ঢাকা ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মামলার আসামী গ্রেফতার করে থানায় না নিয়ে ছেড়ে দেওয়ায় অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০২:১১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল ২০২১
  • ৬৯২ বার পড়া হয়েছে

মামলার আসামী গ্রেফতার করে থানায় না নিয়ে ছেড়ে দেওয়ায় অভিযোগ

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
ভূক্তভোগী নারী স্বপ্না (ছদ্মনাম) জানান, আমি ধর্ষনের চেষ্টার শিকার হয়ে থানায় একটি মামলা করি। উক্ত মামলার আসামী গ্রেফতার ও তদন্ত করতে থানা পুলিশ ব্যার্থ হওয়ায় মামলাটি তেজগাঁও ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে পাঠিয়েদেন। সেখানকার মহিলা পুলিশ মামলাটি তদন্ত কালে আসামীদের অবস্থান ও গ্রেফতারের সহয়াতার জন্য আমাকে অনুরোধ করেন । আমি আসামীদের বিভিন্ন ভাবে খোঁজাখুজির করতে থাকি । এমতাবস্থায় আসামী শিশিরকে গত ২৬/০৩/২০২১ইং সময় বিকাল আনুমানিক ৫.৩০ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক সড়ক রোডের পাশে নান্না বিরায়ানীর দোকানের সামনে দেখতে পেয়ে তখন আমি পথচারীদের সহায়তায় আমার মামলার ৪নং আসামী শিশিরকে দার কড়াই এর পর পথচারীরা ৯৯৯ ত্রিপল নাইনের মাধ্যমে যাত্রাবাড়ীর থানাকে অবগত করলে থানার ডিউটি অফিসার ঘটনাস্থলের এলাকায় টল ডিউটিতে দায়িত্বরত এ.এস.আই শরিফুলকে পাঠায় তখন আমি এ.এস.আই শরিফুলের সাথে দেখা করি এবং আমার মামলার ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে আইয়ু আজমীন তার ব্যবহৃত মোবাইল আমার নাম্বার হতে কলদিয়ে আমার ব্যবহৃত মোবাইলটি শরিফুলের হাতে দিলে সে কানে লাগিয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আজমীন ম্যাডামের সাথে কথা বলে এবং আমার এজাহার পত্র খানা তাহার হাতে দেই ।

ভূক্তভোগী নারী স্বপ্না (ছদ্মনাম) জানান,আসামী শিশিরকে এ.এস.আই শরিফুল একজন কনেষ্টবল দিয়ে রিক্সায় করে যাত্রাবাড়ী থানায় পাঠায় আর আমাকে তাদের টলরত পুলিশের গাড়ীতে উঠিয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে যায়। মামলার কর্মকর্তা আজমীন ও আসামী নেওয়ার জন্য যাত্রাবাড়ী থানায় চলে আসেন এবং এ.এস.আই শরিফুলের কাছে আসামী শিশিরকে চান। তখন শরিফুল জানায় আসামী শিশিরকে রিক্সা দিয়ে থানায় আনার সময় রাস্তা থেকে পালিয়ে গেছে। এখন তার কিছু করার নাই। তখন আমার মামলার তদন্ত কর্মকর্ত সহ আমি যাত্রাবাড়ী থানা হতে চলে আসি । পরবর্তীতে খোজ নিয়ে জানিতে পারি দুই লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহন করে আসামী শিশিরের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি পুলিশ রেখে দিয়ে কৌশলে কনেষ্টবলকে দিয়ে আসামীকে নিরাপদে পালাইয়া যাওয়ার জন্য আগাইয়া দিয়া আসে আর আমি যাতে আসামীর পিছু ছুটে ধরতে না পারি তাই আমাকে কৌশলে আটক করে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নারী জানান, ন্যায় বিচার পাওয়ার স্বার্থে তিনি পুলিশের উর্ধ্ধতন মহলে লিখিত অভিযোগ দ্বায়ের করেছেন।

