী ব্যবসাসহ নানাবিধ অপরাধ কর্ম করে। বিবাদীরা অপরাধীদের কাছ হতে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করিয়া দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন ইকুরিয়া টিলাবাড়ি এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট বন্ধক রেখেছে ও ক্রয় করেছে।

এছাড়া অবৈধ টাকা দিয়া বিবাদীরা পরস্পর ঘনিষ্ঠ আত্বীয়স্বজন হওয়ায় তারা যোগসাজশে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন ইকুরিয়ার টিলাবাড়ি এলাকায় বহু মানুষের কাছে প্রায় কোটি টাকার অবৈধ সুদ ব্যবসা করছে। অনেকের কাছ হতে আসলের দ্বিগুণ সুদ নেওয়ার পরও চক্রবৃদ্ধি সুদ দাবী করে টাকা দেয় নাই বলিয়া বা বিভিন্ন স্বাক্ষীকে নাটকীয় সাজানো মামলায় জেল খাটাচ্ছে। ঐ সকল মামলার বাদী হয় পুলিশের স্ত্রী
সাদিয়া আক্তার স্বামী-এস.আই. মোঃ সাচ্চু মিয়া, পিতা-আলতাফ হোসেন, মাতা-নুরজাহান বেগম, স্থায়ী সাং তেওতা, বাছেট, থানা-শিবালয়, জেলা-মানিকগঞ্জ।  বর্তমান ঠিকানা-চম্পা গার্ডেন হাউজ, ইকুরিয়া টিলাবাড়ি, থানা-দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, জেলা-ঢাকা।

আলো আক্তার, স্বামী- কনেস্টবল   রাসেল, পিতা-মোঃ মিনহাজ উদ্দীন, মাতা-সেলিনা বেগম, স্থায়ী সাং-নাগরপুর, ডাকঘর : নাগরপুর-১৯৩৬, থানা-নাগরপুর, জেলা-টাঙ্গাইল।
সুদের ব্যবসার দন্ধে পুলিশের স্ক্রীরা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এস.আই. সাচ্চুর স্ত্রী সাদিয়া আক্তার
বাদী-সাদিয়া আক্তার, স্বামী-এস.আই. সাচ্চু তাদের মামলাগুলো-
১. সি. আর মামলা নং-১৩৬৪/২০২৫ ধারা-৪২০/৪০৬/৫০৬/ দন্ডবিধি, বাদী-সাদিয়া আক্তার, স্বামী-এস.আই. সাচ্চু
২. সি.আর মামলা নং-১৮৫০/২০২৫ ধারা-৪০৬/৪২০/৫০৬/১০৯ দন্ডবিধি, বাদী আলো আক্তার, স্বামী কনস্টেবল মোঃ রাসেল, ভোক্তভোগী ঐ নারী বলেন-
এদের বিরুদ্ধে কালবেলা মাল্টিমিডিয়াসহ একাধিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।
এমতাবস্থায় বিবাদী সাচ্চুগনরা ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন লোক দ্বারা আমার ক্ষতিসাধন করার জন্য নানাবিধ ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বিবাদীদের ভাড়াটিয়া লোকজন এলাকায় এসে আমাকে নানা ধরনের হুমকি ধুমকি দিচ্ছে। যাতে করে আমি এলাকা ছেড়ে চলে যাই আর আমার দায়েরকৃত মামলা তুলে নেই। বিবাদীদের সংঘবদ্ধ চক্রের ১জনের নাম জানতে পারি যার নাম জুয়েল, গত ২৮/১০/২০২৬ইং তারিখ ৪/৫জন লোক নিয়ে টিলাবাড়ি এসে আমার গতিরোধ করিয়া ঐ ব্যক্তিরা আলাদা আলাদাভাবে আমাকে ভয়ভীতি দেখায় আমি ভয় পেয়ে একটি রেস্টুরেন্ট-এ ডুকে পরি, ঐ রেস্টুরেন্ট-এ তারা ডুকে আমাকে টেনে হেচড়ে বের করে। তারপর আমি পাশের একটি টেইলার্সে গিয়ে আশ্রয় নিই। সেখানে যেও তারা নানা ধরনের হুমকি দেয় এবং বলে ২নং বিবাদী সাদিয়া আক্তার আমার নামে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরী ও অভিযোগ করেছে তাহারা এ সাধারণ ডায়েরী ও অভিযোগের তদন্তে এসেছে।

