আমার মেয়ে মেহেরনিগার আক্তার রিপা (১৯), পিতা-মোঃ ফিরোজ খান। ও তার কন্যা সন্তান নুসরাত জাহান নাদিয়া, পিতা-আব্দুল হালিম, আমি এই মর্মে এজাহার দায়ের করেতেছি যে,আমার মেয়ের বয়স যখন ১৩ বছর ঐ সময় আমার মেয়ে রিপাকে ফুসলাইয়া নিয়া যাইয়া আব্দুল হালিম নামক ব্যক্তি আমার মেয়ে রিপাকে ২০২০সালের ১লা জানুয়ারী দিন বসুন্ধরা এলাকার অজ্ঞাতনামা স্থানে নিয়ে রিপাকে ধর্ষন করে। বিষয়টি আমি জানতে পেরে রিপাকে উদ্ধার করে দক্ষিল কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা করার জন্য যাই। এরইমধ্যে সুভাঢ্যা ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ দলীয় প্রভাবশালী সন্ত্রাসী ইকবাল চেয়ারম্যান অপপ্রভাব খাটিয়ে আমাকে মামলায় যেতে না দিয়ে থানা হতে সন্ত্রাসী বৈষম্য বিরুধী আওয়ামীলীগ দলীয় লোকজন দিয়ে তুলে নিয়ে যায় চেয়ারম্যান অফিসে এক পর্যয়ে
অনেক দেন-দরবারের পর সিদ্ধান্ত হয় আব্দুল হালিম আমার মেয়ে রিপাকে বিয়ে করবে। এক পর্যায়ে করোনাকালিন লকডাউনের সময় আমি নিরুপায় হয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের চাপের মুখে পড়ে আমার নাবালক মেয়ে রিপার বিয়ের সিদ্ধান্তে রাজি হই।
ঐ সময় আওয়ামী দোসর শুভাঢ্যা ইউনিয়নের ইকবাল চেয়ারম্যানের চাপের মুখে পড়ে নাবালক মেয়ে রিপাকে আব্দুল হালিম এর সাথে অজ্ঞাতনামা একজন এলাকার মুন্সি ডেকে শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ের কাজ সম্পূর্ণ করা হয়। বয়স না হওয়ায় কোন কাজী রেজিষ্ট্রি করতে তখন স্বীকার হননি।
এরপর আমার মেয়ে রিপাকে নিয়ে তার স্বামী আব্দুল হালিম, পিতা- মোঃ আজিজ ঠিকানা-কাজী উদ্দিন পাটোয়ারী বাড়ী, সাং-দুর্গাপুর, থানা-সোনাগাজী, জেলা-ফেনী। তাহারা আমার বাসা ছাড়িয়া তার স্ত্রীকে নিয়ে অনত্র চলিয়া যায়। প্রায় ৩বছর পর আমার মেয়ে রিপাকে মৌখিকভাবে তালাকপূর্বক এক পর্যায়ে মেয়ে ও নাতিনকে আমার বাসায় দিয়া আব্দুল হালিম চলিয়া যায়। মাস তিনেক পর জানতে পারি আব্দুল হালিম বিদেশ চলিয়া গেছে।
এমতাবস্থায় আমার মেয়ে রিপা ও নাতিন নাদিয়া গত ২৬/০৯/২০২৬ইং তারিখ আমার বাসা হইতে ৯নং বিবাদীর হুকুমে ১, ২ ও ৪নং বিবাদী আমার মেয়ে ও নাতিনকে নদীর পাড়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলিয়া আমার বাসা হইতে বাহির করিয়া তাদের সাথে নিয়া যায়। এরপর হইতে আমার মেয়ে ও নাতিনকে খুজিয়া না পাইয়া আমার আত্বীয়স্বজনসহ বিভিন্ন জায়াগায় খোজাখুজি করিতে থাকি।
এমতাবস্থায় অজ্ঞাতনামা একটি নম্বর হইতে আমার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে ফোন আসলে আমি রিসিভ করার পর অজ্ঞাতনামা ফোনে আমার মেয়ে কান্নাকাটি করিয়া জানায় ও বিবাদীদের নাম উল্লেখ করে বলে বিবাদীরা তাকে অপহরণ করিয়া নিয়া গেছে। এক পর্যায়ে বিবাদীদের সাথে ঐ ফোনেই কথা বলি একেরপর এক বিবাদীগনরা আমাকে জানায় ৫লক্ষ টাকা মুক্তিপন দিতে পারলে আমার মেয়ে ও নাতিনকে বিবাদীরা আমার কাছে ফেরত দিবে। নয়তো নাতিন নাদিয়াকে এবং আমার মেয়ে রিপাকে তারা অনত্র বিক্রি করে দিেেব। আর নয়তো হত্যা করিয়া লাশ গুম করিয়া ফালাইবে। ঐ সময় আমার মেয়ে রিপা ঐ ফোনেই আমাকে জানায় আমার মেয়ের উপর বিবাদীরা নানা ধরনের পাশবিক নির্যাতন চালাইতেছে। নির্যাতনের ফলে ভিক্টিমগনদের যে কোন বড় ধরনের ক্ষতি হইতে পারে।
এমতাবস্থায় বিবাদীদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করিয়া থানায় গিয়া গত ১২/১০/২০২৬ইং তারিখে এজাহার দায়ের
