ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্যাতিতা নারীর এজাহার গ্রহন না করায় তেজগাঁও থানার ইন্সিপেক্টর  তদন্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৮:০৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে
নির্যাতিতা নারীর এজাহার গ্রহন না করায় তেজগাঁও থানার ইন্সিপেক্টর  তদন্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ শেষে সাধারণ ডায়েরী
সিএনএম প্রতিবেদনঃ
ঢাকা জেলা ডিএমপিতে প্রায় ১৮ হতে ১৯শত আবাসিক হোটেল রয়েছে এরই মধ্যে নানা কৌশলে আবাসিক হোটেলগুলোতে মেয়ে মানুষ রাখিয়া  বহিরাগত পুরুষ দিয়া অসামাজিক কার্যকলাপ করিয়ে হোটেল ভাড়াটিয়া মালিকরা লাভবান হচ্ছে। বেশিক্ষেত্রেই হোটেলগুলোতে খোজ নিলে জানা যায়-দেহপ্রসারনী নারীদের হোটেলে রাখিয়া, হোটেলের অন্তরালে পতিতালয় স্থাপন করিয়া হোল্ডিং মালিকদের সহযোগীতায় হোটেলের নারী ব্যবসা দিন দিন বেড়েই চলেছে। খদ্দের আহবান করতে পথে ঘাটে চলাচলের সময় চোখে পড়ে রাস্তায় পড়ে থাকা শত শত ভিজিটিং কার্ড। খদ্দের আহবান করতে পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয় এ সকল ভিজিটিং কার্ড। দেহ ব্যবসায়ী হোটেলগুলোতে দালালরা গ্রামের প্রত্যান্ত অঞ্চল হতে নানা বয়সের মেয়েদের প্রেম,বিয়ে, চাকুরী, মডেল বানানোসহ বিভিন্ন প্রলোভনে ঐ সকল মেয়েদের আনিয়া সোজ নিয়ে দালালদের নির্ধারিত আবাসিক হোটেলের রুমে নিয়ে তোলে। রাজধানীর বেশ কিছু হোটেলে নবাগত মেয়েদের দেহজীবি বানাতে অবাধ্য মেয়েদের বাধ্য করতে হোটেল রয়েছে দালালদের টর্সার সেল। ঐ টর্সার সেলগুলোতে নবাগত মেয়েদের আটক করে তাদের উপর শারীরিক, মানুষিক ও পাষবীক নির্যাতন চালিয়ে প্রথমে পাচারকারী দালালরা নিজেরা ভোগ করে এরপর হোটেলে থাকা অন্যান্য দালালরা গ্যাং র‌্যাপের ফলে এক পর্যায়ে মেয়েদের দালালদের সংগ্রহ করা খদ্দরের হাতে তুলে দিয়ে ঐ সকল খদ্দরের সাথে অসামাজিক কার্যকলাপ করতে বাধ্য করা হয়।

তবে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অসাধু কর্মকর্তারা এ সকল দালালদের গোপনে সহায়তা করে আসছে। কোন নারী দালাল হাত ফসকে ছুটে গিয়ে স্থানীয় থানায় যেয়ে অভিযোগ দায়ের করলে নির্যাতিতা নারীদের পক্ষে স্থানীয় থানা পুলিশ কথা বলে খুব কম। নির্যাতিতা নারীরা পুলিশের তেমন সহযোগীতা পায় না। ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত হচ্ছে সমাজের অনেক নারী তবে উত্তরা পশ্চিম থানা, পূর্ব থানা, মীরপুর কাফরুল থানা, দারুস সালাম থানা, শাহআলী থানা, রূপনগর থানা। তেজগাও ডিভিশন : তেজগাঁও থানা, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা, হাতিরঝিল থানা, শেরেবাংলা নগর থানা, মোহাম্মদপুর থানা, আদাবর থানা। গুলশান ডিভিশন : গুলশান মডেল থানা, বনানী থানা, বাড্ডা থানা, ভাটারা থানা এলাকায় বেশিরভাগ হোটেলেই এ সকল অপকর্ম বেশি চলে। এই থানা এলাকার হোটেলগুলোতে নারী ব্যবসার পাশাপাশি রয়েছে নিরব মাদক কারবার সেবনের পাশাপাশি হচ্ছে খুচরা ও পাইকারী বিক্রি।

এরই মধ্যে তেজগাঁও থানা এলাকার থানা থেকে ২০০ গজ উত্তরে ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এর আশে পাশে ইনসাফ আবাসিক হোটেল, লাব্বাইক আবাসিক হোটেল, দেশবাংলা আবাসিক হোটেল, ঐ হোটেলগুলো মাদক ব্যবসার জন্য একটি ক্রাইমজোন। এ হোটেলের মালিক ইউসুপ রিপন, ইমরান, সালাউদ্দিন, লিমন, সুমন এরা হলো আর্ন্তজাতিক নারী ব্যবসায়ী, ঢাকা শহরের প্রায় থানায় বিভিন্ন আবাসিক হোটেলের তারা পার্টনার। এদের  গ্রুপে প্রায় হাজারেরও অধিক নারী সংগ্রহকারী দালাল রয়েছে।

ইতমধ্যে তেজগাঁও এলাকার ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেলের দালালদের টর্সার সেল হতে ছুটে নির্যাতিতা এক নারী তেজগাঁও থানায় গিয়েছিলেন ন্যায় বিচার চাইতে, থানা পুলিশের সাথে নারীগঠিত ব্যবসায়ী পাচারকারী ও ধর্ষকদের সাথে সখ্যতা থাকায় ঐ নারী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত  হয়েছেন।

গত ১৫/০৮/২০২৬ইং সকাল আনুামনিক ১১ঘটিকা হইতে  ১৬/০৮/২০২৬ইং তারিখ ভোর আনুমানিক ৫ ঘটিকা পর্যন্ত। ঘটনা স্থল : রুম নং-ডি-০১, ৬ষ্ঠতলা হোল্ডিং নং ৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ-এ নির্যাতিত নারী ধর্ষকদের হাত হতে রক্ষা পেয়ে ছুটে গিয়েছিলেন তেজগাঁও থানায়। ঐ থানায় যাওয়ার পর যা ঘটেছিল সাধারণ ডায়েরীতে তার ঘটনা তুলে ধরেন- নির্যাতিতা নারী ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে জানান তিনি সাধারণ ডায়েরী করার জন্য অনলাইনে জিডির আবেদন করেছেন যাহার ট্যাকিং নং-:  1BZR7X  , তািরখ: ২৯/০৮/২০২৬ সাধারণ ডায়েরীর আবেদনটি দেখেছেন  : তেজগাঁও থানার ডিউটি অফিসার শাহানাজ পারভীন।

নির্যাতিতা নারী বলেন ছদ্মনাম : আছিয়া- আমি আমার চার কন্যা সন্তান নিয়ে স্থায়ী ঠিকানায় বসবাস করছিলাম। কিন্তুু আমার স্বামী ভরণপোষন না দেওয়ায় চার সন্তান নিয়ে বহু কষ্টে দিনাতিপাত করে আসছিলাম। এলাকায় থেকে কিছু বাচ্চাদের আরবী পড়িয়ে এবং নারীদের দ্বীনের দাওয়াত দিয়ে তালিম করে বাচ্চাদের পড়ানো বাবদ কিছু অর্থ পেতাম তা দিয়েই পর্দার সাথে চলে আমার সন্তানদের নিয়ে সংসার চলে যেত।
তাছাড়া  স্বামীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় এবং স্বামী আমাকে চার মেয়েসহ গ্রামের বাড়ি স্থায়ী ঠিকানার বাড়ি হতে বের দেওয়ায় সন্তানদের নিয়ে তাদের ভরণপোষন জোগার করতে চাকুরীর সন্ধ্যানে সন্তানদের নিয়ে হাসনাবাদ, ইউনিয়ন-শুভাঢ্যা, থানা-দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, জেলা ঢাকা আমার ফুফাতো বোন মাকসুদার বাসায় এসে আশ্রয় নেই। এমতাবস্থায় আমার স্থায়ী ঠিকানার প্রতিবেশি ১ হতে ৩নং বিবাদীর সাথে এক পর্যায়ে কাজের সন্ধ্যানকরাকালীন তাদের সাথে আমার দেখা হয়।
কথাবার্তার এক পর্যায়ে ১ হতে ৩নং বিবাদী আমাকে আমার স্বামীর সাথে ঝগড়া বিবাদ আপোষ মিমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দেয় এবং আমাকে একটি ক্লিনিকে আয়ার কাজ দেওয়ার কথা বলে বেতন হবে প্রায় ১২হাজার টাকা, গত ১৫/০৮/২০২৬ইং তারিখ রোজ শনিবার আনুমানিক সকাল ১০ঘটিকার সময় আমার বর্তমান ঠিকানা আমার বোনের বাসা হইতে ১ হতে ৩নং বিবাদী আমাকে কাজে যোগদান করানোর কথা বলিয়া ঘটনাস্থল ৮০নং ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এর ৬ষ্ঠ তলার ডি-০১ রুমে নিয়া খাটের উপরে আমাকে বসতে দেয়।
কিছুক্ষনপর অন্যান্য বিবাদীরা এক এক করে আমাকে বসিয়ে রাখা রুমে প্রবেশ করে। আমি বিবাদীদের কাছে জানতে চাই যে এটা কেমন ক্লিনিক? আর এখানকার ক্লিনিকের লোকজন কোথায়? বিবাদীরা আমাকে বলে তুমি বসো, আর বস আসতেছে। এরই মধ্যে অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা এসে  আমাকে বলে তারাও এ ক্লিনিকে চাকুরী করে আমারও এখানে চাকুরী হবে কিছুক্ষন পর বিবাদীগনরা আমার চারপাশে বসে আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় হাতাহাতি করে তখন আমি বঝতে পারি এদের উদ্দেশ্য ভালো না ঐ মুহুর্তে বিবাদীদের বাধা দিলে সকল বিবাদীরা মিলিয়া আমার পরিহিত বোরখা, হাতমোজা,  টানাটানি করিয়া  খুলে ফেলে আমাকে বেপর্দাভাবে বিবস্ত্র করিয়া ২, ৩, ৪, ৫ ৬ ৭ ও ৮নং বিবাদী একের পর এক পর্যায়ক্রমে আমাকে ধর্ষনের চেষ্টা করে।
আমি তখন জোরাজুরি করিয়া বিবাদীদের বাধা প্রদান করি। এমতাবস্থায় ১ হতে ১৫নংসহ অজ্ঞাতনামা ১৬নং বিবাদীগনদের তাদের সাথে থাকা লোহার রড ও লাঠিসোটা দ্বারা আমাকে বেধরকভাবে পিটাইতে থাকে তখন আমি ডাক চিৎকার দিলে, বিবাদীরা বলে তোর ডাক চিৎকারে এখানে কেউ আসবে না। এই হোটেলটি একটি পতিতালয়, এখানে তোর থেকে ভালো ভালো রুপসী মেয়ে মানুষ আছে। যাদের সাথে মিলামিশা করতে এত জুরাজুরি করা লাগে না।
এক পর্যায়ে বিবাদীরা আমাকে খাটের উপর জোরাজুরি করিয়া সোয়াইয়া আমার দুই হাত-দুই পা দড়ি দিয়া খাটের সাথে বাধিয়া ফেলে। এরপর ১ হতে ১৬নং সকল বিবাদীরা মিলিয়া পর্যায়ক্রমে তাদের সাথে থাকা সুচের মতো ধারালো লোহার রড দ্বারা আমার বুক ও পেটসহ আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চাকুর মতো কুপিয়ে শরীরের একাধিক জায়গায় রক্তাক্ত জখম করে ও আমার মাথা ও হাতে রডের আঘাতে রক্তাক্ত জখম হয়  প্রায় ১৫ হতে ২০ জায়গায় বিবাদীরা লোহার ধারালো অস্ত্র দিয়া ক্ষত বিক্ষত নিলাফুলা জখম করে এরপর আমার দুই রানের ও গোপাঙ্গের দুপাশে প্রায় ধারালো রডের কুপের আঘাতে ২২  হতে ২৩টি ক্ষত তৈরী হয়।
এমতাবস্থায় আমাকে বিবস্ত্র করা ও আমাকে আঘাত করার দুই রান ও পেটের ছবি বিবাদীদের সাথে থাকা মোবাইল ক্যামেরায় ভিডিও চিত্র ধারণ করে বিবাদীদের পরিচিত বন্ধু-বান্ধব লোকজনের কাছে পাঠিয়ে দেয়। আমি বিবাদীদের নির্যাতনের ফলে গভীর রাতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি এক পর্যায়ে আমি আনুমানিক ভোর ৪ঘটিকার সময় জ্ঞান ফিরে পাই কিছুটা সুস্থ হইলে বিবাদীরা আমাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বলে এই ঘটনা নিয়ে আমি যদি বাড়াবাড়ি করি বা আইনের আশ্রয় নেই তাহলে ভবিষ্যতে আমার বড় ধরনের তারা ক্ষতিসাধন করবে বলিয়া ঘটনাস্থল থেকে আমাকে ছেড়ে দেয়। আমি রাস্তায় নেমে কিছুদুর এসে একজন সিএনজি ড্রাইভার এর কাছে  সাহায্য নিবেদন করলে তিনি আমার ঘটনা শুনে তার সিএনজিতে করে আমাকে আমার বর্তমান ঠিকানা কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদে নিয়ে নামিয়ে দিয়ে আসে। আমি বোনের বাসায় যেয়ে বোনসহ পরিবারের কাছে আমার ঘটনা খুলে বলি আমি অসুস্থ থাকায় আমার পরিবারের সদস্যরা আমাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিডফোর্ড হাসাপাতাল-এর ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্ট-এর ১১১নং রুমে নিয়ে চিকিৎসা করায়। চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্রের টিকেট সিরিয়াল নং ৫২৭, রেজি নং- SSMCMH268167365357756    তারিখ-১৬/০৮/২০২৬ইং সময় : ১৯টা ৩৭, আমার অসুস্থার চিকিৎসা জনিত কারণে ও আমার পরিবারকে জানিয়ে  বিবাদীদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করিয়া তেজগাঁও থানায় আমার ঘটনায়

