ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীনের ওপর ‘পুলিশি হামলার’ প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:০২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬১ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীনের ওপর ‘পুলিশি হামলার’ প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।

তিন দফা দাবিতে এ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ সংক্রান্ত এক বার্তায় বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীন-এর ওপর বর্বর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে নিপীড়নের বিরুদ্ধে নৃবিজ্ঞান।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে-
১. ডিসি মাসুদসহ হামলায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।

২. ক্যাম্পাস এরিয়ার ভেতরে ও বাইরে সকল প্রকার অযাচিত পুলিশিং বন্ধ করতে হবে।

৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর সার্বক্ষনিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীনের ওপর ‘পুলিশি হামলার’ প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা

আপডেট সময় ০৩:০২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিএনএমঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীনের ওপর ‘পুলিশি হামলার’ প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।

তিন দফা দাবিতে এ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ সংক্রান্ত এক বার্তায় বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীন-এর ওপর বর্বর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে নিপীড়নের বিরুদ্ধে নৃবিজ্ঞান।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে-
১. ডিসি মাসুদসহ হামলায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।

২. ক্যাম্পাস এরিয়ার ভেতরে ও বাইরে সকল প্রকার অযাচিত পুলিশিং বন্ধ করতে হবে।

৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর সার্বক্ষনিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।