1. hrhfbd01977993@gmail.com : admi2017 :
  2. editorr@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
  3. editor@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫
সংবাদ শিরোনাম ::
থাইল্যান্ডে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা আসামী প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুজে পায় না যুদ্ধ ব্যয়ের অর্থ জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় ব্যবহার হলে বিশ্ব রক্ষা পেত: প্রধানমন্ত্রী আসামী প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুজে পায় না তাকে আরআরএফের সভাপতি হাবিবুল্লাহ মিজান, সম্পাদক নিশাত বিজয় দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছতার সাথে সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাই হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৪ এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু চিরন্তন সত্য — জিএম জামাল

কখনো ডিবি পুলিশের এস আই আবার ডিবির ক্যাশিয়ার, সাজ্জাদের পরিচয় পাওয়া গেল নারী ব্যবসায়ী মানব পাচারকারী হিসেবে

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৩, ২.১৮ পিএম
  • ২৮৬ বার পড়া হয়েছে
কে এই সাজ্জাদ
কখনো ডিবি পুলিশের এস আই আবার ডিবির ক্যাশিয়ার,
সাজ্জাদের পরিচয় পাওয়া গেল নারী ব্যবসায়ী মানব পাচারকারী হিসেবে।

ষ্টাফ রির্পোটার :

মাঝে মধ্যেই শোনা যায় কেউ না কেউ ভুয়া ডিবি পুলিশের খপ্পরে পরে সর্বশান্ত হয়েছে। ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার অনুসন্ধানে খেঁাজ মিলল এক ভুয়া ডিবি পুলিশের। যাত্রাবাড়ি থানাধীন মাতুয়াইল এলাকার মৃত জাহাঙ্গীরের ছেলে সাজ্জাদ সে নিজেকে দীর্ঘদিন ধরে কোথাও ডিবির এস আই আবার কোথাও ডিবির ক্যাশিয়ার পরিচয় দিয়ে আসছে। আসলে সে একজন মানব পাচারকারী তার বিরুদ্ধে এমন অসংখ্য অভিযোগ ও মামলা রয়েছে। সাজ্জাদের বিরুদ্ধে এক নারীর অভিযোগ হতে জানা যায় এবং নারীর অভিযোগটি হুবহু তুলে ধরা হলো (ছদ্দনাম—রুনা) ঐ নারী তার বিরুদ্ধে পুলিশের বিভিন্ন দপ্তরে গত ০৬/০৩/২০২৩ইং তারিখে অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে তিনি বলেন —
আমি গণ ধর্ষণের স্বীকার হই আসামীরা প্রভাবশালী হওয়ায় আমাকে ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত করার লক্ষ্যে বহু ষড়যন্ত্র করে আসছে। পিবিআই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে পাঠানোর আগেই আসামীরা মামলার সত্য ঘটনাকে আড়াল করার লক্ষ্যে তদন্ত ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করতে বিভিন্ন মিডিয়াই মিথ্যা ও বানোয়াট অপসংবাদ প্রচার করে আসছে।
এমতাবস্থায় আমি নিরুপায় হয়ে আমার বিগত দিনের ঘটে যাওয়া সকল ঘটনা উল্লেখ করে গত ইংরেজি ১৬/০২/২০২৩ইং তারিখ মাননীয় স্বরাষ্ট্র সচিব, মহাপুলিশ পরিদর্শক, এসএল নং—১০৬, ডিএমপি পুলিশ কমিশনার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করি তাহার বিষয়ে কোন আইনানুগ প্রতিকারের ব্যবস্থা না হওয়ায় উল্টো অভিযোগের বিষয়ে তাহা কোন ভাবে বাপ্পি গংরা জানতে পেরে মামলার আসামী বাপ্পি গংরা আমার ক্ষতি সাধনের জন্য নানা ভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছে এর মধ্যে গত ইংরেজি ১০/০২/২০২৩ আমার ব্যবহৃত ০১৩২০—৫৭৭৪৬৪ মোবাইল নাম্বারে বাপ্পির নাম্বার—০১৫৩৭—১৬৪৮৭৯ হতে একটি এসএমএস পাঠায় তাতে লেখা এবার তোর খবর আছে এ ধরনের হুমকি দেয়।
প্রতিদিনের ন্যায় আমি রান্না শেখার সার্টিফিকেট অর্জনের জন্য রমনা থানাধীন বেইলি রোডে জাতীয় মহিলা সংস্থায় যাই। হঠাৎ আমাদের বাসা হতে গত ০৬/০৩/২০২৩ইং তারিখ আনুমানিক বিকাল ৫ ঘটিকায় আমার বোন মণি আমার নাম্বারে ফোন করে যে বাসার নিচে বাপ্পিদের লোকজন এসে নিজেদের বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে আমাকে খুঁজতেছে। এমন সংবাদের আমি জাতীয় মহিলা সংস্থা হতে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে আসি। এমতাবস্থায় আমি খিলগাঁও ফাঁড়ির সম্মুখে এনে বাপ্পির সাথে আমার দেখা হয়। তখন বাপ্পির কাছে জানতে চাই বাসায় লোকজন পাঠানোর কারণ কি? বাপ্পির সাথে আরো দুইজন লোক যাদের দেখলে চিনব তখন তারা আমাকে কৌশল খাটিয়ে জুরাইন এলাকায় নিয়ে যায়। এর মধ্যে দেখি বাপ্পির পুরাতন নাম্বার হতে আমার মোবাইলে ফোন তখন বাপ্পিকে জানাইলে সে বলে ভুলে ফোন এলাকায় ফেলে এসেছে আমি তার কথা বিশ^াস করি। তখন আমার হাত হতে আমার ব্যবহৃত ফোনটি নিয়ে বন্ধ করে দেয়।
এক পর্যায়ে সেখান হতে বাপ্পি আমাকে যাত্রাবাড়ি থানাধীন ৮২/এ, ইউনুস সুপার মার্কেটের সামনে নিয়ে যায়। সেখানে যাওয়ার পর ওয়ারলেস হাতে একজন লোক এসে আমার সামনে এসে দাঁড়ায় এবং সে নিজেকে ঢাকা ডিএমপির ডিবি অফিসার বলিয়া জানায় এবং সে বাপ্পির বন্ধু পরিচয় দেয়। তার নাম সাজ্জাদ  সে আমাকে তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা স্যারের কাছে নেওয়ার কথা বলে তাহারা আমাকে ৮২/এ, ইউনুস সুপার মার্কেট এর ৪র্থ তলায় নিউ পপুলার আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। উক্ত হোটেলে নেওয়ার পর দেখতে পাই সেখানে আমার মামলার আসামী আলেয়া, জাভেল হোসেন পাপন, সাইফুল ও বাপ্পির অন্যান্য বন্ধু জামাল, ছাইদুল, আরো অনেকে তাদের সহযোগী উক্ত হোটেলের স্টাফ বলিয়া তারা জানায়। তখন আমি সাজ্জাদকে বলি আপনার বড় স্যার কই? এর মধ্যে সাজ্জাদ বলে, জাভেল হোসেন পাপন কাকায় নিচ হতে আমাকে আনতে পাঠাইছে।
আর আমি ডিবি উত্তর ডিভিশনের ডিবির এস আই এবং ডিবির ক্যাশিয়ার ঢাকা শহরের বিভিন্ন ক্রাইম স্পট এর জায়গা হতে টাকা তুলি ডিবির ক্যাশ কালেকশন করি। এরপর আমাকে তাহারা নানা ধরণের ভয়—ভীতি দেখায় এবং বলে আমাকে এখানে আটক করা হইছে। আমি উক্ত পপুলার হোটেলের মালিক পাপন ও বাপ্পি গং দের নামে মামলা সহ বিভিন্ন অভিযোগ ও মিডিয়ার দেওয়া বক্তব্য তাহা যেন প্রত্যাহার করে নেই। তখন আমি প্রতিবাদ মুখী হয়ে বলি কোন কিছুই প্রত্যাহার করব না। এক পর্যায়ে সেখানে থাকা জামাল, সাইদুল, সেলিম, হোল্ডিং মালিক খলিল, তাহারা আমাকে হোটেলের বিভিন্ন কক্ষ ঘুরিয়ে ঐ হোটেলের বিভিন্ন রুমে থাকা প্রায় ৬০ হতে ৭০ জন নারী, শিশু, কিশোরী, যুবতী মেয়ে মানুষ দেখিয়ে বলে এই হোটেলটি একটি বেসরকারি মিনি পতিতালয়।
তারা উক্ত হোটেলের মালিক। এরপর দুই তিনটি রুমের তালা খুলে দেখায় রুমের ভিতরে ৬—৭ জন বাচ্চা মেয়ে। তাদের দ্বারা নতুন কালেকশন করেছে বলে জানায়। ওদের দেহ ব্যবসা করার জন্য নামানো হবে এবং বিভিন্ন রুম হতে মেয়েদের কান্নার আওয়াজ শুনিয়ে বলে আমি যদি তাদের কথা না শুনি তাহলে তাদের বিদেশী এজেন্টদের কাছে আমাকে সেখানে পতিতা কর্মজীবী বানিয়ে পাঁচার করে দেওয়া হবে। আর ধর্ষণ মামলার ভিক্টিম যদি পতিতা হয় তাহলে তাদের দেওয়া দায়ের করা মামলা ও অভিযোগ এভাবেই শেষ হয়ে যাবে। এর পর আমাকে বাপ্পি, সাজ্জাদ, আলেয়া, সহ সবাই মিলে চর থাপ্পর, কিল, ঘুষি সহ ব্যাপক মারধর করে ও কেউ কেউ ধর্ষণের চেষ্টাও করে।
