যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের সাথে আওয়ামীলীগের ঝটিকা মিছিলকারী বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামীগনের সাথে পূর্ব থেকে গোপন সুম্পর্ক থাকায় আমার ধর্ষনের চেষ্টার ঘটনায় এজাহার দিলে, উক্ত এজাহারপত্রে উল্লেখিত পন্যগ্রাফি আইনের ধারার কথাবার্তা কেটে দিয়ে তাদের মনগড়া একটি এজাহার লিখে তাতে আমার স্বাক্ষর করিয়ে এজাহার গ্রহণ করে।ভোক্তভোগী নারী বলেন- আমার মামলার পলাতক আসামী আওয়ামীলীগ সদস্য সুমনগংরা রাজধানীতে অরাজকতা সৃষ্টি করার জন্য আওয়ামীলীগের ঝটিকা মিছিল করতে ফন্দিফিকির করছিল। গোপনসূত্রে এমন মিটিং এর খবর পাইয়া আমার মামলার আসামীদের শনাক্ত করা কালীন আমার আগমনের তথ্য কোনভাবে আসামীদের কাছে পৌছে যায় এরমধ্যে আসামীরা আমাকে দেখতে পেয়ে হঠাৎ আমার চারিপাশ ঘিরে ফেলে জোরপূর্বক আমাকে সায়েদাবাদ জনপথ মোড় থেকে ২৫/১/সি, এম আর প্লাজা, আল হায়াত আবাসিক হোটেল এর তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় আমাকে নিয়ে যায়।
আমি সুযোগ বুঝে ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল করে যাত্রাবাড়ী থানার ডিউটি অফিসার ও অফিসার ইনচার্জকে বিষয়টি অবগত করি। আমাকে উদ্ধারের জন্য যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে আসে নাই। এক পর্যায়ে আমাকে বিবস্ত্র করিয়া সুমনগংরা ধর্ষনের চেষ্টা করে। এরইমধ্যে বিবাদীদের হাত হতে আমি রক্ষা পাওয়ার জন্য তাদেরকে জানাই কিছুক্ষনের মধ্যে থানার পুলিশ আসতেছে আর আমার ঘটনা আমি পুলিশকে জানাইছি। ঐ মুহুর্তে বিবাদী সুমনগংরা বলে যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ কর্মকর্তারা নাকি আওয়ামীলীগ সদস্য মামলার পলাতক আসামী সুমনগংদের নাকি বড়ভাই তাই আল হায়াত আবাসিক হোটেলে যা কিছু হোক যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ কখনই আসবে না।
এক পর্যায়ে আমার মোবাইল চেক করে তারা নম্বর দেখতে পায় যে আমি সত্যি সত্যি পুলিশকে ফোন দিয়েছিলাম। একপর্যায়ে বিবাদীরা আমাকে নানাবিধ ভয়ভীতি দেখাইয়া মারধর করিয়া মাথা ফাটাইয়া উক্ত ঘটনাস্থল থেকে নামাইয়া দেয়। আমি ফাটা মাথা নিয়া রক্ত্যাক্ত অবস্থায় যাত্রাবাড়ী থানায় গিয়ে এসআই আশরাফ সাহেবকে দেখাই। এসআই আশরাফ সাহেব আমাকে হাসপাতালে যাওয়ার সুপরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি হাসপাতালে যেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করে থানায় এসে লিখিত এজাহার দেই। এজাহার দেখে যাত্রাবাড়ী থানার ইন্সিপেক্টর তদন্ত, ইন্সিপেক্টর অপারেশন তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে আমার এজাহারপত্রের ২সেটের একটি সেট থানায় রেখে দেন অন্য সেট আমাকে ধরিয়ে দিয়ে থানা থেকে বিদায় করে দেয়। এজাহার দেওয়ার পর আমি একাধিকবার থানায় যাই থানায় যেয়ে ওসি তদন্ত, ওসি অপারেশন কাউকে পাই না। থানার অন্যান্য এস.আই দের সাথে কথা বললে তারা ওসি সাহেবের দোহায় দেন আর ওসি সাহেবকে খুজতে গেলে পাওয়া যায় না। বহুবার ফোন দিয়েছি তাতেও তাকে পাইনি বিধায় আমি নিরাপত্তাহীনতায় রহিয়াছি। আসামীরা আমাকে যে কোন সময় হত্যা করিয়া লাশ গুম করিয়া ফালাইতে পারে এজন্য দায়ি থাকিবেন যাত্রাবাড়ী থানার ইন্সিপেক্টর অপারেশন, ইন্সিপেক্টের তদন্ত, অফিসার ইনচার্জ এবং আমার ৪ মামলার আসামী ও বিবাদী সুমনগংরা।
উল্লেখিত বিষয়বস্তু অভিযোগ আকারে ইমেইল এর মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম), অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার মহোদয় এর বরাবরে অভিযোগ পাঠাই। এরপর ০৪/১০/২০২৬ইং তারিখ ঘন্টাখানিক পর যাত্রাবাড়ী থানার এস.আই আশরাফ আমাকে থানায় ডেকে নিয়ে আমার ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় দেওয়া এজাহার পত্রের লেখাগুলো কেটেছিড়ে পন্যগ্রাফি আইনের ধারাসহ কিছু ধারা বাদ দিয়ে কোনমতে যাত্রাবাড়ী থানায় রাতে একটি এজাহার গ্রহণ করে। এস.আই আশরাফ সাহেব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে থানা থেকে আমাকে জানানো হয় নাই এবং মামলার কোন কপিও আমাকে দেয়নি বিধায় মামলা নম্বর, কি ধারায় মামলা নিয়েছে তা এখনো আমি জানি না।
