ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আর্ন্তাজাতিক নারী পাচারকারী মাফিয়াদের সাথে দেখা করতে বাংলাদেশের ৭ নারী পাচারকারী থাইল্যান্ডে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৬:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে
আর্ন্তাজাতিক নারী পাচারকারী মাফিয়াদের সাথে দেখা করতে বাংলাদেশ হতে ৭ নারী পাচারকারী থাইল্যান্ড এর পাতায়া বিচে
ঢাকায় ৫০০ হোটেল, বিদেশে ৩০০ নারী পাঠানোর টার্গেট: পুলিশ-প্রশাসন ম্যানেজ করেই চলছে দেহ ব্যবসা
সিএনএম প্রতিবেদনঃ
আর্ন্তাজাতিক নারী পাচারকারী মাফিয়াদের সাথে দেখা করতে বাংলাদেশ হতে ৭ নারী পাচারকারী থাইল্যান্ড এর পাতায়া বিচে। বাংলাদেশ হতে প্রায় সময় দুবাই, সিঙ্গাপুর, মালয়শিয়া, সৌদিআরব ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের আবাসিক হোটেল, বৈধ অবৈধ পতিতালয়ে নারী পাচারের ঘটনা হরহামেশায় ঘটছে। সনিয়া নামের এক নারীর কাছে জানা যায় মালয়শিয়া চাকুরী দেয়ার নামে আন্তর্জাতিক নারী পাচারকারী বিল্লাল সিন্ডিগেট টুরেষ্ট ভিসায় মালয়শিয়া নিয়ে তাকে বিল্লাল সিন্ডিগেটের ফ্ল্যাটে রেখে এই সিন্ডিগেট তাকে গ্যাং র‌্যাপ করে। পরবর্তীতে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ফ্ল্যাট বাসায় নিয়ে তাকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করায়। এভাবে ৭মাস থাকার পর সনিয়া বাংলাদেশী এক লোকের সহযোগিতায় পুলিশের হাতে ধরা দিয়ে দেশে ফিরে আসে।
নাসরিন নামে আরেক নারী জানান বিল্লাল সিন্ডিগেট তাকে মালয়শিয়া নেয়ার সময় শাহ-জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হতে বিমান বন্দর থানায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হোন। বিল্লাল পালিয়ে গেলেও এই সিন্ডিগেটের কয়েকজনকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। ঐ সময় নাসরিন ও সাথী নামে দুই নারীকে পুলিশ উদ্ধার করে বিমান বন্দও থানায় মানবপাচার আইনে এক মামলায় আদালতে সোপার্দ করেন। এছাড়া মাঝে মধ্যে বিল্লাল সিন্ডিগেটের হাত  হতে ডি.এম.পির বিভিন্ন থানায় একাধিক নারী বিভিন্ন সময় উদ্ধার হয়েছে। তবে বিল্লাল সিন্ডিগেটের নারী সংগ্রহকারী মূল হোতারা থেকে গেছে ধরাছোয়ার বাহিরে। ইয়ারপোর্ট ইমেগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সাথে বিল্লাল সিন্ডিগেটের গোপন সুসম্পর্ক থাকায় বিল্লালসহ এই সিন্ডিগেটের একাধিক পাচারকারীরা বিভিন্ন কৌশলে টুরেষ্ট ভিসায় দুবাই, মালয়শিয়া, সিঙ্গাপুর নিয়ে তাদেরকে চাকুরী দেয়ার নামে জোর পূর্বক দেহ ব্যবসায় লিপ্ত করায়।বিদেশ যাওয়া নারীরা আসতে চাইলেও সহজে আসতে পাওে না কেননা তারা যে পাসপোর্টে টুরেষ্ট ভিসা করা হয়েছিল ঐ পাসপোর্টে প্রত্যেকটি নারীর হাসবেন্ড দেখানো হয়, টুরেষ্ট ভিসাগুলো পাচারকারীরা হাসবেন্ড ওয়াইফ ভিসা করে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার পর ঐ নারীর সাথে স্বামী পরিচয়ে সেই পুরুষ থাকে তাকে দেশের বিভিন্ন জেলা হতে বিদেশ পাঠানোর নামে সংগ্রহ করে এদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ঐ সকল পুরুষদেরকে অবৈধ বানিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী দিয়ে দেয়। আর নারীদের পাসপোর্টটি এয়ারপোর্ট পার হওয়ার পরই পাচারকারী দালালরা নিয়ে যায় সেই কারণে ঐ নারীরা দেশে ফিরতে চাইলেও সহজে পারে না। আর এসকল বাংলাদশেী পাচারকারী নারী ব্যবসায়ীদের রাজধানীতে রয়েছে দেহ ব্যবসা করার জন্য আবাসিক হোটেলের অন্তরালে পতিতালয়। ডি.