ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বাংলাদেশ মুক্তি পেয়েছে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০২:২৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ ২০২২
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি চালু ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সে অবস্থা থেকে বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের নবনির্মিত ১২তলা ভবন ‘বিজয়-৭১’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা যারা আপনজন হারিয়েছিলাম, আমাদের কোনো অধিকার ছিল না বিচার চাওয়ার। এমনকি আমি বাংলাদেশে ফিরে এসে মামলা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু মামলা করতে দেওয়া হয়নি। কারণ ইন্ডেমনিটি (দায়মুক্তি) দেওয়া হয়েছে খুনিদের।’

তিনি বলেন, বিচারহীনতার একটি সংস্কৃতি দেশে চালু করা হয়েছিল। সে অবস্থার একমাত্র পরিবর্তন করতে পেরেছি যখন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকারে এসেছি তখন। সেখানে অনেক বাধা অনেক কিছুই আমাদের মোকাবিলা করতে হয়েছে। কিন্তু আমি ধন্যবাদ জানাই বিচারকের সাহসী পদক্ষেপের জন্য।

সরকারপ্রধান বলেন, নিম্নআদালত থেকে উচ্চ আদালত পর্যন্ত সবার কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমরা বিচারহীনতা থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে পেয়েছি।

বিচার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আইন বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির পদক্ষেপ আমরা নেব। এ বিষয়ে আপনাদের পরামর্শ নিতে হবে। কারিকুলাম কি হবে, সেটি ঠিক করতে হবে।’

এ সময় আইন ও বিচার বিভাগে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। নতুন আদালত ভবন যেমন করা হচ্ছে, একইসঙ্গে আইনজীবীদের জন্যও ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান সরকারপ্রধান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বাংলাদেশ মুক্তি পেয়েছে

আপডেট সময় ০২:২৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ ২০২২

বাংলাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি চালু ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সে অবস্থা থেকে বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের নবনির্মিত ১২তলা ভবন ‘বিজয়-৭১’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা যারা আপনজন হারিয়েছিলাম, আমাদের কোনো অধিকার ছিল না বিচার চাওয়ার। এমনকি আমি বাংলাদেশে ফিরে এসে মামলা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু মামলা করতে দেওয়া হয়নি। কারণ ইন্ডেমনিটি (দায়মুক্তি) দেওয়া হয়েছে খুনিদের।’

তিনি বলেন, বিচারহীনতার একটি সংস্কৃতি দেশে চালু করা হয়েছিল। সে অবস্থার একমাত্র পরিবর্তন করতে পেরেছি যখন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকারে এসেছি তখন। সেখানে অনেক বাধা অনেক কিছুই আমাদের মোকাবিলা করতে হয়েছে। কিন্তু আমি ধন্যবাদ জানাই বিচারকের সাহসী পদক্ষেপের জন্য।

সরকারপ্রধান বলেন, নিম্নআদালত থেকে উচ্চ আদালত পর্যন্ত সবার কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমরা বিচারহীনতা থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে পেয়েছি।

বিচার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আইন বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির পদক্ষেপ আমরা নেব। এ বিষয়ে আপনাদের পরামর্শ নিতে হবে। কারিকুলাম কি হবে, সেটি ঠিক করতে হবে।’

এ সময় আইন ও বিচার বিভাগে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। নতুন আদালত ভবন যেমন করা হচ্ছে, একইসঙ্গে আইনজীবীদের জন্যও ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান সরকারপ্রধান।