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করার পর আমার এজাহার বাদ দিয়ে ইন্সিপেক্টর তদন্তের নির্দেশে এস.আই. মনির আমাকে ভয়ভীতি প্রদর্শনপূর্বক জোরপূর্বক তাদের লেখা একটি কাগজে স্বাক্ষর নেন এবং বলেন যে পুলিশের বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দায়ের করেছো তাই তোমার দেওয়া এজাহার গ্রহণ করা হবে না। ওসি ও সার্কেল এসপির নির্দেশে আমরা যে এজাহার লিখে দিয়েছি এই এজাহারেই স্বাক্ষর দাও জোরপূর্বক আমার কাছ থেকে স্বাক্ষর নেয় তাদের লেখা এজাহার আমার এজাহারের সাথে গড়মিল রয়েছে। যাহা আমার এজাহারের সাথে অনেক আইনের গড়মিল করে আমার অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু ধর্ষিতা মেয়েকে প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে আসামীদের বাচানোর লক্ষ্যে এবং যে সকল আসামীদের সাথে ইন্সিপেক্টর তদন্ত আজগর, এস.আই. মনির ও সার্কেল এসপির সাথে গোপনে মোটা অংকের আর্থিক লেনদেন হয়েছে ঐ সকল আসামীদের পুলিশের লেখা এজাহারে বাদ দেওয়া হয়েছে। ১১জন আসামীর পরিবর্তে শুধুমাত্র ৪জনকে আসামী করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় আইনে ধারা এবং মামলার ফাঁকফোকর করে হয়তো থানায় একটি মামলা নিয়েছে।যাহা আমার কাছ থেকে গোপন করা হয়েছে অদ্য পর্যন্ত আমার নাতীন আর মেয়েকেও উদ্ধার করা হয় নাই। পুলিশ জানায় আমি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি বিধায় এ অভিযোগের থেকে বাঁচতে হলে কয়েক লক্ষ টাকা ঢাকা জেলার এসপিকে ঘুষ দিয়ে তাদের চেয়ার রক্ষা করতে হবে। তাই ঐ অভিযোগ থেকে বাঁচাতে আর পুলিশের উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের দেখাতে আইওয়াশ মাত্র দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবং আসামীদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আমার দেওয়া এজাহারে ১১জন আসামী থাকলেও পুলিশের মনগড়া এজাহারে মাত্র ৪জনকে আসামী করা হয়েছে। আমার এজাহারে আমি যা লেখি নাই পুলিশের এজাহারে অবান্তর কথাবার্তা লেখে এজাহার দায়ের করা হয়েছে। তাদের মনগড়া এজাহারের বিষয় আমি কথা বললেথানার ভারপ্রাপ্ত ওসি, ইন্সিপেক্টর তদন্ত ও এস.আই. মনির তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে অপেশাদারিত্ব আচরণপূর্বক আমাকে নানা তালবাহানা করিয়া দিনের পর দিন ঘুড়াইতে থাকে আমি প্রতিদিনই সকাল-বিকাল থানায় যাই থানার ওসি তদন্ত আজগর – ০১৩২০০৮৯৪৮১ আমাকে বলে এই মামলার ইউসুফ রিপন, ইমরান, সজিব, আবু কালাম জয়, সাইদুল, আবদুল আজিজগংরা নাকি ঢাকা জেলা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সার্কেল এসপির ঘনিষ্ঠ ও পরিচিত লোকজন তাই আজিজগংদের নামে মামলা হলে নাকি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ইন্সিপেক্টর তদন্তের চাকুরী থাকবে না। এ সব কথাবার্তা বলে আমাকে মামলা না নিয়া ও আমার মেয়ে রিপা এবং নাতীকে উদ্ধার না করিয়া একের পর এক ঘুড়াইতে থাকে।
পরবর্তীতে বিভিন্ন লোকদের কাছে খোজ-খবর নিয়া দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ইন্সিক্টের তদন্ত ও এস.আই. মনির এবং সার্কেল এসপি আওয়ামীলীগ আমাকে বৈষম্যবিরুধী আওয়ামীলীগ দলীয় আস্থভাজন ছিলেন। এবং তারা শেখ হাসিনার খুব কাছের ঘনিষ্ঠ লোক ছিল। এছাড়া শেখ সেলিমের সাথে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ওসি, এস.আই মনির এবং সার্কেল এসপি শেখ সেলিমকে দিয়ে বিভিন্ন তদবীর করে অতি গোপনে কোটি কোটি টাকা মালিক হয়েছে।
