ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেরানীগঞ্জের বিসমিল্লাহ টাওয়ারে ডাকাতি, মামলা হয়নি থানায় অপরাধীরা এখনো অধরা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৭:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে
কেরানীগঞ্জের বিসমিল্লাহ টাওয়ারে ডাকাতি, মামলা হয়নি থানায় অপরাধীরা এখনো অধরা
আলমগীর সেলিমঃ
কেরানীগঞ্জের বিসমিল্লাহ টাওয়ারে ডাকাতি, অপরাধীরা এখনো অধরা মামলা নিতে পুলিশের গড়িমসি ২৪.০৬.২০২৬ইং তারিখ ডাকাতির ঘটনায় এখনো পর্যন্ত দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা গ্রহণ করেনি পুলিশ।
ভোক্তভোগী বাদি রিজিয়া পারভিন ‘ক্রাইম নিউজ মিডিয়া’কে বলেন গতকাল বুধবার তার বাসায় ডাকাতির ঘটনা ঘটলে সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় উপস্থিত হয়ে একটি এজহার লিখে পুলিশকে দেন।
এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত থানায় ডাকাতির ঘটনায় কোন মামলা হয়েছে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
বাদি রিজিয়া পারভিন অভিযোগে উল্লেখ করেন যে,অদ্য বেলা সকাল আনুমানিক সকাল ১০ ঘটিকার সময় আমার বর্তমান ঠিকানায় বিসমিল্লাহ টাওয়ার ২নং ভবন এর ৭ম তলায় আমার বসবাসরত ফ্ল্যাট রুমের গেটে সিটকারি লাগিয়ে একটি লোহার তালা মেরে ঘরের প্রয়োজনীয় পণ্যের কেনাকাটা করতে বাজারে যাই, বাজার হতে প্রায় আনুামনিক সকাল ১১.৩০ ঘটিকার দিকে আমার ফ্ল্যাট বাসায় ফিরে এসে দেখি আমার রুমের দরজার লাগানো তালা নাই। রুম শুধুমাত্র সিটকারি মারা ছিল, আমি সিটকারি খুলে রুমের ভিতরে ডুকে দেখি আমার রুমের মালামাল বিছনাপাতি এলোমেলো। রুমে থাকা দুটি টিভি ফ্ল্যাটের মেঝেতে পড়ে আছে এবং টিভি দুটির ডিসপ্লে ভাঙ্গা| তখন আমি বুঝতে পারি আমার ঘরে অজ্ঞাতনামা ডাকাতদল ডুকেছিল।
এমতাবস্থায় আমি ঘরে খোজাখুজি করতে শুরু করি, খুজে দেখি ডাকাতদের সাথে আনা একটি চাকু আমার বিছানার উপর পড়ে আছে, আমার ঘর থেকে আর্থিক মূল্যবান বেশকিছু মালামাল ডাকাতদলেরা লুটপাট ডাকাতি করে ঘরের তালা ভেঙ্গে প্রায় ৩,৯৯, ১০০/- (তিন লক্ষ নিরানব্বই হাজার একশত) টাকাসহ উল্লেখিত মুল্যের মালামাল ডাকাত সদস্যরা নিয়ে গেছে।
ডাকাতি হওয়া মালামালসমূহ ও মূল্যঃ
১.একটি সেমপনী টার্চ সেট যাহার সিম নং-০১৭৫৩৬৮৩৪৯৬, যার মূল্য-১৮,০০০/- (আঠার হাজার ) টাকা। ২.বিভো টার্চ সেট যাহার সিম নং-০১৭৮৩৪৪৫৫৪৬, যাহার মূল্য-১০,০০০/ (দশ হাজার) টাকা। ৩. লেনোভো বিদেশী টার্চ মোবাইল সেট  যাহার মূল্য-৪০,০০০/- (চল্লিশ হাজার) টাকা। র।৪. ২২ কেরেট ১ভরি ওজনের একটি বিদেশী স্বর্নের পেজ চেইন যাহার বর্তমান- ২,২৮,৫৫৬/- (দুই লক্ষ আটাশ হাজার পাঁচশত ছাপান্ন ) টাক। ৫. নগদ ৫,২০০/-(পচিশ হাজার দুইশত) টাকা। ৬. একটি সিঙ্গার ৬৫ইঞ্চি ফ্লাট টিভি নিতে না পারায় টার্চ ভেঙ্গে ফেলে মূল্য ২৫,০০০/-(পচিশ হাজার) টাকা। ৭. ১টি ৩২ ইঞ্চি ওয়ালটন ফ্লাট টিভি নতে না পারায় টার্চ ভেঙ্গে ফেলে মূল্য ১২,০০০/- (বার হাজার) টাকা। ৮. ১টি গ্যাসভর্তি বোতল         যার মূল্য -২৬০০/- (ছাব্বিশত) টাকা।  ৯.  একটি বেলেন্ডার যার মূল্য-৫০০০/- (পাচ হাজার) টাকা।  ১০.  একটি রাইস কুকার যারমূল্য-৫০০০/- (পাচ হাজার) টাকা।  ১১.  একটি কারেন্ট এরচুলা যার মূল্য – ৬০০০/- (ছয় হাজার)টাকা।
মোট ডাকাতি হওয়া মালামালের বর্তমান বাজার মূল্য – ৩, ৯৯, ১০০/- (তিন লক্ষ নিরানব্বই হাজার একশত) টাকা।
উক্ত মালামাল ডাকাতিকরার সময় ১নং বিবাদীরা দল বেধে সংঘবদ্ধভাবে কেউ মালামাল নামিয়েছে কেউ বিসমিল্লাহ টাওয়ারের একেক জায়গাতে দাড়িয়ে অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে পাহারা দিয়েছে এভাবে দলবেধে এসে আমার ফ্ল্যাটে ডাকাতি করে আমার মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়|
এমতাবস্থায় আমি বিষয়টি আমার ফ্ল্যাটের বাড়িওয়ালা এবং বিসমিল্লাহ টাওয়ারের দুই ভবনের কেয়ারটেকার এবং আশে পাশের ফ্ল্যাট মালিক ও ভাড়াটিয়াদের বিষয়টি জানাইলে অনেকেই ডাকতদলদের মালামাল নিয়ে যেতে দেখেছে।
এছাড়া টাওয়ারের বিভিন্ন সিসি ক্যামেরায় ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় যে, ডাকাত দলেরা ভবনের আশে পাশে বিভিন্ন জায়গাতে পাহারা দিচ্ছে কেউ মালামাল নিয়ে সিড়ি দিয়ে নামছে এমতাবস্থায় বাদী ন্যায় বিচারের প্রার্থনায় থানায় গিয়ে একটি এজহার দায়ের করেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম আগ্রহের সাথে অভিযোগটি গ্রহণ করে একজন সাব-ইনিসেপটর পদস্থ কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।কিন্তু ডাকত সদস্যরা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এর বাসিন্দা।
ভোক্তভোগী রিজিয়া পারভিন ‘ক্রাইম নিউজ মিডিয়া’কে বলেন, আমার মালামাল নিয়ে গেছে ডাকাতরা আমি মামলা করতে থানায় গিয়েছি। ওসি সাহেব আগ্রহরে সাথে আমার এজহার গ্রহণ করে তদন্তের দায়িত্ব দেন একজন সাব-ইনিসেপ্টর তার সাথে মুঠফোনে কথা হলে তিনি তার নাম ক্রাইম নিউজকে বলতে অনীহা প্রকাশ করেন|
ভোক্তভোগী বাদীর কাছ থেকে জানায় যায় যে, অদ্য পর্যন্ত ৩০ঘন্টা পার হয়ে গেলেও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় ডাকাতির মামলা হয়নি।
ডাকাত দলের কিছু সদস্যরা বাদীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে ডাকাতির ঘটনায় থানায় মামলা করলে বাদীর স্বামী আলমগীরকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফালানো হবে| রিজিয়া পারভিন এর পরিবার আতংকের মধ্যে রয়েছে। কখন যেন ডাকাত সদস্যরা তাদের পরিবারের উপর এসে হামলা করে অন্য দিকে বাদীকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এক এস.আই যার নাম জানা যায়নি মামলা না করার জন্য বাদীকে নানাবিধ হুমকি প্রদর্শন করে।
