সংবাদ শিরোনাম ::
শৈবালের কষ্ট —- জাহাঙ্গীর বারী
শৈবালের কষ্ট জাহাঙ্গীর বারী আকাশের নীল কষ্টটা নীলে ভরা, বর্ষায় সেই নীল কষ্টের ঝরে জলধারা। সেই জলধারায় ফোটে কদম কেয়া,
অচল নোনাজল.. জাহাঙ্গীর বারী
অচল নোনাজল জাহাঙ্গীর বারী কারো স্বপ্ন বিনষ্ট হয়ে যায় অঙ্কুরেই, কারো স্বপ্ন প্রস্ফুটিত হয়ে যায় না চাহিতেই। এটা নয় হীনমন্যতা,
প্রিয় নিঃসঙ্গতা —- জাহাঙ্গীর বারী
প্রিয় নিঃসঙ্গতা জাহাঙ্গীর বারী নিঃসঙ্গ মনে নিঃসঙ্গতার বাস, মনের ইচ্ছে গুলো প্রতিনিয়ত হয় বিনাশ। মন কাননে প্রসূনে, পরাগ গুলো ঝরে
প্রেম অতঃপর বিয়ে এবং বাস্তবতা —- জাহাঙ্গীর বারী
প্রেম অতঃপর বিয়ে এবং বাস্তবতা একটা ছেলে এবং একটা মেয়ে যখন প্রেমে হাবুডুবু খায় এবং একে অপরকে নিবিড় ভালোবাসে তখন
কিছু কষ্ট. ——– জাহাঙ্গীর বারী
কিছু কষ্ট জাহাঙ্গীর বারী কিছু কষ্ট থাকে জমাট, কিছু কষ্ট খুলে রাখে সুখের ওপাশের কপাট, কিছু কষ্ট জল হয়ে ঝরে,
গল্পের পান্ডুলিপি —- জাহাঙ্গীর বারী
গল্পের পান্ডুলিপি জাহাঙ্গীর বারী গল্পের শেষ অধ্যায়ে কেন এমন করুণ পরিণতি, গল্পটা তো হতে পারতো আরো প্রগতি। পেতে পারতো স্নিগ্ধতার
কৃষ্ণ কেশ ……… জাহাঙ্গীর বারী
কৃষ্ণ কেশ জাহাঙ্গীর বারী তাহার সুবিন্যস্ত কৃষ্ণ কেশ, মোর হিয়া কাড়িয়া নিলো বেশ। কৃষ্ণ কেশের দীঘল বেণী, সেথায় বইছে যেন
গহীনে রহিয়া — জাহাঙ্গীর বারী
গহীনে রহিয়া জাহাঙ্গীর বারী সে হস্ত দু’খান ছাড়িয়া, গেলো সে দূর গন্তব্যের অভিমুখে চলিয়া। তাহাকে আটকাইবার অভিপ্রায় ছিলো ভীষণ, সে
শরৎচন্দ্রের বিলাসী — জাহাঙ্গীর বারী
শরৎচন্দ্রের বিলাসী জাহাঙ্গীর বারী পার্থিব জগতে যদি তোমাকে না পাই, কল্পনার জগতে তোমাকে যে চাই। অভিলাষী হয়ে যদি নাই বা
মমতাময়ী মা এবং আমি — জাহাঙ্গীর বারী
মমতাময়ী মা এবং আমি জাহাঙ্গীর বারী মাগো তোমার প্রতিচ্ছবি গুলো চোখের ওপর ভাসে, খানিক বাদে চোখ কেন ঝাপসা হয়ে আসে।


