ঐ টাকা দিয়ে তারা সুকৌশলে নামে-বেনামে ও আত্বীয়স্বজনের নামে জমি-জমা ফ্ল্যাট বাড়ি কিনেছে। গোপনে তদন্ত করলেই উল্লেখিত বিষয়ের তথ্য জানা যাবে। এছাড়া দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বহু অবৈধ কলকারখানা, ফ্যাক্টরীসহ বিভিন্ন অবৈধ পন্য তৈরীর ব্যক্তিবর্গকে সুবিধা দিয়ে ইন্সিপেকটর তদন্ত ও সার্কেল এসপি মাসে গোপন চাঁদাবাজি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কোন অবৈধ পন্য তৈরীরর প্রতিষ্ঠান ও একাধিক মাদক বিক্রির স্পট মালিকদের গোপনে সহযোগিতা করে রাতারাতি মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।
হাসনাবাদ মোকামপাড়া বিআরটিএ’র মাদক সম্রাট এবং পাইকারী মাদক ইয়াবা সরবরাহকারী, মাদক ডিলার রুকু প্রতিনিয়ত কোটি কোটি টাকার মাদক বিক্রি করছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ইন্সিক্টের তদন্তের গোপন সহযোগীতায়। রুকু মাদক বিক্রি করে মোকামপাড়া এলাকায় কোটি কোটি টাকার জমি-জমা ক্রয় করেছে।
উল্লেখিত বিষয়ে থানায় দেওয়া এজাহারের কপি অভিযোগ এর সাথে সংযুক্ত করিয়া আমি একাধিক অভিযোগ জমা দিয়েছি ঢাকা ডিভিশনের ডি.আইজি মহোদয়, মহা-পুলিশ পরিদর্শক বরাবর, পুলিশ সুপার বরাবর এরপর একাধিকবার থানায় ঘুরে সর্বশেষ গত-২১/১০/২০২৬ইং তারিখ আমি থানা গিয়ে মামলার করার জন্য ধর্না ধরলে তারা আমার দেওয়া এজাহারের আসামীদের নাম ঠিকানা কেটে যে সকল আসামীদের কাছ হতে মোটা অংকের অর্থ নিয়েছে তাদের ঐ সকল আসামীদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাদের বাদ দিয়ে ওসি তদন্ত ও এস.আই মনিরের চাহিদা মোতাবেক মনগড়া কয়েকজন আসামীর নাম উল্লেখ করে একটি পত্রে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করিয়া আমার স্বাক্ষর নেয়, এস.আই.মনির বলে সময়মতো তারা মামলা নিবে আমাকে ধমকাইয়া দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা হতে বের করিয়া দেয়।
থানায় আমার মামলা হয়েছে কি না অদ্য পর্যন্ত আমাকে জানানো হয়নি।
প্রকাশ থাকে যে পুলিশের অপেশাদারিত্ব আচরণ ও দায়িত্ব অবহেলা এবং আসামীদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরী করায় ভিক্টিম মেয়ে রিপা এবং নাদিয়াসহ আমার পরিবারের যে কোন ক্ষতি সাধনের জন্য দায়ি থাকবেন- আমার এজাহার হতে বাদ দেওয়া আসামী (ব্যক্তি) ইউসুফ রিপন, ইমরান, সজিব, আবু কালাম জয়, সাইদুল, আবদুল আজিজ ও পুলিশ কর্মকর্তা এস.আই মনির, ইন্সিপেক্টর তদন্ত মোঃ আজগর ও সার্কেল এসপিসহ সকল বিবাদীগন।
তিনি তার অভিযোগে পুলিশের দফতরগুলোতে সুপারিশ করেছেন তার উল্লেখিত বিষয় তদন্তপূর্বক পুলিশের দায়িত্ব অবহেলা ও অপেশাদারিত্ব আচারণসহ আমার দেওয়া এজাহারের উল্লেখিত আসামীদের নাম বাদ দিয়ে পুলিশের মনগড়া এজাহার গ্রহণ করায় তাদের বিরুদ্ধে বিভয়াগীয় ও সকল আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ পূর্বক ও ভিক্টিমদের উদ্ধার করতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে মহোদয়ের হস্তপেক্ষপ কামনা করছি। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মহা-পুলিশ পরিদর্শক, ঢাকা রেঞ্জ ডি.আই.জি, মহা-সচি হিউম্যান রির্সোস এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন (মানবাধিকার সংস্থ) এবং বিভিন্ন গনমাধ্যমের দফতরে তার আবেদন জমা দিয়েছেন।
আলমগীর (সেলিম) 
























