ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যার ঘটনায় সেনাবাহিনীর হাতে আটক ৬

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় অভিযান চালানোর সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন মৃত্যুর ঘটনায় ৬ জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আটকরা সরাসরি এই হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

আটকরা হলেন মো. বাবুল প্রকাশ (৪৪), মো. হেলাল উদ্দিন (৩৪), মো. আনোয়ার হাকিম (২৮), মো. আরিফ উল্লাহ (২৫), মো. জিয়াবুল করিম (৪৫) এবং মো. হোসেন (৩৯)। আটকদের মধ্যে বাবুল প্রকাশ এই ঘটনার মূল অর্থ যোগানদাতা।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞতিতে এ তথ্য জানায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনার সময় গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) শহীদ হন।

ওই এলাকায় চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৬ জনকে আটক করা হয়। আটক সন্ত্রাসীদের থেকে দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, বিভিন্ন ধরনের ১১ রাউন্ড গুলি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি, একটি পিকআপ এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটকদের মধ্যে ৪ জন প্রত্যক্ষভাবে সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল এবং অবশিষ্ট দুইজন তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে।

আটকদের মধ্যে বাবুল প্রকাশ এই ঘটনার মূল অর্থ যোগানদাতা। এছাড়াও সে লেফটেন্যান্ট তানজিমকে প্রাণঘাতী ছুরিকাঘাত করে বলে প্রাথমিক স্বীকারোক্তি প্রদান করে।

অন্যান্য আটকদের মধ্যে ডাকাত দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড মো. হেলাল উদ্দিন, গাড়ি চালক মো. আনোয়ার হাকিম, সশস্ত্র সদস্য মো. আরিফ উল্লাহ এবং তথ্য দাতা মো. জিয়াবুল করিম ও মো. হোসেন এই ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। ডাকাত দলের অন্যান্য জড়িত সদস্যদের গ্রেপ্তারের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আটক ৬ জনকে চকরিয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে এবং সেনাসদস্য বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যার ঘটনায় সেনাবাহিনীর হাতে আটক ৬

আপডেট সময় ১০:৪৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

সিএনএমঃ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় অভিযান চালানোর সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন মৃত্যুর ঘটনায় ৬ জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আটকরা সরাসরি এই হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

আটকরা হলেন মো. বাবুল প্রকাশ (৪৪), মো. হেলাল উদ্দিন (৩৪), মো. আনোয়ার হাকিম (২৮), মো. আরিফ উল্লাহ (২৫), মো. জিয়াবুল করিম (৪৫) এবং মো. হোসেন (৩৯)। আটকদের মধ্যে বাবুল প্রকাশ এই ঘটনার মূল অর্থ যোগানদাতা।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞতিতে এ তথ্য জানায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনার সময় গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) শহীদ হন।

ওই এলাকায় চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৬ জনকে আটক করা হয়। আটক সন্ত্রাসীদের থেকে দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, বিভিন্ন ধরনের ১১ রাউন্ড গুলি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি, একটি পিকআপ এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটকদের মধ্যে ৪ জন প্রত্যক্ষভাবে সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল এবং অবশিষ্ট দুইজন তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে।

আটকদের মধ্যে বাবুল প্রকাশ এই ঘটনার মূল অর্থ যোগানদাতা। এছাড়াও সে লেফটেন্যান্ট তানজিমকে প্রাণঘাতী ছুরিকাঘাত করে বলে প্রাথমিক স্বীকারোক্তি প্রদান করে।

অন্যান্য আটকদের মধ্যে ডাকাত দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড মো. হেলাল উদ্দিন, গাড়ি চালক মো. আনোয়ার হাকিম, সশস্ত্র সদস্য মো. আরিফ উল্লাহ এবং তথ্য দাতা মো. জিয়াবুল করিম ও মো. হোসেন এই ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। ডাকাত দলের অন্যান্য জড়িত সদস্যদের গ্রেপ্তারের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আটক ৬ জনকে চকরিয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে এবং সেনাসদস্য বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।