ভারপ্রাপ্ত ওসি ইন্সিপেক্টর তদন্ত সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম তপন এজহার গ্রহণ না করায় আপাতত সাধারণ ডায়েরী আবেদন দায়ের করিতে কিছুটা বিলম্ব হইল।

উল্লেখিত ঘটনার বিষয়ে গত ২৩/০৮২০২৬ইং এবং ২৫/০৮/২০২৬ইং তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মহাপুলিশ পরিদর্শক, ডি.এম.পি পুলিশ কমিশনার, বিভিন্ন মিডিয়া ও মানবাধিকার সংস্থাকে লিখিত অভিযোগ আকারে অবগত করা হয়েছে। উল্লেখিত অভিযোগ দায়েরের পরে বিবাদীগনরা পরাস্পর যোগসাজসে গোপনে ও প্রকাশ্যে আমার বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকিয়া গত তারিখ-২৬/০৮/২০২৬ইং বেলা  আনুমাকি সকাল ১০ ঘটিকার সময় আমার এজাহার  তেজগাঁও থানায় গ্রহণ হয়েছে কি  না জানার জন্য গাড়িতে গিয়ে ফার্মগেইট মোড়ে নামার পর এরই মধ্যে আমার সাথে ১ হতে ১৫নং বিবাদীর সাথে পর্যায়ক্রমে আমার দেখায় হয় বিবাদীরা আামর গতিরোধ করিয়া অন্যান্য বিবাদীদের কুপরামর্শে বিবাদীরা বলে ১হতে ১৬নং বিবাদীগনরা আমাকে হুমকির দিয়ে বলে তাদের বিরদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মহাপুলিশ পরিদর্শক, ডি.এম.পি পুলিশ কমিশনার, বিভিন্ন মিডিয়া ও মানবাধিকার সংস্থা হতে অভিযোগগুলো যদি তুলে না নেই বা প্রত্যাহার না করি তাহলে নানাবিধ ষড়যন্ত্রমূলক সাজানো মামলায় আমাকে  ফাসাইবে বা আমাকে অপহরণ করিয়া নিয়া হত্যা করিয়া লাশ গুম করিয়া ফালানোর হুমকি দিয়া তারা চলিয়া যায়।

