ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ৩ আসামিকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ!

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৮:৫৩:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে
তেজগাঁওয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ: গণধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ৩ আসামিকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ!
গণধর্ষন মামলার আসামী গ্রেফতারের পর আদালতে না পাঠিয়ে আসামী  তেজগাঁও থানার ইন্সিপেক্টর তদন্ত  (ওসি তদন্ত) এর পূর্ব পরিচিত বন্ধু-বান্ধব হওয়ায় গ্রেফতারকৃত আসামীদের মোটা অংকের ঘুষ, (চাঁদা) গ্রহণ করে দুইদফায় তেজগাঁও থানা হতে লকাপে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ।

বাদিনীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- ১৭/০৯/২০২৬ইং তারিখ ডিএমপির তেজগাঁও থানায় গণধর্ষন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী নারী ভিক্টিম বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন।
যাহার মামলা নং-২১, তারিখ-১৭ সেপ্টেম্বর, বাৎসরিক নম্বর-২১২, ধারা : ৯(৩)/৩০, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ তৎসহ ৩৮০ পেনালকোড ১৮৬০ অপরাধের শিরোনাম পালাক্রমে ধর্ষন, ধর্ষনের সহায়তা চুরি করার অপরাধ। মামলা হওয়ার পর ১৬/০৯/২০২৬ইং তারিখ দিবাগত ১৭/০৯/২০২৬ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৩ঘটিকার সময় ঘটনাস্থল ৬১/এ, দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল থানা- তেজগাঁও, জেলা- ঢাকা।উল্লেখিত ঘটনাস্থলে তেজগাঁও থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারে উল্লেখিত অজ্ঞাতনামা ১০নং আসামীদের মধ্যে একজন নারী অন্য আরেকজন হোটেল কর্মচারী পুরুষ ২জন আসামীকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও থানায় নিয়ে আসে। বাদীনির অভিযোগ
রাতভর আসামীর গার্জিয়ানদের সাথে ও দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল এর মালিক মামলার ৫নং আসামী মোঃ সুমন (৪২),তার ব্যবহৃত মোবাইল নং ০১৭৭০৩৩৯৯৪৪, ০১৭১১৯৯১৭৭২ দের সাথে পূর্ব থেকেই তেজগাঁও থানার ইন্সিপেক্টর তদন্তের গোপন সুসম্পর্ক থাকায় এবং মামলার আসামীগনদের ঘটনাস্থল দেশ বাংলা আবাসিক হোটেলের অন্তরালে নারী ও মাদক ব্যবসার ওসি তদন্ত গোপন সহযোগিতা করায় সুমনদের সাথে পূর্ব সম্পর্কের টানে কথাবার্তার এক পর্যায়ে গ্রেফতারকৃত নারী পুরুষ আসামী দুইজনকে থানার লকাপ হতে বের করে ছেড়ে দেয়।
ওসি তদন্তকে সহযোগিতা করে অন্যান্য আরো কিছু  পুলিশ কর্মকর্তাগনণ।