মোকাম পাড়ার স্থানীয় তারেক জিয়ার সৈনিক একজন মানবাধিকার কর্মিী মো: আব্বাস ও মো: রাকিব হোসেন তারা ডাকাতির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ‘ক্রাইম নিউজ মিডিয়া’র প্রতিবেদককে বলেন, এ এলাকায় এরকম ডাকাতির ঘটনা আজকে নতুন না, দিনের পর দিন হর-হামেশা এরকম ঘটনা হয়ে আসছে। এ সকল ডাকাত দলের সদস্যরা এলাকার ডাকাতির মালামাল লুটপাট করে নিয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকার ভাঙ্গারী দোকানগুলোতে বিক্রি করে আর স্বর্ন-অলঙ্গার নিয়ে ডাকাতরা বিক্রির জন্য ছুটে যায় তাতী বাজারে এবং এলাকার বিভিন্ন স্বর্নের দোকানে। তবে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের এ  সকল অপরাধের বিষয়ে মামলা নিতে ধীর গতি ও গরিমসি থাকায়  অনেকে হয়রানি শিকার হয়ে মামলা করা থেকে দুরে থাকে। সিসকে চোর হতে শুরু করে দাগিদোষী বড় বড় অপরাধীরা এ সুযোগে একের পর এক ডাকাতি, নারী ধর্ষন, মাদক ব্যবসা করে কেরানীগঞ্জ এলাকায় একটি অপরাধের স্বর্গরাজ্য  গড়ে তুলেছে। দায়িত্বশীল কিছু পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে মাঝে মধ্যে সিসকে দুই একজন অপরাধীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হলেও রাগববোয়ালরা থাকে ধরাছোয়ার বাহিরে। আইনশৃঙখলা উন্নয়নে প্রশাসনে ধীরগতি থাকায় পাল্লা দিয়ে অপরাধীরা তাদের অপরাধ কর্ম দিন দিন করেই যাচ্ছে।
প্রকাশ্যে থাকা অপরাধীদের সাথে থাকা ঢাকা জেলার আইনশৃঙখলা বাহিনীর ডিবি, র‌্যাব সদস্য, অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের সুসম্পর্ক থাকায় হাজার অপরাধ করেও তারা থেকে যাচ্ছে ধরা ছোয়ার বাহিরে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

কেরানীগঞ্জের বিসমিল্লাহ টাওয়ারে ডাকাতি, মামলা হয়নি থানায় অপরাধীরা এখনো অধরা

আপডেট সময় ০৭:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
কেরানীগঞ্জের বিসমিল্লাহ টাওয়ারে ডাকাতি, মামলা হয়নি থানায় অপরাধীরা এখনো অধরা
আলমগীর সেলিমঃ
কেরানীগঞ্জের বিসমিল্লাহ টাওয়ারে ডাকাতি, অপরাধীরা এখনো অধরা মামলা নিতে পুলিশের গড়িমসি ২৪.০৬.২০২৬ইং তারিখ ডাকাতির ঘটনায় এখনো পর্যন্ত দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা গ্রহণ করেনি পুলিশ।
ভোক্তভোগী বাদি রিজিয়া পারভিন ‘ক্রাইম নিউজ মিডিয়া’কে বলেন গতকাল বুধবার তার বাসায় ডাকাতির ঘটনা ঘটলে সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় উপস্থিত হয়ে একটি এজহার লিখে পুলিশকে দেন।
এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত থানায় ডাকাতির ঘটনায় কোন মামলা হয়েছে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
বাদি রিজিয়া পারভিন অভিযোগে উল্লেখ করেন যে,অদ্য বেলা সকাল আনুমানিক সকাল ১০ ঘটিকার সময় আমার বর্তমান ঠিকানায় বিসমিল্লাহ টাওয়ার ২নং ভবন এর ৭ম তলায় আমার বসবাসরত ফ্ল্যাট রুমের গেটে সিটকারি লাগিয়ে একটি লোহার তালা মেরে ঘরের প্রয়োজনীয় পণ্যের কেনাকাটা করতে বাজারে যাই, বাজার হতে প্রায় আনুামনিক সকাল ১১.৩০ ঘটিকার দিকে আমার ফ্ল্যাট বাসায় ফিরে এসে দেখি আমার রুমের দরজার লাগানো তালা নাই। রুম শুধুমাত্র সিটকারি মারা ছিল, আমি সিটকারি খুলে রুমের ভিতরে ডুকে দেখি আমার রুমের মালামাল বিছনাপাতি এলোমেলো। রুমে থাকা দুটি টিভি ফ্ল্যাটের মেঝেতে পড়ে আছে এবং টিভি দুটির ডিসপ্লে ভাঙ্গা| তখন আমি বুঝতে পারি আমার ঘরে অজ্ঞাতনামা ডাকাতদল ডুকেছিল।
এমতাবস্থায় আমি ঘরে খোজাখুজি করতে শুরু করি, খুজে দেখি ডাকাতদের সাথে আনা একটি চাকু আমার বিছানার উপর পড়ে আছে, আমার ঘর থেকে আর্থিক মূল্যবান বেশকিছু মালামাল ডাকাতদলেরা লুটপাট ডাকাতি করে ঘরের তালা ভেঙ্গে প্রায় ৩,৯৯, ১০০/- (তিন লক্ষ নিরানব্বই হাজার একশত) টাকাসহ উল্লেখিত মুল্যের মালামাল ডাকাত সদস্যরা নিয়ে গেছে।
ডাকাতি হওয়া মালামালসমূহ ও মূল্যঃ
১.একটি সেমপনী টার্চ সেট যাহার সিম নং-০১৭৫৩৬৮৩৪৯৬, যার মূল্য-১৮,০০০/- (আঠার হাজার ) টাকা। ২.বিভো টার্চ সেট যাহার সিম নং-০১৭৮৩৪৪৫৫৪৬, যাহার মূল্য-১০,০০০/ (দশ হাজার) টাকা। ৩. লেনোভো বিদেশী টার্চ মোবাইল সেট  যাহার মূল্য-৪০,০০০/- (চল্লিশ হাজার) টাকা। র।৪. ২২ কেরেট ১ভরি ওজনের একটি বিদেশী স্বর্নের পেজ চেইন যাহার বর্তমান- ২,২৮,৫৫৬/- (দুই লক্ষ আটাশ হাজার পাঁচশত ছাপান্ন ) টাক। ৫. নগদ ৫,২০০/-(পচিশ হাজার দুইশত) টাকা। ৬. একটি সিঙ্গার ৬৫ইঞ্চি ফ্লাট টিভি নিতে না পারায় টার্চ ভেঙ্গে ফেলে মূল্য ২৫,০০০/-(পচিশ হাজার) টাকা। ৭. ১টি ৩২ ইঞ্চি ওয়ালটন ফ্লাট টিভি নতে না পারায় টার্চ ভেঙ্গে ফেলে মূল্য ১২,০০০/- (বার হাজার) টাকা। ৮. ১টি গ্যাসভর্তি বোতল         যার মূল্য -২৬০০/- (ছাব্বিশত) টাকা।  ৯.  একটি বেলেন্ডার যার মূল্য-৫০০০/- (পাচ হাজার) টাকা।  ১০.  একটি রাইস কুকার যারমূল্য-৫০০০/- (পাচ হাজার) টাকা।  ১১.  একটি কারেন্ট এরচুলা যার মূল্য – ৬০০০/- (ছয় হাজার)টাকা।
মোট ডাকাতি হওয়া মালামালের বর্তমান বাজার মূল্য – ৩, ৯৯, ১০০/- (তিন লক্ষ নিরানব্বই হাজার একশত) টাকা।
উক্ত মালামাল ডাকাতিকরার সময় ১নং বিবাদীরা দল বেধে সংঘবদ্ধভাবে কেউ মালামাল নামিয়েছে কেউ বিসমিল্লাহ টাওয়ারের একেক জায়গাতে দাড়িয়ে অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে পাহারা দিয়েছে এভাবে দলবেধে এসে আমার ফ্ল্যাটে ডাকাতি করে আমার মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়|
এমতাবস্থায় আমি বিষয়টি আমার ফ্ল্যাটের বাড়িওয়ালা এবং বিসমিল্লাহ টাওয়ারের দুই ভবনের কেয়ারটেকার এবং আশে পাশের ফ্ল্যাট মালিক ও ভাড়াটিয়াদের বিষয়টি জানাইলে অনেকেই ডাকতদলদের মালামাল নিয়ে যেতে দেখেছে।
এছাড়া টাওয়ারের বিভিন্ন সিসি ক্যামেরায় ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় যে, ডাকাত দলেরা ভবনের আশে পাশে বিভিন্ন জায়গাতে পাহারা দিচ্ছে কেউ মালামাল নিয়ে সিড়ি দিয়ে নামছে এমতাবস্থায় বাদী ন্যায় বিচারের প্রার্থনায় থানায় গিয়ে একটি এজহার দায়ের করেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম আগ্রহের সাথে অভিযোগটি গ্রহণ করে একজন সাব-ইনিসেপটর পদস্থ কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।কিন্তু ডাকত সদস্যরা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এর বাসিন্দা।
