ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে তেজগাঁও থানার ওসি ও ওসি তদন্তসহ ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৪:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে তেজগাঁও থানার ওসি ও ওসি তদন্তসহ ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে নির্যাতিতা নারীর অভিযোগ
মোঃ আলমগীর (সেলিম)
ছদ্মনাম  ফুলজান বিবি, তার অভিযোগে ঐ নারী উল্লেখ করেনে- আমি আমার চার কন্যা সন্তান নিয়ে দুঃখ কষ্টে দিনাতিপাত করছিলাম। কিন্তুু আমার স্বামী ভরণপোষন না দেওয়ায় চার সন্তান নিয়ে বহু কষ্টে দিন কাটছিল আমার।গ্রামের এলাকায় থেকে কিছু বাচ্চাদের আরবী পড়িয়ে এবং নারীদের দ্বীনের দাওয়াত দিয়ে তালিম করে বাচ্চাদের পড়ানো বাবদ কিছু অর্থ পেতাম তা দিয়েই পর্দার সাথে থেকে  আমার সন্তানদের নিয়ে সংসার চলে যেত। তাছাড়া  স্বামীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় এবং স্বামী আমাকে চার মেয়েসহ গ্রামের বাড়ি স্থায়ী ঠিকানার বাড়ি হতে বের দেওয়ায় সন্তানদের নিয়ে তাদের ভরণপোষন জোগার করতে চাকুরীর সন্ধ্যানে সন্তানদের নিয়ে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ আমার ফুফাতো বোনের বাসায় এসে আশ্রয় নেই।

এমতাবস্থায় আমার প্রতিবেশি ৩ জন ব্যক্তির সাথে আমার দেখা হয় কাজের সন্ধ্যানকরাকালীন তাদের সাথে আমার দেখা হলে  কথাবার্তার এক পর্যায়ে আমাকে আমার স্বামীর সাথে ঝগড়া বিবাদ আপোষ মিমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দেয় এবং আমাকে একটি ক্লিনিকে আয়ার কাজ দেওয়ার কথা বললে আমি রাজি হলে ১২হাজার টাকা বেতনে আমাকে চাকুরী দিতে পারবে।

গত ১৫/০৮/২০২৬ইং তারিখ রোজ শনিবার আনুমানিক সকাল ১০ঘটিকার সময় আমার বর্তমান ঠিকানা আমার বোনের বাসা হইতে আমাকে কাজে যোগদান করানোর কথা বলিয়া তেজগাঁও থানাধীন  ৮০নং ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এর ৬ষ্ঠ তলার ডি-০১ রুমে নিয়া খাটের উপরে আমাকে বসতে দেয়।

কিছুক্ষনপর অন্যান্য বিবাদীরা এক এক করে আমাকে বসিয়ে রাখা রুমে আসে। আমি বিবাদীদের কাছে জানতে চাই যে এটা কেমন ক্লিনিক? আর এখানকার ক্লিনিকের লোকজন কোথায়? বিবাদীরা আমাকে বলে তুমি বসো, আর বস আসতেছে। এরই মধ্যে বিবাদী : সোনিয়া বেগম, মোঃ কামাল সিকদার, মোঃ রনি সিকদার, মোঃ সালাম , মোঃ আনোয়ার মোঃ লিমন , মোঃ হিরা, রনি, ফারুক, শুভ, আরমান জুয়েল , মোঃ আবুল, জয়, মোঃ সাকিবসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৫/৬জন।

বিবাদীগনরা আমার চারপাশে বসে আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় হাতাহাতি করে আমি বাধা দিলে সকল বিবাদীরা মিলিয়া আমার পরিহিত বোরখা, হাতমোজা,  টানাটানি করিয়া খুলে ফেলে আমাকে বেপর্দাভাবে বিবস্ত্র করিয়া  বিবাদীগনরা একের পর এক পর্যায়ক্রমে আমাকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। আমি তখন জোরাজুরি করিয়া বিবাদীদের বাধা প্রদান করি।

এমতাবস্থায় বিবাদীগনরা তাদের সাথে থাকা লোহার রড দ্বারা আমাকে বেধরকভাবে পিটাইতে থাকে তখন আমি ডাক চিৎকার দিলে, বিবাদীরা বলে তোর ডাক চিৎকারে এখানে কেউ আসবে না। এই হোটেলটি একটি পতিতালয়  এখানে তোর থেকে ভালো ভালো রুপসী মেয়ে মানুষ আছে। যাদের সাথে মিলামিশা করতে এত জুরাজুরি করা লাগে না।

