1. hrhfbd01977993@gmail.com : admi2017 :
  2. editorr@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
  3. editor@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২, ০৪:০৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫
সংবাদ শিরোনাম ::
নিজ নিজ এলাকার উন্নয়নে সবাইকে অবদান রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করেন না: কাদের ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনেই গণসমাবেশ করবে বিএনপি অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রতিটি সেক্টরে নারীদের সম্পৃক্ত করতে হবে : স্পিকার জঙ্গিবাদের বিশ্বস্ত ঠিকানা বিএনপি : ওবায়দুল কাদের সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫০টি শিল্প ইউনিট উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইনশাল্লাহ আগামী মাস থেকে বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভোগান্তি হবে না : প্রধানমন্ত্রী ঘুমের মধ্যে হঠাৎ পায়ের রগে টান ধরলে যা করবেন সমাজ থেকে অন্ধকার, অশিক্ষা, বিভেদ, সহিংসতা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করি

জেলা পরিষদে প্রশাসক পদে বসছেন আমলারাই!

  • আপডেট সময় বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০২২, ১০.৫৯ এএম
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে
পাঁচ বছরের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় দেশের তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া দেশের ৬১টি জেলা পরিষদ ভেঙে দেওয়ার পর এখন প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনকে জেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের ভোটার তালিকা তৈরি করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান আইনে সরকারি কর্মকর্তা অথবা রাজনীতিবিদ উভয়কেই প্রশাসক হিসেবে নিয়োগের সুযোগ থাকলেও সরকারি কর্মকর্তাদেরই প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এলজিআরডি মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো দেশের ৬১টি জেলা পরিষদ নির্বাচন হয়। ওই নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যানরা প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারি শপথ নেন। জেলা পরিষদগুলোর প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালের ২৩ জানুয়ারি। তাই ২০২২ সালের ৫ বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে জেলা পরিষদের। মেয়াদ শেষ হলে গত ৬ এপ্রিল জাতীয় সংসদে জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের বিধান যুক্ত করে ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল-২০২২’ পাস হয়। বিদ্যমান আইনে বলা হয়েছে, কোনো জেলা পরিষদের মেয়াদোত্তীর্ণ হলে এবং পরবর্তী পরিষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত পরিষদের কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সরকার একজন উপযুক্ত ব্যক্তিকে বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোনো কর্মকর্তাকে প্রশাসক নিয়োগ করতে পারবে। তবে প্রশাসকের মেয়াদ ১৮০ দিনের বেশি হবে না। একই সঙ্গে একাধিকবার কেউ প্রশাসক থাকতে পারবেন না। এই আইনের আলোকে গত রোববার ৬১টি জেলা পরিষদ বিলুপ্ত করে পরিষদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা পরিচালনার জন্য প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। তবে সরকারি কর্মকর্তা নাকি রাজনীতিবিদের প্রশাসক পদে বসানো হবে সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি যেহেতু রাজনৈতিক, তাই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী। তবে সরকারি কর্মকর্তারা চাইছেন প্রশাসক হিসেবে যেন তাদেরই দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেভাবেই প্রস্তুতি চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, জেলার অন্তর্গত সিটি করপোরেশনের (যদি থাকে) মেয়র ও কাউন্সিলররা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানরা, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা জেলা পরিষদের ভোটার। স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকদের জেলা পরিষদের ভোটার তালিকা প্রণয়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকেও নির্বাচনের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ঈদের পর নির্বাচনি প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।
এলজিআরডি মন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন আইনের আলোকে এক সপ্তাহের মধ্যে জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। করোনার কারণে নির্বাচন কমিশন এতদিন নির্বাচন আয়োজন করতে পারেনি। জেলা পরিষদের ভোটার হলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বার এবং পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর। ইউনিয়ন ও পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়ায় জেলা পরিষদের নির্বাচনও আটকে ছিল।
আমলারা নাকি রাজনীতিবিদরা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাবেন জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি যেভাবে সিদ্ধান্ত দেবেন সেভাবেই প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হবে।
এদিকে জেলা পরিষদ বিলুপ্ত করে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজন ও রাজনীতিকরা। তারা বলছেন, যেহেতু এখন করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক, তাই এভাবে পরিষদ বিলুপ্ত না করে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করা উচিত ছিল।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে প্রশাসক নিয়োগ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সাংবিধানিক নির্দেশনা হলো গণতন্ত্র। আর গণতন্ত্র মানেই সর্বত্র জনপ্রতিনিধিদের শাসন। জনপ্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে আমলাদের ওপর দায়িত্ব দেওয়া গণতন্ত্রের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তাদের মেয়াদ শেষের আগেই নির্বাচনের ব্যবস্থা করা উচিত ছিল। এসব কারণে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্ব হারাচ্ছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের কার্যপরিধি কী হবে, তাদের পদমর্যাদা কী, তারা কী ভূমিকা পালন করবেন তা নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে। এটা দূর করলে জেলা পরিষদ গতিশীল হবে।
জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, একজন অনির্বাচিত প্রশাসক নিয়োগের বিধান সংবিধানের মূল চেতনাবিরোধী। এটা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হয়। যথাসময়ে নির্বাচন দিলে আর অনির্বাচিত প্রতিনিধিকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। নির্বাচন সময়মতো করলেই হয়। তাই সরকারের উচিত প্রশাসক নিয়োগ না দিয়ে যথাসময়ে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের পদমর্যাদা ঠিক করে দেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, সংবিধানের ১১ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে।’ তাই সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রতিনিধি ছাড়া একদিনও কাউকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বে রাখা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, সরকার গণতন্ত্রের প্রতি সম্মান জানাতে সবসময় জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্ব দেয়। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করছে। তবে অনেক সময় দেখা যায়, স্থানীয় সরকারে মেয়াদ শেষ করার পর কেউ কেউ একটা মামলা করেন। ২০ বছর ধরে বসে থাকেন। সেটা যাতে না হয়, সেজন্য প্রশাসক নিয়োগের বিধান কার্যকর করা হয়েছে। এটা থাকলে কারও মামলা করার ইনটেনশন হবে না।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazar_crimenew87
© All rights reserved © 2015-2021
Site Customized Crimenewsmedia24.Com