ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যাত্রাবাড়ী বাসা বাড়িতে নারী চোরের উপদ্রব বেড়েছে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৫:১৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

যাত্রাবাড়ী বাসা বাড়িতে নারী চোরের উপদ্রব বেড়েছে

 

সিএনএমঃ

যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিভিন্ন বাসা বাড়িতে নারী চোরের উপদ্রব বেড়েই চলছে। ফাঁক বুঝে বাসা বাড়িতে ডুকে মোবাইল, টেলিভিশন ও জামাকাপড় থেকে শুরু করে ঘরের আসবাবপত্র পর্যন্ত এই চোরেরা ছাড়ে না। এ সকল চোরদের কারণে এলাকার লোকজন বিভিন্ন সময় সর্বস্ব হারিয়ে থানায় এসে ধর্না ধরেন পুলিশের কাছে, ঐ সকল অজ্ঞাত চোরদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় ভোক্তভোগীরা থানায় জিডি করে শান্ত থাকেন। রাহুল নামে এক ভোক্তভোগী অজ্ঞাত পরিচয়ের চোরের বিরুদ্ধে মোবাইল চুরির সাধারণ ডায়েরী করেন। যাত্রাবাড়ী থানার জিডি নং-৯১৫ তারিখ-০৮/০৮/২০২৬ইং এরপর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ঐ চিহিৃত চোরকে খুজতে থাকেন।

হঠাৎ যাত্রাবাড়ী চন্দনকোঠা এলাকার জাকির মদবরের বাড়ি বসাবসরত ঐ ব্যক্তির বাসায় পুনরায় তালা ভেঙ্গে আবারও চোরেরা চুরি করে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায় আগেও পরের একই নারী ঐ ঘরে চুরি করেন। এরপর ব্যাপক খোজাখুজির পর শনিরআখড়া এক বাসায় গিয়ে ঐ চোরের খোজ পেয়ে বাদীসহ যাত্রাবড়ী থানার এসআই মাজাহার তার সঙ্গীফোজ নিয়ে চোরের বাসায় গিয়ে তাকে গ্রেফতার করে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে আসেন। পরেরদিন বিচারের জন্য ভ্রাম্যমান আদালতে পাঠিয়ে দেন।
গ্রেফতার হওয়ার চুন্নী পুলিশের কাছে তার নাম বলে- প্রথমে স্মৃতি, বৃষ্টি, এরপর সাথী।

খোজ নিয়ে জানা যায় ঐ নারী চোর-এর একটি বড় ধরনের সিন্ডিকেট রয়েছে তাদের কাজ হচ্ছে নানা বাহনায় বিভিন্ন মানুষের বাসা বাড়ির তালা মারা ঘরের দরজার তালা কেটে ও গিরিল কেটে বিভিন্ন উপায়ে মানুষের ভাড়াটিয়া বাসায় প্রবেশ করে মালামাল চুরি করে তাদের ৩০/৪০ জনের যাত্রাবাড়ী এলাকায় একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। এই সিন্ডিকেট বিভিন্নভাবে বিভক্ত হয়ে ছোট ছোট দলে রাতের আধারে যাত্রাবাড়ী আড়তে আসা পিকআপ ভ্যান ও ভ্যানগাড়ী হতে সিন্ডিকেটের পুরুষ চোরেরা মাছ ও তরকারি চুরি করে। কেউ বাধা দিলে তাদেও সাথে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত পর্যন্ত করে।

আরেক গ্রুপ অলিগলিতে ডুকে ঘুমন্ত মানুসের বাসা থেকে তাদের সুযোগ বুঝে আর্থিক মূল্যবান জিনিসপত্র নগদ অর্থসহ বিভিন্ন আসবাব পর্যন্ত চুরি করে। চুরি ছাড়াও এরা সময় পেলে ইয়াবার মতো মরন নেশা ও মাদক বেচাকেনা করে।

বাদী সূত্রে জানা যায়- এদের দলনেতা র‌্যাব-১০ এর যাত্রাবাড়ী সিপিসি-০১ এর র‌্যাব এর সোর্স পরিচয়দানকারী ভাতিজা শিশির, কবির হোসেন মিরাজ, বরিশাল সিন্নিরচরের দলিল উদ্দিন মিয়ার ছেলে জসিম, সদরঘাটের সাবেক যুবলীগ নেতা জাভেল হোসেন পাপন এছাড়াও তাদের সংঘবদ্ধ চক্রে একাধিক নারীও রয়েছে বলে জানা যায়। এরা মাঝেমধ্যে পুলিশের কাছে ধরা পড়লেও নিয়মিত মামলা দায়ের করা ছাড়া ভ্রাম্যমান আদালতে পাঠিয়ে দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

