সিএনএমঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের গোয়ালনগর গ্রামে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছিল। আহতদেরকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সকালে গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে বিএনপির সমর্থক, রহিম তালুকদার পক্ষ জিয়াউর রহমানকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন। এ ঘটনায় জিয়াউর রহমান একই গ্রামের কাসেম মিয়ার পক্ষের শিশু মিয়াকে সন্দেহ করে প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে ওঠেন। বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল।
এর জের ধরে গত কয়েকদিন আগেও দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়ায়। একই ঘটনায় আজ মঙ্গলবার সকালে ফের রহিমের পক্ষ ও কাসেমের পক্ষের লোকজন টেঁটা-বল্লম নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে আক্তার মিয়া ও হাবিব মিয়া মারা যান। আহত হন উভয়পক্ষের অন্তত ৪০ জন।
নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে দুইজন চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ বলেন, পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে।