যাত্রাবাড়ীতে মানবপাচার মামলার তদন্তে গড়িমসির অভিযোগ, ওসিসহ ৩ তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
সিএনএম প্রতিবেদনঃ
“হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন” এর কো-অর্ডিনেটর মাকসুদা দেশ ও জনস্বার্থে মানবপাচার আইনে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। সিআর মামলা নং-১৯০/২৫, থানা-যাত্রাবাড়ী, তারিখ-০১/১২/২০২৫ ইং ধারা-মানবপাচার অপরাধ দমন আইন এর ৬/৭/১০(১)/১১/১২(১)(২) এর (ক)(ঘ) ধারায় মামলাটি দায়ের হওয়ার পর যাত্রাবাড়ী থানায় মামলার তদন্ত গেলে থানা হতে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান এস.আই. আশরাফুজ্জামান। আশরাফুজ্জামান মামলার তদন্ত পাওয়ার পর ঘটনাস্থল যাত্রাবাড়ী থানাধীন সায়েদাবাদ রেলগেইট ঘেষা মিজান আবাসিক হোটেল, ডিএমডি আবাসিক হোটেল, সানমুন আবাসিক হোটেল, গোল্ডেন আবাসিক হোটেল, ছায়ানীড় আবাসিক হোটেল, যাত্রাবাড়ী থানার উল্টোপাশে ঢাকা টাইমস আবাসিক হোটেল, সায়েদাবাদ জনপথ মোড়ে রোজভিউ আবাসিক হোটেল, আল হায়াত আবাসিক হোটেল এর ভাড়াটিয়া ও হোল্ডিং মালিকসহ একাধিক মানবপাচারকারীর বিরুদ্ধে ঐ মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী তার অভিযোগে উল্লেখ করেন –
মামলার সকল আসামীদের সাথে যাত্রাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ এর গোপন নির্দেশে মামলার তদন্ত হিমাগারে রেখে দেয়। আমি থানায় গিয়ে যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ রাজু আহমেদ সাহেব এর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেছি এবং দেখা করেছি। তাতে কোন মামলার অগ্রগতি হয়নি।
২য়বারের তদন্ত কর্মকর্তা
আশরাফুজ্জামান এর পর দ্বিতীয়বারের মতো মামলার তদন্ত দেন এস.আই. নাহিদ এর কাছে, এস.আই নাহিদ আমাকে নোটিশ দিয় ডাকলে তার সাথে দেখা করি। এস.আই নাহিদ মামলার ঘটনাস্থলে গিয়ে আলহায়াত হোটেলের রুম তল্লাশি করে ৩জন ভিক্টিমকে উদ্ধার করে যাদেও নাম-১. রাবেয়া (১৬), পিতা-রুহুল আমিন, মাতা-আয়শা বেগম। ২. রিয়ামনি (১৫), পিতা- মোঃ কাশেম, মাতা-রহিমা। ৩. খাদিজা (১৬) পিতা-শাহাদাত, মাতা-মর্জিনা।
এসকল ভিক্টিমদের যে সকল দালালরা নিয়ে আসছিল এর মধ্যে ৩জন দালালকে আটক করে যাদের নাম-১. মোঃ তুষার (৩২), পিতা-শহীদুল সিকান্দর, মাতা-বিলকিস। ২. ইমন (৩৫), পিতা-ইনসকান্দার, মাতা-নাছিমা। ৩. সাইফুল সুমন (৩৫)-০১৭১৫৮৫২৬২৪, পিতা-একরাম মিয়া, মাতা-রোকেয়া বেগম।
এদের আটক করে এস.আই নাহিদ তাদের যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে লকাপে আটক রাখে পরদিন আমি যাত্রাবাড়ী থানায় গিয়ে এস.আই নাহিদ এর সাথে দেখা করি এবং জানতে চাই উদ্ধার হওয়া ৩ ভিক্টিম আর আটক হওয়া ৩জন দালাল তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এস.আই নাহিদ আমাকে জানায় যে ভিক্টিম উদ্ধারের বিষয় আর দালাল আটক হওয়ার বিষয় যাত্রাবাড়ী থানার ওসি সাহেব ব্যবস্থা নিবে। ৩দিন পর আবারও ঐ বিষয় জানতে চাওয়া হলে এস.আই নাহিদ বলেন এ সব ঘটনার এ ভিক্টিম নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করিয়েন না তাহলে আপনারাই বিপদে পড়বেন। যাত্রাবাড়ী থানার ওসি সাহেব আমাকে মামলা ছেড়ে দিতে বলছে আর ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করা যাবে না তাহলে আমার চাকুরীর সমস্যা হবে।