ঐ নারী যে সকল ব্যক্তিবর্গের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে তারা হলো-
১. সোনিয়া বেগম (৪০), পিতা-মোতালেব আকন্দ, মাতা-রোকেয়া বেগম, ঠিকানা-স্থায়ী সাং- গ্রাম : দিনার, পোষ্ট: দিনার, থানা : বন্দর, জেলা : বরিশাল।
২. মোঃ কামাল সিকদার (২৮), পিতা-সালাম সিকদার, মাতা-ফরিদা বেগম, স্থায়ী সাং- গ্রাম : দিনার, পোষ্ট: দিনার, থানা : বন্দর, জেলা : বরিশাল।
৩. মোঃ রনি সিকদার (২৪) পিতা-সালাম সিকদার, মাতা-ফরিদা বেগম, স্থায়ী সাং- গ্রাম : দিনার, পোষ্ট: দিনার, থানা : বন্দর, জেলা : বরিশাল।
৪. মোঃ সালাম (৪০), পিতা-মোঃ আমজাদ, স্থায়ী সাং-ষোলঘর, থানা-শ্রীনগর, জেলা-মুন্সিগঞ্জ
৫. মোঃ আনোয়ার (৪২), পিতা-রইস উদ্দীন, স্থায়ী সাং- ধাউরিয়া, শাহাজাদাপুর, থানা-সড়াইল, জেলা-বি-বাড়িয়া, বর্তমান ঠিকানা : হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ, এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
৬. মোঃ লিমন (৪০), মোবাইল-০১৭৬৭০৫০৯৪৭, পিতা-অজ্ঞাত, বর্তমান ঠিকানা : হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ ভাড়াটিয়া মালিক, এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
৭. মোঃ হিরা,পিতা-অজ্ঞাত, মোবাইল-০১৩৪০১৮৬৪২০, ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
৮. রনি-০১৭৫৩৭৮৯৬৯৪, পিতা-অজ্ঞাত, ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
৯. ফারুক-০১৭৪৯৬০৩৬০০, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১০. শুভ-০১৬২০১৭৫৩৮০, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১১. আরমান-০১৮৭৪৪৪১৯৪৫, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১২. জুয়েল-০১৭৩৯৬৬৬১৪৪, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১৩. মোঃ আবুল-০১৩৪৩৪৯১২৬০, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ, এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১৪. জয়-০১৭২২৩৭২১৫৭, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ , এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১৫. মোঃ সাকিব-০১৬৪৬৮৫০৩৪৩, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১৬. অজ্ঞাতনামা ৪/৫জন ১ হতে ১৫নং বিবাদীদের সহায়তাকারী, ৩জন মধ্য বয়সী নারী, ঠিকানা : ঘটনাস্থল হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এর কর্মচারী, এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫

উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গ তেজগাঁও অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের গোপন সহযোগীতায় ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজে চালাচ্ছে নারী গঠিত অসামাজিক কর্মকান্ড ব্যবসাস্থল। গেস্ট হাউজের রুমগুলোতে রাতদিন বসে মাদক সেবনের আসর। গেস্ট হাউজের ৬ষ্ঠ তলায় ডি-০১ ও ডি-০২ এই দুই কক্ষে সব সময় কোন না কোন নবাগত নারী, দালালদের খপ্পরে ঐ টর্সার সেলে বন্দি হয়ে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত শিশু কিশোরী ও যুবতীরা। টর্সার সেলে আটক থাকা নারীরা যারা দালালদের বশে চলে আসে তাদের এই চক্র ফার্মগেইট মোড়ে আশে পাশের লাব্বাইক হোটেল, দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল, ইনসাফ আবাসিক হোটেলসহ এই সিন্ডিক্যাডের হোটেলগুলোতে নিয়ে এ সকল মেয়েদের দেহজীবি বানিয়ে খদ্দরের হাতে চড়া দামে তুলে দিচ্ছে। কোন নারী স্থানীয় থানায় গিয়ে ন্যায় বিচার চাইলে ঐ সকল ভোক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। নিজের নাম গোপন রাখার শর্তে দুজন নারী পাচারকারী দালাল ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে জানায়-তেজগাঁও থানার ওসি সাহেব গত ২২/০৮/২০২৬ইং তারিখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এক নির্দেশে ক্লোজ হয়েছে আর বর্তমান ইনিস্পপেক্টর তদন্ত তেজগাঁও থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ওসি হওয়ায় তিনি ক্যাপিটাল গেস্ট হাউসসহ এই থানায় অপকর্ম চলা আবাসিক হোটেলগুলো হতে মোটা অংকের উৎকস গোপনে গ্রহণ করে হোটেল মালিকদের অপকর্ম ব্যবসা চালাতে দিতে সহযোগীতা করছে।

নিজের পরিচয় গোপন রাখার শর্তে একজন কনেসটেবল ক্রাইম নিউজ প্রতিবেদককে বলেন- ভাই একজন ওসি যদি ইচ্ছা করে তাহলে তার থানা এলাকায় কখনোই কোন অপরাধ কর্ম হবে না। ইন্সিপেক্টর অপারেশন, ইন্সিপেক্টর তদন্ত যখন অপরাধীদের সাথে গোপনে সখ্যতা গড়ে তোলে তখনই ঐ এলাকার অপরাধ দিন দিন বৃদ্ধি পায়। তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি ইন্সিপেক্টর তদন্ত সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম তপন তেজগাঁও থানায় দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই এলাকার ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজসহ অন্যান্য আবাসিক হোটেলগুলোতে অপকর্ম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

