গুলশান ও বনানী থানা এলাকার আইন শৃঙ্খলার অবনতি
সিএনএম প্রতিবেদনঃ
আবাসিক এলাকায় স্পা ও পার্লারের নামে ফ্ল্যাটের অর্ন্তরালে আইন বর্হিভুত নারী ঘটিত ও মাদক ব্যবসা সেখানে নারী পাচারকারীদের অভয়ারণ্য।
ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে স্পা ও পার্লার এর মালিক যারা তারাই ফেইসবুক ইউটিউবে নারীদের আকর্ষণীয় ছবি দিয়ে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে এরাই খদ্দের সংগ্রহ করে তারা হলোঃ
১| মোঃ শহিদ (৪০), মোবাইলঃ ০১৯৯৯৯০৫৫৯০ ২| মোঃ কুদ্দুস (৩৫), মোবাইলঃ ০১৯১৪-০৫৩৩৩০ ৩| মোঃ বাবুল (৫০), মোবাইলঃ ০১৭১৮৯৫৯২৭৯ ৪| রত্না (৪২) মোবাইলঃ ০১৬২৬-২৬৫৫৬১ ৫| মোঃ নুরুজ্জামান (৪৮) মোবাইলঃ ০১৭১৭-৮৬৭৩১৫ ৬| শাহ আলম (৪৫) মোবাইলঃ ০১৯৭৭৭৪৪৯৫৭ ৭| মোঃ নুর ইসলাম (৪৫) মোবাইলঃ ০১৭১২৬১২০২০ ৮| মোঃ মনির (৪০) মোবাইলঃ ০১৭১০-৩৫৪২১১ ৯| মোঃ হীরা মোবাইলঃ ০১৭১৬-৭৭৭২৯৯ (৩৮) ১০| মোসাঃ পায়েল (৩৭) ১১| শিমু (৩৬) মোবাইলঃ ০১৮৩৬০২৮২১১, ১২| মোঃ রাজু (৩৮) মোবাইলঃ ০১৯১৯৬৭০৮০৪ ১৩| মোঃ পান্নু (৪৪), মোবাইলঃ ০১৯১৩৬০০৪০১ ১৪| মোঃ মিজান (৪০), ১৫| মোঃ আজাদ (৪২), মোবাইলঃ ০১৭১৩৮২৮৬২৩ ১৬| মোঃ রনি (৪০) ১৭| মোঃ মামুন (৩৮) ১৮| আবু কালাম জয় (৪০) ১৯| জাভেল হোসেন পাপন (৪২) ২০| মোসাঃ রিয়া মোবাইলঃ ০১৭৬০-৭০৪৩১৮ ২১| মোঃ জাফর মোবাইলঃ ০১৭১২৬১২০২০ ২২| মোসাঃ তানিয়া ২৩| মোসাঃ ফারিয়া ২৪| মোসাঃ আলো,মোবাইলঃ ০১৩১৭৯৪২৪৪২ ২৫ অজ্ঞাতনামা আরো অর্ধ-শতাধিক।
নারী ঘটিত দালালদের খপ্পরে পরে যে সকল ভুক্তভোগী ম্যাসেস পার্লার নামক স্পা দালালদের জিম্মি দশায় রয়েছে
ক) কমলা খ) ঝর্ণা গ) আসমা ঘ) পলি ঙ) রুপা চ) ¯^র্ণালী ছ) কাজলী জ) মায়া যে সকল আটক নারীদের সাথে কথা বলে তাদের নাম ঠিকানা জানা যায় নি এ রকম শিশু-কিশোরী মেয়ে স্পা গুলোতে জিম্মি রয়েছে প্রায় ৩০-৪০ জন| যাদের বয়স ১৪-১৬ এর মধ্যে| তাদের সাথে সব সময় পাহারায় লোক থাকে| দালালদের চিহ্নিত খদ্দের ছাড়া কারো সাথে কথা বলতে দেওয়া হয় না| সেখানে দালালদের সংঘবদ্ধ একাধিক নারী দালাল রয়েছে তারা জিম্মি থাকা মেয়েদের শারীরিক, মানসিক নির্যাতন পূর্বক খদ্দেরের কাছে জিম্মি নারীদের দেহ বিলিয়ে মোটা অংকের অর্থ কামাচ্ছে| ঐ সকল স্পা ভবনের হোল্ডিং মালিকরাও সবকিছু জেনে শুনে এ সকল অপকর্ম নারী ব্যবসায়ী পাচারকারীদের পরিচালনা করতে দিচ্ছি| গুলশান ও বনানী এলাকার স্পা পার্লার নামক ফ্ল্যাট গুলো হতে আর্ন্তজাতিক পৃথক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়া, দুবাই, ইন্ডিয়া সহ বিভিন্ন বহিরাগত রাষ্ট্রে মেয়েদের পাচার করে থাকে| গড়ে প্রতি মাসে গুলশান বনানী থানা এলাকা হতে প্রায় ২০০ ধিক যুবক যুবতী পাচার হচ্ছে| তাদের রয়েছে দেশী ও আর্ন্তাজাতিক প্রভাবশালী পাচারকারী সিন্ডিকেট| সংগ্রহকৃত মেয়েদের এক অংশের ছবি ফেইসবুক, ইউটিউব, ইনস্ট্যাগ্রাম সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন নেটওয়ার্কে আর্কষণীয় ছবি ছেড়ে খদ্দের সংগ্রহ করে| যাহা গুলশান বনানী এলাকার স্পা গুলোর নাম দিয়ে ইন্টারনেট এর যোগাযোগ মাধ্যমে সার্চ দিলেই এ সকল চিত্র চোখের সামনে ভেসে ওঠে|
যে সকল হোল্ডিং-এ স্পা ব্যবসা ও দালালদের অভয়রান্য হোল্ডিংগুলোর ঠিকানা তাদের নিরাপদ আস্তানা