অভিযোগে বাদীনি ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার প্রতিবেদককে বলেন- আমাকে ঘটনার ৩দিন ও মামলা রেকডের ২দিন পর  আমাকে এর আগে ৩দিন থানায় আটকে রেখে এক পর্যায়ে ১৯/০৯/২০২৬ইং তারিখ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নিয়ে কোনমতে চিকিৎসা করায়। কিন্তু  ইন্সিপেক্টর তদন্ত ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সামিউল হক, বিপি নং-৮৪১১১২৮৭৮৩ তাহারা আমার পরিহিত পায়জামা মহিলা কনস্টবল দ্বারা খুলে নিয়ে ওসি তদন্তের ডয়ারে রেখে দেয় ও ঘটনাস্থল থেকে বিছানার চাদরসহ অন্যান্য আলামত সংগ্রহ করিয়া উহা হাসপাতালের ডাক্তারদের কাছে বুঝাইয়া দেয় নাই।
এছাড়া আমাকে আমার পাহারাদার নারী কন্সটেবল ও ওসি তদন্ত আমার সাথে অপেশাদারিত্ব আচরন করে, মামলা না করার জন্য ৩দিন থানায় আটকে রেখে মামলা না করার জন্য চেষ্টা করে। পরবর্তীতে আমাকে হুমকি ধামকি দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা থানা থেকে ছেড়ে দেয়। একপর্যায়ে ২২/০৯/২০২৬ইং তারিখ আমি কিছুটা সুস্থ হলে হঠাৎ দেখি আমার ব্যবহৃত মোবাইল সিম ০১৮৯৮৩৮৫১৩৫ নম্বরে মামলার তদন্ত  কর্মকর্তা ওসি তদন্ত আমাকে ফোন করে তাড়াতাড়ি থানায় যেতে বলে আমি তখন আনুমানিক বেলা বিকাল ৪.৩০ মিনিট ঘটিকার সময় তেজগাঁও থানায় গিয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সিপেক্টও তদন্ত এর সাথে দেখা করি। তাকে বলি আমি খোজ খবর নিয়ে জানতে পেরেছি ঘটনাস্থল দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল-এ ১৪/১৫জন দেহপ্রসারনী নারীদের দিয়ে সেখানে মাদক বেচাকেনা, সেবন ও বহিরাগত পুরুষ দ্বারা দেহ ব্যবসা করানো হচ্ছে। সেখানে আমার মামলার আসামীরা আছে তখন ওসি তদন্ত আমাকে ও আমার সাথে যাওয়া একজন মানবাধিকার কর্মী পারভীনকে রুমে আটকিয়ে হুমকি ধুমকি দেয় এবং ঐ মানবাধিকার কর্মীর নাম ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর নেয়। এরপর আমাকে হুমকি ধুমকি দিয়ে বলে মামলার আসামী আমার যখন মনে চাইব তখন ধরবো আর ৩নং আসামী আফসারকে আমি কেন মামলা দিয়েছি সে নাকি আমার স্বামী আর ওসি তদন্ত সাহেবের বন্ধু।

আসামী গ্রেফতারের পর প্রথমে ২জন পরে ১জন যে কৌশলে পুলিশ ছেড়ে দেন। আসামীদের মধ্যে অনেকেই  ওসি তদন্তের বন্ধু হওয়ায় তিনি বলেন-আসামীরা নাকি গরিব মানুষ আবাসিক হোটেল প্রতিষ্ঠা করিয়া সেখানে তারা দেহ ব্যবসা না মাদক ব্যবসা করুন তাতে আমার কি?

বাদীনি বলেন- এ ধরনের হুমকি ধুমকি দিয়ে আমাকে থানা থেকে বের করে দিতেই আমি হাটতে হাটতে থানার পাশেই ঘটনাস্থল হওয়ায় ফার্মগইেট মোড় ফুটওভার ব্রিজে ওঠার জন্য সিড়ির কাছে গেলেই দেখতে পাই ঘটনাস্থলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাথে আরো কিছু পুলিশ কর্মকর্তা এসে ঘটনাস্থল অভিযান চালিয়ে কয়েকজন হোটেল কর্মকচারী গ্রেফতার করে। তারমধ্যে আমার মামলার অজ্ঞাতনামা আসামী মোঃ হালিম (৪০), পিতা-অজ্ঞাত, গ্রাম-কৈখালী, থানা-কাঠালিয়া, জেলা-ঝলাকাঠিকে সহ আরো কয়েকজনকে গ্রেফতার করে থানা নিয়ে যায়। ওসি তদন্তকে জানাই এই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি আমার মামলার আসামী মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমাকে আশ্বাস দেন যে কালকে কোর্টে খবর নিয়েন আপনার মামলায় আসামী কোর্টে চালান দিব।