এক পর্যায়ে বিবাদীরা আমাকে খাটের উপর জোরাজুরি করিয়া সোয়াইয়া আমার দুই হাত-দুই পা দড়ি দিয়া খাটের সাথে বাধিয়া ফেলে। এরপর বিবাদীরা তাদের সাথে থাকা সুচের মতো ধারালো লোহার রড দ্বারা আমার বুক ও পেটসহ আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চাকুর মতো কুপিয়ে শরীরের একাধিক জায়গায় রক্তাক্ত জখম করে ও আমার মাথা ও হাতে রডের আঘাতে রক্তাক্ত জখম হয়  প্রায় ১৫ হতে ২০ জায়গায় বিবাদীরা লোহার ধারালো অস্ত্র দিয়া ক্ষত বিক্ষত নিলাফুলা জখম করে এরপর আমার দুই রানের ও গোপাঙ্গের দুপাশে প্রায় ধারালো রডের কুপের আঘাতে ২২  হতে ২৩টি ক্ষত তৈরী হয়।

এমতাবস্থায় আমার বিবস্ত্র করা ও আমাকে আঘাত করার দুই রান ও পেটের ছবি তাদের সাথে থাকা মোবাইল ক্যামেরায় ভিডিও চিত্র ধারণ করে বিবাদীদের পরিচিত বন্ধু-বান্ধব লোকজনের কাছে পাঠিয়ে দেয়। আমি বিবাদীদের নির্যাতনের ফলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি এক পর্যায়ে আমি গভীর রাতে কিছুটা সুস্থ হইলে বিবাদীরা ঘটনাস্থল থেকে আমাকে ছেড়ে দেয়, আমি রাস্তায় নেমে কিছুদুর এসে একজন সিএনজি ড্রাইভার এর কাছে আমি সাহায্য নিবেদন করলে তিনি আমার ঘটনা শুনে তার সিএনজিতে করে আমাকে আমার বর্তমান ঠিকানা কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদে নামিয়ে দিয়ে যায়। আমি বাসায় যেয়ে পরিবারের কাছে আমার ঘটনা খুলে বলি আমি অসুস্থ থাকায় আমার পরিবারের সদস্যরা আমাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিডফোর্ট হাসাপাতাল-এর ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্ট-এর ১১১নং রুমে নিয়ে চিকিৎসা করায়। চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্রের টিকেট সিরিয়াল নং ৫২৭, রেজি নং-ঝঝগঈগঐ২৬৮১৬৭৩৬৫৩৫৭৭৫৬ তারিখ-১৬/০৮/২০২৬ইং সময় : ১৯টা ৩৭, আমার অসুস্থার চিকিৎসা জনিত কারণে ও আমার পরিবারকে জানিয়ে  বিবাদীদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করিয়া অভিযোগ দায়ের করিলাম।

নির্যাতিত ঐ নারী অভিযোগে উল্লেখ করেন- ঘটনাস্থল ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেল একটি মিনি পতিতালয় সেখানে বিভিন্ন মেয়েদের নানা কৌশলে আনিয়া ঐ সকল মেয়েদের দিয়ে ক্যাপিটাল হোটেলে বিভিন্ন কক্ষে আটক রাখিয়া তাদের দেহজীবি বানিয়ে সেখানে বহিরাগত পুরুষ দ্বারা অসামাজিক কার্যকলাম করায় ঘটনার দিন আমি ছাড়াও আরো ৩/৪জন মেয়েকে উক্ত হোটেলে আটক করিয়া আমার মতো একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিল উল্লেখিত বিবাদীগন।

থানায় এজাহার দেওয়ায় ওসির কান্ড
অভিযোগকারীনি বলেন উল্লেখিত ঘটনায় একটি অভিযোগ লিখে অভিযোগপত্র  ১. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী   ২. মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী   ৩. আইজিপি মহোদয়   ৪. পুলিশ কমিশনার মহোদয়   ৫. যুগ্ন পুলিশ কমিশনার মহোদয় এবং বিভিন্ন মিডিয়া ও মানবাধিকার সংস্থায়  অভিযোগপত্র জমা দেই। উক্ত সকল অভিযোগের ফটোকপি সহ তেজগাঁও থানায় একটি এজহারপত্র লিখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দেই আমার ঘটনার এজহারপত্র পড়ার পর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  তিনি তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠে আমাকে গাল-মন্দ শুরু করে এবং বলে আমি এত জায়গায় অভিযোগ জমা দিয়ে এখন কেন থানায় আসছি।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমাকে হুমকির সুরে অপেশাদারিত্ব আচরন করে বলে আমি যেহেতু অভিযোগ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার কাছে জমা দিয়েছি আমাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার কাছে যেয়ে মামলা করতে বলে নয়তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া তেজগাঁও থানায় এসে যেন তার মামলা নেয়। এরপর আমাকে অকথ্য ভাষায়  গালমন্দ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেয়া পত্রের রিসিভ কপি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাহেব ওসি তদন্ত ছিড়ে ফেলে তার রুমে থাকা ডাস্টবিন ঝুড়িতে ফেলে দেয়। এরপর পুলিশ আমাকে বলে আমি যেখানে যেখানে অভিযোগ করেছি তাদের কাছে গিয়ে যেন আমার বিচার চাই। ডি.এমপির তেজগাঁও থানায় আমার ঘটনায় কোন মামলা হবে না। এ নিয়ে যদি আমি থানায় বেশিক্ষন থাকি তাহলে আমাকে পেশাদার পতিতা সাজিয়ে উল্টো সাজানো মামলা দিয়ে জেল-হাজতে পাঠানো হবে।