১| সাং-রোড নং-২৭, হাউজ নং-৩৭, বনানী কবরস্থান গলি, বনানী, ২| সাং-রোড নং-১৩, বনানী সি পার্ক, ৩| সাং-রোড নং-১১, ঢাকা ব্যাংক ভবন, ১৩ তলা, থানা-বনানী, ৪| সাং-রোড নং-৪১, কুদ্দুসের পার্লার, গুলশান-২, ৫| সাং-রোড নং-৪৭, হাউজ নং-২৫, ৪র্থ তলা, নুর ইসলামের পার্লার, গুলশান-২, ৬| সাং-রোড নং-২৪, হাউজ নং-৯১/বি, চতুর্থ তলা, ৭| সাং-রোড নং-৯৫, গুলশান-২, ডিএনসিসি মার্কেট, তৃতীয় তলা, ৮| সাং-রোড নং-৫৫, মেহের প্লাজা, হাউজ নং-১১, গুলশান-১, ৯| সাং-রোড নং-৫৫, গ্রীন হিট পার্লার, হাউজ নং-১২/এ, লিফটের-১২, গুলশান-২, ১০| সাং-রোড নং-২৪/এ, হাউজ নং-৯১/বি, রতন ক্যাসেল বিল্ডিং, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও পঞ্চম তলা, গুলশান-১ ১১| সাং-জব্বার টাওয়ার, লিফটের ৯, গুলশান-১, ১২| সাং-অজ্ঞাতনামা হোল্ডিং আরোও ৯০-১০০ টি স্পা পার্লার অবৈধ মাদক ব্যবসা সেন্টার|
ঐ সকল স্পা পার্লারে কারা খদ্দের অসামাজিক কর্মকান্ড চলা পার্লার নামক স্পা সেন্টারগুলোতে স্থানীয় গুলশান ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ইন্সপেক্টর তদন্ত এবং ইন্সপেক্টর অপারেশন সহ অজ্ঞাতনামা অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে অপরাধীদের গোপন সখ্যতা থাকায় পার্লার নামক স্পা সেন্টারে পুলিশের নজরদারী সন্দেহ ভাজন তল্লাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আনাগোনা কম থাকে| সেখানে চলা অপরাধ কর্ম স্থানীয় থানা পুলিশের ঝামেলা মুক্ত থাকায় নানাবিধ অপরাধীরা ঐ স্পা সেন্টারকে নিরাপদ মনে করেন| সেখানে অপরাধীরা আস্তানা বানায়| বিভিন্ন থানার মামলার দাগী দোষী ফেরারি আসামীরা ও মাদক কারবারী এবং দেশদ্রোহী দেশে অরাজকতা সৃষ্টিকারী ও পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিবর্গ সহ নানাবিধ অপরাধীরা স্পা সেন্টার গুলোতে খদ্দের সেজে নিয়মিত আশা যাওয়া করে| কখনো পুলিশের কোন বিশেষ অভিযানে কেউ গ্রেফতার হলে তাদেরকে স্পা সেন্টারের স্টাফ বা মালিক দেখিয়ে চালিয়ে দেওয়া হয়| বেশি ক্ষেত্রেই যারা দালাল ও নারী পাচারকারী তারাই স্পা সেন্টারের মালিক, কর্মচারী | ঐ সকল অপরাধী নারী ঘটিত অপরাধ কর্ম পরিচালনা করার জন্য হোল্ডিং মালিকদের মোটা অংকের সালামি দিয়ে সবকিছু জানিয়ে শুনিয়ে সেখানে নারী ঘটিত ও মাদক ব্যবসার আস্তানা বানাতে হোল্ডিং ভাড়াটিয়া ও পাচারকারীদের যাবতীয় সহযোগিতা করে মালিক পক্ষ| সেখানে যে ধরনের অপরাধ হয় উহা হোল্ডিং মালিকদের সহযোগিতাই হয়|
(১) বিভিন্ন মেয়েদের প্রথমে পাচারকারী দালালরা নারীদের সাথে প্রেম করে বিয়ের ছলনায় ও পার্লারে চাকুরী দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে স্পা গুলোতে এনে কৌশলগত ভাবে চাকুরী দেওয়ার নামে কর্মচারী সাজিয়ে পার্লারে থাকা রুমে প্রবেশ করানো হয়| আগত মেয়েরা বুঝতেই পারে না এই পার্লারেই তার সর্বনাশ হবে| এক পর্যায়ে প্রেমিক বেশে নারী ব্যবসায়ীরা নিজেরা ঐ সকল মেয়েদের বিভিন্ন প্রলোভনে সেখানে আনার পর তাদের চাকুরী বা বিয়ে করার ছলনায় মেয়েদের সাথে দৈহিক মেলামেশা করে এরপর স্পা সেন্টারের ভাড়াটিয়া মালিকরা ও তাদের বন্ধু বান্ধব সাজিয়ে নামীদামী খদ্দেরদের দিয়ে ঐ সকল মেয়েদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক গণধর্ষণ করায় এরপর স্পা পার্লারে আটক করিয়া বিবাদীদের নিজ¯^ মহিলা নারী ব্যবসায়ী সর্দারনী দ্বারা ও নিজেরা বহিরাগত বিভিন্ন পুরুষ আনিয়া তাদের দিয়ে গণধর্ষণ করায় এক পর্যায়ে তাদের দিয়ে তাদের দিয়ে করানো ধর্ষণের ভিডিও চিত্র তাদের গোপন ও সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এ ভিডিও চিত্র ধারণ করে ঐ সকল ভিডিও ধর্ষিত নারীদের দেখিয়ে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আবার অনেক মেয়ের ছবি ফেইসবুক, ইউটিউব সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয় এছাড়া তাদের দিয়ে করানো ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ভয় দেখানো পূর্বক ঐ সকল মেয়েদের দেহজীবী সাজিয়ে স্পা গুলোর রুমগুলোকে পতিতালয় বানিয়ে সংগ্রহ করা মেয়েদের ঐ পার্লার নামক স্পা সেন্টারের