এমতাবস্থায় আমি গলা ফাটিয়ে বলি আমি তোমাদের বিরুদ্ধে আবারো অভিযোগ করব তখন তাহারা বলে যে তাদের বিরুদ্ধে পূর্বে অনেকে নিউ পপুলার হোটেলের পতিতা ব্যবসা পাঁচার মেয়েদের আটক জিম্মি দশা হতে মেয়েদের মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার জন্য আইজিপি, পুলিশ কমিশনার সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছিল এমন কিছু অভিযোগের কাগজপত্র আমাকে দিয়ে বলে এ হোটেলের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ করেও কোন লাভ নাই। কেননা আইন শৃঙ্খলাবাহিনী সর্বত্র ম্যানেজ করে এই পতিতা ব্যবসাটি চলে। এক পর্যায়ে বাপ্পি আমাকে একটি বাটন সেটের মাধ্যমে অজ্ঞাত নামা নাম্বারে আমার মামলার আসামী হাতির ঝিল থানার ওসি রশিদের সাথে কথা বলায় ও ঐখান হতে রশিদ পরিচয়দানকারী বলে, ওদের কথা শোন তোমার ভাল হবে নয়ত ঐ পতিতালয়েই তোমার মরতে হবে।
এরপর জাভেল হোসেন পাপনের বড় ভাই জাবেদ হোসেন মিঠু, সাইফুল কে সহ আলাদা আলাদা ভাবে ফোনে কথা বলায় সবাই একই কথা বলে এবং বিভিন্ন হুমকি ে দয় এবং বাপ্পি বলে আমার দ্বিতীয় মামলা ধর্ষণের যে আলামত আমার কাছে সংরক্ষিত আছে তাহা আমি যেন তাদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করি। আমি রাজি না হলে তারা আমাকে আবারও বেধরক ভাবে মারপিট করে নানা ভাবে হুমকি দেয় এবং উক্ত হোটেলে আসা বিভিন্ন খদ্দেরদের দেখিয়ে বলে আমিও নাকি খারাপ মেয়ে আজকে আমাকে বাজারে উঠাইছে। এ বলে সেখানকার নারী পুরুষ দালাল  ও খদ্দের প্রায় ৮০ হতে ৯০ জনের সাথে থাকা মোবাইল ক্যামেরায় আমার ছবি তোলায় এমন অবস্থা দেখে আমি তাদের কাছে নত হয়ে তাদের কথা মতো বিভিন্ন ব্লাঙ্ক স্ট্যাম্প ও সাদা কাগজে স্বাক্ষর করি।
এক পর্যায়ে আমাকে নানা শর্ত দিয়ে সেখান হতে আমাকে মুক্তি দেয়। মুক্তি পাওয়ার পর আমি অসুস্থ বোধ করায় মিটফোর্ট হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেই। এক পর্যায়ে গত ০৮/০৩/২০২৩ইং তারিখে বিকাল ৪ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ি থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসারকে অভিযোগ দিলে পুলিশ আমাকে আদালতে গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দেয়। পরবর্তীতে আমি আদালতে গিয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করি। একটি মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইন ধারা ৭/৮/১১/১২/১৩ অন্যটি সি আর মামলা ধারা ৩৪১/৩৬৫/৩৪২/৩২৫/৩৫৪/৪৯৩/৫০৬/১০৯ প্যানাল কোর্ট খোঁজ নিয়ে জানা যায় সাজ্জাদ ডিবির ক্যাশিয়ার পরিচয় দেওয়াতে তার বিরুদ্ধে পুলিশের আইজিপি সদর দপ্তরে অভিযোগ জমা পড়েছে। স্মারক নং—৫৭৯, তারিখঃ ৩০/০৬/২০২২ইং এছাড়াও যাত্রাবাড়ি থানায় এছাড়া যাত্রাবাড়ি থানায় র‌্যাব—১০ এর দেওয়া একাধিক মানব পাচার আইনে মামলা হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা জেলা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ও ডিএমপির শ্যামপুর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

জাতীয় ঈদগাহে সুষ্ঠুভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত করার লক্ষে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। এছাড়াও রাজধানীর প্রতিটি ঈদ জামাতকে ঘিরে আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ডিএমপি কমিশনার। ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীর প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। জাতীয় ঈদগাহে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধান বিচারপতি, মাননীয় বিচারপতিবৃন্দ, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবর্গ, ঢাকাস্থ মুসলিম দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঈদ জামাত আদায় করবেন। প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একত্রে এই ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করতে পারবেন। গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, ঈদের প্রধান জামাতসহ রাজধানীর সকল মসজিদ ও ইদগাহে ঈদের জামাতকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদগাহ ও আশপাশ এলাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এর ইকুইপমেন্ট ও ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করানো হবে। পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়াও ড্রোন পেট্রোলিং ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে জাতীয় ঈদগাহের চারপাশে বহির্বেষ্টনী ও আন্ত:বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে। প্রবেশ গেটে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশ, এসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা সিভিল পোশাকে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোয়াট টিম, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে। এছাড়াও দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিস ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবায় মেডিকেল টিম নিয়োজিত থাকবে। তিনি বলেন, প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে দশটি স্থানে পার্কিং ব্যবস্থা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক রমনা বিভাগ। ঈদ জামাত ঘিরে আটটি রাস্তা ডাইভারসন দেওয়া হবে, যাতে কোনোরকমের হয়রানি ছাড়া মুসল্লিরা আসতে পারেন। নারীদের জন্য নামাজের পৃথক ব্যবস্থা থাকবে, তাদেরকে নারী পুলিশ সদস্যরা তল্লাশি করবেন। তিনি আরো বলেন, এবার ঢাকায় ১৮৪টি ঈদগাহে ও ১ হাজার ৪৮৮ টি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেকটি ঈদ জামাতের জন্য আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। একটি জামাতও নিরাপত্তা বলয়ের বাইরে থাকবে না। নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা ঈদের নামাজে অংশ নিতে আসবেন তারা আমাদের তল্লাশি কার্যক্রমে সাহায্য করবেন। কেউ দাহ্য বা ধারালো বস্তু নিয়ে আসবেন না। যে কোনো সমস্যা হলে পুলিশকে জানান। জামাত থেকে বের হওয়ার সময় ধৈর্যের সঙ্গে সুশৃঙ্খলভাবে বের হবেন। সাংবাদিকদেরে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকায় পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) কোনো তৎপরতার তথ্য নেই। পাশাপাশাপি কোন ধরনের জঙ্গি তৎপরতার তথ্যও নেই। তারপরও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সকল বিষয় বিবেচনায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বাস মালিক সমিতিসহ সকল স্টেকহোল্ডারদের আমাদের বৈঠক হয়েছে। তারা আমাদের নির্ধারিত ভাড়া আদায়েরর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাজধানীর সকল যাত্রীবাহী বাস কাউন্টার ও স্টেশনগুলোতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তৎপর রয়েছে। কোন ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খঃ মহিদ উদ্দিন বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মহাঃ আশরাফুজ্জামান বিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মুনিবুর রহমান বিপিএম-সেবা; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম (বার); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম (বার), পিপিএম (বার); যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণসহ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

themesbazar_crimenew87
© All rights reserved © 2015-2021
Site Customized Crimenewsmedia24.Com