ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখে শিশুকে হত্যার পর ফের ধর্ষণ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ এপ্রিল ২০২২
  • ২৩৮ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর চাটখিলে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখে হত্যা করে ফের ধর্ষণ করা হয় বলে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি শাহাদাত হোসেন।

রোববার (০৩ এপ্রিল) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

জবানবন্দি দেওয়ার বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গিয়াস উদ্দিন। তিনি বলেন, জবানবন্দিতে আসামি স্বীকার করেন, পাঁচ বছরের ওই শিশুকে ধর্ষণের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তিনি। হত্যার পরও শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর পাশের বাড়ির শৌচাগারের সেপটিক ট্যাংকে লাশ লুকিয়ে রাখা হয়। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে শাহাদাতকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নোয়াখালীর চাটখিলে নিখোঁজের ৯ দিন পর উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির একটি শৌচাগারের সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. শাহাদাত হোসেনকে আটক করে চাটখিল থানা পুলিশ।

নিহত শিশুর বাবা  বলেন, আমার মেয়ের হত্যাকারী শাহাদাতের ফাঁসি চাই। যে যেন কোনোভাবেই ছাড়া না পায়। সে ছাড়া পেলে আরও এমন ঘটনা ঘটাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখে শিশুকে হত্যার পর ফের ধর্ষণ

আপডেট সময় ১০:০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ এপ্রিল ২০২২

নোয়াখালীর চাটখিলে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখে হত্যা করে ফের ধর্ষণ করা হয় বলে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি শাহাদাত হোসেন।

রোববার (০৩ এপ্রিল) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

জবানবন্দি দেওয়ার বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গিয়াস উদ্দিন। তিনি বলেন, জবানবন্দিতে আসামি স্বীকার করেন, পাঁচ বছরের ওই শিশুকে ধর্ষণের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তিনি। হত্যার পরও শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর পাশের বাড়ির শৌচাগারের সেপটিক ট্যাংকে লাশ লুকিয়ে রাখা হয়। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে শাহাদাতকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নোয়াখালীর চাটখিলে নিখোঁজের ৯ দিন পর উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির একটি শৌচাগারের সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. শাহাদাত হোসেনকে আটক করে চাটখিল থানা পুলিশ।

নিহত শিশুর বাবা  বলেন, আমার মেয়ের হত্যাকারী শাহাদাতের ফাঁসি চাই। যে যেন কোনোভাবেই ছাড়া না পায়। সে ছাড়া পেলে আরও এমন ঘটনা ঘটাবে।