হল রুমে বসিয়ে রেখে বহিরাগত পুরুষ খদ্দের দ্বারা দেহ ব্যবসা করায়| দালালরা খদ্দের জোগাতে রাজধানী সহ বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় ভিজিটিং কার্ড বিলি করে পথে ঘাটে চোখ পরলেই দেখা যায় বিভিন্ন হোটেল ও স্পা সেন্টারের ভিজিটিং কার্ড| ঐ কার্ডে দালালদের মোবাইল নাম্বার সংযুক্ত করে দিয়ে খদ্দেরদের আহ্বান করার লক্ষ্যে ঐ সকল ভিজিটিং কার্ড বিলি করে| এছাড়া নামী দামী খদ্দের পাওয়ার আশায় ইন্টারনেটের যোগাযোগ মাধ্যমে গুলশান বনানীর স্পা সেন্টারগুলোর গোপন ঠিকানা দিয়ে মেয়েদের ছবি সংযুক্ত করে পোষ্ট করে দেয়| আটক মেয়েরা কেউ পালানোর চেষ্টা করলে দালালদের নিয়োজিত নারী দালালও রয়েছে| যারা নিজেরা দেহ ব্যবসা করে এবং ঐ সকল পার্লার নামক স্পা সেন্টারগুলোতে আগত নবাগত মেয়েদের খদ্দেরের মাঝে বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত করে| আর যাতে নবাগত মেয়েরা পালাতে না পারে সে বিষয়ে পাহারাদার হিসেবে কাজ করে| ঐ সকল পাহারাদার মেয়েরা পাচারকারী দালালদের অনেকেরই বিয়ে করা স্ত্রী| টাকা কামানোর লালসায় পাচারকাজে ব্যস্ত হয়ে পরেন| এছাড়া সৎ, দায়িত্বশীল আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যদের নজর এড়াতে পুরুষ মালিকরা বেশির ক্ষেত্রেই তাদের নিয়োজিত মহিলা নারী সর্দারনীদের স্পা গুলোর মালিক সাজিয়ে অবৈধভাবে প্রতিদিন এক একটি স্পা হতে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে| আর সেখান থেকে আটক থাকা নারীদের যাদের বসে আনতে পারে তাদেরকে দেশ ও বহিরাগত রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিতালয়ে, আবাসিক হোটেলে ফ্ল্যাট বাসায় পাচার করছে|
যেভাবে নারী সংগ্রহ করে পাঁচারকারীরা তবে মানবাধিকার সংস্থার অনুসন্ধানী দল ‘ক্রাইম নিউজ মিডিয়া’কে বলেন-
অ) এক শ্রেণির দালালরা শুধু প্রেম করে মেয়েদের সংগ্রহ করে ম্যাসেস পার্লার নামক স্পাগুলোতে এনে মালিকদের কাছে বিক্রি করে দেয়|
ই) দ্বিতীয় শ্রেনির দালালরা বাসা-বাড়ি, অফিস-আদালতে কাজ দেওয়ার কথা বলে মেয়েদের এনে স্পাগুলোতে রেখে যায়|
ঈ) একাধিক মেয়েকে তাদের নির্ধারিত ঘটকের মাধ্যমে বিয়ে করে কিছুদিন সংসার করে এরপর কৌশলে পার্লারে এনে দেহজীবী বানায়|
উ) চতুর্থ শ্রেণির দালালরা মেয়েদের ইউটিউবার বা টেলিভিশন বা সিনেমার পর্দায় দেখানো আকর্ষণীয় নাটকের নায়িকা বা সাইট নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েদের সংগ্রহ করিয়া কৌশলে ম্যাসেস পার্লার নামক স্পা সেন্টারে এনে তাদের দেহজীবী বানায়|
ঊ) পঞ্চম শ্রেণির দালালরা সৌদি আরব সহ বিভিন্ন দেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে স্পা পার্লার গুলোতে এনে নানা ধরনের শারীরিক নির্যাতনের ফলে তাদের দেহজীবী বানায়|
ঋ) ষষ্ঠ শ্রেণির দালালরা ম্যাসেস পার্লার নামক স্পা সেন্টারে মেয়েদের ক্লিনার সাজাইয়া রুমে রুমে বসাইয়া রাখিয়া দেহ ব্যবসা করায়| কিছু কিছু খদ্দেরদের বুঝায় ঐ সকল মেয়েরা ক্লিনারের চাকরী করে দেহজীবী নয়| তাই চড়া দাম হেকে তাদের পুরুষ খদ্দেরদের কাছে দেহ বিক্রি করে|
এ) সপ্তম শ্রেণির দালালরা বিভিন্ন কৌশলে মেয়েদের সংগ্রহ করিয়া নানা ফন্দি ফিকির করে দেশের পতিতালয়গুলোতে নিয়ে চড়া দামে মেয়েদের বিক্রি করে দিয়ে আসে| পতিতালয়ের সর্দারনিরা ঐ সকল মেয়েদের আটক বা জিম্মি করে দেহ জীবী বানায়|
অনুসন্ধানকালে মানবাধিকার কর্মীরা যেভাবে বাধা বিপত্তির শিকার হয় ও বিভিন্ন ঘটনা জানতে পারে।