নির্যাতিতা নারীর এজাহার গ্রহন না করায় তেজগাঁও থানার ইন্সিপেক্টর  তদন্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:০৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
নির্যাতিতা নারীর এজাহার গ্রহন না করায় তেজগাঁও থানার ইন্সিপেক্টর  তদন্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ শেষে সাধারণ ডায়েরী
সিএনএম প্রতিবেদনঃ
ঢাকা জেলা ডিএমপিতে প্রায় ১৮ হতে ১৯শত আবাসিক হোটেল রয়েছে এরই মধ্যে নানা কৌশলে আবাসিক হোটেলগুলোতে মেয়ে মানুষ রাখিয়া  বহিরাগত পুরুষ দিয়া অসামাজিক কার্যকলাপ করিয়ে হোটেল ভাড়াটিয়া মালিকরা লাভবান হচ্ছে। বেশিক্ষেত্রেই হোটেলগুলোতে খোজ নিলে জানা যায়-দেহপ্রসারনী নারীদের হোটেলে রাখিয়া, হোটেলের অন্তরালে পতিতালয় স্থাপন করিয়া হোল্ডিং মালিকদের সহযোগীতায় হোটেলের নারী ব্যবসা দিন দিন বেড়েই চলেছে। খদ্দের আহবান করতে পথে ঘাটে চলাচলের সময় চোখে পড়ে রাস্তায় পড়ে থাকা শত শত ভিজিটিং কার্ড। খদ্দের আহবান করতে পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয় এ সকল ভিজিটিং কার্ড। দেহ ব্যবসায়ী হোটেলগুলোতে দালালরা গ্রামের প্রত্যান্ত অঞ্চল হতে নানা বয়সের মেয়েদের প্রেম,বিয়ে, চাকুরী, মডেল বানানোসহ বিভিন্ন প্রলোভনে ঐ সকল মেয়েদের আনিয়া সোজ নিয়ে দালালদের নির্ধারিত আবাসিক হোটেলের রুমে নিয়ে তোলে। রাজধানীর বেশ কিছু হোটেলে নবাগত মেয়েদের দেহজীবি বানাতে অবাধ্য মেয়েদের বাধ্য করতে হোটেল রয়েছে দালালদের টর্সার সেল। ঐ টর্সার সেলগুলোতে নবাগত মেয়েদের আটক করে তাদের উপর শারীরিক, মানুষিক ও পাষবীক নির্যাতন চালিয়ে প্রথমে পাচারকারী দালালরা নিজেরা ভোগ করে এরপর হোটেলে থাকা অন্যান্য দালালরা গ্যাং র‌্যাপের ফলে এক পর্যায়ে মেয়েদের দালালদের সংগ্রহ করা খদ্দরের হাতে তুলে দিয়ে ঐ সকল খদ্দরের সাথে অসামাজিক কার্যকলাপ করতে বাধ্য করা হয়।

তবে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অসাধু কর্মকর্তারা এ সকল দালালদের গোপনে সহায়তা করে আসছে। কোন নারী দালাল হাত ফসকে ছুটে গিয়ে স্থানীয় থানায় যেয়ে অভিযোগ দায়ের করলে নির্যাতিতা নারীদের পক্ষে স্থানীয় থানা পুলিশ কথা বলে খুব কম। নির্যাতিতা নারীরা পুলিশের তেমন সহযোগীতা পায় না। ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত হচ্ছে সমাজের অনেক নারী তবে উত্তরা পশ্চিম থানা, পূর্ব থানা, মীরপুর কাফরুল থানা, দারুস সালাম থানা, শাহআলী থানা, রূপনগর থানা। তেজগাও ডিভিশন : তেজগাঁও থানা, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা, হাতিরঝিল থানা, শেরেবাংলা নগর থানা, মোহাম্মদপুর থানা, আদাবর থানা। গুলশান ডিভিশন : গুলশান মডেল থানা, বনানী থানা, বাড্ডা থানা, ভাটারা থানা এলাকায় বেশিরভাগ হোটেলেই এ সকল অপকর্ম বেশি চলে। এই থানা এলাকার হোটেলগুলোতে নারী ব্যবসার পাশাপাশি রয়েছে নিরব মাদক কারবার সেবনের পাশাপাশি হচ্ছে খুচরা ও পাইকারী বিক্রি।

এরই মধ্যে তেজগাঁও থানা এলাকার থানা থেকে ২০০ গজ উত্তরে ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এর আশে পাশে ইনসাফ আবাসিক হোটেল, লাব্বাইক আবাসিক হোটেল, দেশবাংলা আবাসিক হোটেল, ঐ হোটেলগুলো মাদক ব্যবসার জন্য একটি ক্রাইমজোন। এ হোটেলের মালিক ইউসুপ রিপন, ইমরান, সালাউদ্দিন, লিমন, সুমন এরা হলো আর্ন্তজাতিক নারী ব্যবসায়ী, ঢাকা শহরের প্রায় থানায় বিভিন্ন আবাসিক হোটেলের তারা পার্টনার। এদের  গ্রুপে প্রায় হাজারেরও অধিক নারী সংগ্রহকারী দালাল রয়েছে।

ইতমধ্যে তেজগাঁও এলাকার ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেলের দালালদের টর্সার সেল হতে ছুটে নির্যাতিতা এক নারী তেজগাঁও থানায় গিয়েছিলেন ন্যায় বিচার চাইতে, থানা পুলিশের সাথে নারীগঠিত ব্যবসায়ী পাচারকারী ও ধর্ষকদের সাথে সখ্যতা থাকায় ঐ নারী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত  হয়েছেন।

