ঢাকা ০৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীর গবেষণা নকল করে নিজের নামে প্রকাশ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০২:৪৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ এপ্রিল ২০২২
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে
গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সাবেক চেয়ারম্যান এইচএম আনিসুজ্জামানের বিরুদ্ধে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সম্পূর্ণ গবেষণা নকল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে থিসিসটির সুপারভাইজার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. জগদীশ চন্দ্র জোয়ারদার জানান, ওই শিক্ষক অন্যের গবেষণা নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছেন। এ বিষয়ে আমাদের হেডের কাছে আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন।
এ বিষয়ে সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের হেড অধ্যাপক কুদরত এ কিবরিয়া বলেন, প্রথমে তত্ত্বাবধায়ক এমন একটি অভিযোগ দেন। পরবর্তীতে আমরা কয়েকজন মিলে গবেষণাপত্র দুটি মিলিয়ে দেখি। পার্টিকুলার অংশটি শতভাগ নকল করেছেন বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক আনিসুজ্জামান। পরবর্তী সময়ে আমরা বশেমুরবিপ্রবি রেজিস্ট্রার দফতরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে বশেমুরবিপ্রবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোরাদ হোসেন বলেন, লিখিত অভিযোগের বিষয়ে উপাচার্যকে জানানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে কৃষি বিভাগের সাবেক সভাপতি এইচএম আনিসুজ্জামান বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরিফ নামে এক শিক্ষার্থী আমার কাছে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করার জন্য আসে। সে সময় আমি তার ও আমার নামে গবেষণাটি প্রকাশ করি। পরবর্তীতে জানতে পারি সেটি অন্যজনের লেখা। এরপর আমি মেইল করে জার্নাল থেকে গবেষণাটি সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করি। আমি গবেষণা চুরি করিনি।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

শিক্ষার্থীর গবেষণা নকল করে নিজের নামে প্রকাশ

আপডেট সময় ০২:৪৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ এপ্রিল ২০২২
গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সাবেক চেয়ারম্যান এইচএম আনিসুজ্জামানের বিরুদ্ধে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সম্পূর্ণ গবেষণা নকল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে থিসিসটির সুপারভাইজার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. জগদীশ চন্দ্র জোয়ারদার জানান, ওই শিক্ষক অন্যের গবেষণা নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছেন। এ বিষয়ে আমাদের হেডের কাছে আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন।
এ বিষয়ে সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের হেড অধ্যাপক কুদরত এ কিবরিয়া বলেন, প্রথমে তত্ত্বাবধায়ক এমন একটি অভিযোগ দেন। পরবর্তীতে আমরা কয়েকজন মিলে গবেষণাপত্র দুটি মিলিয়ে দেখি। পার্টিকুলার অংশটি শতভাগ নকল করেছেন বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক আনিসুজ্জামান। পরবর্তী সময়ে আমরা বশেমুরবিপ্রবি রেজিস্ট্রার দফতরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে বশেমুরবিপ্রবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোরাদ হোসেন বলেন, লিখিত অভিযোগের বিষয়ে উপাচার্যকে জানানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে কৃষি বিভাগের সাবেক সভাপতি এইচএম আনিসুজ্জামান বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরিফ নামে এক শিক্ষার্থী আমার কাছে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করার জন্য আসে। সে সময় আমি তার ও আমার নামে গবেষণাটি প্রকাশ করি। পরবর্তীতে জানতে পারি সেটি অন্যজনের লেখা। এরপর আমি মেইল করে জার্নাল থেকে গবেষণাটি সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করি। আমি গবেষণা চুরি করিনি।