ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৪:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে

সিএনএম ডেস্কঃ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে আট বছর বয়সি এক শিশু কুরআনের হাফেজ হয়েছেন। ৩০ পারা কুরআন মুখস্থ করতে তার সময় লেগেছে মাত্র এক বছর।

ওই শিশুর নাম আব্দুর রহমান (৮)। সে কমলনগর উপজেলার করুনানগর এলাকার কৃষক আবুল কালামের ছেলে ও হাজিরহাট আল ইহদা ইসলামিক ইনস্টিটিউটের হিফজ বিভাগের ছাত্র।

আব্দুর রহমান বলেন, বাবার স্বপ্ন ছিলো হাফেজ বানাবেন। তাই মাদ্রাসায় হিফজ বিভাগে ভর্তি করেন। স্বপ্ন পূরণে আমি মনোযোগী ছিলাম। হাফেজ হতে শিক্ষকরাও সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছেন। আমি যেন বড় আলেম হতে পারি সবাই দোয়া করবেন।

পরিবার ও মাদরাসা সূত্র জানায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে আব্দুর রহমান আল ইহদা ইসলামিক ইনস্টিটিউট মাদরাসার হিফজ বিভাগে ভর্তি হয়। এর আগে সে আরেকটি মাদরাসার হিফজ বিভাগে ছয়মাস পড়ে ১৫ পারা কুরআন মুখস্থ করে। পরে সেখান থেকে ইহদা মাদরাসায় ভর্তি করা হয়। এরপর বাকি ১৫ পারা মুখস্থ করেছে।

আব্দুর রহমানের বাবা আবুল কালাম বলেন, আমার দুই ছেলে। দুজনকেই হাফেজ বানানোর স্বপ্ন ছিলো। কিন্তু বড় ছেলেকে পারিনি। সে জেনারেলে পড়ছে। আর ছোট ছেলে হাফেজ হয়েছে। এতে আমি অত্যন্ত খুশি। আশা করি সে একজন ভালো মানুষ এবং বড় আলেম হবে।

আল ইহদা ইসলামিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ফারহান সাকিব জায়েদ বলেন, মাত্র আট বছর বয়সে আব্দুর রহমান কুরআনে হাফেজ হয়েছে। এটি আমাদের জন্য আনন্দের। সে যথেষ্ট নম্র, ভদ্র এবং পরিশ্রমী। তার জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন তার পুরো জীবন কুরআন অনুযায়ী পরিচালনার তৌফিক দান করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান

আপডেট সময় ০৪:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

সিএনএম ডেস্কঃ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে আট বছর বয়সি এক শিশু কুরআনের হাফেজ হয়েছেন। ৩০ পারা কুরআন মুখস্থ করতে তার সময় লেগেছে মাত্র এক বছর।

ওই শিশুর নাম আব্দুর রহমান (৮)। সে কমলনগর উপজেলার করুনানগর এলাকার কৃষক আবুল কালামের ছেলে ও হাজিরহাট আল ইহদা ইসলামিক ইনস্টিটিউটের হিফজ বিভাগের ছাত্র।

আব্দুর রহমান বলেন, বাবার স্বপ্ন ছিলো হাফেজ বানাবেন। তাই মাদ্রাসায় হিফজ বিভাগে ভর্তি করেন। স্বপ্ন পূরণে আমি মনোযোগী ছিলাম। হাফেজ হতে শিক্ষকরাও সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছেন। আমি যেন বড় আলেম হতে পারি সবাই দোয়া করবেন।

পরিবার ও মাদরাসা সূত্র জানায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে আব্দুর রহমান আল ইহদা ইসলামিক ইনস্টিটিউট মাদরাসার হিফজ বিভাগে ভর্তি হয়। এর আগে সে আরেকটি মাদরাসার হিফজ বিভাগে ছয়মাস পড়ে ১৫ পারা কুরআন মুখস্থ করে। পরে সেখান থেকে ইহদা মাদরাসায় ভর্তি করা হয়। এরপর বাকি ১৫ পারা মুখস্থ করেছে।

আব্দুর রহমানের বাবা আবুল কালাম বলেন, আমার দুই ছেলে। দুজনকেই হাফেজ বানানোর স্বপ্ন ছিলো। কিন্তু বড় ছেলেকে পারিনি। সে জেনারেলে পড়ছে। আর ছোট ছেলে হাফেজ হয়েছে। এতে আমি অত্যন্ত খুশি। আশা করি সে একজন ভালো মানুষ এবং বড় আলেম হবে।

আল ইহদা ইসলামিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ফারহান সাকিব জায়েদ বলেন, মাত্র আট বছর বয়সে আব্দুর রহমান কুরআনে হাফেজ হয়েছে। এটি আমাদের জন্য আনন্দের। সে যথেষ্ট নম্র, ভদ্র এবং পরিশ্রমী। তার জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন তার পুরো জীবন কুরআন অনুযায়ী পরিচালনার তৌফিক দান করেন।