গত ১৫/০৮/২০২৬ইং সকাল আনুামনিক ১১ঘটিকা হইতে  ১৬/০৮/২০২৬ইং তারিখ ভোর আনুমানিক ৫ ঘটিকা পর্যন্ত। ঘটনা স্থল : রুম নং-ডি-০১, ৬ষ্ঠতলা হোল্ডিং নং ৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ-এ নির্যাতিত নারী ধর্ষকদের হাত হতে রক্ষা পেয়ে ছুটে গিয়েছিলেন তেজগাঁও থানায়। ঐ থানায় যাওয়ার পর যা ঘটেছিল সাধারণ ডায়েরীতে তার ঘটনা তুলে ধরেন- নির্যাতিতা নারী ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে জানান তিনি সাধারণ ডায়েরী করার জন্য অনলাইনে জিডির আবেদন করেছেন যাহার ট্যাকিং নং-:  1BZR7X  , তািরখ: ২৯/০৮/২০২৬ সাধারণ ডায়েরীর আবেদনটি দেখেছেন  : তেজগাঁও থানার ডিউটি অফিসার শাহানাজ পারভীন।

নির্যাতিতা নারী বলেন ছদ্মনাম : আছিয়া- আমি আমার চার কন্যা সন্তান নিয়ে স্থায়ী ঠিকানায় বসবাস করছিলাম। কিন্তুু আমার স্বামী ভরণপোষন না দেওয়ায় চার সন্তান নিয়ে বহু কষ্টে দিনাতিপাত করে আসছিলাম। এলাকায় থেকে কিছু বাচ্চাদের আরবী পড়িয়ে এবং নারীদের দ্বীনের দাওয়াত দিয়ে তালিম করে বাচ্চাদের পড়ানো বাবদ কিছু অর্থ পেতাম তা দিয়েই পর্দার সাথে চলে আমার সন্তানদের নিয়ে সংসার চলে যেত।
তাছাড়া  স্বামীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় এবং স্বামী আমাকে চার মেয়েসহ গ্রামের বাড়ি স্থায়ী ঠিকানার বাড়ি হতে বের দেওয়ায় সন্তানদের নিয়ে তাদের ভরণপোষন জোগার করতে চাকুরীর সন্ধ্যানে সন্তানদের নিয়ে হাসনাবাদ, ইউনিয়ন-শুভাঢ্যা, থানা-দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, জেলা ঢাকা আমার ফুফাতো বোন মাকসুদার বাসায় এসে আশ্রয় নেই। এমতাবস্থায় আমার স্থায়ী ঠিকানার প্রতিবেশি ১ হতে ৩নং বিবাদীর সাথে এক পর্যায়ে কাজের সন্ধ্যানকরাকালীন তাদের সাথে আমার দেখা হয়।
কথাবার্তার এক পর্যায়ে ১ হতে ৩নং বিবাদী আমাকে আমার স্বামীর সাথে ঝগড়া বিবাদ আপোষ মিমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দেয় এবং আমাকে একটি ক্লিনিকে আয়ার কাজ দেওয়ার কথা বলে বেতন হবে প্রায় ১২হাজার টাকা, গত ১৫/০৮/২০২৬ইং তারিখ রোজ শনিবার আনুমানিক সকাল ১০ঘটিকার সময় আমার বর্তমান ঠিকানা আমার বোনের বাসা হইতে ১ হতে ৩নং বিবাদী আমাকে কাজে যোগদান করানোর কথা বলিয়া ঘটনাস্থল ৮০নং ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এর ৬ষ্ঠ তলার ডি-০১ রুমে নিয়া খাটের উপরে আমাকে বসতে দেয়।
কিছুক্ষনপর অন্যান্য বিবাদীরা এক এক করে আমাকে বসিয়ে রাখা রুমে প্রবেশ করে। আমি বিবাদীদের কাছে জানতে চাই যে এটা কেমন ক্লিনিক? আর এখানকার ক্লিনিকের লোকজন কোথায়? বিবাদীরা আমাকে বলে তুমি বসো, আর বস আসতেছে। এরই মধ্যে অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা এসে  আমাকে বলে তারাও এ ক্লিনিকে চাকুরী করে আমারও এখানে চাকুরী হবে কিছুক্ষন পর বিবাদীগনরা আমার চারপাশে বসে আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় হাতাহাতি করে তখন আমি বঝতে পারি এদের উদ্দেশ্য ভালো না ঐ মুহুর্তে বিবাদীদের বাধা দিলে সকল বিবাদীরা মিলিয়া আমার পরিহিত বোরখা, হাতমোজা,  টানাটানি করিয়া  খুলে ফেলে আমাকে বেপর্দাভাবে বিবস্ত্র করিয়া ২, ৩, ৪, ৫ ৬ ৭ ও ৮নং বিবাদী একের পর এক পর্যায়ক্রমে আমাকে ধর্ষনের চেষ্টা করে।
আমি তখন জোরাজুরি করিয়া বিবাদীদের বাধা প্রদান করি। এমতাবস্থায় ১ হতে ১৫নংসহ অজ্ঞাতনামা ১৬নং বিবাদীগনদের তাদের সাথে থাকা লোহার রড ও লাঠিসোটা দ্বারা আমাকে বেধরকভাবে পিটাইতে থাকে তখন আমি ডাক চিৎকার দিলে, বিবাদীরা বলে তোর ডাক চিৎকারে এখানে কেউ আসবে না। এই হোটেলটি একটি পতিতালয়, এখানে তোর থেকে ভালো ভালো রুপসী মেয়ে মানুষ আছে। যাদের সাথে মিলামিশা করতে এত জুরাজুরি করা লাগে না।
এক পর্যায়ে বিবাদীরা আমাকে খাটের উপর জোরাজুরি করিয়া সোয়াইয়া আমার দুই হাত-দুই পা দড়ি দিয়া খাটের সাথে বাধিয়া ফেলে। এরপর ১ হতে ১৬নং সকল বিবাদীরা মিলিয়া পর্যায়ক্রমে তাদের সাথে থাকা সুচের মতো ধারালো লোহার রড দ্বারা আমার বুক ও পেটসহ আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চাকুর মতো কুপিয়ে শরীরের একাধিক জায়গায় রক্তাক্ত জখম করে ও আমার মাথা ও হাতে রডের আঘাতে রক্তাক্ত জখম হয়  প্রায় ১৫ হতে ২০ জায়গায় বিবাদীরা লোহার ধারালো অস্ত্র দিয়া ক্ষত বিক্ষত নিলাফুলা জখম করে এরপর আমার দুই রানের ও গোপাঙ্গের দুপাশে প্রায় ধারালো রডের কুপের আঘাতে ২২  হতে ২৩টি ক্ষত তৈরী হয়।
এমতাবস্থায় আমাকে বিবস্ত্র করা ও আমাকে আঘাত করার দুই রান ও পেটের ছবি বিবাদীদের সাথে থাকা মোবাইল ক্যামেরায় ভিডিও চিত্র ধারণ করে বিবাদীদের পরিচিত বন্ধু-বান্ধব লোকজনের কাছে পাঠিয়ে দেয়। আমি বিবাদীদের নির্যাতনের ফলে গভীর রাতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি এক পর্যায়ে আমি আনুমানিক ভোর ৪ঘটিকার সময় জ্ঞান ফিরে পাই কিছুটা সুস্থ হইলে বিবাদীরা আমাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বলে এই ঘটনা নিয়ে আমি যদি বাড়াবাড়ি করি বা আইনের আশ্রয় নেই তাহলে ভবিষ্যতে আমার বড় ধরনের তারা ক্ষতিসাধন করবে বলিয়া ঘটনাস্থল থেকে আমাকে ছেড়ে দেয়। আমি রাস্তায় নেমে কিছুদুর এসে একজন সিএনজি ড্রাইভার এর কাছে  সাহায্য নিবেদন করলে তিনি আমার ঘটনা শুনে তার সিএনজিতে করে আমাকে আমার বর্তমান ঠিকানা কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদে নিয়ে নামিয়ে দিয়ে আসে। আমি বোনের বাসায় যেয়ে বোনসহ পরিবারের কাছে আমার ঘটনা খুলে বলি আমি অসুস্থ থাকায় আমার পরিবারের সদস্যরা আমাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিডফোর্ড হাসাপাতাল-এর ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্ট-এর ১১১নং রুমে নিয়ে চিকিৎসা করায়। চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্রের টিকেট সিরিয়াল নং ৫২৭, রেজি নং- SSMCMH268167365357756    তারিখ-১৬/০৮/২০২৬ইং সময় : ১৯টা ৩৭, আমার অসুস্থার চিকিৎসা জনিত কারণে ও আমার পরিবারকে জানিয়ে  বিবাদীদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করিয়া তেজগাঁও থানায় আমার ঘটনায়

