ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষি গবেষণার চার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৯:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ মার্চ ২০২২
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

উন্নয়ন ও সংস্কারকাজে বেশি দামে পণ্য ক্রয়ের মাধ্যমে সাড়ে ২৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাসহ চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা সংস্থাটির সহকারী পরিচালক রাজ কুমার সাহা বরিশালের বিশেষ জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। সোমবার (২৮ মার্চ) দুদকের জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বরিশালের রহমতপুরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক ৮টি কাজের প্রাক্কলন অনুমোদন, দরপত্র আহ্বান, মূল্যায়ন অনুমোদন ও কার্যাদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করেননি। ইচ্ছা মতো দর বসিয়ে পণ্য ক্রয় দেখিয়ে ২৮ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪ টাকা আত্মসাৎ করেন তারা।

২০১৯ সালের ১ অক্টোবর মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিটে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারাসহ দুনীতি প্রতিরোধ আইনের ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

কৃষি গবেষণার চার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট

আপডেট সময় ০৯:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ মার্চ ২০২২

উন্নয়ন ও সংস্কারকাজে বেশি দামে পণ্য ক্রয়ের মাধ্যমে সাড়ে ২৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাসহ চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা সংস্থাটির সহকারী পরিচালক রাজ কুমার সাহা বরিশালের বিশেষ জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। সোমবার (২৮ মার্চ) দুদকের জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বরিশালের রহমতপুরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক ৮টি কাজের প্রাক্কলন অনুমোদন, দরপত্র আহ্বান, মূল্যায়ন অনুমোদন ও কার্যাদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করেননি। ইচ্ছা মতো দর বসিয়ে পণ্য ক্রয় দেখিয়ে ২৮ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪ টাকা আত্মসাৎ করেন তারা।

২০১৯ সালের ১ অক্টোবর মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিটে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারাসহ দুনীতি প্রতিরোধ আইনের ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।