গত ২৩/০৯/২০২৬ইং তারিখ আইনজীবির মাধ্যমে আদালতে খোজ খবর নিয়া জানতে পারি ১৭/০৯/২০২৬ইং তারিখ মামলার অজ্ঞাতনামা আসামী একজন নারী ও একজন পুরুষ গত ২২/০৯/২০২৬ইং তারিখ গ্রেফতার  হওয়া আসামীদের আমার মামলায় গ্রেফতার না দেখাইয়া এদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ ঘুষ (চাঁদা) আদায় করিয়া ঐ সকল আসামীদের ছেড়ে দেয়। আর আমি মামলার আসামী গ্রেফতার করাতে গেলে হুমকি ধুমকি দিয়া বিদায় করিয়া দেয়।
এক পর্যায়ে আমি বাসায় যাওয়ার পথে রাস্তায় ২নং আসামীসহ অন্যান্য কয়েকজন আসামী দলবল নিয়া আমাকে ও আমার সাথে যাওয়া মানবাধিকার কর্মী পারভীনকে আসামীরা হামলা করে আমাকে অপহরণ করিয়া নিয়া যাওয়ার চেষ্টা০ করে। আমি কিছুটা আহত হইলে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করি। মামলার ৩নং আসামী আমার সাবেক স্বামী ছিল সে নারী ও মাদক ব্যবসা করে আমি জানতে পারি একপর্যায়ে তার সাথে আমার পূর্বেও মামলা মোকাদ্দমা চলছিল।
যেহেতু ৩নং আসামী আফসার আমার জেলা ভিত্তিক লোক হওয়ায় এক পর্যায়ে আমি তার সাথে ঝামেলা মিমাংসা করে ফেলি। কিন্তু তিনি আমার শরীয়াহ মোতাবেক বা বৈধভাবে বর্তমানে স্বামী না। আসামীরা কৌশলে আমাকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলিয়া ঢাকায় আনিয়া ধর্ষনের মতো ঘটনা ঘটায়। মামলা হওয়ার পর বিভিন্নভাবে জানতে পারি বর্তমান ওসি তদন্ত এর বন্ধু। এবং ৩নং আসামী আফসার নিজেও আমাকে মামলার পরে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে বলছে দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল-এ মাদক ও নারী ব্যবসাসহ নানবিধ অপকর্ম চালানোর ওসি তদন্ত অপরাধীদের সহযোগিতা করার ফলে তাকে ঘটনা স্থলের দেশ বাংলা হোটেল হতে ৫নং আসামী সুমন এর মাধ্যমে ওসি তদন্তকে মাসে ৭ লক্ষ টাকা ঘুষ (চাঁদা) দেন।
দেশ বাংলা আবাসিক হোটেলে যত যাই কিছু ঘটুক সেখানকার আসামী তেজগাঁও থানা পুলিশ ধরবে না। এছাড়া তেজগাঁও থানা ওসি তদন্ত ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তার ডিপার্টমেন্ট এ অনেক বড় বড় তাদের আত্বীয় স্বজন রয়েছে তাই থানার ওসি, এসি, ডিসি স্যারও তাকে ভয় পায়। অন্যান্য আসামীরাও আমার উপর হামলা করার সময় এ ধরনের কথাবার্তা বলেছেন আসামীরা গ্রেফতার না হওয়ায় যে কোন সময় আমাকে হত্যা করতে পারে এজন্য দায়ী থাকবেন তেজগাঁও থানার ইন্সিপেক্টর তদন্ত ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সামিউল হক, বিপি নং-৮৪১১১২৮৭৮৩ তাহারা।

তেজগাঁও থানার ওসি তদন্ত ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তার এমন ঘটনায় মামলার বাদিনী (ভিক্টিম) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি মহোদয়, পুলিশ কমিশনার, যুগ্ন পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও গনমাধ্যমের কাছে তার ন্যায় বিচারের জন্য অভিযোগ জানিয়েছেন।

বাদীনি অভিযোগে অনুরোধ জানিয়ে বলেন- তদন্তপূর্বক আসামী গ্রেফতারের পর ছেড়ে দেওয়া ও মামলায় উল্লেখিত সকল আসামীসহ আমার শনাক্তমতে অজ্ঞাতনামা আসামীদের গ্রেফতার পূর্বক আমার নিরাপত্তা দেওয়ার বিধানসহ তেজগাঁও থানার ওসি তদন্তের দায়িত্ব অবহেলা ও মামলার আসামীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার প্রমান উদঘাটনসহ তেজগাঁও থানার ইন্সিপেক্টর তদন্ত ও তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া মামলার আলামত উদ্ধারপূর্বক ধর্ষন এর চিকিৎসা সেবক ডিএনএ পরিক্ষাকারী ডাক্তাদের কাছে প্রদান করাসহ ও আমার ন্যায় বিচার  পাওয়ার জন্য আবেদনে অনুরোধ জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

গণধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ৩ আসামিকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ!

আপডেট সময় ০৮:৫৩:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তেজগাঁওয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ: গণধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ৩ আসামিকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ!
গণধর্ষন মামলার আসামী গ্রেফতারের পর আদালতে না পাঠিয়ে আসামী  তেজগাঁও থানার ইন্সিপেক্টর তদন্ত  (ওসি তদন্ত) এর পূর্ব পরিচিত বন্ধু-বান্ধব হওয়ায় গ্রেফতারকৃত আসামীদের মোটা অংকের ঘুষ, (চাঁদা) গ্রহণ করে দুইদফায় তেজগাঁও থানা হতে লকাপে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ।

বাদিনীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- ১৭/০৯/২০২৬ইং তারিখ ডিএমপির তেজগাঁও থানায় গণধর্ষন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী নারী ভিক্টিম বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন।
যাহার মামলা নং-২১, তারিখ-১৭ সেপ্টেম্বর, বাৎসরিক নম্বর-২১২, ধারা : ৯(৩)/৩০, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ তৎসহ ৩৮০ পেনালকোড ১৮৬০ অপরাধের শিরোনাম পালাক্রমে ধর্ষন, ধর্ষনের সহায়তা চুরি করার অপরাধ। মামলা হওয়ার পর ১৬/০৯/২০২৬ইং তারিখ দিবাগত ১৭/০৯/২০২৬ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৩ঘটিকার সময় ঘটনাস্থল ৬১/এ, দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল থানা- তেজগাঁও, জেলা- ঢাকা।উল্লেখিত ঘটনাস্থলে তেজগাঁও থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারে উল্লেখিত অজ্ঞাতনামা ১০নং আসামীদের মধ্যে একজন নারী অন্য আরেকজন হোটেল কর্মচারী পুরুষ ২জন আসামীকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও থানায় নিয়ে আসে। বাদীনির অভিযোগ
রাতভর আসামীর গার্জিয়ানদের সাথে ও দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল এর মালিক মামলার ৫নং আসামী মোঃ সুমন (৪২),তার ব্যবহৃত মোবাইল নং ০১৭৭০৩৩৯৯৪৪, ০১৭১১৯৯১৭৭২ দের সাথে পূর্ব থেকেই তেজগাঁও থানার ইন্সিপেক্টর তদন্তের গোপন সুসম্পর্ক থাকায় এবং মামলার আসামীগনদের ঘটনাস্থল দেশ বাংলা আবাসিক হোটেলের অন্তরালে নারী ও মাদক ব্যবসার ওসি তদন্ত গোপন সহযোগিতা করায় সুমনদের সাথে পূর্ব সম্পর্কের টানে কথাবার্তার এক পর্যায়ে গ্রেফতারকৃত নারী পুরুষ আসামী দুইজনকে থানার লকাপ হতে বের করে ছেড়ে দেয়।
ওসি তদন্তকে সহযোগিতা করে অন্যান্য আরো কিছু  পুলিশ কর্মকর্তাগনণ।