ভারপ্রাপ্ত ওসি ইন্সিপেক্টর তদন্ত সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম তপন এজহার গ্রহণ না করায় আপাতত সাধারণ ডায়েরী আবেদন দায়ের করিতে কিছুটা বিলম্ব হইল।

উল্লেখিত ঘটনার বিষয়ে গত ২৩/০৮২০২৬ইং এবং ২৫/০৮/২০২৬ইং তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মহাপুলিশ পরিদর্শক, ডি.এম.পি পুলিশ কমিশনার, বিভিন্ন মিডিয়া ও মানবাধিকার সংস্থাকে লিখিত অভিযোগ আকারে অবগত করা হয়েছে। উল্লেখিত অভিযোগ দায়েরের পরে বিবাদীগনরা পরাস্পর যোগসাজসে গোপনে ও প্রকাশ্যে আমার বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকিয়া গত তারিখ-২৬/০৮/২০২৬ইং বেলা  আনুমাকি সকাল ১০ ঘটিকার সময় আমার এজাহার  তেজগাঁও থানায় গ্রহণ হয়েছে কি  না জানার জন্য গাড়িতে গিয়ে ফার্মগেইট মোড়ে নামার পর এরই মধ্যে আমার সাথে ১ হতে ১৫নং বিবাদীর সাথে পর্যায়ক্রমে আমার দেখায় হয় বিবাদীরা আামর গতিরোধ করিয়া অন্যান্য বিবাদীদের কুপরামর্শে বিবাদীরা বলে ১হতে ১৬নং বিবাদীগনরা আমাকে হুমকির দিয়ে বলে তাদের বিরদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মহাপুলিশ পরিদর্শক, ডি.এম.পি পুলিশ কমিশনার, বিভিন্ন মিডিয়া ও মানবাধিকার সংস্থা হতে অভিযোগগুলো যদি তুলে না নেই বা প্রত্যাহার না করি তাহলে নানাবিধ ষড়যন্ত্রমূলক সাজানো মামলায় আমাকে  ফাসাইবে বা আমাকে অপহরণ করিয়া নিয়া হত্যা করিয়া লাশ গুম করিয়া ফালানোর হুমকি দিয়া তারা চলিয়া যায়।