নারী মানবাধিকার কর্মীকে ও থানা কম্পাউন্টে লাঞ্চিত করে বের করে দেয়
এমতাবস্থায় সেখানে থাকা নারী মানবাধিকার কর্মী আমার নির্যাতনের ঘটনার বর্ণনা শুনে ওসিকে ব্যবস্থা নিতে বললে ওসি তার চেয়ার থেকে উঠে এসে ঐ নারীকে ধাক্কা দিয়ে নানা ধরনের হুমকি ধুমকি দিয়ে তাকে দালাল বলে গালমন্দ করে থানা থেকে বের করে দেয়।

নির্যাতিতার এজাহার ওসি গ্রহণ না করায় যে সকল পুলিশ কর্মকর্তারা ওসিকে বাহবা দেন
ঐ সময় তেজগাঁও থানার ডিওটি অফিসার এস.আই. সায়েদুজ্জামান, এস.আই আহসানুল কবির শুভ ,
ইন্সিপেক্টর তদন্ত তেজগাঁও থানার ওসির রুমেই উপস্থিত ছিল। তারাও আমার সাথে ও মানবাধিকার কর্মী ঐ মহিলার সাথে অপেশাদারিত্ব আচরন করে মহিলাকে দালাল বলে গালমন্দ করে থানা থেকে বের করে দেয়।
এবং ওসি বলে ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ  ও ফার্মগেইট মোড়ে দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল তেজগাঁও বিভাগের  উপ-পুলিশ কমিশনার এর আত্বীয়-স্বজনের হোটেল, তাই এদের বিষয় আমার কিছু করার নাই।

ক্যাপিটাল হোটেলে ঘটনায় কোন মামলা হলে শেষে আমার চাকুরী থাকবে না এ সকল উদ্ভট কথাবার্তা বলে আমাকে থানা থেকে ওসিসহ পুলিশ কর্মকর্তাগনরা মামলা না নিয়ে তাড়িয়ে দেয়।

এমতাবস্থায়,  আমি ন্যাচ বিচারের স্বার্থে মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি যে, ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেলে প্রতিনিয়ত আমার মতো এমনভাবে নারীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। আর তারা মানসম্মান সর্বচ্চ খুয়াচ্ছে। তেজগাঁও থানার ওসিসহ তেজগাঁও অধিকাংশ পুলিশ কর্মকর্তা ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজের চলা অপকর্মের কথা অবগত আছেন এবং যে সকল নারীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তাহা তেজগাঁও থানার ওসি, ইন্সিেেপক্টও তদন্ত, ইন্সিপেক্টর অপারেশন ও উল্লেখিত পুলিশ কর্মকর্তাদের গোপন সহযোগিতায় হচ্ছে।
ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার অনুসন্ধানে জানা যায় তেজগাঁও থানার আশে পাশে অসামাজিক কার্যকলাপ চলা বেশ কিছু আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউজ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম থানা থেকে ২০০ গজ উত্তরে ৮০নং হোল্ডিং-এ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ ব্যস্ততম একটি পতিতালয়। সেখানে প্রায় ৩০ হতে ৩৫জন মেয়ে মানুষ রাখিয়া বহিরাগত পুরুষ খদ্দের আহবান করিয়া ঐসকাল নারীদের দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করানো হয়।

এরমধে স্থানীয় হাজি হাকিম চৌকিদারসহ  আরো কয়েকজন স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি নিজেদের নাম গোপন রাখা সত্বে ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার প্রতিবেদককে বলেন-তেজগাঁও থানা এলাকার বেশ কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে এরই মধ্যে ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ, দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল, ইনসাফ আবাসিক হোটেল, লাব্বাইক আবাসিক হোটেল এ ৪টি হোটেলে প্রকাশেই চলছে মাদক কারবার একেকটি হোটেলে ২৫ হতে ৩০টি মেয়ে মানুষ রাখিয়া দালালদের মাধ্যমে খদ্দের সংগ্রহ করিয়া করানো হয় অসামাজিক কর্মকান্ড। এলাকার অধিকাংশ মানুষই জানে এ ৪টি আবাসিক হোটেল একেকটি হোটেল প্রকাশে পতিতালয়। হোটেলের পাশে কিছুক্ষণ দাড়ালে বিভিন্ন সময় দালালরে সংগ্রহ করা নবাগত মেয়েরা নির্যাতনের শিকার হয়ে কান্না করে সেই কান্নার আওয়াজে অনেক সময় হোটেলের আশেপাশে তামশা দেখার জন্য পথচারীরা জমায়েত বাধে।

তবে এ নিয়ে এলাকার মধ্যে গন্যমান্য অনেকেই থানায় যেয়ে মৌখিক আবেদন করেছেন পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয় না। নাম গোপন রাখার শর্তে এক ব্যক্তি নিজেকে তেজগাঁও থানার পুলিশ কনসটেবল পরিচয় দিয়ে ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে বলেন তেজগাঁও থানার পুলিশের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ লোক হচ্ছে এবং দুনির্তীর শীর্ষে জড়িয়ে পড়েছেন তেজগাঁও থানার ওসি তদন্ত সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম তপন ও অপারেশন মোঃ হান্নান এছাড়া বেশ কিছু এস.আই, ওসি তদন্তের নিয়ন্ত্রন বশে থাকায় তেজগাঁও এলাকায় হোটেল গেস্ট হাউজগুলোতে মাদক ব্যবসা, নারী ব্যবসা,  চুরি,ছিনতাই এলাকায় বেড়েছে। মাঝে মধ্যে অপরাধীরা ধরা পড়লেও তেজগাঁও এলাকায় ইন্সিপেক্টর তদন্ত ও  ইন্সিপেক্টর অপারেশন এর নিয়ন্ত্রীত অফিসারগনরা মোটা অংকের অর্থ নিয়ে আপরাধীদের গ্রেফতার করলেও অদৃশ্য কারণে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।

তবে অভিযোগকারীনী ছদ্ম নাম কুলজান বিবি ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে বলেন- আমি নির্যাতনের শিকার হয়েছে বিচার চাইতে তেজগাঁও থানা পুলিশের কাছে গিয়েছি, পুলিশ আমার সাথে এমন অপেশাদারিত্ব আচরন করবেন তাহা আমি কখনো ভাবতেও পারি নাই। আমি থানায় অভিযোগ নিয়ে ১৬/০৮/২০২৬ইং তারিখ ও ১৮/০৮/২০২৬ইং তারিখ থানায় গিয়েছি কিন্তু অফিসার ইনচার্জ ও  ইন্সিপেক্টর তদন্ত ও ইন্সিপেক্টর অপারেশন এর আচরন দেখে পুলিশের প্রতি আমার যে সৎ ধারনা ছিল তা পাল্টে গেছে। পুলিশ সেই পুর্বের পুলিশই রয়ে গেছে।

নির্যাতিতা নারী এই ঘটনায় পুনরায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, মহা-পুলিশ পরিদর্শক, ডি.এম.পি পুলিশ কমিশনার, যুগ্ন পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়া।

এ বিষয়ে ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার অফিস থেকে মুঠফোনে ওসি তদন্তের মোবাইল-০১৩২০০৪০৮০২ নম্বরে তার বক্তব্য চাইতে গেলে তিনি সাংবাদিককে থানায় গিয়ে তার সাথে দেখা করে বক্তব্য নিতে বলেন। তাছাড়া এ বিষয়ে তিনি কথা বলতে ইচছুক না। ওসি তদন্ত এর কাছ জানতে চাওয়া হয় অভিযোগে উল্লেখিত পুলিশ কর্মকর্তাগনরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কটুক্তি করে কোন কথা বলেছিলেন কি না? তাছাড়া অভিযোগ কারিনী এজাহারের সাথে সংযুক্ত করে দেওয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্টমন্ত্রী, আইজিপি, পুলিশ কমিশনার, যুগ্নকমিশনার এর কাছে দেওয়া অভিযোগপত্রের ফটোকপি ঐ কাগজগুলো তিনি ছিড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছিলেন কি না জানতে চাওয়া হলে তাহা ওসি তদন্ত অস্বীকার করেননি। তেজগাঁও উপ-পুলিশ কমিশনারের মুঠফোনে না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায় নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে তেজগাঁও থানার ওসি ও ওসি তদন্তসহ ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে তেজগাঁও থানার ওসি ও ওসি তদন্তসহ ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে তেজগাঁও থানার ওসি ও ওসি তদন্তসহ ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে নির্যাতিতা নারীর অভিযোগ
মোঃ আলমগীর (সেলিম)
ছদ্মনাম  ফুলজান বিবি, তার অভিযোগে ঐ নারী উল্লেখ করেনে- আমি আমার চার কন্যা সন্তান নিয়ে দুঃখ কষ্টে দিনাতিপাত করছিলাম। কিন্তুু আমার স্বামী ভরণপোষন না দেওয়ায় চার সন্তান নিয়ে বহু কষ্টে দিন কাটছিল আমার।গ্রামের এলাকায় থেকে কিছু বাচ্চাদের আরবী পড়িয়ে এবং নারীদের দ্বীনের দাওয়াত দিয়ে তালিম করে বাচ্চাদের পড়ানো বাবদ কিছু অর্থ পেতাম তা দিয়েই পর্দার সাথে থেকে  আমার সন্তানদের নিয়ে সংসার চলে যেত। তাছাড়া  স্বামীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় এবং স্বামী আমাকে চার মেয়েসহ গ্রামের বাড়ি স্থায়ী ঠিকানার বাড়ি হতে বের দেওয়ায় সন্তানদের নিয়ে তাদের ভরণপোষন জোগার করতে চাকুরীর সন্ধ্যানে সন্তানদের নিয়ে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ আমার ফুফাতো বোনের বাসায় এসে আশ্রয় নেই।

এমতাবস্থায় আমার প্রতিবেশি ৩ জন ব্যক্তির সাথে আমার দেখা হয় কাজের সন্ধ্যানকরাকালীন তাদের সাথে আমার দেখা হলে  কথাবার্তার এক পর্যায়ে আমাকে আমার স্বামীর সাথে ঝগড়া বিবাদ আপোষ মিমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দেয় এবং আমাকে একটি ক্লিনিকে আয়ার কাজ দেওয়ার কথা বললে আমি রাজি হলে ১২হাজার টাকা বেতনে আমাকে চাকুরী দিতে পারবে।

গত ১৫/০৮/২০২৬ইং তারিখ রোজ শনিবার আনুমানিক সকাল ১০ঘটিকার সময় আমার বর্তমান ঠিকানা আমার বোনের বাসা হইতে আমাকে কাজে যোগদান করানোর কথা বলিয়া তেজগাঁও থানাধীন  ৮০নং ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ এর ৬ষ্ঠ তলার ডি-০১ রুমে নিয়া খাটের উপরে আমাকে বসতে দেয়।

কিছুক্ষনপর অন্যান্য বিবাদীরা এক এক করে আমাকে বসিয়ে রাখা রুমে আসে। আমি বিবাদীদের কাছে জানতে চাই যে এটা কেমন ক্লিনিক? আর এখানকার ক্লিনিকের লোকজন কোথায়? বিবাদীরা আমাকে বলে তুমি বসো, আর বস আসতেছে। এরই মধ্যে বিবাদী : সোনিয়া বেগম, মোঃ কামাল সিকদার, মোঃ রনি সিকদার, মোঃ সালাম , মোঃ আনোয়ার মোঃ লিমন , মোঃ হিরা, রনি, ফারুক, শুভ, আরমান জুয়েল , মোঃ আবুল, জয়, মোঃ সাকিবসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৫/৬জন।

বিবাদীগনরা আমার চারপাশে বসে আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় হাতাহাতি করে আমি বাধা দিলে সকল বিবাদীরা মিলিয়া আমার পরিহিত বোরখা, হাতমোজা,  টানাটানি করিয়া খুলে ফেলে আমাকে বেপর্দাভাবে বিবস্ত্র করিয়া  বিবাদীগনরা একের পর এক পর্যায়ক্রমে আমাকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। আমি তখন জোরাজুরি করিয়া বিবাদীদের বাধা প্রদান করি।

এমতাবস্থায় বিবাদীগনরা তাদের সাথে থাকা লোহার রড দ্বারা আমাকে বেধরকভাবে পিটাইতে থাকে তখন আমি ডাক চিৎকার দিলে, বিবাদীরা বলে তোর ডাক চিৎকারে এখানে কেউ আসবে না। এই হোটেলটি একটি পতিতালয়  এখানে তোর থেকে ভালো ভালো রুপসী মেয়ে মানুষ আছে। যাদের সাথে মিলামিশা করতে এত জুরাজুরি করা লাগে না।

এক পর্যায়ে বিবাদীরা আমাকে খাটের উপর জোরাজুরি করিয়া সোয়াইয়া আমার দুই হাত-দুই পা দড়ি দিয়া খাটের সাথে বাধিয়া ফেলে। এরপর বিবাদীরা তাদের সাথে থাকা সুচের মতো ধারালো লোহার রড দ্বারা আমার বুক ও পেটসহ আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চাকুর মতো কুপিয়ে শরীরের একাধিক জায়গায় রক্তাক্ত জখম করে ও আমার মাথা ও হাতে রডের আঘাতে রক্তাক্ত জখম হয়  প্রায় ১৫ হতে ২০ জায়গায় বিবাদীরা লোহার ধারালো অস্ত্র দিয়া ক্ষত বিক্ষত নিলাফুলা জখম করে এরপর আমার দুই রানের ও গোপাঙ্গের দুপাশে প্রায় ধারালো রডের কুপের আঘাতে ২২  হতে ২৩টি ক্ষত তৈরী হয়।

এমতাবস্থায় আমার বিবস্ত্র করা ও আমাকে আঘাত করার দুই রান ও পেটের ছবি তাদের সাথে থাকা মোবাইল ক্যামেরায় ভিডিও চিত্র ধারণ করে বিবাদীদের পরিচিত বন্ধু-বান্ধব লোকজনের কাছে পাঠিয়ে দেয়। আমি বিবাদীদের নির্যাতনের ফলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি এক পর্যায়ে আমি গভীর রাতে কিছুটা সুস্থ হইলে বিবাদীরা ঘটনাস্থল থেকে আমাকে ছেড়ে দেয়, আমি রাস্তায় নেমে কিছুদুর এসে একজন সিএনজি ড্রাইভার এর কাছে আমি সাহায্য নিবেদন করলে তিনি আমার ঘটনা শুনে তার সিএনজিতে করে আমাকে আমার বর্তমান ঠিকানা কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদে নামিয়ে দিয়ে যায়। আমি বাসায় যেয়ে পরিবারের কাছে আমার ঘটনা খুলে বলি আমি অসুস্থ থাকায় আমার পরিবারের সদস্যরা আমাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিডফোর্ট হাসাপাতাল-এর ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্ট-এর ১১১নং রুমে নিয়ে চিকিৎসা করায়। চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্রের টিকেট সিরিয়াল নং ৫২৭, রেজি নং-ঝঝগঈগঐ২৬৮১৬৭৩৬৫৩৫৭৭৫৬ তারিখ-১৬/০৮/২০২৬ইং সময় : ১৯টা ৩৭, আমার অসুস্থার চিকিৎসা জনিত কারণে ও আমার পরিবারকে জানিয়ে  বিবাদীদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করিয়া অভিযোগ দায়ের করিলাম।

নির্যাতিত ঐ নারী অভিযোগে উল্লেখ করেন- ঘটনাস্থল ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেল একটি মিনি পতিতালয় সেখানে বিভিন্ন মেয়েদের নানা কৌশলে আনিয়া ঐ সকল মেয়েদের দিয়ে ক্যাপিটাল হোটেলে বিভিন্ন কক্ষে আটক রাখিয়া তাদের দেহজীবি বানিয়ে সেখানে বহিরাগত পুরুষ দ্বারা অসামাজিক কার্যকলাম করায় ঘটনার দিন আমি ছাড়াও আরো ৩/৪জন মেয়েকে উক্ত হোটেলে আটক করিয়া আমার মতো একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিল উল্লেখিত বিবাদীগন।

থানায় এজাহার দেওয়ায় ওসির কান্ড
অভিযোগকারীনি বলেন উল্লেখিত ঘটনায় একটি অভিযোগ লিখে অভিযোগপত্র  ১. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী   ২. মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী   ৩. আইজিপি মহোদয়   ৪. পুলিশ কমিশনার মহোদয়   ৫. যুগ্ন পুলিশ কমিশনার মহোদয় এবং বিভিন্ন মিডিয়া ও মানবাধিকার সংস্থায়  অভিযোগপত্র জমা দেই। উক্ত সকল অভিযোগের ফটোকপি সহ তেজগাঁও থানায় একটি এজহারপত্র লিখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দেই আমার ঘটনার এজহারপত্র পড়ার পর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  তিনি তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠে আমাকে গাল-মন্দ শুরু করে এবং বলে আমি এত জায়গায় অভিযোগ জমা দিয়ে এখন কেন থানায় আসছি।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমাকে হুমকির সুরে অপেশাদারিত্ব আচরন করে বলে আমি যেহেতু অভিযোগ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার কাছে জমা দিয়েছি আমাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার কাছে যেয়ে মামলা করতে বলে নয়তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া তেজগাঁও থানায় এসে যেন তার মামলা নেয়। এরপর আমাকে অকথ্য ভাষায়  গালমন্দ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেয়া পত্রের রিসিভ কপি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাহেব ওসি তদন্ত ছিড়ে ফেলে তার রুমে থাকা ডাস্টবিন ঝুড়িতে ফেলে দেয়। এরপর পুলিশ আমাকে বলে আমি যেখানে যেখানে অভিযোগ করেছি তাদের কাছে গিয়ে যেন আমার বিচার চাই। ডি.এমপির তেজগাঁও থানায় আমার ঘটনায় কোন মামলা হবে না। এ নিয়ে যদি আমি থানায় বেশিক্ষন থাকি তাহলে আমাকে পেশাদার পতিতা সাজিয়ে উল্টো সাজানো মামলা দিয়ে জেল-হাজতে পাঠানো হবে।

