ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

নতুন সুপারনোভার খবর পেলেন বিজ্ঞানীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:১১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ মার্চ ২০২২
  • ২৪১ বার পড়া হয়েছে

পৃথিবী থেকে ৫০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে কার্টহুইল গ্যালাক্সিতে (ছায়াপথ) ঘটে গেছে নাক্ষত্রিক এক বিস্ফোরণ, ইংরেজিতে যাকে বলা হয় সুপারনোভা। 

কার্টহুইল নামের এই গ্যালাক্সির ঠিকানা স্কালপ্টর নামে একটি নক্ষত্রপুঞ্জে। এই গ্যালাক্সিটি দেখতে একটু অন্যরকম। এতে দুটি রিং দৃশ্যমান। এই গ্যালাক্সিটির দেখতে অন্য রকম হওয়ার কারণ হলো বেশ কয়েক লাখ বছর আগে এই গ্যালাক্সিটি তার পাশের ছোট আরেকটি গ্যালাক্সির সাথে একীভূত হয়েছে।

তবে এখন যে বিস্ফোরণের কথা বিজ্ঞানীরা বলছেন, সেটি খুব বেশিদিন আগে হয়নি বলেই মনে করা হচ্ছে। চিলিতেই ইএসও’র আরও একটি টেলিস্কোপ রয়েছে। ভেরি লার্জ টেলিস্কোপের (ভিএলটি) মাল্টি ইউনিট স্পেকট্রোস্কোপিক এক্সপ্লোরার ব্যবহার করে ২০১৪ সালের আগস্টে এই গ্যালাক্সির যে ছবি পাওয়া গিয়েছিল আর এখন যে ছবি পাওয়া গেছে সেগুলোর তুলনা করছেন বিজ্ঞানীরা। ইএসও’র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পুরোনো ছবিগুলোতে সুপারনোভার কোনো চিহ্ন পাওয়া যাচ্ছে না।

নাক্ষত্রিক এই বিস্ফোরণটিকে এসএন২০২১এএফডিএক্স নামে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এটা টাইপ টু সুপারনোভা। অর্থাৎ এ বিস্ফোরণে হাইড্রোজেন রয়েছে আর এটি বিস্ফোরিত হয়েছে কারণ, নক্ষত্রটির বেঁচে থাকতে যে জ্বালানি প্রয়োজন হচ্ছিল তা শেষ হয়ে এসেছে এবং নিজেরই মধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে নিজের ভেতরের অঞ্চল সংকুচিত হয়ে পড়তে থাকে। যখন কোনো সুপারনোভা ঘটে তখন এটা থেকে এত উজ্জ্বল আলো তৈরি হতে পারে যে এর আলো পুরো গ্যালাক্সিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। গ্যালাক্সি জুড়ে আলোর সঙ্গে বিস্ফোরণের ফলে ওই নক্ষত্রের নানা উপাদানও ছড়িয়ে পড়ে।

ইএসও বিবৃতিতে বলছে, যে কারণে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলেন যে, আমরা, আমাদের সব কিছু স্টারডাস্টের তৈরি। ওই বিস্ফোরণের ফলে বিস্ফোরিত নক্ষত্রটির নানা উপাদান পুরো গ্যালাক্সিতে ছড়িয়ে পড়ে, যা পড়ে অন্য নক্ষত্র তৈরির উপাদান হয়, তার আশপাশে থাকা অন্যান্য গ্রহের উপাদান হয়, আর সেই সব গ্রহে যদি কোনো প্রাণ থাকে সেই প্রাণেরও উপাদান হয়।

সূত্র : স্পেসডটকম।   

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

নতুন সুপারনোভার খবর পেলেন বিজ্ঞানীরা

আপডেট সময় ০৩:১১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ মার্চ ২০২২

পৃথিবী থেকে ৫০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে কার্টহুইল গ্যালাক্সিতে (ছায়াপথ) ঘটে গেছে নাক্ষত্রিক এক বিস্ফোরণ, ইংরেজিতে যাকে বলা হয় সুপারনোভা। 

কার্টহুইল নামের এই গ্যালাক্সির ঠিকানা স্কালপ্টর নামে একটি নক্ষত্রপুঞ্জে। এই গ্যালাক্সিটি দেখতে একটু অন্যরকম। এতে দুটি রিং দৃশ্যমান। এই গ্যালাক্সিটির দেখতে অন্য রকম হওয়ার কারণ হলো বেশ কয়েক লাখ বছর আগে এই গ্যালাক্সিটি তার পাশের ছোট আরেকটি গ্যালাক্সির সাথে একীভূত হয়েছে।

তবে এখন যে বিস্ফোরণের কথা বিজ্ঞানীরা বলছেন, সেটি খুব বেশিদিন আগে হয়নি বলেই মনে করা হচ্ছে। চিলিতেই ইএসও’র আরও একটি টেলিস্কোপ রয়েছে। ভেরি লার্জ টেলিস্কোপের (ভিএলটি) মাল্টি ইউনিট স্পেকট্রোস্কোপিক এক্সপ্লোরার ব্যবহার করে ২০১৪ সালের আগস্টে এই গ্যালাক্সির যে ছবি পাওয়া গিয়েছিল আর এখন যে ছবি পাওয়া গেছে সেগুলোর তুলনা করছেন বিজ্ঞানীরা। ইএসও’র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পুরোনো ছবিগুলোতে সুপারনোভার কোনো চিহ্ন পাওয়া যাচ্ছে না।

নাক্ষত্রিক এই বিস্ফোরণটিকে এসএন২০২১এএফডিএক্স নামে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এটা টাইপ টু সুপারনোভা। অর্থাৎ এ বিস্ফোরণে হাইড্রোজেন রয়েছে আর এটি বিস্ফোরিত হয়েছে কারণ, নক্ষত্রটির বেঁচে থাকতে যে জ্বালানি প্রয়োজন হচ্ছিল তা শেষ হয়ে এসেছে এবং নিজেরই মধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে নিজের ভেতরের অঞ্চল সংকুচিত হয়ে পড়তে থাকে। যখন কোনো সুপারনোভা ঘটে তখন এটা থেকে এত উজ্জ্বল আলো তৈরি হতে পারে যে এর আলো পুরো গ্যালাক্সিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। গ্যালাক্সি জুড়ে আলোর সঙ্গে বিস্ফোরণের ফলে ওই নক্ষত্রের নানা উপাদানও ছড়িয়ে পড়ে।

ইএসও বিবৃতিতে বলছে, যে কারণে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলেন যে, আমরা, আমাদের সব কিছু স্টারডাস্টের তৈরি। ওই বিস্ফোরণের ফলে বিস্ফোরিত নক্ষত্রটির নানা উপাদান পুরো গ্যালাক্সিতে ছড়িয়ে পড়ে, যা পড়ে অন্য নক্ষত্র তৈরির উপাদান হয়, তার আশপাশে থাকা অন্যান্য গ্রহের উপাদান হয়, আর সেই সব গ্রহে যদি কোনো প্রাণ থাকে সেই প্রাণেরও উপাদান হয়।

সূত্র : স্পেসডটকম।