স্পা পার্লার গুলোতে পৃথক ভাবে অনুসন্ধানকালে আমরা মানবাধিকার কর্মী এক পর্যায়ে আমাদের পরিচয় দালাল চক্ররা পাওয়ায় আমাদের নানা ধরনের হুমকি দিয়ে স্পা পার্লার গুলোর এলাকা হতে সরে যেতে বলে| আমরা পুলিশকে খবর দিব বললে পাচারকারী দালালরা বলে, পুলিশকে খবর দিয়ে কোন লাভ নেই| আমরা স্পা পার্লার গুলোতে যা ইনকাম করি তার সিংহভাগ স্থানীয় গুলশান ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ, ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) কে দিয়ে থাকি| পুলিশ আমাদের কেনা|
স্পা সেন্টারের মালিক ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে দালালরা বলে, গুলশান ও বনানী থানা এলাকার স্পা পার্লার গুলোতে যে ধরনের অপরাধ কর্ম হয় তাহা স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নলেজে দিয়ে হয়| আপনাদের কিছু বলার থাকলে থানায় গিয়ে ওসিকে বলেন, আমরা এখানে কি ধরনের অপকর্ম করি যা আপনারা দেখেছেন তাই বলেন, দেখি কি করতে পারেন| বিবাদী মোঃ শহিদগং রা হুমকির সুরে বলে, ২০১৬ সালে হোলি আর্টিজান বেকারীতে হামলার দ্বারা একাধিক লোক মৃত্যু বরণ করেছে| তাতে ২ জন পুলিশ সদস্যও মারা গেছেন| ঐ ঘটনা সারা বিশ^ব্যাপী জানে এরপর গুলশান এলাকায় উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে এ এলাকায় কোন মদের বার ও অসামাজিক কার্যকলাপ না চালানোর জন্য তারপরেও পুলিশ স্যারেরা আমাদের সহায়তা এবং স্পা পার্লারে আমাদের কার্যক্রম চালাতে সহায়তা করে| স্থানীয় থানা পুলিশ যদি আমাদের সহযোগিতা না করত তাহলে কোন দিনই আমাদের এ মাদক ও দেহ ব্যবসা চালানো সম্ভব হতো না| তাই আপনারা এখান থেকে চলে যান নয়ত আমাদের রক্ষিতা মেয়েদের দিয়ে নাটকীয় গল্প সাজিয়ে আপনাদের বিরুদ্ধে মামলা দিব| যাহা গুলশান ও বনানী থানার দুই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশ রয়েছে|
গুলশান ও বনানী থানা পুলিশের ভূমিকাঃ
স্থানীয় গুলশান ও বনানী থানা এলাকার উল্লেখিত স্পা পার্লারগুলোতে চলা অপকর্মের বিরুদ্ধে একাধিকবার পৃথকভাবে পুলিশকে অবগত করে তার কোন প্রতিকার পাওয়া যায় নাই| গুলশান ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চান না হোটেলে চলা নারী, মাদক ব্যবসা, অসামাজিক কর্মকান্ড বন্ধ হউক বা ম্যাসেস পার্লার নামক স্পা সেন্টারে নানাবিধ অপরাধীদের আস্তানা চিরতরে নির্মূল হউক| বিভিন্ন মাদক কারবারী, নারী পাচারকারী, ছিনতাইকারী, মলম পার্টি সহ নানা বিধ অপরাধীরা ঐ হোটেলে নিরাপদ আস্তানা বানিয়ে তাদের সুবিধামতো নানাবিধ অপরাধ কর্মকান্ড করে থাকে| তাদেরকে ফোন দিলে উল্টো খবর চলে আসে হোটেল নারী ব্যবসায়ীদের কাছে| এছাড়া স্পাগুলোতে অপরাধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে অভিযোগকারীর আর হয়রানির শেষ থাকে না| অভিযোগের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া তো দূরের কথা উল্টো অভিযোগকারী হয়রানির শিকার হয়| এলাকাবাসীর অনেকেই আমাদের কাছে বলেছেন মাঝে মধ্যে পুলিশ লোক দেখানো অভিযান চালিয়ে কিছু খদ্দের ধরে নিয়ে যায়|
ধর্ষণ বা নারী পাচারের সাথে জড়িত ভবন মালিক বা স্পা পার্লারের ভাড়াটিয়া মালিক, স্টাফ পরিচয়ে দালাল চক্রকে কখনোই পুলিশ গ্রেফতার দেখায় না| দুই একজন মালিক ম্যানেজারকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠালেও গড ফাদারদের রাখা হয় ধরা ছোয়ার বাহিরে| এভাবেই চলছে গুলশান ও বনানী থানার আবাসিক এলাকার স্পা পার্লার গুলো|