নারী মানবাধিকার কর্মীকে ও থানা কম্পাউন্টে লাঞ্চিত করে বের করে দেয়
এমতাবস্থায় সেখানে থাকা নারী মানবাধিকার কর্মী আমার নির্যাতনের ঘটনার বর্ণনা শুনে ওসিকে ব্যবস্থা নিতে বললে ওসি তার চেয়ার থেকে উঠে এসে ঐ নারীকে ধাক্কা দিয়ে নানা ধরনের হুমকি ধুমকি দিয়ে তাকে দালাল বলে গালমন্দ করে থানা থেকে বের করে দেয়।

নির্যাতিতার এজাহার ওসি গ্রহণ না করায় যে সকল পুলিশ কর্মকর্তারা ওসিকে বাহবা দেন
ঐ সময় তেজগাঁও থানার ডিওটি অফিসার এস.আই. সায়েদুজ্জামান, এস.আই আহসানুল কবির শুভ ,
ইন্সিপেক্টর তদন্ত তেজগাঁও থানার ওসির রুমেই উপস্থিত ছিল। তারাও আমার সাথে ও মানবাধিকার কর্মী ঐ মহিলার সাথে অপেশাদারিত্ব আচরন করে মহিলাকে দালাল বলে গালমন্দ করে থানা থেকে বের করে দেয়।
এবং ওসি বলে ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ  ও ফার্মগেইট মোড়ে দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল তেজগাঁও বিভাগের  উপ-পুলিশ কমিশনার এর আত্বীয়-স্বজনের হোটেল, তাই এদের বিষয় আমার কিছু করার নাই।

ক্যাপিটাল হোটেলে ঘটনায় কোন মামলা হলে শেষে আমার চাকুরী থাকবে না এ সকল উদ্ভট কথাবার্তা বলে আমাকে থানা থেকে ওসিসহ পুলিশ কর্মকর্তাগনরা মামলা না নিয়ে তাড়িয়ে দেয়।

এমতাবস্থায়,  আমি ন্যাচ বিচারের স্বার্থে মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি যে, ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেলে প্রতিনিয়ত আমার মতো এমনভাবে নারীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। আর তারা মানসম্মান সর্বচ্চ খুয়াচ্ছে। তেজগাঁও থানার ওসিসহ তেজগাঁও অধিকাংশ পুলিশ কর্মকর্তা ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজের চলা অপকর্মের কথা অবগত আছেন এবং যে সকল নারীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তাহা তেজগাঁও থানার ওসি, ইন্সিেেপক্টও তদন্ত, ইন্সিপেক্টর অপারেশন ও উল্লেখিত পুলিশ কর্মকর্তাদের গোপন সহযোগিতায় হচ্ছে।
ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার অনুসন্ধানে জানা যায় তেজগাঁও থানার আশে পাশে অসামাজিক কার্যকলাপ চলা বেশ কিছু আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউজ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম থানা থেকে ২০০ গজ উত্তরে ৮০নং হোল্ডিং-এ ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ ব্যস্ততম একটি পতিতালয়। সেখানে প্রায় ৩০ হতে ৩৫জন মেয়ে মানুষ রাখিয়া বহিরাগত পুরুষ খদ্দের আহবান করিয়া ঐসকাল নারীদের দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করানো হয়।

