ঢাকা ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৮:৪৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি।
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের বিশাল মানবসম্পদকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন। শুধু গতানুগতিক শিক্ষার ওপর নির্ভর করে উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ কারণে কারিগরি শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দেশে নতুন করে চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, কারিগরি শিক্ষার মান উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও জোরদার করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের সময় বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের জন্য আত্মত্যাগকারীদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। তাদের স্মৃতি কখনো মুছে যাবে না।
তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কর্মমুখী করে তরুণদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ের পরিবহন সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব উত্থাপনের আশ্বাসও দেন শিক্ষামন্ত্রী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি

আপডেট সময় ০৮:৪৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

সিএনএমঃ

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি।
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের বিশাল মানবসম্পদকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন। শুধু গতানুগতিক শিক্ষার ওপর নির্ভর করে উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ কারণে কারিগরি শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দেশে নতুন করে চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, কারিগরি শিক্ষার মান উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও জোরদার করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের সময় বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের জন্য আত্মত্যাগকারীদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। তাদের স্মৃতি কখনো মুছে যাবে না।
তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কর্মমুখী করে তরুণদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ের পরিবহন সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব উত্থাপনের আশ্বাসও দেন শিক্ষামন্ত্রী।