অনুসন্ধানদল আবেদনপত্রে বলেন যে ভাবে তারা অনুসন্ধান করে গত ০৫/০৭/২০২৬ইং তারিখ সকাল ১০ ঘটিকার সময় আমি মোঃ আলমগীর অপরাধ অনুসন্ধানকারী ও আমার সহকারী, মাকসুদা ও জারিয়া, সুমন, আব্বাস, রাসেল ও নাজমুল সহ গুলশান ও বনানী এলাকায় গিয়ে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে পাওয়া ভিজিটিং কার্ডে বিভিন্ন স্পা সেন্টারের নাম ও সেখানে নারী পাচারকারী দালালদের নাম ও মোবাইল নাম্বার দেখতে পাই| এছাড়া ইন্টারনেটের যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইস বুক, ইউটিউব হতে তাদের বিজ্ঞাপন পেইজ হতে নাম্বার সংগ্রহ করে ঐ নাম্বারপ ফোন করে এক পর্যায় পৃথকভাবে তাদের সাথে উল্লেখিত গুলশান ও বনানী আবাসিক এলাকার স্পা সেন্টার গুলোতে পৃথক ভাবে আমরা প্রবেশ করি এবং স্পা সেন্টারগুলো ঘুরে ঘুরে খদ্দের বেশে মেয়েদের বাছাই করি| বাছাই পর্বের এক পর্যায় নানা কৌশলে মেয়েদের সাথে কথা বলি| সেখানকার নবাগত মেয়েরা জানায়, ঐ সকল মেয়েদের গার্মেন্টস বাসা-বাড়ি ও বিদেশে পাঠানো সহ বিভিন্ন জায়গায় কাজ দেওয়ার প্রলোভনে স্পা সেন্টারের দালালরা তাদের সংগ্রহ করিয়া উক্ত স্পা সেন্টারে আনিয়া প্রথমে একটি রুমে নিয়া আটক রাখিয়া তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোড় পূর্বক স্পা মালিক ও ভবন মালিক সহ দালালরা তাদের গণধর্ষণ করে পরবর্তীতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন পূর্বক বিভিন্ন পুরুষের সাথে অসামাজিক কার্যকলাপ করতে তাদের বাধ্য করে| ঐ সকল মেয়েরা বিভিন্ন পুরুষের সাথে অসামাজিক কার্যকলাপ করতে না চাইলে তাদের দিয়ে বিভিন্ন পুরুষের সাথে করানো অসামাজিক কার্যকলাপের দালালরা গোপনে ঐ সকল দৃশ্য ভিডিও ফুটেজ ধারণ করে রেখে আটক মেয়েদের অসামাজিক কার্যকলাপের ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে নানা ধরনের ভয়-ভীতি পূর্বক বিভিন্ন পুরুষের সাথে অপকর্মে লিপ্ত হতে বাধ্য করে|
একেক দিন একই নারী পাচারকারী চক্রের একেক স্পা সেন্টারে নিয়ে তাদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করায়| তারা এখান থেকে পালিয়ে যেতে পারে না| তাদের নির্যাতনের কথা তুলে ধরে বলে, তারা কোন পুরুষের সাথে খারাপ কাজ করতে না চাইলে দালাল চক্র তাদের বিভিন্নভাবে নির্যাতন করে যেমন-বিদ্যুতের শক দেওয়া হয়, এমনকি নেশা জাতীয় দ্রব্য ও সেক্সসোয়াল জাতীয় ঔষধ সেবন করানো সহ নানা কৌশলের নির্যাতনের ফলে তারা বিভিন্ন পুরুষদের সাথে অসামাজিক কার্যকলাপ করতে বাধ্য হয়| তাদের ভয় দেখানো হয়ে থাকে| কোন মেয়ে যদি খদ্দেরের সাথে তাদের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রকাশ করে তাহলে তাদের দিয়ে করানো গোপন ক্যামেরায় করে রাখা ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেটের যোগযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হবে| আর বেশি বাড়াবাড়ি করলে তাদের নির্ধারিত দেশ বিদেশের বিভিন্ন পতিতালয়ে তাদের অন্ন সিন্ডিকেটের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হবে| নানাবিধ ভয় দেখিয়ে ঐ সকল মেয়েদের দিনের পর দিন স্পা সেন্টার গুলোতে আটক রেখে গণধর্ষণ পূর্বক অসামাজিক কার্যকলাপ করানো হচ্ছে| এ রকম বেশ কিছু মেয়ের সাথে কথা বলি| তারা একই ধরনের নির্যাতনের বর্ণনা বলে| অনেকেই হাউ মাউ করে কেঁদে ওঠে তাদের পরিবারের কাছে ফেরত যেতে চায়| এভাবে উল্লেখিত স্পা সেন্টার গুলোতে পৃথকভাবে অনুসন্ধান করে প্রায় ৩০-৩৫ জন মেয়ে আটকের সন্ধান পাই| তবে কারোই পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা জানতে পারিনি|