অভিযোগে বাদীনি ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার প্রতিবেদককে বলেন- আমাকে ঘটনার ৩দিন ও মামলা রেকডের ২দিন পর  আমাকে এর আগে ৩দিন থানায় আটকে রেখে এক পর্যায়ে ১৯/০৯/২০২৬ইং তারিখ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নিয়ে কোনমতে চিকিৎসা করায়। কিন্তু  ইন্সিপেক্টর তদন্ত ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সামিউল হক, বিপি নং-৮৪১১১২৮৭৮৩ তাহারা আমার পরিহিত পায়জামা মহিলা কনস্টবল দ্বারা খুলে নিয়ে ওসি তদন্তের ডয়ারে রেখে দেয় ও ঘটনাস্থল থেকে বিছানার চাদরসহ অন্যান্য আলামত সংগ্রহ করিয়া উহা হাসপাতালের ডাক্তারদের কাছে বুঝাইয়া দেয় নাই।
এছাড়া আমাকে আমার পাহারাদার নারী কন্সটেবল ও ওসি তদন্ত আমার সাথে অপেশাদারিত্ব আচরন করে, মামলা না করার জন্য ৩দিন থানায় আটকে রেখে মামলা না করার জন্য চেষ্টা করে। পরবর্তীতে আমাকে হুমকি ধামকি দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা থানা থেকে ছেড়ে দেয়। একপর্যায়ে ২২/০৯/২০২৬ইং তারিখ আমি কিছুটা সুস্থ হলে হঠাৎ দেখি আমার ব্যবহৃত মোবাইল সিম ০১৮৯৮৩৮৫১৩৫ নম্বরে মামলার তদন্ত  কর্মকর্তা ওসি তদন্ত আমাকে ফোন করে তাড়াতাড়ি থানায় যেতে বলে আমি তখন আনুমানিক বেলা বিকাল ৪.৩০ মিনিট ঘটিকার সময় তেজগাঁও থানায় গিয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সিপেক্টও তদন্ত এর সাথে দেখা করি। তাকে বলি আমি খোজ খবর নিয়ে জানতে পেরেছি ঘটনাস্থল দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল-এ ১৪/১৫জন দেহপ্রসারনী নারীদের দিয়ে সেখানে মাদক বেচাকেনা, সেবন ও বহিরাগত পুরুষ দ্বারা দেহ ব্যবসা করানো হচ্ছে। সেখানে আমার মামলার আসামীরা আছে তখন ওসি তদন্ত আমাকে ও আমার সাথে যাওয়া একজন মানবাধিকার কর্মী পারভীনকে রুমে আটকিয়ে হুমকি ধুমকি দেয় এবং ঐ মানবাধিকার কর্মীর নাম ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর নেয়। এরপর আমাকে হুমকি ধুমকি দিয়ে বলে মামলার আসামী আমার যখন মনে চাইব তখন ধরবো আর ৩নং আসামী আফসারকে আমি কেন মামলা দিয়েছি সে নাকি আমার স্বামী আর ওসি তদন্ত সাহেবের বন্ধু।

আসামী গ্রেফতারের পর প্রথমে ২জন পরে ১জন যে কৌশলে পুলিশ ছেড়ে দেন। আসামীদের মধ্যে অনেকেই  ওসি তদন্তের বন্ধু হওয়ায় তিনি বলেন-আসামীরা নাকি গরিব মানুষ আবাসিক হোটেল প্রতিষ্ঠা করিয়া সেখানে তারা দেহ ব্যবসা না মাদক ব্যবসা করুন তাতে আমার কি?

বাদীনি বলেন- এ ধরনের হুমকি ধুমকি দিয়ে আমাকে থানা থেকে বের করে দিতেই আমি হাটতে হাটতে থানার পাশেই ঘটনাস্থল হওয়ায় ফার্মগইেট মোড় ফুটওভার ব্রিজে ওঠার জন্য সিড়ির কাছে গেলেই দেখতে পাই ঘটনাস্থলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাথে আরো কিছু পুলিশ কর্মকর্তা এসে ঘটনাস্থল অভিযান চালিয়ে কয়েকজন হোটেল কর্মকচারী গ্রেফতার করে। তারমধ্যে আমার মামলার অজ্ঞাতনামা আসামী মোঃ হালিম (৪০), পিতা-অজ্ঞাত, গ্রাম-কৈখালী, থানা-কাঠালিয়া, জেলা-ঝলাকাঠিকে সহ আরো কয়েকজনকে গ্রেফতার করে থানা নিয়ে যায়। ওসি তদন্তকে জানাই এই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি আমার মামলার আসামী মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমাকে আশ্বাস দেন যে কালকে কোর্টে খবর নিয়েন আপনার মামলায় আসামী কোর্টে চালান দিব।