এ.এস.আই শরিফুলের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তাহার মোবাইলটি বন্ধ থাকায় তাহার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

মামলার আসামী গ্রেফতার করে থানায় না নিয়ে ছেড়ে দেওয়ায় অভিযোগ

আপডেট সময় ০২:১১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল ২০২১

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
ভূক্তভোগী নারী স্বপ্না (ছদ্মনাম) জানান, আমি ধর্ষনের চেষ্টার শিকার হয়ে থানায় একটি মামলা করি। উক্ত মামলার আসামী গ্রেফতার ও তদন্ত করতে থানা পুলিশ ব্যার্থ হওয়ায় মামলাটি তেজগাঁও ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে পাঠিয়েদেন। সেখানকার মহিলা পুলিশ মামলাটি তদন্ত কালে আসামীদের অবস্থান ও গ্রেফতারের সহয়াতার জন্য আমাকে অনুরোধ করেন । আমি আসামীদের বিভিন্ন ভাবে খোঁজাখুজির করতে থাকি । এমতাবস্থায় আসামী শিশিরকে গত ২৬/০৩/২০২১ইং সময় বিকাল আনুমানিক ৫.৩০ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক সড়ক রোডের পাশে নান্না বিরায়ানীর দোকানের সামনে দেখতে পেয়ে তখন আমি পথচারীদের সহায়তায় আমার মামলার ৪নং আসামী শিশিরকে দার কড়াই এর পর পথচারীরা ৯৯৯ ত্রিপল নাইনের মাধ্যমে যাত্রাবাড়ীর থানাকে অবগত করলে থানার ডিউটি অফিসার ঘটনাস্থলের এলাকায় টল ডিউটিতে দায়িত্বরত এ.এস.আই শরিফুলকে পাঠায় তখন আমি এ.এস.আই শরিফুলের সাথে দেখা করি এবং আমার মামলার ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে আইয়ু আজমীন তার ব্যবহৃত মোবাইল আমার নাম্বার হতে কলদিয়ে আমার ব্যবহৃত মোবাইলটি শরিফুলের হাতে দিলে সে কানে লাগিয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আজমীন ম্যাডামের সাথে কথা বলে এবং আমার এজাহার পত্র খানা তাহার হাতে দেই ।

ভূক্তভোগী নারী স্বপ্না (ছদ্মনাম) জানান,আসামী শিশিরকে এ.এস.আই শরিফুল একজন কনেষ্টবল দিয়ে রিক্সায় করে যাত্রাবাড়ী থানায় পাঠায় আর আমাকে তাদের টলরত পুলিশের গাড়ীতে উঠিয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে যায়। মামলার কর্মকর্তা আজমীন ও আসামী নেওয়ার জন্য যাত্রাবাড়ী থানায় চলে আসেন এবং এ.এস.আই শরিফুলের কাছে আসামী শিশিরকে চান। তখন শরিফুল জানায় আসামী শিশিরকে রিক্সা দিয়ে থানায় আনার সময় রাস্তা থেকে পালিয়ে গেছে। এখন তার কিছু করার নাই। তখন আমার মামলার তদন্ত কর্মকর্ত সহ আমি যাত্রাবাড়ী থানা হতে চলে আসি । পরবর্তীতে খোজ নিয়ে জানিতে পারি দুই লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহন করে আসামী শিশিরের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি পুলিশ রেখে দিয়ে কৌশলে কনেষ্টবলকে দিয়ে আসামীকে নিরাপদে পালাইয়া যাওয়ার জন্য আগাইয়া দিয়া আসে আর আমি যাতে আসামীর পিছু ছুটে ধরতে না পারি তাই আমাকে কৌশলে আটক করে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নারী জানান, ন্যায় বিচার পাওয়ার স্বার্থে তিনি পুলিশের উর্ধ্ধতন মহলে লিখিত অভিযোগ দ্বায়ের করেছেন।

এ.এস.আই শরিফুলের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তাহার মোবাইলটি বন্ধ থাকায় তাহার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।