অনুসন্ধানকালে এলাকাবাসীর কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের নাম গোপন রাখা স্বত্ত্বে আমাদের বলেন, স্পা সেন্টারগুলোতে অপকর্ম চলে ভবন মালিক ও থানার অফিসার ইনচার্জ, ওসি তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন ও জোনের এসির সহযোগীতায়| স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন সহযোগীতা না করলে এ স্পা সেন্টার গুলোতে মেয়ে মানুষ আটকে রাখা তো দূরের কথা কোন ধরনের অপকর্ম হতো না| এক পর্যায় নারী পাচারকারী স্পা সেন্টারের ভাড়াটিয়া মালিক কয়েকজনের নেতৃত্বে বেশকিছু লোক এসে আমাদের চারদিক ঘিরে ফেলে আমাদের নানা ধরণের হুমকি ও ভয়-ভীতি প্রদর্শন করিয়া এবং সাংবাদিকতার, মানবাধিকারগিরির স্বাদ মিটিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়| এক পর্যায়ে ঐ সকল নারী পাচারকারীদের হুমকি ধমকির শিকার হয়ে আমরা সেখান থেকে চলে আসি এছাড়াও তারা স্পা মালিক বিবাদীগণ বলে, আপনারা আমাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করেন যেখানে খুশি সেখানে অভিযোগ দেন দেখবেন আমাদের কিছুই হবে না বরং আপনারাই ঝামেলায় পরবেন| গুলশান ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ, ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন, সহ এসি আমাদের কেনা| প্রতি মাসেই আমাদের স্পা সেন্টার গুলো হতে এরা মোটা অংকের মাসোহারা তারা পায়| গুলশান ও বনানী থানা এলাকা ছাড়াও গুলশান ও বনানী থানা এলাকা সহ ডিএমপির বিভিন্ন এলাকায় এরকম আবাসিক এলাকায় আমাদের প্রায় ৪০০ (চারশত) চার শতাধিক ম্যাসেস পার্লার নামক স্পা সেন্টার রয়েছে|
এ সকল স্পা সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে পত্র পত্রিকা সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় প্রতিবেদন ˆতরি হয়েছে| ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চাপে থানার স্যারেরা লোভ দেখানো অভিযান চালিয়ে আমাদের ধরে নিয়ে সামান্য ছোট ধারায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়| এরপর তারাই আমাদের দিয়ে পুনরায় একই কায়দায় আবাসিক স্পা সেন্টার এর কর্মকান্ড চলমান অপকর্মে গোপনে সহযোগীতা করে|
মানবাধিকার কর্মীরা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের বরাবরে সুপারিশ করেন যেঃ
(১) সাং-রোড নং-২৭, হাউজ নং-৩৭, বনানী কবরস্থান গলি, বনানী ২| সাং-রোড নং-১৩, বনানী সি পার্ক ৩| সাং-রোড নং-১১, ঢাকা ব্যাংক ভবন, ১৩ তলা, থানা-বনানী ৪| সাং-রোড নং-৪১, কুদ্দুসের পার্লার, গুলশান-২ ৫| সাং-রোড নং-৪৭, হাউজ নং-২৫, ৪র্থ তলা, নুর ইসলামের পার্লার, গুলশান-২ ৬| সাং-রোড নং-২৪, হাউজ নং-৯১/বি, চতুর্থ তলা, ৭| সাং-রোড নং-৯৫, গুলশান-২, ডিএনসিসি মার্কেট, তৃতীয় তলা ৮| সাং-রোড নং-৫৫, মেহের প্লাজা, হাউজ নং-১১, গুলশান-১ ৯| সাং-রোড নং-৫৫, গ্রীন হিট পার্লার, হাউজ নং-১২/এ, লিফটের-১২, গুলশান-২ ১০| সাং-রোড নং-২৪/এ, হাউজ নং-৯১/বি, রতন ক্যাসেল বিল্ডিং, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও পঞ্চম তলা, গুলশান-১ ১১| সাং-জব্বার টাওয়ার, লিফটের ৯, গুলশান-১ ১২| সাং-অজ্ঞাতনামা হোল্ডিং আরোও ৯০-১০০ টি স্পা পার্লার গুলোর অবৈধ মাদক ব্যবসা সেন্টারে নারী ঘটিত অপরাধ কর্ম ও মাদক ব্যবসা বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা সহ –
(২) থানা এলাকায় খদ্দের সংগ্রহ করিয়া সংগ্রহকারী দালালদের প্রকাশ্যে পথে ঘাটে ভিজিটিং কার্ড বিলিকারীদের ও ইন্টারনেটের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে স্পা ও পার্লারে খদ্দের সংগ্রহ করিয়া যাহারা আনে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া|
(৩) গুলশান ও বনানী এলাকার স্পা গুলো হতে নারী পাচারকারীদের জিম্মি দশায় থাকা নারীদের উপর নির্যাতনকারীদের চিহ্নিত করে তাদের উদ্ধার পূর্বক পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা|