গত ২৩/০৯/২০২৬ইং তারিখ আইনজীবির মাধ্যমে আদালতে খোজ খবর নিয়া জানতে পারি ১৭/০৯/২০২৬ইং তারিখ মামলার অজ্ঞাতনামা আসামী একজন নারী ও একজন পুরুষ গত ২২/০৯/২০২৬ইং তারিখ গ্রেফতার  হওয়া আসামীদের আমার মামলায় গ্রেফতার না দেখাইয়া এদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ ঘুষ (চাঁদা) আদায় করিয়া ঐ সকল আসামীদের ছেড়ে দেয়। আর আমি মামলার আসামী গ্রেফতার করাতে গেলে হুমকি ধুমকি দিয়া বিদায় করিয়া দেয়।
এক পর্যায়ে আমি বাসায় যাওয়ার পথে রাস্তায় ২নং আসামীসহ অন্যান্য কয়েকজন আসামী দলবল নিয়া আমাকে ও আমার সাথে যাওয়া মানবাধিকার কর্মী পারভীনকে আসামীরা হামলা করে আমাকে অপহরণ করিয়া নিয়া যাওয়ার চেষ্টা০ করে। আমি কিছুটা আহত হইলে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করি। মামলার ৩নং আসামী আমার সাবেক স্বামী ছিল সে নারী ও মাদক ব্যবসা করে আমি জানতে পারি একপর্যায়ে তার সাথে আমার পূর্বেও মামলা মোকাদ্দমা চলছিল।
যেহেতু ৩নং আসামী আফসার আমার জেলা ভিত্তিক লোক হওয়ায় এক পর্যায়ে আমি তার সাথে ঝামেলা মিমাংসা করে ফেলি। কিন্তু তিনি আমার শরীয়াহ মোতাবেক বা বৈধভাবে বর্তমানে স্বামী না। আসামীরা কৌশলে আমাকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলিয়া ঢাকায় আনিয়া ধর্ষনের মতো ঘটনা ঘটায়। মামলা হওয়ার পর বিভিন্নভাবে জানতে পারি বর্তমান ওসি তদন্ত এর বন্ধু। এবং ৩নং আসামী আফসার নিজেও আমাকে মামলার পরে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে বলছে দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল-এ মাদক ও নারী ব্যবসাসহ নানবিধ অপকর্ম চালানোর ওসি তদন্ত অপরাধীদের সহযোগিতা করার ফলে তাকে ঘটনা স্থলের দেশ বাংলা হোটেল হতে ৫নং আসামী সুমন এর মাধ্যমে ওসি তদন্তকে মাসে ৭ লক্ষ টাকা ঘুষ (চাঁদা) দেন।
দেশ বাংলা আবাসিক হোটেলে যত যাই কিছু ঘটুক সেখানকার আসামী তেজগাঁও থানা পুলিশ ধরবে না। এছাড়া তেজগাঁও থানা ওসি তদন্ত ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তার ডিপার্টমেন্ট এ অনেক বড় বড় তাদের আত্বীয় স্বজন রয়েছে তাই থানার ওসি, এসি, ডিসি স্যারও তাকে ভয় পায়। অন্যান্য আসামীরাও আমার উপর হামলা করার সময় এ ধরনের কথাবার্তা বলেছেন আসামীরা গ্রেফতার না হওয়ায় যে কোন সময় আমাকে হত্যা করতে পারে এজন্য দায়ী থাকবেন তেজগাঁও থানার ইন্সিপেক্টর তদন্ত ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সামিউল হক, বিপি নং-৮৪১১১২৮৭৮৩ তাহারা।

তেজগাঁও থানার ওসি তদন্ত ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তার এমন ঘটনায় মামলার বাদিনী (ভিক্টিম) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি মহোদয়, পুলিশ কমিশনার, যুগ্ন পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও গনমাধ্যমের কাছে তার ন্যায় বিচারের জন্য অভিযোগ জানিয়েছেন।

বাদীনি অভিযোগে অনুরোধ জানিয়ে বলেন- তদন্তপূর্বক আসামী গ্রেফতারের পর ছেড়ে দেওয়া ও মামলায় উল্লেখিত সকল আসামীসহ আমার শনাক্তমতে অজ্ঞাতনামা আসামীদের গ্রেফতার পূর্বক আমার নিরাপত্তা দেওয়ার বিধানসহ তেজগাঁও থানার ওসি তদন্তের দায়িত্ব অবহেলা ও মামলার আসামীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার প্রমান উদঘাটনসহ তেজগাঁও থানার ইন্সিপেক্টর তদন্ত ও তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া মামলার আলামত উদ্ধারপূর্বক ধর্ষন এর চিকিৎসা সেবক ডিএনএ পরিক্ষাকারী ডাক্তাদের কাছে প্রদান করাসহ ও আমার ন্যায় বিচার  পাওয়ার জন্য আবেদনে অনুরোধ জানিয়েছেন।