*হাজারীবাগে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি ও মাদক সিন্ডিকেট: নেপথ্যে কথিত সোহেল ও টোকাই রবিন, ২৪’শে জুলাই যোদ্ধাকে অপহরণের অভিযোগ
সিএনএমঃ
রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় সাংবাদিক পরিচয়ে অর্থ আদায়, চাঁদাবাজি এবং বিশাল এক মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে কথিত একজন ভুয়া সাংবাদিক মো. সোহেল ও তার প্রধান সহযোগী নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী যুবলীগ নেতা রাইজুল ইসলাম রবিন ওরফে টোকাই রবিনের বিরুদ্ধে।
বিভিন্ন টেলিভিশন ও গণমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে হাজারীবাগ ও গণকটুলি সিটি কলোনি এলাকায় এরা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি এই চক্রের অপকর্মের খতিয়ান তুলে ধরে জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একজন গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা ও গণমাধ্যম কর্মীর অভিযোগ, এই সন্ত্রাসী ও মাদক চক্রের আসল রূপ জনসম্মুখে উন্মোচন করার কারণে সম্প্রতি কথিত সাংবাদিক সোহেলের নির্দেশে তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অপহরণ করা হয়। পরবর্তীকালে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক একটি আপত্তিকর ভিডিও রেকর্ড করা হয়, যা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে এই চক্রটি। সত্য প্রকাশ করায় বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
অনুসন্ধানে এবং স্থানীয়দের দেওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কথিত সাংবাদিক সোহেল নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও নারী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সাপ্তাহিক ২ থেকে ৩ হাজার টাকা করে অবৈধ চাঁদা আদায় করে আসছে। চাঁদা না দিলে মামলা ও মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখাতো সে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রাতের অন্ধকারে সোহেল এবং হাজারীবাগ থানা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক টোকাই রবিন একত্রিত হয়ে পুরো এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। এই ঘটনায় ইতিপূর্বে হাজারীবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাছে অপহরণের অভিযোগ ইতিপূর্বে হয়েছে বলে ডকুমেন্ট রয়েছে বা করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী জুলাই যোদ্ধা ও স্থানীয় জনসাধারণ বর্তমান সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এই ভুয়া সাংবাদিক সোহেল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগ নেতা টোকাই রবিনসহ তাদের পুরো সশস্ত্র বাহিনীকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।
Reporter Name 
























