হ্যানিটেপ চক্রের মহারানী কে এই সুষ্মীতা দীর্ঘদিন যাবত নারী ও মাদক ব্যবসায়ী শিশির, রাজু, মিরাজ হোসেন কবীর চক্রের ফাদে পড়ে প্রতিনিয়ত কেউ না কেউ সর্বস্ব হচ্ছে। এই চক্রের মহারানী হিসাবে সুষ্মীতা নাম পরিচয় দিয়ে এক নারী এই চক্রের মূল মহারানী হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই নারী কাজ হচ্চে সংঘবদ্ধ পতিতা ও মাদক ব্যবসায়ী কিছু নারীদের দিয়ে যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় এই চক্রের বিভিন্ন ফ্ল্যাট বাসা, আবাসিক হোটেলগুলোতে সুন্দরী নারীদের লোভনীয় ফাঁদে ফেলে ও পয়সাওয়ালা মাদকসেবীদের নিয়ে যাওয়া হয় তাদের নির্ধারিত ফ্ল্যাট ও আবাসিক হোটেলের রুমে সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর খদ্দেরদের একটি কক্ষে প্রবেশ করিয়ে ঐ কক্ষে নিজেরা ডুকে প্রথমে পরিহিত জামাকাপড় খুলে বিবস্ত্র হয়ে মনোরঞ্জনসহ অসামাজিক কার্যকলাপের পরিবেশ তৈরী করে এবং ইয়াবা সেবনসহ মাদক সেবনেরও আয়োজন থাকে ঐ আসরে। তখনই ঐ কক্ষে চলে আসে এই চক্রের পুরুষ সদস্যরা-
র্যাব সদস্য পরিচয়ে ঐ কক্ষে চলে আসে কবীর ওরফে মিরাজ, ডিবি অফিসার ও ক্যাশিয়ার পরিচয় দেন সাজ্জাদ, যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয় দেন বিল্লাল হোসেন।
ভোক্তভোগী হ্যানীটেপে পড়া পুরুষ ব্যক্তির পরিবারের কাছ হতে মোটা অংকের টাকা পয়সা আনতে বলে। টাকা পেলে ঘটনাস্থল হতে ভোক্তভোগীদের ছেড়ে দেয়া হয়। হ্যানিটেপ চক্রের চাহিদা মোতাবেক অর্থ না পেলে এই চক্রের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী হ্যানীটেপ চক্রের সদস্যদের সাথে যোগসূত্রে জড়িত কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে গোপন সুসম্পর্ক বজায় রাখা সে সকল পুলিশ কর্মকর্তাদের ডেকে এনে ঘটনাস্থল হতে হ্যানীটেপে ফালানো খদ্দেরদের পকেটে মাদক, ইয়াবা দিয়ে পুলিশের মাধ্যমে আদালতে প্রেরণ করেন।
এক ভোক্তভোগীর পরিবারের এক সদস্য-এমন অভিযোগ ওয়ারী ডিভিশনের উপ-পুলিশ কমিশনার বরাবরে জারিয়া নামে এক নারী জমা দিয়েছেন। ঐ অভিযোগ থেকে জানা যায় হ্যানীটেপ চক্রের সুষ্মীতা নামে ঐ নারী একটি হোটেলের কক্ষে বসে নিজে বিবস্ত্র হয় এরপর ঐ কক্ষে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া শহিদুল ইসলাম রাজু বিভিন্ন কায়দায় ছবি তোলে এবং রাহুলকে ব্যাপক মারধর করে।
এই চক্রের চাহিদামতো অর্থ না পেয়ে পুলিশের কাছে সোর্পদ করে। পুলিশ কর্মকর্তা রাহুলকে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে পরদিন সাজানো বক্তব্য ফরওয়াডিং-এ লিখে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে পাঠায়। বিচারক ঐ ব্যক্তিকে মাদক রাখার অপরাধে সাজা দেন। কেউ বলছে ২মাস, কেউ বলছে ২০দিন আসলে কতদিনের সাজা হয়েছে এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত এ তথ্য জানা যায়নি। তবে রাহুলের পরিবার জারিয়া বলেন- যে পুলিশ কর্মকর্তা রাহুলকে ভ্রাম্যমান আদালতে সোর্পদ করেছেন সেই পুলিশ নিজেই একজন মাদক ব্যবসায়ী। যাচাই বাছাই না করে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে আসে। আর ওকে হ্যানীটেপ চক্রের সুষ্মীতা নামে যে নারী বিবস্ত্র হয়ে রাহুলকে ফাঁদে ফেলে রাহুলের পাশে বসে ছবি নগ্ন ছবি তুলেছেন এবং রাহুল ঐ নারীর পাশে বসতে না চাইলে তাকে মেরে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত করে এবং শরীরের ভিন্ন জায়গায় সাজ্জাদের পেন্ট এর বেল খুলে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নিলাফুলা জখম করে এবং নগ্ন নারীর পাশে বসিয়ে ছবি তুলেছেন এবং বিভিন্ন অশ্লীল কথা বার্তা বলে ভিডিও চিত্র ধারন করেন সাজ্জাদের ব্যবহৃত আই ফোনের মাধ্যমে, ঐ ছবি তুলে রাহুলকে অপরাধী সাজিয়ে, বিভিন্ন জায়গায় ঐ ছবি পাঠিয়েছেন।
কোন কোন ফেসবুকেও ছড়িয়ে দিয়েছেন। আমি এর ন্যায় বিচার চাই, আমি যাত্রাবাড়ী থানার এ.এস.আই মফিজুর রহমানসহ হ্যানীটেপে জড়িত কিছু ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে ওয়ারী ডিভিশনে অভিযোগ দিয়েছি। এরপরও সাজা খাটতে হচ্ছে রাহুলকে। মৃতপ্রায় অবস্থায় অসুস্থ হয়ে রাহুল কারাবাস করছে।
Reporter Name 