এমপির ওয়ারী বিভাগে রয়েছে এ চক্রের ২০টি আবাসিক হোটেল। মতিঝিল বিভাগে রয়েছে ২৫টি আবাসিক হোটেল। উত্তরা বিভাগে রয়েছে ৩০টি আবাসিক হোটেল। রমনা বিভাগে রয়েছে ২২টি আবাসিক হোটেল। তেজগাঁও বিভাগে রয়েছে ৪৫টি আবাসিক হোটেল। লালবাগ বিভাগে রয়েছে ১০টি আবাসিক হোটেল। মিরপুর বিভাগে রয়েছে ২৬টি আবাসিক হোটেল। গুলশান বিভাগে রয়েছে আবাসিক হোটেল ও স্পা পার্লারের অন্তরালে নারী ব্যবসার স্পট প্রায় ১০০টি। ঐ সকল আবাসিক হোটেল ও স্পা সেন্টারে দেশীয় দালালদের মাধ্যমে নারীদের প্রেম বিয়ে চাকুরীসহ বিভিন্ন প্রলোভনে সংগ্রহ করিয়া এনে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক প্রথমে গ্যাং র‌্যাপ করা হয়। মেয়েদের কিছুদিন আটকে রেখে বিভিন্ন পুরুষ দিয়ে পাশবিক নির্যাতনের করে ঐসকল মেয়েদের দেহজীবী বানিয়ে পুরুষ খদ্দেরের হাতে তুলে দেয়।  আবার নানা কৌশলে বিদেশে পাচার করে দেয়।
আর এসকল নারী পাচারের সংঘবদ্ধ চক্রে পাচারকারী রয়েছে প্রায় চার হতে পাঁচ শতাধিক, এদের বিভিন্নভাগে দল নেতারা বিভক্ত হয়ে আলাদা আলাদাভাবে গ্রুপ নিয়ন্ত্রন করে। এরই মধ্যই প্রায় ৫০০ শতাধিক নারীর ছবি নিয়ে পাচারকারী চক্রের আলামিন, রিপন, ইমরান, বিল্লাল, মহিউদ্দীন, রুবেল, সাগির, সবুজ, রানা, রবিন, কাউসার, পিচ্চি মনির, আলাউদ্দিন,শিখর, মাফিয়া ডনসাগর, শাওন, ককটেল মিলন, শুটার রবিন, হান্নানসহ আরো ১০/১২জন সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়শিয়া গিয়ে বিদেশী নারী ব্যবসায়ী এজেন্টদের পছন্দ করানোর জন্য এবং দরদাম কষতে প্রায় ১৫দিন বিদেশ ভ্রমন করে এ চক্র দেশে ফিরে আসেন। এ সিন্ডিগেটের মাধ্যমে প্রতিমাসেই বহু নারী বিভিন্ন কৌশলে বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া দেশের বেশিরভাগ আবাসিক হোটেলগুলোই এখন মিনি পতিতালয়ে গড়ে উঠেছে। সারাদেশে প্রায় এ চক্রের ৫ শতাধিক আবাসিক হোটেল নামে পতিতালয় রয়েছে, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ম্যানেজ করেই চলছে এ চক্রের নারীদের কার্যক্রম। এ বিষয়ে এ চক্রের এক সদস্য নিজের নাম গোপন রাখার শর্তে বলে গত জুলা-২৬ মাসে শেষের দিকে বসেরা তিনদেশে  এক সপ্তাহর টুরে গিয়েছিল তারা প্রায় ৫শতাধিক নারীর ছবি নিয়ে গিয়েছে এবং ৩শতাধিক নারী বিদেশী দালাল এজেন্টরা পছন্দ করেছে। এ মাসের মধ্যেই ঐ নারীদেরকে টুরেষ্ট ভিসায় দুবাই, মালয়শিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড এ পাঠানো হবে। বাকি ২ শতাধিক নারী দরদাম কম  হওয়ায় তারা বাদ পড়েছে। এদেরকে সারাদেশের বসেদের আবাসিক হোটেলগুলোতেই দেহ ব্যবসার জন্য রাখা হবে।
এ চক্রের বাংলাদেশে শত শত কোটি টাকার ফ্ল্যাট, বাড়ি ও জমি রয়েছে। আসিয়া ওলিজা নামে এ চক্রের দুই নারী সদস্য তাদের নাম গোপন রাখার শর্তে জানান এ বিল্লাল চক্রের বিরুদ্ধে কেউ যদি বিরুধীতা করে বা লেখালিখি করে বা তাদের কোন রকম ক্ষতির চেষ্টা করে তাহলে তাদেও হয়রানীর আর শেষ থাকে না। মামলা হামলাসহ নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয় তাদের।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

আর্ন্তাজাতিক নারী পাচারকারী মাফিয়াদের সাথে দেখা করতে বাংলাদেশের ৭ নারী পাচারকারী থাইল্যান্ডে

আপডেট সময় ০৬:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
আর্ন্তাজাতিক নারী পাচারকারী মাফিয়াদের সাথে দেখা করতে বাংলাদেশ হতে ৭ নারী পাচারকারী থাইল্যান্ড এর পাতায়া বিচে
ঢাকায় ৫০০ হোটেল, বিদেশে ৩০০ নারী পাঠানোর টার্গেট: পুলিশ-প্রশাসন ম্যানেজ করেই চলছে দেহ ব্যবসা
সিএনএম প্রতিবেদনঃ
আর্ন্তাজাতিক নারী পাচারকারী মাফিয়াদের সাথে দেখা করতে বাংলাদেশ হতে ৭ নারী পাচারকারী থাইল্যান্ড এর পাতায়া বিচে। বাংলাদেশ হতে প্রায় সময় দুবাই, সিঙ্গাপুর, মালয়শিয়া, সৌদিআরব ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের আবাসিক হোটেল, বৈধ অবৈধ পতিতালয়ে নারী পাচারের ঘটনা হরহামেশায় ঘটছে। সনিয়া নামের এক নারীর কাছে জানা যায় মালয়শিয়া চাকুরী দেয়ার নামে আন্তর্জাতিক নারী পাচারকারী বিল্লাল সিন্ডিগেট টুরেষ্ট ভিসায় মালয়শিয়া নিয়ে তাকে বিল্লাল সিন্ডিগেটের ফ্ল্যাটে রেখে এই সিন্ডিগেট তাকে গ্যাং র‌্যাপ করে। পরবর্তীতে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ফ্ল্যাট বাসায় নিয়ে তাকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করায়। এভাবে ৭মাস থাকার পর সনিয়া বাংলাদেশী এক লোকের সহযোগিতায় পুলিশের হাতে ধরা দিয়ে দেশে ফিরে আসে।
নাসরিন নামে আরেক নারী জানান বিল্লাল সিন্ডিগেট তাকে মালয়শিয়া নেয়ার সময় শাহ-জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হতে বিমান বন্দর থানায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হোন। বিল্লাল পালিয়ে গেলেও এই সিন্ডিগেটের কয়েকজনকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। ঐ সময় নাসরিন ও সাথী নামে দুই নারীকে পুলিশ উদ্ধার করে বিমান বন্দও থানায় মানবপাচার আইনে এক মামলায় আদালতে সোপার্দ করেন। এছাড়া মাঝে মধ্যে বিল্লাল সিন্ডিগেটের হাত  হতে ডি.এম.পির বিভিন্ন থানায় একাধিক নারী বিভিন্ন সময় উদ্ধার হয়েছে। তবে বিল্লাল সিন্ডিগেটের নারী সংগ্রহকারী মূল হোতারা থেকে গেছে ধরাছোয়ার বাহিরে। ইয়ারপোর্ট ইমেগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সাথে বিল্লাল সিন্ডিগেটের গোপন সুসম্পর্ক থাকায় বিল্লালসহ এই সিন্ডিগেটের একাধিক পাচারকারীরা বিভিন্ন কৌশলে টুরেষ্ট ভিসায় দুবাই, মালয়শিয়া, সিঙ্গাপুর নিয়ে তাদেরকে চাকুরী দেয়ার নামে জোর পূর্বক দেহ ব্যবসায় লিপ্ত করায়।বিদেশ যাওয়া নারীরা আসতে চাইলেও সহজে আসতে পাওে না কেননা তারা যে পাসপোর্টে টুরেষ্ট ভিসা করা হয়েছিল ঐ পাসপোর্টে প্রত্যেকটি নারীর হাসবেন্ড দেখানো হয়, টুরেষ্ট ভিসাগুলো পাচারকারীরা হাসবেন্ড ওয়াইফ ভিসা করে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার পর ঐ নারীর সাথে স্বামী পরিচয়ে সেই পুরুষ থাকে তাকে দেশের বিভিন্ন জেলা হতে বিদেশ পাঠানোর নামে সংগ্রহ করে এদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ঐ সকল পুরুষদেরকে অবৈধ বানিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী দিয়ে দেয়। আর নারীদের পাসপোর্টটি এয়ারপোর্ট পার হওয়ার পরই পাচারকারী দালালরা নিয়ে যায় সেই কারণে ঐ নারীরা দেশে ফিরতে চাইলেও সহজে পারে না। আর এসকল বাংলাদশেী পাচারকারী নারী ব্যবসায়ীদের রাজধানীতে রয়েছে দেহ ব্যবসা করার জন্য আবাসিক হোটেলের অন্তরালে পতিতালয়। ডি.এমপির ওয়ারী বিভাগে রয়েছে এ চক্রের ২০টি আবাসিক হোটেল। মতিঝিল বিভাগে রয়েছে ২৫টি আবাসিক হোটেল। উত্তরা বিভাগে রয়েছে ৩০টি আবাসিক হোটেল। রমনা বিভাগে রয়েছে ২২টি আবাসিক হোটেল। তেজগাঁও বিভাগে রয়েছে ৪৫টি আবাসিক হোটেল। লালবাগ বিভাগে রয়েছে ১০টি আবাসিক হোটেল। মিরপুর বিভাগে রয়েছে ২৬টি আবাসিক হোটেল। গুলশান বিভাগে রয়েছে আবাসিক হোটেল ও স্পা পার্লারের অন্তরালে নারী ব্যবসার স্পট প্রায় ১০০টি। ঐ সকল আবাসিক হোটেল ও স্পা সেন্টারে দেশীয় দালালদের মাধ্যমে নারীদের প্রেম বিয়ে চাকুরীসহ বিভিন্ন প্রলোভনে সংগ্রহ করিয়া এনে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক প্রথমে গ্যাং র‌্যাপ করা হয়। মেয়েদের কিছুদিন আটকে রেখে বিভিন্ন পুরুষ দিয়ে পাশবিক নির্যাতনের করে ঐসকল মেয়েদের দেহজীবী বানিয়ে পুরুষ খদ্দেরের হাতে তুলে দেয়।  আবার নানা কৌশলে বিদেশে পাচার করে দেয়।
আর এসকল নারী পাচারের সংঘবদ্ধ চক্রে পাচারকারী রয়েছে প্রায় চার হতে পাঁচ শতাধিক, এদের বিভিন্নভাগে দল নেতারা বিভক্ত হয়ে আলাদা আলাদাভাবে গ্রুপ নিয়ন্ত্রন করে। এরই মধ্যই প্রায় ৫০০ শতাধিক নারীর ছবি নিয়ে পাচারকারী চক্রের আলামিন, রিপন, ইমরান, বিল্লাল, মহিউদ্দীন, রুবেল, সাগির, সবুজ, রানা, রবিন, কাউসার, পিচ্চি মনির, আলাউদ্দিন,শিখর, মাফিয়া ডনসাগর, শাওন, ককটেল মিলন, শুটার রবিন, হান্নানসহ আরো ১০/১২জন সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়শিয়া গিয়ে বিদেশী নারী ব্যবসায়ী এজেন্টদের পছন্দ করানোর জন্য এবং দরদাম কষতে প্রায় ১৫দিন বিদেশ ভ্রমন করে এ চক্র দেশে ফিরে আসেন। এ সিন্ডিগেটের মাধ্যমে প্রতিমাসেই বহু নারী বিভিন্ন কৌশলে বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া দেশের বেশিরভাগ আবাসিক হোটেলগুলোই এখন মিনি পতিতালয়ে গড়ে উঠেছে। সারাদেশে প্রায় এ চক্রের ৫ শতাধিক আবাসিক হোটেল নামে পতিতালয় রয়েছে, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ম্যানেজ করেই চলছে এ চক্রের নারীদের কার্যক্রম। এ বিষয়ে এ চক্রের এক সদস্য নিজের নাম গোপন রাখার শর্তে বলে গত জুলা-২৬ মাসে শেষের দিকে বসেরা তিনদেশে  এক সপ্তাহর টুরে গিয়েছিল তারা প্রায় ৫শতাধিক নারীর ছবি নিয়ে গিয়েছে এবং ৩শতাধিক নারী বিদেশী দালাল এজেন্টরা পছন্দ করেছে। এ মাসের মধ্যেই ঐ নারীদেরকে টুরেষ্ট ভিসায় দুবাই, মালয়শিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড এ পাঠানো হবে। বাকি ২ শতাধিক নারী দরদাম কম  হওয়ায় তারা বাদ পড়েছে। এদেরকে সারাদেশের বসেদের আবাসিক হোটেলগুলোতেই দেহ ব্যবসার জন্য রাখা হবে।
এ চক্রের বাংলাদেশে শত শত কোটি টাকার ফ্ল্যাট, বাড়ি ও জমি রয়েছে। আসিয়া ওলিজা নামে এ চক্রের দুই নারী সদস্য তাদের নাম গোপন রাখার শর্তে জানান এ বিল্লাল চক্রের বিরুদ্ধে কেউ যদি বিরুধীতা করে বা লেখালিখি করে বা তাদের কোন রকম ক্ষতির চেষ্টা করে তাহলে তাদেও হয়রানীর আর শেষ থাকে না। মামলা হামলাসহ নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয় তাদের।