৩য় বারের তদন্ত কর্মকর্তা
এরপর ৩য়বারের মতো মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান সায়দাবাদ পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ, উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ রাকিব হাসান, বিপি নং-৯২১৯২২২৭৪৪, সাব-ইন্সিপেক্টর (নিরস্ত্র) যাত্রাবাড়ী থানা, ডিএমনপি, ঢাকা মোবাইল-০১৬৭৫৭৩০০১২।
এরইমধ্যে ঘটনাস্থল রোজ ভিউ আবাসিক হোটেল বর্তমান নিউ স্বাগতম আবাসিক হোটেল হতে গত ১৬/০৮/২০২৬ইং তারিখে ৪জন অজ্ঞাতনামা ভিক্টিম ও ৯জন উল্লেখিত মামলার আসামী যাত্রাবাড়ী থানার এস.আই. রফিক সাহেব তাদের আটক করে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে সোর্পদ করেন। যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে পরেরদিন ভিক্টিমদের মামলার ঘটনায় উদ্ধার না দেখিয়ে তাদের অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে গ্রেফতার করেছে মর্মে ভ্রাম্যমান আদালতে পাঠানো হয়।
মামলার বর্তমান আয়ু সায়দাবাদ পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ, উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ রাকিব হাসান, বিপি নং-৯২১৯২২২৭৪৪, সাব-ইন্সিপেক্টর (নিরস্ত্র) যাত্রাবাড়ী থানা, ডিএমনপি, ঢাকা মোবাইল-০১৬৭৫৭৩০০১২। আমাকে একটি নোটিশ প্রদান করে (ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬০ ধারা মোতাবেক) তলব করেন। আমি তার নোটিশে সায়েদাবাদ পুলিশ ফাড়িতে গিয়ে ২জন স্বাক্ষী নিয়ে গত ০/০৮/২০২৬ইং তারিখে দেখা করি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ রাকিব হাসান আমাকে সায়েদাবাদ পুলিশ ফাড়িতে বসিয়ে রেখে তিনি একটি বাইকে করে ফাড়ি থেকে বের হয়ে যান প্রায় দের হতে দুই ঘন্টা পর পুনরায় ফাঁড়িতে ফিরে আসেন এবং আমাক মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেন এবং বলেন এরজন্য মামলা করতে যেয়ে যে খরচপাতি হয়েছে তাহা এস.আই মোঃ রাকিব হাসান আমাকে দিয়ে দিবে। আর এ নিয়ে যদি বাড়াবাড়ি করি তাহলে মামলার আমি বাদী ও মামলার স্বাক্ষীদের ক্ষতিসাধন করবে বলে হুমকি দেয়।
আমি এস.আই মোঃ রাকিব হাসানকে আমি যে আপনার সাথে নোটিশে দেখা করলাম আমার নোটিশে আমি হাজির হয়েছি সেটা লিখে দেন। আমি কোন স্বাক্ষী নিয়ে হাজির হই নাই বলে আমার নোটিশের কাগজে তার হাতে লিখে দেন এবং আমি যেন পুনরায় তার সাথে আবার দেখা করি। তাকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করলে তিনি ঘটনাস্থলগুলোতে না গিয়ে আমাকে কৌশলে ভয়ভীতি ও হুমকির সুরে ফাঁড়ি হতে তাড়িয়ে দেন। একপর্যায়ে আমি সায়েদাবাদ থেকে আসার সময় দয়াগঞ্জ বটতলা মোড়ে পৌছানো মাত্র মামলার আসামী আনোয়ারগংরা ৭/৮জন মিলে আমাকে ও আমার স্বাক্ষীদের গতিরোধ করিয়া নানা ধরনের ভয়ভীতি ও মামলা তুলিয়া নেয়ার জন্য হুমকি দেয় এবং মামলার আসামীরা বলে এ পর্যন্ত মামলার সকল তদন্ত কর্মকর্তাদের বিভিন্ন সময় মোটা অংকের তারা অর্থ দিয়েছে আর এই মামলা নিষ্পত্তি বা ফাইনাল রির্পোট করানোর জন্য মামলার ঘটনাস্থলের সকল আবাসিক হোটেল মালিক ও আসামীগনরা মিলে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাজু আহমেদ ও ৩তদন্ত কর্মকর্তাকে এ পর্যন্ত প্রায় ৬০/৭০ লক্ষ টাকা তাদের ঘুষ ও চাঁদা দিয়েছে। আজকে কিছুক্ষণ আগেও এস.আই মোঃ রাকিব হাসানের সাথে সকল আসামীরা মিটিং করেছে।