থানায় গিয়ে মামলার কাগজ চাইলে এস.আই আশরাফ ও থানার মুন্সী সাহেব অদ্য পর্যন্ত আমাকে কোন মামলার কাগজ দেয়নি এবং আসামীরা যাত্রাবাড়ী থানার আশে পাশে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ কোন আসামী গ্রেফতার করে নাই। গোপনে আসামীদের কাছ হতে যাত্রাবাড়ী থানার ইন্সিপেক্টর তদন্ত, ইন্সিপেক্টর অপারেশর, এস.আই আশরাফ গোপানে মোটা অংকের অর্থ গ্রহণ করে।
আমার ঘটনায় এজাহারে – উল্লেখিত বিষয়বস্তু এজাহারের ভিতরে ২ লাইনে লেখা ছিল বিবাদীরা আমাকে বিবস্ত্র করিয়া বিবাদীদের সাথে থাকা মোবাইল ক্যামেরায় ভিডিও ফুটেজ ও স্টীল ছবি ধারন করে তাদের বন্ধুবান্ধবসহ বিভিন্ন লোকদের কাছে পাঠিয়েছিল। যাতে আমি সমাজে মানসম্মানহানি হয়ে উচু মাথায় চলতে না পারি। বা আমি স্কুলের শিক্ষা সমাজে মিশতে না পারি এজন্য আমার বিবস্ত্র করা স্টীল ছবি ও ভিডিও উদ্ধার তো ধুরের কথা ঐ পন্যগ্রাফি ধারা মামলা উল্লেখ করে নাই। এটা পুলিশের দায়িত্ব অবহেলা বা আসামীদের সাথে সখ্যতা যাহা প্রমান ঘটনাস্থলের একাধিক সিসি ক্যামেরার ফুটেজে রহিয়াছে। রুম থেকে বের করে আমাকে বিবস্ত্র অবস্থায় এক রুম হতে আরেক রুমে নিয়ে গেছে ঐ সকল ভিডিও ফুটেজ ঘটনাস্থলের একাধিক সিসি ক্যামেরায় ফুটেজ ধারন করা রহিয়াছে। পুলিশের সাথে ঘটনাস্থল আলহায়াত আবাসিক হোটেলের মালিক আবুল হোসেন সবুজ সমুনগংদের সাথে যাত্রাবাড়ী থানার ইন্সিপেক্টর তদন্ত, ইন্সিপেক্টর অপারেশন এর সাথে গভীরভাবে গোপন চাদাবাজির ও আর্থিক লেনদেনের সুবিধা থাকায় ঘটনাস্থল নারী ব্যবসায়ী আল হায়াত আবাসিক হোটেলের বিবাদীর বাচানোর লক্ষ্যে হোটেলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজও পুলিশ সংগ্রহ করেছিল। ঐ ফুটেজ গোপন করে বিবাদীদের মামলা হতে বাচানোর তাগিদে ও আওয়ামীলীগ দলীয় সদস্যদের জাগ্রত করতে এবং তাদের দিয়ে যাত্রাবাড়ী থানার আওয়ামী পুলিশ কর্মকর্তারা বিবাদীদের গোপন সহায়তা করছে তাদের অর্থের যোগান দিতে ঘটনাস্থল ভবনে বিভিন্ন তলা বিভিন্ন কক্ষে নারী ও মাদক ব্যবসা করতে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ গোপন সহযোগিতা করেই যাচ্ছে। পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে এ সকল অপরাধীদের সহযোগীতা করে যাচ্ছে। বিবাদীদের বিরুদ্ধে শত মামলা থাকলেও যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের আশকারায় গ্রেফতার হয় না।
আমার ঘটনা ছাড়াও বিবাদীদের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বাদী হেলেনা যাত্রাবাড়ী থানার সিআর মামলা নং-৬০৮/২৪, ধারা-৩০২/৩৪/১০৯/১৪৯/ পেনালকোড ১৮৬০
যাত্রাবাড়ী থানায় আমার দেওয়া প্রথম এজাহারের সাথে “উদ্ধর্তন” কর্মকর্তাদের বরাবরে প্রেরিত অভিযোগের সাথে মিল থাকলেও বর্তমান কাটাছেড়া করে যাত্রাবাড়ী থানায় গ্রহণ করা এজাহারের সাথে মিল নাই। তাতে পন্যগ্রাফি ধারাসহ আরো কিছুৃ ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে আদো কি আমার মামলা যাত্রাবাড়ী থানায় হয়েছে কি তা এখন পর্যন্ত নিশ্চত হতে পারি নাই। বাদী যাত্রাবাড়ী থানার দায়িত্ব অবহেলাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে ও তার জীবনের নিরাপত্তা দিতে পুলিশের আইজিপিসহ উদ্ধর্তন মহলে বিভিন্ন দফতরে ইমেইলের মাধ্যমে তার আবেদন পত্র পাঠিয়েছেন বলে ভোক্তভোগী ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে অবগত করেন।
এ বিষয়ে যাত্রাবাড়ী থানার অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের মুঠফোনে তাদের না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
Reporter Name 
























