ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রেমে বাধা দেয়ায় ৩ জনকে কুপিয়ে জখম করে পরান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:০৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • ৪৫৪ বার পড়া হয়েছে

সিএনএম প্রতিনিধিঃ
রাজধানীর শনির আখড়া এলাকায় ৭-৮ বছর আগে একই রুমে থাকতেন রুহুল কুদ্দুস বাবু (৩৫) ও জাহাঙ্গীর আলম ওরফে পরান (৪২)। তখন পাশের ফ্ল্যাটের ভাবি মো. মাসুদ কিবরিয়ার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তারের (৩৫) প্রতি গ্রেফতার পরানের কুদৃষ্টি পড়ে, এতে বাধা দেয় রুহুল কুদ্দুস বাবু। সেই বাধাকে কেন্দ্র করে মা-মেয়েসহ তিনজনকে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরতর জখম করে জাহাঙ্গীর আলম পরান।

মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমান এ তথ্য জানান।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শনির আখড়ায় একটি বাড়িতে ঢুকে রুহুল কুদ্দুস বাবু, মাসুদ কিবরিয়ার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার, তার মেয়ে মাহামুদা মেহেররিনকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে পরান। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন রুহুল কুদ্দুস বাবুর বড় বোন বিউটি বেগম।

গতকাল সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জের সানারপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-১০।
র‍্যাব-১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমান বলেন, রাজধানীর শনির আখড়া এলাকায় ৭-৮ বছর আগে একই রুমে থাকতেন আহত রুহুল কুদ্দুস বাবু ও গ্রেফতার জাহাঙ্গীর আলম ওরফে পরান। তখন পাশের ফ্লাটের ভাবি মো. মাসুদ কিবরিয়ার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তারের (৩৫) প্রতি গ্রেফতার পরানের কুদৃষ্টি পড়ে, এতে বাধা দেয় রুহুল কুদ্দুস বাবু।

তিনি বলেন, ‘এ কারণে পরানকে ওই বাড়ি থেকে বের করে দেয় বাড়ির মালিক। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে পরান বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে ইয়াসমিন আক্তার ও তার পরিবারকে ক্ষতি করার চেষ্টা করে। আবারও বাধা হয়ে দাড়ায় রুহুল কুদ্দুস বাবু। এর জের ধরে পরান গত রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে চাপাতিসহ বাবুর বাসায় যায়।’

র‍্যাব-১০ এর অধিনায়ক বলেন, ‘রুহুল কুদ্দুস বাবু দরজা খুলতেই পরান বাবুকে হত্যার উদ্দেশ্যে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বাবুর মুখে, কানে, চোখের উপরে, মাথায়, ঘাড়ে ও ডান হাতের তালুতে গুরুতর জখম করে। বাবুর আর্তচিৎকার শুনে ইয়াসমিন আক্তার ও তার মেয়ে মাহামুদা মেহেরিন বাবুকে বাঁচাতে এলে পরান প্রথমে মেয়ে মাহামুদাকে তার ডান হাতে ও পরে ইয়াসমিন আক্তারের মাথায় গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।’

এ সময় প্রতিবেশীরা গুরুতর জখম অবস্থায় তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

পরকীয়ার সম্পর্কের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পরকীকার কারণে ঘটনাটি ঘটেছে, এমন কোনও তথ্য আমরা পায়নি।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

প্রেমে বাধা দেয়ায় ৩ জনকে কুপিয়ে জখম করে পরান

আপডেট সময় ০১:০৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

সিএনএম প্রতিনিধিঃ
রাজধানীর শনির আখড়া এলাকায় ৭-৮ বছর আগে একই রুমে থাকতেন রুহুল কুদ্দুস বাবু (৩৫) ও জাহাঙ্গীর আলম ওরফে পরান (৪২)। তখন পাশের ফ্ল্যাটের ভাবি মো. মাসুদ কিবরিয়ার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তারের (৩৫) প্রতি গ্রেফতার পরানের কুদৃষ্টি পড়ে, এতে বাধা দেয় রুহুল কুদ্দুস বাবু। সেই বাধাকে কেন্দ্র করে মা-মেয়েসহ তিনজনকে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরতর জখম করে জাহাঙ্গীর আলম পরান।

মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমান এ তথ্য জানান।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শনির আখড়ায় একটি বাড়িতে ঢুকে রুহুল কুদ্দুস বাবু, মাসুদ কিবরিয়ার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার, তার মেয়ে মাহামুদা মেহেররিনকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে পরান। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন রুহুল কুদ্দুস বাবুর বড় বোন বিউটি বেগম।

গতকাল সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জের সানারপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-১০।
র‍্যাব-১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমান বলেন, রাজধানীর শনির আখড়া এলাকায় ৭-৮ বছর আগে একই রুমে থাকতেন আহত রুহুল কুদ্দুস বাবু ও গ্রেফতার জাহাঙ্গীর আলম ওরফে পরান। তখন পাশের ফ্লাটের ভাবি মো. মাসুদ কিবরিয়ার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তারের (৩৫) প্রতি গ্রেফতার পরানের কুদৃষ্টি পড়ে, এতে বাধা দেয় রুহুল কুদ্দুস বাবু।

তিনি বলেন, ‘এ কারণে পরানকে ওই বাড়ি থেকে বের করে দেয় বাড়ির মালিক। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে পরান বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে ইয়াসমিন আক্তার ও তার পরিবারকে ক্ষতি করার চেষ্টা করে। আবারও বাধা হয়ে দাড়ায় রুহুল কুদ্দুস বাবু। এর জের ধরে পরান গত রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে চাপাতিসহ বাবুর বাসায় যায়।’

র‍্যাব-১০ এর অধিনায়ক বলেন, ‘রুহুল কুদ্দুস বাবু দরজা খুলতেই পরান বাবুকে হত্যার উদ্দেশ্যে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বাবুর মুখে, কানে, চোখের উপরে, মাথায়, ঘাড়ে ও ডান হাতের তালুতে গুরুতর জখম করে। বাবুর আর্তচিৎকার শুনে ইয়াসমিন আক্তার ও তার মেয়ে মাহামুদা মেহেরিন বাবুকে বাঁচাতে এলে পরান প্রথমে মেয়ে মাহামুদাকে তার ডান হাতে ও পরে ইয়াসমিন আক্তারের মাথায় গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।’

এ সময় প্রতিবেশীরা গুরুতর জখম অবস্থায় তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

পরকীয়ার সম্পর্কের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পরকীকার কারণে ঘটনাটি ঘটেছে, এমন কোনও তথ্য আমরা পায়নি।’