তারা নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বলে পরিচয় দেয় পরবর্তীতে ৪জন লোকের মধ্যে ১জনের নাম জানতে পারি তার নাম জুয়েল এই ব্যক্তি প্রতিদিন কোন না কোন সময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় ঘুরে ঘুরে ভোক্তভোগিদের সুবিধা বুঝে দালালী করে।
জুয়েলকে থানার দালাল  হিসাবেই এলাকার অনেক মানুষ চিনে। জুয়েল বিবাদীদের সুদের ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধীদের কাছ হতে মালামাল  কিনার সহায়তা ও এস.আই সাচ্চু, কন্সেটেবল রাসেল, সাদিয়া এবং আলোদের  সহযোগিতা করে থাকে এছাড়া ১ হতে ৪নং বিবাদীদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম দায়িত্ব পালন করে থাকেন। আমার ঘরে ডাকাতি ও চুরি সকল বিবাদীরা গোপন যোগসজশে শলাপরামর্শ করিয়া ডাকাতি করাইয়া ছিলেন মামলা করার ঐ সময় আমি সকলের সঠিক তথ্য না জানায় অজ্ঞাতনামা আসামী দিয়া ও পরবর্তীতে কিছু লোকের নাম উল্লেখ করিয়া মামলা করেছি। বর্তমানে বিবাদীরা আমার উক্ত মামলার অজ্ঞাতনামা আসামী হিসাবে গন্য হইবে।
যাহা আমি এতদিন পরে জানতে পারায় এখন বিবাদীরা আমাকে এলাকা ছেড়ে যাওয়া ও মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে ও নানাবিধ ষড়যন্ত্র করছে বিবাদীরা যে কোন সময় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক তাদের  অন্যান্য সহকর্মী বেইসম্যান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের মাধ্যমে অবৈধ দুব্যাদি দিয়া সাজানো মামলায় আমাকে ও আমার স্বামীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ফাসাইতে পারে। বা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাসহ দেশের যে কোন থানায় আমার নামে মিথ্যা সাধারণ ডায়েরী ও সাজানো অভিযোগ করতে পারে। ঐ ডায়েরী তদন্ত ছাড়া বিবাদীদের শুভাঙ্খী পুলিশ সদস্য দ্বারা আইনী প্রক্রিয়া তৈরী পূর্বক আদালতে মিথ্যা তথ্য প্রদান করিয়া বিচারককে ভুল বুঝাইয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করিয়া আমার মানসম্মান ক্ষুন্ন করতে পারে বা আমাকে বা আমার স্বামীকে সন্ত্রাসী দ্বারা হত্যা করিয়া লাশ গুম করিয়া ফালাইতে পারে। বা সুকৌশলে হত্যার মতো ঘটনা ঘটাইতে পারে।
এমন ধরনের ষড়যন্ত্র বিবাদী সাচ্চুগংরা করছে। আমার মামলার আসামীগনরা ও বিবাদীরা সকলেই বৈষম্যবিরুধী সৈরাচারী আওয়ামী দোসর বলে জানতে পারি। বাদী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন দফতরে সুপারিশ করেন।

উল্লেখতি বিষয় তদন্তপূর্বক বিবাদীদের আইন বর্হিভুত দুর্নীতিমূলক সুদের ব্যবসা বন্ধ করাসহ ও জমি-জমা ফ্ল্যাট কিনার কোটি কোটি টাকার আয়ের উৎস কি? তদন্তপূর্বক বিভাগীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে অবৈধ উপার্জনের অর্থ তাহা সরকারি কোষাগারে নিয়ে ও আমার মামলায় বিবাদীদের আসামী হিসাবে সংযুক্ত করতে আইজিপি মহোদয়ের কাছে অনুরোধ জানান।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে এরা হলো-
এস.আই সাচ্চু, কন্সেটেবল রাসেল, সাদিয়া আক্তার, আলো আক্তার, জুয়েলদের মুঠফোনে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য দেওয়া যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে পুলিশ পরিবারের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও সুদ বাণিজ্যের অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:৩২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে পুলিশ পরিবারের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও সুদ বাণিজ্যের অভিযোগ
সিএনএম প্রতিবেদনঃ
দীর্ঘদিন যাবত ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন ইকুরিয়া এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাসকারী এক নারী । এরইমধ্যে তার বাসায় ডাকাতী হয়। ডাকাত দলেরা ঐ পরিবারের প্রায় ৩ লক্ষ ৯৯ হাজার ১০০ শত টাকার মালামাল নিয়া যায়। ঐ মর্মে তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-৯৪, তারিখ-২৬/০৬/২০২৬ইং ঐ মামলায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরদ্ধে  মামলা দায়ের করেন। এলাকাবাসী ২জনকে সিসি ক্যামরার ফুটেজে শনাক্তপূর্বক আটক করিয়া দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় পুলিশে সোপর্দ করে।এরপর হতে অন্যান্য আসামীরা বিভিন্ন সময় ঐ নারীকে হুমকি দিয়া আসতেছিল

গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো  পুলিশ কনস্টেবল রাসেল ও এস.আই সাচ্চুর সোর্স হওয়ায় ঐ নারীকে বিভিন্নভাবে ডাকাত ও চোর সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যরা নানাভাবে ঐ নারী ও তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসতেছিল। এমতাবস্থায় ঐ নারী নিরুপায় হয়ে পুলিশ আইজিপিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন মহলে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে পারভীন বলেন-
এস.আই. সাচ্চু ও রাসেল সিন্ডিকেটের বিবাদীরা আমাকে বিভিন্ন সময় আমার যাতায়াত এর পথে আমাকে গতিরোধ করিয়া বিভিন্ন সময় নানা ধরনের ভয়ভীতি হুমকি প্রদর্শন করিয়া আসিতেছে। যাতে আমি আমার মামলায় কোন আসামীকে গ্রেফতার না করাই এবং দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা হতে মামলা তুলিয়া নেই।
এমতাবস্থায়, আমি মামলা তুলিয়া না নেওয়ায় আমার মামলার অজ্ঞাত ও নামীয় আসামী অনেকেই বিবাদীদের সেল্টারে ঢাকা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা ও নারী ব্যবসাসহ নানাবিধ অপরাধ কর্ম করে। বিবাদীরা অপরাধীদের কাছ হতে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করিয়া দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন ইকুরিয়া টিলাবাড়ি এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট বন্ধক রেখেছে ও ক্রয় করেছে।

এছাড়া অবৈধ টাকা দিয়া বিবাদীরা পরস্পর ঘনিষ্ঠ আত্বীয়স্বজন হওয়ায় তারা যোগসাজশে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন ইকুরিয়ার টিলাবাড়ি এলাকায় বহু মানুষের কাছে প্রায় কোটি টাকার অবৈধ সুদ ব্যবসা করছে। অনেকের কাছ হতে আসলের দ্বিগুণ সুদ নেওয়ার পরও চক্রবৃদ্ধি সুদ দাবী করে টাকা দেয় নাই বলিয়া বা বিভিন্ন স্বাক্ষীকে নাটকীয় সাজানো মামলায় জেল খাটাচ্ছে। ঐ সকল মামলার বাদী হয় পুলিশের স্ত্রী
সাদিয়া আক্তার স্বামী-এস.আই. মোঃ সাচ্চু মিয়া, পিতা-আলতাফ হোসেন, মাতা-নুরজাহান বেগম, স্থায়ী সাং তেওতা, বাছেট, থানা-শিবালয়, জেলা-মানিকগঞ্জ।  বর্তমান ঠিকানা-চম্পা গার্ডেন হাউজ, ইকুরিয়া টিলাবাড়ি, থানা-দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, জেলা-ঢাকা।

আলো আক্তার, স্বামী- কনেস্টবল   রাসেল, পিতা-মোঃ মিনহাজ উদ্দীন, মাতা-সেলিনা বেগম, স্থায়ী সাং-নাগরপুর, ডাকঘর : নাগরপুর-১৯৩৬, থানা-নাগরপুর, জেলা-টাঙ্গাইল।
সুদের ব্যবসার দন্ধে পুলিশের স্ক্রীরা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এস.আই. সাচ্চুর স্ত্রী সাদিয়া আক্তার
বাদী-সাদিয়া আক্তার, স্বামী-এস.আই. সাচ্চু তাদের মামলাগুলো-
১. সি. আর মামলা নং-১৩৬৪/২০২৫ ধারা-৪২০/৪০৬/৫০৬/ দন্ডবিধি, বাদী-সাদিয়া আক্তার, স্বামী-এস.আই. সাচ্চু
২. সি.আর মামলা নং-১৮৫০/২০২৫ ধারা-৪০৬/৪২০/৫০৬/১০৯ দন্ডবিধি, বাদী আলো আক্তার, স্বামী কনস্টেবল মোঃ রাসেল, ভোক্তভোগী ঐ নারী বলেন-
এদের বিরুদ্ধে কালবেলা মাল্টিমিডিয়াসহ একাধিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।
এমতাবস্থায় বিবাদী সাচ্চুগনরা ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন লোক দ্বারা আমার ক্ষতিসাধন করার জন্য নানাবিধ ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বিবাদীদের ভাড়াটিয়া লোকজন এলাকায় এসে আমাকে নানা ধরনের হুমকি ধুমকি দিচ্ছে। যাতে করে আমি এলাকা ছেড়ে চলে যাই আর আমার দায়েরকৃত মামলা তুলে নেই। বিবাদীদের সংঘবদ্ধ চক্রের ১জনের নাম জানতে পারি যার নাম জুয়েল, গত ২৮/১০/২০২৬ইং তারিখ ৪/৫জন লোক নিয়ে টিলাবাড়ি এসে আমার গতিরোধ করিয়া ঐ ব্যক্তিরা আলাদা আলাদাভাবে আমাকে ভয়ভীতি দেখায় আমি ভয় পেয়ে একটি রেস্টুরেন্ট-এ ডুকে পরি, ঐ রেস্টুরেন্ট-এ তারা ডুকে আমাকে টেনে হেচড়ে বের করে। তারপর আমি পাশের একটি টেইলার্সে গিয়ে আশ্রয় নিই। সেখানে যেও তারা নানা ধরনের হুমকি দেয় এবং বলে ২নং বিবাদী সাদিয়া আক্তার আমার নামে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরী ও অভিযোগ করেছে তাহারা এ সাধারণ ডায়েরী ও অভিযোগের তদন্তে এসেছে।