ভোক্তভোগী রিজিয়া পারভিন ‘ক্রাইম নিউজ মিডিয়া’কে বলেন, আমার মালামাল নিয়ে গেছে ডাকাতরা আমি মামলা করতে থানায় গিয়েছি। ওসি সাহেব আগ্রহরে সাথে আমার এজহার গ্রহণ করে তদন্তের দায়িত্ব দেন একজন সাব-ইনিসেপ্টর তার সাথে মুঠফোনে কথা হলে তিনি তার নাম ক্রাইম নিউজকে বলতে অনীহা প্রকাশ করেন|
ভোক্তভোগী বাদীর কাছ থেকে জানায় যায় যে, অদ্য পর্যন্ত ৩০ঘন্টা পার হয়ে গেলেও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় ডাকাতির মামলা হয়নি।
ডাকাত দলের কিছু সদস্যরা বাদীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে ডাকাতির ঘটনায় থানায় মামলা করলে বাদীর স্বামী আলমগীরকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফালানো হবে| রিজিয়া পারভিন এর পরিবার আতংকের মধ্যে রয়েছে। কখন যেন ডাকাত সদস্যরা তাদের পরিবারের উপর এসে হামলা করে অন্য দিকে বাদীকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এক এস.আই যার নাম জানা যায়নি মামলা না করার জন্য বাদীকে নানাবিধ হুমকি প্রদর্শন করে।
মোকাম পাড়ার স্থানীয় তারেক জিয়ার সৈনিক একজন মানবাধিকার কর্মিী মো: আব্বাস ও মো: রাকিব হোসেন তারা ডাকাতির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ‘ক্রাইম নিউজ মিডিয়া’র প্রতিবেদককে বলেন, এ এলাকায় এরকম ডাকাতির ঘটনা আজকে নতুন না, দিনের পর দিন হর-হামেশা এরকম ঘটনা হয়ে আসছে। এ সকল ডাকাত দলের সদস্যরা এলাকার ডাকাতির মালামাল লুটপাট করে নিয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকার ভাঙ্গারী দোকানগুলোতে বিক্রি করে আর স্বর্ন-অলঙ্গার নিয়ে ডাকাতরা বিক্রির জন্য ছুটে যায় তাতী বাজারে এবং এলাকার বিভিন্ন স্বর্নের দোকানে। তবে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের এ  সকল অপরাধের বিষয়ে মামলা নিতে ধীর গতি ও গরিমসি থাকায়  অনেকে হয়রানি শিকার হয়ে মামলা করা থেকে দুরে থাকে। সিসকে চোর হতে শুরু করে দাগিদোষী বড় বড় অপরাধীরা এ সুযোগে একের পর এক ডাকাতি, নারী ধর্ষন, মাদক ব্যবসা করে কেরানীগঞ্জ এলাকায় একটি অপরাধের স্বর্গরাজ্য  গড়ে তুলেছে। দায়িত্বশীল কিছু পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে মাঝে মধ্যে সিসকে দুই একজন অপরাধীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হলেও রাগববোয়ালরা থাকে ধরাছোয়ার বাহিরে। আইনশৃঙখলা উন্নয়নে প্রশাসনে ধীরগতি থাকায় পাল্লা দিয়ে অপরাধীরা তাদের অপরাধ কর্ম দিন দিন করেই যাচ্ছে।
প্রকাশ্যে থাকা অপরাধীদের সাথে থাকা ঢাকা জেলার আইনশৃঙখলা বাহিনীর ডিবি, র‌্যাব সদস্য, অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের সুসম্পর্ক থাকায় হাজার অপরাধ করেও তারা থেকে যাচ্ছে ধরা ছোয়ার বাহিরে।