ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রেণিকক্ষ থেকে বারান্দায় এনে শিক্ষককে চড় মারার অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:৪২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ এপ্রিল ২০২২
  • ২১৩ বার পড়া হয়েছে

পাবনার ঈশ্বরদীতে এক সহকারী শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষ থেকে শার্টের কলার ধরে বারান্দায় এনে প্রকাশ্যে চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে এক অভিভাবকের বিরুদ্ধে।

শনিবার (২ এপ্রিল) শহরের মশুরিয়াপাড়ার গোলাম হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্কুলের শিক্ষকরা জরুরি সভায় বসেন। সেখানে অভিযুক্ত অভিভাবকের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত হয়। বিকেলে এ নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেন তারা।

প্রধান শিক্ষক বলেন, বিষয়টি আমরা তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানিয়েছি।

এদিকে শিক্ষককে চড় মারার খবরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে দুপুরে ঈশ্বরদী উপজেলা সহকারী প্রাথমিক অফিসার গোলাম মোস্তফা ও পুলিশ এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম মোস্তফা বলেন, যতদূর জানতে পেরেছি, কোন শিক্ষক নাকি ওই অভিভাবকের প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রকে মেরেছে। বিষয়টি ওই অভিভাবক স্পষ্টভাবে কাউকে বলতে পারেননি। তবে শিক্ষক হামিদুর রহমান প্রথম শ্রেণির ক্লাসে ছিলেন না। তিনি দ্বিতীয় শ্রেণিতে ছিলেন। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে।

এদিকে অভিযুক্ত অভিভাবক মাসুম হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, বিদ্যালয় থেকে একটি এজাহার জমা দেওয়া হয়েছে। এতে মাসুম নামে একজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রেণিকক্ষ থেকে বারান্দায় এনে শিক্ষককে চড় মারার অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:৪২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ এপ্রিল ২০২২

পাবনার ঈশ্বরদীতে এক সহকারী শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষ থেকে শার্টের কলার ধরে বারান্দায় এনে প্রকাশ্যে চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে এক অভিভাবকের বিরুদ্ধে।

শনিবার (২ এপ্রিল) শহরের মশুরিয়াপাড়ার গোলাম হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্কুলের শিক্ষকরা জরুরি সভায় বসেন। সেখানে অভিযুক্ত অভিভাবকের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত হয়। বিকেলে এ নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেন তারা।

প্রধান শিক্ষক বলেন, বিষয়টি আমরা তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানিয়েছি।

এদিকে শিক্ষককে চড় মারার খবরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে দুপুরে ঈশ্বরদী উপজেলা সহকারী প্রাথমিক অফিসার গোলাম মোস্তফা ও পুলিশ এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম মোস্তফা বলেন, যতদূর জানতে পেরেছি, কোন শিক্ষক নাকি ওই অভিভাবকের প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রকে মেরেছে। বিষয়টি ওই অভিভাবক স্পষ্টভাবে কাউকে বলতে পারেননি। তবে শিক্ষক হামিদুর রহমান প্রথম শ্রেণির ক্লাসে ছিলেন না। তিনি দ্বিতীয় শ্রেণিতে ছিলেন। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে।

এদিকে অভিযুক্ত অভিভাবক মাসুম হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, বিদ্যালয় থেকে একটি এজাহার জমা দেওয়া হয়েছে। এতে মাসুম নামে একজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।