তারা নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বলে পরিচয় দেয় পরবর্তীতে ৪জন লোকের মধ্যে ১জনের নাম জানতে পারি তার নাম জুয়েল এই ব্যক্তি প্রতিদিন কোন না কোন সময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় ঘুরে ঘুরে ভোক্তভোগিদের সুবিধা বুঝে দালালী করে।
জুয়েলকে থানার দালাল  হিসাবেই এলাকার অনেক মানুষ চিনে। জুয়েল বিবাদীদের সুদের ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধীদের কাছ হতে মালামাল  কিনার সহায়তা ও এস.আই সাচ্চু, কন্সেটেবল রাসেল, সাদিয়া এবং আলোদের  সহযোগিতা করে থাকে এছাড়া ১ হতে ৪নং বিবাদীদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম দায়িত্ব পালন করে থাকেন। আমার ঘরে ডাকাতি ও চুরি সকল বিবাদীরা গোপন যোগসজশে শলাপরামর্শ করিয়া ডাকাতি করাইয়া ছিলেন মামলা করার ঐ সময় আমি সকলের সঠিক তথ্য না জানায় অজ্ঞাতনামা আসামী দিয়া ও পরবর্তীতে কিছু লোকের নাম উল্লেখ করিয়া মামলা করেছি। বর্তমানে বিবাদীরা আমার উক্ত মামলার অজ্ঞাতনামা আসামী হিসাবে গন্য হইবে।
যাহা আমি এতদিন পরে জানতে পারায় এখন বিবাদীরা আমাকে এলাকা ছেড়ে যাওয়া ও মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে ও নানাবিধ ষড়যন্ত্র করছে বিবাদীরা যে কোন সময় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক তাদের  অন্যান্য সহকর্মী বেইসম্যান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের মাধ্যমে অবৈধ দুব্যাদি দিয়া সাজানো মামলায় আমাকে ও আমার স্বামীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ফাসাইতে পারে। বা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাসহ দেশের যে কোন থানায় আমার নামে মিথ্যা সাধারণ ডায়েরী ও সাজানো অভিযোগ করতে পারে। ঐ ডায়েরী তদন্ত ছাড়া বিবাদীদের শুভাঙ্খী পুলিশ সদস্য দ্বারা আইনী প্রক্রিয়া তৈরী পূর্বক আদালতে মিথ্যা তথ্য প্রদান করিয়া বিচারককে ভুল বুঝাইয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করিয়া আমার মানসম্মান ক্ষুন্ন করতে পারে বা আমাকে বা আমার স্বামীকে সন্ত্রাসী দ্বারা হত্যা করিয়া লাশ গুম করিয়া ফালাইতে পারে। বা সুকৌশলে হত্যার মতো ঘটনা ঘটাইতে পারে।
এমন ধরনের ষড়যন্ত্র বিবাদী সাচ্চুগংরা করছে। আমার মামলার আসামীগনরা ও বিবাদীরা সকলেই বৈষম্যবিরুধী সৈরাচারী আওয়ামী দোসর বলে জানতে পারি। বাদী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন দফতরে সুপারিশ করেন।

উল্লেখতি বিষয় তদন্তপূর্বক বিবাদীদের আইন বর্হিভুত দুর্নীতিমূলক সুদের ব্যবসা বন্ধ করাসহ ও জমি-জমা ফ্ল্যাট কিনার কোটি কোটি টাকার আয়ের উৎস কি? তদন্তপূর্বক বিভাগীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে অবৈধ উপার্জনের অর্থ তাহা সরকারি কোষাগারে নিয়ে ও আমার মামলায় বিবাদীদের আসামী হিসাবে সংযুক্ত করতে আইজিপি মহোদয়ের কাছে অনুরোধ জানান।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে এরা হলো-
এস.আই সাচ্চু, কন্সেটেবল রাসেল, সাদিয়া আক্তার, আলো আক্তার, জুয়েলদের মুঠফোনে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য দেওয়া যায়নি।