ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাল্য বিয়ের সময় বর-কনেসহ তিনজন আটক

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৮:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৯ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

যশোরে বাল্যবিবাহের সময় হাতে নাতে কিশোর-কিশোরীসহ তিনজনতে হাতে নাতে ধরেছে ভ্রাম্যমান আদালত। ঘটনাটি ঘটেছে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির ২ নং ভবনের ২য় তলায়। তবে, বিয়ের সার্বিক পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আইনজীবী মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। পরে তিনজনকেই ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাওমীদ হাসান তাদের ধরে ডিসি অফিস কার্যালয়ে নিয়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বেলা ১০ টার দিকে ১৭ বছরের বর এক বন্ধুর সাথে করে উকিলবারে আসেন। বউ হিসেবে স্কুল ড্রেস পড়ুয়া এক তরুনীকে (১৫) আনা হয়। এক পর্যায় আইনজীবী মিজানুর রহমান তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। বিয়ে শেষ হওয়া মাত্রই ভ্রামম্যান আদালত হানা দেয় সেখানে। এসময় কৌশলী পালিয়ে যায় কাজী ও অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান। শেষমেষ বর, কনে ও বরের বন্ধুকে নিয়ে যাওয়া হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাওমীদ হাসান পরবর্তিতে বর ও কনের পরিবারকে হাজির করেন। দুই পক্ষের সাথে কথা বলে এক পর্যায় ছেলের বয়স ২১ বছর ও মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত দুইজনকে নিজ নিজ পরিবারের সাথে থাকার শর্তে মুচলেকা দিয়ে পরিবারের হাতে হস্তান্তর করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমানসহ আরও কয়েকজন চিহ্নিত আইনজীবী রয়েছেন যারা বাল্য বিয়ে সংক্রান্ত কর্মকান্ডে লিপ্ত। তারা মোটা অংকের টাকা নিয়ে তারা বাল্য বিয়ে দিয়ে থাকেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে আইনজীবী মিজানুর রহমানের মোবাইলে একাধিক বার কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাল্য বিয়ের সময় বর-কনেসহ তিনজন আটক

আপডেট সময় ০৮:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

সিএনএমঃ

যশোরে বাল্যবিবাহের সময় হাতে নাতে কিশোর-কিশোরীসহ তিনজনতে হাতে নাতে ধরেছে ভ্রাম্যমান আদালত। ঘটনাটি ঘটেছে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির ২ নং ভবনের ২য় তলায়। তবে, বিয়ের সার্বিক পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আইনজীবী মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। পরে তিনজনকেই ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাওমীদ হাসান তাদের ধরে ডিসি অফিস কার্যালয়ে নিয়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বেলা ১০ টার দিকে ১৭ বছরের বর এক বন্ধুর সাথে করে উকিলবারে আসেন। বউ হিসেবে স্কুল ড্রেস পড়ুয়া এক তরুনীকে (১৫) আনা হয়। এক পর্যায় আইনজীবী মিজানুর রহমান তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। বিয়ে শেষ হওয়া মাত্রই ভ্রামম্যান আদালত হানা দেয় সেখানে। এসময় কৌশলী পালিয়ে যায় কাজী ও অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান। শেষমেষ বর, কনে ও বরের বন্ধুকে নিয়ে যাওয়া হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাওমীদ হাসান পরবর্তিতে বর ও কনের পরিবারকে হাজির করেন। দুই পক্ষের সাথে কথা বলে এক পর্যায় ছেলের বয়স ২১ বছর ও মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত দুইজনকে নিজ নিজ পরিবারের সাথে থাকার শর্তে মুচলেকা দিয়ে পরিবারের হাতে হস্তান্তর করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমানসহ আরও কয়েকজন চিহ্নিত আইনজীবী রয়েছেন যারা বাল্য বিয়ে সংক্রান্ত কর্মকান্ডে লিপ্ত। তারা মোটা অংকের টাকা নিয়ে তারা বাল্য বিয়ে দিয়ে থাকেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে আইনজীবী মিজানুর রহমানের মোবাইলে একাধিক বার কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।