(৪) সাং-রোড নং-২৭, হাউজ নং-৩৭, বনানী কবরস্থান গলি, বনানী ২| সাং-রোড নং-১৩, বনানী সি পার্ক ৩| সাং-রোড নং-১১, ঢাকা ব্যাংক ভবন, ১৩ তলা, থানা-বনানী ৪| সাং-রোড নং-৪১, কুদ্দুসের পার্লার, গুলশান-২ ৫| সাং-রোড নং-৪৭, হাউজ নং-২৫, ৪র্থ তলা, নুর ইসলামের পার্লার, গুলশান-২ ৬| সাং-রোড নং-২৪, হাউজ নং-৯১/বি, চতুর্থ তলা, ৭| সাং-রোড নং-৯৫, গুলশান-২, ডিএনসিসি মার্কেট, তৃতীয় তলা ৮| সাং-রোড নং-৫৫, মেহের প্লাজা, হাউজ নং-১১, গুলশান-১ ৯| সাং-রোড নং-৫৫, গ্রীন হিট পার্লার, হাউজ নং-১২/এ, লিফটের-১২, গুলশান-২ ১০| সাং-রোড নং-২৪/এ, হাউজ নং-৯১/বি, রতন ক্যাসেল বিল্ডিং, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও পঞ্চম তলা, গুলশান-১ ১১| সাং-জব্বার টাওয়ার, লিফটের ৯, গুলশান-১ ১২| সাং-অজ্ঞাতনামা হোল্ডিং আরোও ৯০-১০০ টি স্পা পার্লার অবৈধ মাদক ব্যবসা সেন্টার ভাড়াটিয়া মালিক, বাড়ির মালিক ও কেয়ার টেকার ইন্টারনেটের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে এবং ভিজিটিং কার্ড বিলিকারী সহ সেখানে অপরাধ কর্মে প্রকাশ্যে ও পরোক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিবর্গকে আইনের আওতায় আনার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা|
(৫) সাং-রোড নং-২৭, হাউজ নং-৩৭, বনানী ২| সাং-রোড নং-১৩, বনানী সি পার্ক ৩| সাং-রোড নং-১১, ঢাকা ব্যাংক ভবন, ১৩ তলা, থানা-বনানী ৪| সাং-রোড নং-৪১, কুদ্দুসের পার্লার, গুলশান-২ ৫| সাং-রোড নং-৪৭, হাউজ নং-২৫, ৪র্থ তলা, নুর ইসলামের পার্লার, গুলশান-২ ৬| সাং-রোড নং-২৪, হাউজ নং-৯১/বি, চতুর্থ তলা, ৭| সাং-রোড নং-৯৫, গুলশান-২, ডিএনসিসি মার্কেট, তৃতীয় তলা ৮| সাং-রোড নং-৫৫, মেহের প্লাজা, হাউজ নং-১১, গুলশান-১ ৯| সাং-রোড নং-৫৫, গ্রীন হিট পার্লার, হাউজ নং-১২/এ, লিফটের-১২, গুলশান-২ ১০| সাং-রোড নং-২৪/এ, হাউজ নং-৯১/বি, রতন ক্যাসেল বিল্ডিং, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও পঞ্চম তলা, গুলশান-১ ১১| সাং-জব্বার টাওয়ার, লিফটের ৯, গুলশান-১ ১২| সাং-অজ্ঞাতনামা হোল্ডিং আরোও ৯০-১০০ টি স্পা পার্লার অবৈধ মাদক ব্যবসা সেন্টার ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের পর ঐ হোটেলে লাইসেন্স বিরোধী কোন কার্যক্রম হয় কিনা তাহা দেখভাল কারী সিটি কর্পোরেশন জোনের ইন্সেপেক্টর এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা|
(৬) যেহেতু স্পা সেন্টারগুলোর হোল্ডিং মালিক সবকিছু জানার পরেও ভাড়াটিয়াদের অপরাধ কর্মে গোপনে সহযোগিতা করে ও ধর্ষণ করে তাই জড়িতদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ আইনে মানব পাচার আইন বিধি মোতাবেক বাড়ির মালিক, আশ্রয়দাতাদের চিহ্নিত পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা|
ক) সংস্থার পক্ষে দেশব্যাপী চিহ্নিত নারী পাচারকারীদের আদালতের দারস্থ্য করার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা|
খ) অপরাধীদের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর অসাধু কর্মকর্তাদের চিহ্নিত পূর্বক তালিকা প্রকাশ করা|
গ) সাং-রোড নং-২৭, হাউজ নং-৩৭, বনানী ২| সাং-রোড নং-১৩, বনানী সি পার্ক ৩| সাং-রোড নং-১১, ঢাকা ব্যাংক ভবন, ১৩ তলা, থানা-বনানী ৪| সাং-রোড নং-৪১, কুদ্দুসের পার্লার, গুলশান-২ ৫| সাং-রোড নং-৪৭, হাউজ নং-২৫, ৪র্থ তলা, নুর ইসলামের পার্লার, গুলশান-২ ৬| সাং-রোড নং-২৪, হাউজ নং-৯১/বি, চতুর্থ তলা, ৭| সাং-রোড নং-৯৫, গুলশান-২, ডিএনসিসি মার্কেট, তৃতীয় তলা ৮| সাং-রোড নং-৫৫, মেহের প্লাজা, হাউজ নং-১১, গুলশান-১ ৯| সাং-রোড নং-৫৫, গ্রীন হিট পার্লার, হাউজ নং-১২/এ, লিফটের-১২, গুলশান-২ ১০| সাং-রোড নং-২৪/এ, হাউজ নং-৯১/বি, রতন ক্যাসেল বিল্ডিং, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও পঞ্চম তলা, গুলশান-১ ১১| সাং-জব্বার টাওয়ার, লিফটের ৯, গুলশান-১ ১২| সাং-অজ্ঞাতনামা হোল্ডিং আরোও ৯০-১০০ টি স্পা পার্লার অবৈধ মাদক ব্যবসা সেন্টারে আটক ও জিম্মি থাকা নারীদের পরিচয় চিহ্নিতপূর্বক উদ্ধার করে তাদের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করা|