ঐ নারী যে সকল ব্যক্তিবর্গের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে তারা হলো-
১. সোনিয়া বেগম (৪০), পিতা-মোতালেব আকন্দ, মাতা-রোকেয়া বেগম, ঠিকানা-স্থায়ী সাং- গ্রাম : দিনার, পোষ্ট: দিনার, থানা : বন্দর, জেলা : বরিশাল।
২. মোঃ কামাল সিকদার (২৮), পিতা-সালাম সিকদার, মাতা-ফরিদা বেগম, স্থায়ী সাং- গ্রাম : দিনার, পোষ্ট: দিনার, থানা : বন্দর, জেলা : বরিশাল।
৩. মোঃ রনি সিকদার (২৪) পিতা-সালাম সিকদার, মাতা-ফরিদা বেগম, স্থায়ী সাং- গ্রাম : দিনার, পোষ্ট: দিনার, থানা : বন্দর, জেলা : বরিশাল।
৪. মোঃ সালাম (৪০), পিতা-মোঃ আমজাদ, স্থায়ী সাং-ষোলঘর, থানা-শ্রীনগর, জেলা-মুন্সিগঞ্জ
৫. মোঃ আনোয়ার (৪২), পিতা-রইস উদ্দীন, স্থায়ী সাং- ধাউরিয়া, শাহাজাদাপুর, থানা-সড়াইল, জেলা-বি-বাড়িয়া, বর্তমান ঠিকানা : হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ, এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
৬. মোঃ লিমন (৪০), মোবাইল-০১৭৬৭০৫০৯৪৭, পিতা-অজ্ঞাত, বর্তমান ঠিকানা : হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ ভাড়াটিয়া মালিক, এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
৭. মোঃ হিরা,পিতা-অজ্ঞাত, মোবাইল-০১৩৪০১৮৬৪২০, ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
৮. রনি-০১৭৫৩৭৮৯৬৯৪, পিতা-অজ্ঞাত, ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
৯. ফারুক-০১৭৪৯৬০৩৬০০, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১০. শুভ-০১৬২০১৭৫৩৮০, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১১. আরমান-০১৮৭৪৪৪১৯৪৫, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১২. জুয়েল-০১৭৩৯৬৬৬১৪৪, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১৩. মোঃ আবুল-০১৩৪৩৪৯১২৬০, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ, এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১৪. জয়-০১৭২২৩৭২১৫৭, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ , এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১৫. মোঃ সাকিব-০১৬৪৬৮৫০৩৪৩, পিতা-অজ্ঞাত,  ঠিকানা-হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
১৬. অজ্ঞাতনামা ৪/৫জন ১ হতে ১৫নং বিবাদীদের সহায়তাকারী, ৩জন মধ্য বয়সী নারী, ঠিকানা : ঘটনাস্থল হোল্ডিং নং-৮০ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এর কর্মচারী, এয়ারপোর্ট রোড, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫

উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গ তেজগাঁও অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের গোপন সহযোগীতায় ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজে চালাচ্ছে নারী গঠিত অসামাজিক কর্মকান্ড ব্যবসাস্থল। গেস্ট হাউজের রুমগুলোতে রাতদিন বসে মাদক সেবনের আসর। গেস্ট হাউজের ৬ষ্ঠ তলায় ডি-০১ ও ডি-০২ এই দুই কক্ষে সব সময় কোন না কোন নবাগত নারী, দালালদের খপ্পরে ঐ টর্সার সেলে বন্দি হয়ে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত শিশু কিশোরী ও যুবতীরা। টর্সার সেলে আটক থাকা নারীরা যারা দালালদের বশে চলে আসে তাদের এই চক্র ফার্মগেইট মোড়ে আশে পাশের লাব্বাইক হোটেল, দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল, ইনসাফ আবাসিক হোটেলসহ এই সিন্ডিক্যাডের হোটেলগুলোতে নিয়ে এ সকল মেয়েদের দেহজীবি বানিয়ে খদ্দরের হাতে চড়া দামে তুলে দিচ্ছে। কোন নারী স্থানীয় থানায় গিয়ে ন্যায় বিচার চাইলে ঐ সকল ভোক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। নিজের নাম গোপন রাখার শর্তে দুজন নারী পাচারকারী দালাল ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে জানায়-তেজগাঁও থানার ওসি সাহেব গত ২২/০৮/২০২৬ইং তারিখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এক নির্দেশে ক্লোজ হয়েছে আর বর্তমান ইনিস্পপেক্টর তদন্ত তেজগাঁও থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ওসি হওয়ায় তিনি ক্যাপিটাল গেস্ট হাউসসহ এই থানায় অপকর্ম চলা আবাসিক হোটেলগুলো হতে মোটা অংকের উৎকস গোপনে গ্রহণ করে হোটেল মালিকদের অপকর্ম ব্যবসা চালাতে দিতে সহযোগীতা করছে।

নিজের পরিচয় গোপন রাখার শর্তে একজন কনেসটেবল ক্রাইম নিউজ প্রতিবেদককে বলেন- ভাই একজন ওসি যদি ইচ্ছা করে তাহলে তার থানা এলাকায় কখনোই কোন অপরাধ কর্ম হবে না। ইন্সিপেক্টর অপারেশন, ইন্সিপেক্টর তদন্ত যখন অপরাধীদের সাথে গোপনে সখ্যতা গড়ে তোলে তখনই ঐ এলাকার অপরাধ দিন দিন বৃদ্ধি পায়। তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি ইন্সিপেক্টর তদন্ত সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম তপন তেজগাঁও থানায় দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই এলাকার ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজসহ অন্যান্য আবাসিক হোটেলগুলোতে অপকর্ম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।