এরমধে স্থানীয় হাজি হাকিম চৌকিদারসহ  আরো কয়েকজন স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি নিজেদের নাম গোপন রাখা সত্বে ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার প্রতিবেদককে বলেন-তেজগাঁও থানা এলাকার বেশ কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে এরই মধ্যে ক্যাপিটাল গেস্ট হাউজ, দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল, ইনসাফ আবাসিক হোটেল, লাব্বাইক আবাসিক হোটেল এ ৪টি হোটেলে প্রকাশেই চলছে মাদক কারবার একেকটি হোটেলে ২৫ হতে ৩০টি মেয়ে মানুষ রাখিয়া দালালদের মাধ্যমে খদ্দের সংগ্রহ করিয়া করানো হয় অসামাজিক কর্মকান্ড। এলাকার অধিকাংশ মানুষই জানে এ ৪টি আবাসিক হোটেল একেকটি হোটেল প্রকাশে পতিতালয়। হোটেলের পাশে কিছুক্ষণ দাড়ালে বিভিন্ন সময় দালালরে সংগ্রহ করা নবাগত মেয়েরা নির্যাতনের শিকার হয়ে কান্না করে সেই কান্নার আওয়াজে অনেক সময় হোটেলের আশেপাশে তামশা দেখার জন্য পথচারীরা জমায়েত বাধে।

তবে এ নিয়ে এলাকার মধ্যে গন্যমান্য অনেকেই থানায় যেয়ে মৌখিক আবেদন করেছেন পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয় না। নাম গোপন রাখার শর্তে এক ব্যক্তি নিজেকে তেজগাঁও থানার পুলিশ কনসটেবল পরিচয় দিয়ে ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে বলেন তেজগাঁও থানার পুলিশের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ লোক হচ্ছে এবং দুনির্তীর শীর্ষে জড়িয়ে পড়েছেন তেজগাঁও থানার ওসি তদন্ত সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম তপন ও অপারেশন মোঃ হান্নান এছাড়া বেশ কিছু এস.আই, ওসি তদন্তের নিয়ন্ত্রন বশে থাকায় তেজগাঁও এলাকায় হোটেল গেস্ট হাউজগুলোতে মাদক ব্যবসা, নারী ব্যবসা,  চুরি,ছিনতাই এলাকায় বেড়েছে। মাঝে মধ্যে অপরাধীরা ধরা পড়লেও তেজগাঁও এলাকায় ইন্সিপেক্টর তদন্ত ও  ইন্সিপেক্টর অপারেশন এর নিয়ন্ত্রীত অফিসারগনরা মোটা অংকের অর্থ নিয়ে আপরাধীদের গ্রেফতার করলেও অদৃশ্য কারণে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।

তবে অভিযোগকারীনী ছদ্ম নাম কুলজান বিবি ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে বলেন- আমি নির্যাতনের শিকার হয়েছে বিচার চাইতে তেজগাঁও থানা পুলিশের কাছে গিয়েছি, পুলিশ আমার সাথে এমন অপেশাদারিত্ব আচরন করবেন তাহা আমি কখনো ভাবতেও পারি নাই। আমি থানায় অভিযোগ নিয়ে ১৬/০৮/২০২৬ইং তারিখ ও ১৮/০৮/২০২৬ইং তারিখ থানায় গিয়েছি কিন্তু অফিসার ইনচার্জ ও  ইন্সিপেক্টর তদন্ত ও ইন্সিপেক্টর অপারেশন এর আচরন দেখে পুলিশের প্রতি আমার যে সৎ ধারনা ছিল তা পাল্টে গেছে। পুলিশ সেই পুর্বের পুলিশই রয়ে গেছে।

নির্যাতিতা নারী এই ঘটনায় পুনরায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, মহা-পুলিশ পরিদর্শক, ডি.এম.পি পুলিশ কমিশনার, যুগ্ন পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়া।

এ বিষয়ে ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার অফিস থেকে মুঠফোনে ওসি তদন্তের মোবাইল-০১৩২০০৪০৮০২ নম্বরে তার বক্তব্য চাইতে গেলে তিনি সাংবাদিককে থানায় গিয়ে তার সাথে দেখা করে বক্তব্য নিতে বলেন। তাছাড়া এ বিষয়ে তিনি কথা বলতে ইচছুক না। ওসি তদন্ত এর কাছ জানতে চাওয়া হয় অভিযোগে উল্লেখিত পুলিশ কর্মকর্তাগনরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কটুক্তি করে কোন কথা বলেছিলেন কি না? তাছাড়া অভিযোগ কারিনী এজাহারের সাথে সংযুক্ত করে দেওয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্টমন্ত্রী, আইজিপি, পুলিশ কমিশনার, যুগ্নকমিশনার এর কাছে দেওয়া অভিযোগপত্রের ফটোকপি ঐ কাগজগুলো তিনি ছিড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছিলেন কি না জানতে চাওয়া হলে তাহা ওসি তদন্ত অস্বীকার করেননি। তেজগাঁও উপ-পুলিশ কমিশনারের মুঠফোনে না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায় নি।