ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

কিশোরগঞ্জে ছেলের ফাঁসি, বাবা-মায়ের যাবজ্জীবন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:১১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • ৪১৭ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে কৃষক ছিদ্দিক মিয়া হত্যা মামলায় জুয়েল মিয়া (২৭) নামে একজনের মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) সকালে কিশোরগঞ্জের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আ. রহিমএ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে দুই লাখ ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জুয়েল বাজিতপুর উপজেলার হিলোচিয়া বড়মাইপাড়া গ্রামের জজ মিয়ার ছেলে।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, একই গ্রামের মো. জজ মিয়া (৫২), তার ছেলে মো. কাকন মিয়া (২৯), জজ মিয়ার স্ত্রী মোছা. রহিমা খাতুন, জয়নাল আবেদিনের ছেলে মো. মাহবুব হাসান রঞ্জু ও মজলু মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৩৫)। এদের মধ্যে মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. কাকন মিয়া পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার হিলোচিয়া ইউনিয়নের বরমাইপাড়া গ্রামের মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে কৃষক মো. সিদ্দিক মিয়ার সাথে একই এলাকার আসামিদের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। ২০১৬ সালের ২২ জানুয়ারি বিকেলে আসামিরা লোহার রড ও শাবল দিয়ে পিটিয়ে ছিদ্দিক মিয়াকে গুরুতর আহত করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে পরদিন ৬ জনকে আসামি করে বাজিতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৩০ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাজিতপুর থানার এসআই মো. নজরুল ইসলাম। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। তবে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জে ছেলের ফাঁসি, বাবা-মায়ের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০১:১১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে কৃষক ছিদ্দিক মিয়া হত্যা মামলায় জুয়েল মিয়া (২৭) নামে একজনের মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) সকালে কিশোরগঞ্জের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আ. রহিমএ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে দুই লাখ ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জুয়েল বাজিতপুর উপজেলার হিলোচিয়া বড়মাইপাড়া গ্রামের জজ মিয়ার ছেলে।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, একই গ্রামের মো. জজ মিয়া (৫২), তার ছেলে মো. কাকন মিয়া (২৯), জজ মিয়ার স্ত্রী মোছা. রহিমা খাতুন, জয়নাল আবেদিনের ছেলে মো. মাহবুব হাসান রঞ্জু ও মজলু মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৩৫)। এদের মধ্যে মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. কাকন মিয়া পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার হিলোচিয়া ইউনিয়নের বরমাইপাড়া গ্রামের মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে কৃষক মো. সিদ্দিক মিয়ার সাথে একই এলাকার আসামিদের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। ২০১৬ সালের ২২ জানুয়ারি বিকেলে আসামিরা লোহার রড ও শাবল দিয়ে পিটিয়ে ছিদ্দিক মিয়াকে গুরুতর আহত করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে পরদিন ৬ জনকে আসামি করে বাজিতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৩০ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাজিতপুর থানার এসআই মো. নজরুল ইসলাম। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। তবে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা।