ঢাকা ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘হিলটন থাই স্পা অ্যান্ড সেলুন’-এ অভিযান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল ২০২১
  • ৪২৬ বার পড়া হয়েছে

‘হিলটন থাই স্পা অ্যান্ড সেলুন’-এ অভিযান

সিএনএম প্রতিবেদকঃ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অন্য স্বাভাবিক দিনের মতোই অভিযান পরিচালিত হচ্ছিল গুলশান-২ নম্বরে। অভিযান পরিচালনাকালে গোপনে খবর আসে জাহেদ প্লাজার ৫ম তলায় ‘অবৈধভাবে’ একটি স্পা সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে, পাশাপাশি ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ড’ চলে সেখানে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ‘হিলটন থাই স্পা অ্যান্ড সেলুন’ নামে ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়।

আভিযানিক দল সূত্রে জানা যায়, গুলশান-২ নম্বরের জাহেদ প্লাজার ৫ম তলায় অবৈধ স্পা সেন্টারের সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ডিএনসিসির অভিযান পরিচালনাকারী দল ছুটে যায় সেখানে। গেটে নক করতে থাকলেও কোনো সাড়া শব্দ নেই।
উপস্থিত লোকজনের সহযোগিতায় তালা-চাবির এক মিস্ত্রিকে আনা হয়। গেটটি খোলার চেষ্টা চলে দীর্ঘ সময় ধরে।

স্থানীয় এক ব্যক্তি অভিযান পরিচালনাকারী টিমকে জানিয়েছে, এ ভবন থেকে বের হয়ে যাওয়ার পেছনের দিকে আরও একটি গেট রয়েছে। ওইদিক দিয়ে গোপনে বের হয়ে যাওয়া যায়। সেই তথ্য পেয়ে পেছনের দিকে গিয়ে ঘটনার সত্যতা মেলে। ততক্ষণে স্পা সেন্টেরর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ কাস্টমাররা পেছনের গেট দিয়ে বের হয়ে গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী টিম ঢুকে পড়ে স্পা সেন্টারের ভেতরে। সেখানে তারা দেখতে পান- ভেতরে সিঙ্গেল সিঙ্গেল সব রুম, আর সেই রুমগুলোর সঙ্গে এটাস্ট বাথরুম। সাজানো আছে স্পা সেন্টারের টাওয়েল, লোশনসহ অন্যান্য সব উপকরণ। সেখানে আজকের তারিখের কাস্টমার রিসিটও পাওয়া যায়। তবে সংশ্লিষ্ট কাউকে খুঁজে পায়নি ডিএনসিসির অভিযান পরিচালনাকারী দল।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা (উপসচিব) মোহাম্মদ আবদুল হামিদ মিয়া বলেন, আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করার সময় খবর পাই পাশেই একটি স্পা সেন্টার। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এইসময় প্রতিষ্ঠান খোলা রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সেই সংবাদের ভিত্তিতে এখানে এসে দেখি তারা গেট বন্ধ রেখেছে। আমাদের আসার খবরে পেছনের গেট দিয়ে পালিয়েছে। ভবন মালিক এবং মিস্ত্রিকে ডেকে লক ভাঙার পর ভেতরে ঢুকে দেখলাম পরিবেশটা এমন যে এখান ‘অনৈতিক কার্যক্রম’ পরিচালিত হচ্ছিল বলে বোঝা যাচ্ছে। এখানের সব কিছু জব্দ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। সিসি ক্যামেরা, রেজিস্টার্ড খাতা, ডিভাইস এসব কিছু দেখে আমরা সার্বিক পর্যালোচনা করবো।

স্পা সেন্টারে ভেতরে কাউকে না পাওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতার তথ্য যাচাই করা সম্ভ হয়নি। তবে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানাবে বলে আভিযানিক দল জানিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

‘হিলটন থাই স্পা অ্যান্ড সেলুন’-এ অভিযান

আপডেট সময় ১১:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল ২০২১

সিএনএম প্রতিবেদকঃ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অন্য স্বাভাবিক দিনের মতোই অভিযান পরিচালিত হচ্ছিল গুলশান-২ নম্বরে। অভিযান পরিচালনাকালে গোপনে খবর আসে জাহেদ প্লাজার ৫ম তলায় ‘অবৈধভাবে’ একটি স্পা সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে, পাশাপাশি ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ড’ চলে সেখানে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ‘হিলটন থাই স্পা অ্যান্ড সেলুন’ নামে ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়।

আভিযানিক দল সূত্রে জানা যায়, গুলশান-২ নম্বরের জাহেদ প্লাজার ৫ম তলায় অবৈধ স্পা সেন্টারের সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ডিএনসিসির অভিযান পরিচালনাকারী দল ছুটে যায় সেখানে। গেটে নক করতে থাকলেও কোনো সাড়া শব্দ নেই।
উপস্থিত লোকজনের সহযোগিতায় তালা-চাবির এক মিস্ত্রিকে আনা হয়। গেটটি খোলার চেষ্টা চলে দীর্ঘ সময় ধরে।

স্থানীয় এক ব্যক্তি অভিযান পরিচালনাকারী টিমকে জানিয়েছে, এ ভবন থেকে বের হয়ে যাওয়ার পেছনের দিকে আরও একটি গেট রয়েছে। ওইদিক দিয়ে গোপনে বের হয়ে যাওয়া যায়। সেই তথ্য পেয়ে পেছনের দিকে গিয়ে ঘটনার সত্যতা মেলে। ততক্ষণে স্পা সেন্টেরর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ কাস্টমাররা পেছনের গেট দিয়ে বের হয়ে গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী টিম ঢুকে পড়ে স্পা সেন্টারের ভেতরে। সেখানে তারা দেখতে পান- ভেতরে সিঙ্গেল সিঙ্গেল সব রুম, আর সেই রুমগুলোর সঙ্গে এটাস্ট বাথরুম। সাজানো আছে স্পা সেন্টারের টাওয়েল, লোশনসহ অন্যান্য সব উপকরণ। সেখানে আজকের তারিখের কাস্টমার রিসিটও পাওয়া যায়। তবে সংশ্লিষ্ট কাউকে খুঁজে পায়নি ডিএনসিসির অভিযান পরিচালনাকারী দল।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা (উপসচিব) মোহাম্মদ আবদুল হামিদ মিয়া বলেন, আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করার সময় খবর পাই পাশেই একটি স্পা সেন্টার। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এইসময় প্রতিষ্ঠান খোলা রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সেই সংবাদের ভিত্তিতে এখানে এসে দেখি তারা গেট বন্ধ রেখেছে। আমাদের আসার খবরে পেছনের গেট দিয়ে পালিয়েছে। ভবন মালিক এবং মিস্ত্রিকে ডেকে লক ভাঙার পর ভেতরে ঢুকে দেখলাম পরিবেশটা এমন যে এখান ‘অনৈতিক কার্যক্রম’ পরিচালিত হচ্ছিল বলে বোঝা যাচ্ছে। এখানের সব কিছু জব্দ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। সিসি ক্যামেরা, রেজিস্টার্ড খাতা, ডিভাইস এসব কিছু দেখে আমরা সার্বিক পর্যালোচনা করবো।

স্পা সেন্টারে ভেতরে কাউকে না পাওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতার তথ্য যাচাই করা সম্ভ হয়নি। তবে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানাবে বলে আভিযানিক দল জানিয়েছে।