যাত্রাবাড়ী বাসা বাড়িতে নারী চোরের উপদ্রব বেড়েছে

আপডেট সময় ০৫:১৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

যাত্রাবাড়ী বাসা বাড়িতে নারী চোরের উপদ্রব বেড়েছে

 

সিএনএমঃ

যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিভিন্ন বাসা বাড়িতে নারী চোরের উপদ্রব বেড়েই চলছে। ফাঁক বুঝে বাসা বাড়িতে ডুকে মোবাইল, টেলিভিশন ও জামাকাপড় থেকে শুরু করে ঘরের আসবাবপত্র পর্যন্ত এই চোরেরা ছাড়ে না। এ সকল চোরদের কারণে এলাকার লোকজন বিভিন্ন সময় সর্বস্ব হারিয়ে থানায় এসে ধর্না ধরেন পুলিশের কাছে, ঐ সকল অজ্ঞাত চোরদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় ভোক্তভোগীরা থানায় জিডি করে শান্ত থাকেন। রাহুল নামে এক ভোক্তভোগী অজ্ঞাত পরিচয়ের চোরের বিরুদ্ধে মোবাইল চুরির সাধারণ ডায়েরী করেন। যাত্রাবাড়ী থানার জিডি নং-৯১৫ তারিখ-০৮/০৮/২০২৬ইং এরপর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ঐ চিহিৃত চোরকে খুজতে থাকেন।

হঠাৎ যাত্রাবাড়ী চন্দনকোঠা এলাকার জাকির মদবরের বাড়ি বসাবসরত ঐ ব্যক্তির বাসায় পুনরায় তালা ভেঙ্গে আবারও চোরেরা চুরি করে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায় আগেও পরের একই নারী ঐ ঘরে চুরি করেন। এরপর ব্যাপক খোজাখুজির পর শনিরআখড়া এক বাসায় গিয়ে ঐ চোরের খোজ পেয়ে বাদীসহ যাত্রাবড়ী থানার এসআই মাজাহার তার সঙ্গীফোজ নিয়ে চোরের বাসায় গিয়ে তাকে গ্রেফতার করে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে আসেন। পরেরদিন বিচারের জন্য ভ্রাম্যমান আদালতে পাঠিয়ে দেন।
গ্রেফতার হওয়ার চুন্নী পুলিশের কাছে তার নাম বলে- প্রথমে স্মৃতি, বৃষ্টি, এরপর সাথী।

খোজ নিয়ে জানা যায় ঐ নারী চোর-এর একটি বড় ধরনের সিন্ডিকেট রয়েছে তাদের কাজ হচ্ছে নানা বাহনায় বিভিন্ন মানুষের বাসা বাড়ির তালা মারা ঘরের দরজার তালা কেটে ও গিরিল কেটে বিভিন্ন উপায়ে মানুষের ভাড়াটিয়া বাসায় প্রবেশ করে মালামাল চুরি করে তাদের ৩০/৪০ জনের যাত্রাবাড়ী এলাকায় একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। এই সিন্ডিকেট বিভিন্নভাবে বিভক্ত হয়ে ছোট ছোট দলে রাতের আধারে যাত্রাবাড়ী আড়তে আসা পিকআপ ভ্যান ও ভ্যানগাড়ী হতে সিন্ডিকেটের পুরুষ চোরেরা মাছ ও তরকারি চুরি করে। কেউ বাধা দিলে তাদেও সাথে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত পর্যন্ত করে।

আরেক গ্রুপ অলিগলিতে ডুকে ঘুমন্ত মানুসের বাসা থেকে তাদের সুযোগ বুঝে আর্থিক মূল্যবান জিনিসপত্র নগদ অর্থসহ বিভিন্ন আসবাব পর্যন্ত চুরি করে। চুরি ছাড়াও এরা সময় পেলে ইয়াবার মতো মরন নেশা ও মাদক বেচাকেনা করে।

বাদী সূত্রে জানা যায়- এদের দলনেতা র‌্যাব-১০ এর যাত্রাবাড়ী সিপিসি-০১ এর র‌্যাব এর সোর্স পরিচয়দানকারী ভাতিজা শিশির, কবির হোসেন মিরাজ, বরিশাল সিন্নিরচরের দলিল উদ্দিন মিয়ার ছেলে জসিম, সদরঘাটের সাবেক যুবলীগ নেতা জাভেল হোসেন পাপন এছাড়াও তাদের সংঘবদ্ধ চক্রে একাধিক নারীও রয়েছে বলে জানা যায়। এরা মাঝেমধ্যে পুলিশের কাছে ধরা পড়লেও নিয়মিত মামলা দায়ের করা ছাড়া ভ্রাম্যমান আদালতে পাঠিয়ে দেন।