ঘ) নারীদের কর্মসংস্থানের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় জীবিকা নির্বাহে কর্ম ব্যবস্থা গ্রহণ করা|
ঙ) পথে ঘাটে ভিজিটিং কার্ড বিলি করে খদ্দের সংগ্রহকারী দালালদের চিহ্নিত করে যাবতীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা|
চ) সারাদেশ ব্যাপী নারী পাচারকারী, দালাল, অর্থের যোগানদাতা ও আশ্রয়, প্রশ্রয়দাতাসহ, তাদের সহায়তাকারীদের চিহ্নিত পূর্বক তালিকা প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে আদালতের দারস্থ্য হওয়া|
ছ) আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর যে সকল অসাধু কর্মকর্তারা অপরাধীদের গোপনে সহায়তা করে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মান-সম্মান ক্ষুন্ন করছে ঐ সকল অসাধু কর্মকর্তাদের চিহ্নিত পূর্বক পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলে বিভাগীয় ব্যবস্থার নেওয়ার আবেদন দায়ের করা|
গুলশান এবং বনানী থানা এলাকার ম্যাসেস পার্লার ও স্পা সেন্টারে খদ্দের পেতে ফেইসবুক, ইউটিউব সহ যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন ইন্টারনেটে সুন্দরী মেয়েদের ছবি পোস্ট করে খদ্দের সংগ্রহকারী দালালরা ও শতাধিক নারী ব্যবসায়ী পাচারকারী দালালদের মোবাইল নাম্বার গুলো আবেদনে প্রকাশ করেছেন সে নাম্বারগুলো হলো-
১| গুলশান-১, হাউজ নং-২৮, রোড নং-১৩৪, মালিকদের মোবাইল ন¤^র ঃ ০১৮৯৭-২৭৩৫৬১, ২| গুলশান-২, হাউজ নং-২০, রোড নং-১২, মোবাইল ঃ ০১৯৪৮-৩২৮৮৬৫, ৩| গুলশান-২, হাউজ নং-২০, রোড নং-১২, মোবাইল ঃ ০১৭২০-৬৩৪৩৯২, ৪| গুলশান-২, হাউজ নং-২০, রোড নং-১২, মোবাইল ঃ ০১৬২৬-৭৮৯৪০৮,৫| মোবাইলঃ ০১৯৪৮-৩২৮৮৫৫ ৬| মোবাইল ঃ ০১৩১২-১০১৬৭৫,৭| মোবাইল ঃ ০১৯৭৫-১৬৫১১০, ৮| মোবাইলঃ ০১৭১০-১৬৪৫৬৭,৯| মোবাইল ঃ ০১৬৪৮-১৯৮৪৮০ ১০| মোবাইল ঃ ০১৮১৪-০০৯১৮৪, ১১| মোবাইল ঃ ০১৭৪৪-৮৬৪০৬১, ১২| মোবাইল ঃ ০১৮৪৪-৯০৭১১১, ১৩| মোবাইল ঃ ০১৬২৬-৪৪২২৭০ , ১৪| মোবাইল ঃ ০১৮০৬-১০৭১৯০, ১৫| মোবাইল ঃ ০১৮৭২-৯৭৯৪২৭ ১৬| মোবাইল ঃ ০১৩৪১-৭৭৬৮৮২, ১৭| মোবাইলঃ ০১৮৪৯-৭৪১৮৮৪ ১৮| মোবাইলঃ ০১৮৮৬-৯৫২৭৮৯, ১৯| মোবাইলঃ ০১৮০৫২১৩২৮৫, ২০| মোবাইলঃ ০১৩৪১-৭৭৬৮৮২, ২১| মোবাইলঃ ০১৭৪১-২৮৮০৯৪, ২২| মোবাইলঃ ০১৯৭৭-৭০৭৩১৫, ২৩| মোবাইলঃ ০১৭৩৯-৯১৬৪৩২ ২৪| মোবাইলঃ ০১৭৪১-২৯৪১৩৩, ২৫| মোবাইলঃ ০১৯৪০-২৯৯০০৪, ২৬| মোবাইলঃ ০১৩৪২-২৭৮৮৮০, ২৭| মোবাইলঃ ০১৯৫৬-৫৭৯৯৮০, ২৮| মোবাইলঃ ০১৯৬১-৮৪৯৪৮৫, ২৯| মোবাইলঃ ০১৯৪৫-২৮৩৮৬৩ ৩০| মোবাইলঃ ০১৭১৭-২২৮৬৭৪, ৩১| মোবাইলঃ ০১৭৬২-৪৫০৪৫০, ৩২| মোবাইলঃ ০১৬০৮-৪০৯০১১ ৩৩| মোবাইলঃ ০১৭৪৮-১৪৬০৮২, ৩৪| মোবাইলঃ ০১৯৫০-৯২২০১৫,৩৫| মোবাইলঃ ০১৭৩৫-৬০৬৩৪৬ ৩৬| মোবাইলঃ ০১৯৭২-০৪০২১১ ,৩৭| মোবাইলঃ ০১৪০৬-৮১০৩১১, ৩৮| মোবাইলঃ ০১৮৫৬-৭৭১৮৬৮৩৯| মোবাইলঃ ০১৮৮৬-৯৫২৪৫১, ৪০| মোবাইলঃ ০১৯০৫-২২৭৪১৭, ৪১| মোবাইলঃ ০১৮৫৭-২৫৪৪৭৮,৪২| মোবাইলঃ ০১৯৮১-৩২২১৩৭ , ৪৩| মোবাইলঃ ০১৭৫৯-২১৪৯৩৯, ৪৪| মোবাইলঃ ০১৭৪৭-৫৫৫৪৯৭, ৪৫| মোবাইলঃ ০১৭৬০-৭০৪৩১৮, ৪৬| মোবাইলঃ ০১৮১১-৯৩৫০০০ ৪৭।মোবাইলঃ০১৩৩০-৭২০৩৯৯, ৪৮| মোবাইলঃ ০১৩৪৬-৯৬৪৭৪৭, ৪৯| মোবাইলঃ ০১৩৪৭-০৫২৭৯৯ ৫০| মোবাইলঃ ০১৯৯৩-৬৯০৯২৩, ৫১| মোবাইলঃ ০১৮৬৫৪৩৪০৯৬,৫২| মোবাইলঃ ০১৯৭২০৪০২১১৫৩| মোবাইলঃ ০১৬২৬-৪৪২২৭০, ৫৪| মোবাইলঃ ০১৬০০-৩৫২৫৮২ ৫৫| মোবাইলঃ ০১৭১১-২৮৯৫৩৩, ৫৬| মোবাইলঃ ০১৭১০১৬৪৫৬৯,৫৭| মোবাইলঃ ০১৩২১-২২২৬২৬।
তবে গুলশান ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মুঠফোনে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।
Reporter Name 





