আমি জানতে পারি তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই মোঃ রাকিব হাসান আমাকে নোটিশ দিয়ে ডেকে এনে ফাঁড়িতে বসিয়ে রেখে আসামীদের সাথে ঘটনাস্থলে গিয়ে মিটিং করে মোটা অংকের ঘুষ চাঁদা গ্রহণ করে প্রায় দের হতে দুই ঘন্টা পর আমার সম্মুখে এসে আমাকে ভুলবাল বুজিয়ে এবং স্বাক্ষী না নিয়ে কৌশলে হুমকি ধুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়।
আসামীরা বলেছে তাদের বিরদ্ধে দায়ের করা উল্লেখিত মামলা যদি তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই. মোঃ রাকিব হাসান ও থানার ভারপ্রাপ্ত মোহাম্মদ রাজু আহমেদ এর সাথে কথা বলে মামলা শেষ না করি তাহলে আমাকে যে কোন সময় খুজে বের করে অপহরণ করিয়া নিয়া আমাকে হত্যা করে আমার লাশ গুম করে ফালানো হবে।
প্রকাশ থাকে যে, মামলায় উল্লেখিত ঘটনাস্থলগুলো আসামীদের দিয়ে একন পতিতালয় বানিয়ে একই কায়দায় একই স্থানে প্রতিনিয়ত প্রায় ৩ হতে ৪শত দালালের মাধ্যমে নারীদের সংগ্রহ করিয়া শারিরীক নির্যাতনপূর্বক দেহ ব্যবসা করানো হচ্ছে। আমি দেশ ও জনস্বার্থে প্রতিবাদ করেছি বলে এবং নারী গঠিত ব্যবাসায়ী পাচারকারী নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছি বলে নারী ব্যবসায়ী সন্ত্রাসীদের দিয়ে আমাকে যে কোন সময় হত্যা করা হতে পারে বা মিথ্যা সাজানো মামলায় ফাসানো হতে পারে, আমার হত্যাসহ যে কোন ক্ষতিসাধনের জন্য দায়ী থাকবেন যাত্রাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাজু আহমেদ ও সায়দাবাদ পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ, উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ রাকিব হাসান, বিপি নং-৯২১৯২২২৭৪৪, সাব-ইন্সিপেক্টর (নিরস্ত্র) যাত্রাবাড়ী থানা, ডিএমনপি, ঢাকা মোবাইল-০১৬৭৫৭৩০০১২।
আবেদনে বাদীর নিরাপত্তা চেয়ে বলেন- আমার নিরাপত্তার বিধানসহ উল্লেখিত বিষয় গোপন তদন্তপূর্বক মামলায় উল্লেখিত ভিক্টিম ও ঘটনাস্থলের সংগ্রহ করা নবাগত ভিক্টিমদের উদ্ধারসহ আসামীদের সঠিক নাম ও ঠিকানা সংগ্রহ করিয়া মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে প্রদান করার জন্য ও মামলায় উল্লেখিত ঘটনাস্থল হোটেলগুলোতে চলা নানা অপকর্ম যেমন মাদক ব্যবসা, নারী ব্যবসা, নানাবিধ অপরাধীদের আসতানা চিরতরে বন্ধ করাসহ ও অপরাধীদের গোপনে সহায়তাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে মহোদয়ের হস্থক্ষেপ কামনা করেন।
ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার অনুসন্ধ্যানে জানা যায়- যাত্রাবাড়ী থানাধীন কাজলা নয়ানগর এলাকার বাসিন্দা মোঃ নিবির হোসেন বলেন- যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ রাজু আহমেদ যাত্রাবাড়ী থানায় আসার পর আগের চায়তে হত্যা, মাদক ব্যবসা, নারী ব্যবসা, ছিনতাই, চুরি সহ নানা ধরনের অপকর্ম বেড়েছে। যাত্রাবাড়ী আড়ৎ-এ বড় বাজার এলাকায় প্রকাশ্যেই একাধিক মাদকস্পট গড়ে উঠেছে। এছাড়া থানা এলাকার ওলিগলিতে এখন প্রকাশেই মাদক বিক্রি হচ্ছে। ধোলাইপাড় পতে কুতুবখালি মোড় পর্যন্ত গভীররাত হতে ভোর ৫টা পর্যন্ত ছিনতাই বেড়েছে। কোন ভোক্তভোগি থানায় গিয়ে সঠিকভাবে ন্যায় বিচার পান না, ন্যায় বিচার থেকে ভোক্তভোগিদের হতে হয় থানা গিয়ে নানা ধরনের হয়রানির শিকার। প্রথমে তো মামলা নিতে চান না আবার মামলা নিলেও আসামী গ্রেফতার করেন না। এরকম অভিযোগ উঠেছে ওসির বিরদ্ধে। যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ রাজু আহমেদসহ অসাদু কিছু পুলিশ কর্মকর্তা আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের নামে থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটনায় বেশি ঘটাচ্ছে। মোহাম্মদ রাজু আহমেদ এর বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায় যাত্রাবাড়ী থানায় আসার পরে থানা এলাকার আবাসিক হোটেলগুলোতে বেড়েছে নারী ও মাদক ব্যবসা, প্রকাশ্যেই এলাকার বিভিন্ন জায়গাতে হাত বাড়ালেই মাদক মেলে। এলাকাবাসীর অনেকেই যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন-অপরাধীদের সাথে পুলিশ বন্ধুত্ব গড়ে তোলে নিজেরাও নানাবিধ অপরাধ করছে।
থানার উল্টো পাশে পদ্মা ও ঢাকা টাইমস আবাসিক হোটেলে মাদক সেবী ও ব্যবসায়ী নারী পুরুষের আনা-গোনা বেশি দেয় যায়। স্থানীয় অনেকেই নিজেদের পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন-এ হোটেল দুটিতে বিভিন্ন মামলার দাগি-দোষী ফেরারী পলাতক আসামীরা থাকেন। এলাকায় গভীর রাতে ছিনতাই হয় বেশিরভাগ ছিনতাইাকারীর ঢাকা টাইমস ও পদ্মা আবাসিক হোটেলে ওৎ পেতে থেকে এলাকায় অপরাধ কর্ম করে বেড়ায়। তবে ঢাকা টাইমস ও পদ্মা আবাসিক হোটেলে নারী, মাদকসহ অন্যান্য অপকর্ম ব্যবসা চলার কারণে হোটেল কর্তৃপক্ষের যাত্রাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাজু আহমেদ এর সাথে গভীর সুসম্পর্ক থাকায় এ হোটেল দুটিকে রাখা হয় পুলিশের ঝামেলা মুক্ত। পদ্মা ও ঢাকা টাইমস আবাসিক হোটেলে কখনোই পুলিশের কোন তল্লাশি হয় না। রাখা হয় নিরাপদে। হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক নুর ইসলাম ও আলমসহ আরো বেশ কিছু দালাল চক্র পেশাদার মানাবপাচারকারী, নারী ব্যবসায়ী একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবত যাত্রাবাড়ী থানার ওসির আর্শিবাদপুষ্ঠ হয়ে নির্ভয়ে অপরাধ কর্ম করে যাচ্ছে। এ চক্রের যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় প্রায় ২০টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে মোহাম্মদ রাজ আহমেদ এর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ওসি জাহাঙ্গীর-এর সায়েদাবাদে রয়েছে প্রায় ৮টি আবাসিক হোটেল, যে হোটেলগুলোতে অভিনব কায়দায় নারীদের ক্লিনার সাজিয়ে ঐ সকল নারীদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করানো হয়। হোটেলের রুমে মাদক ও জুয়ার আসর বসে। এলাকাবাসীর অনেকেই এ তথ্য ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার প্রতিবেদক এর কাছে বলেছে।
Reporter Name 


















