ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও শিক্ষার উদ্দেশে যারা মরোণত্তর দেহ দান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৪:০৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মে ২০২১
  • ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে

বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও শিক্ষার উদ্দেশে যারা মরোণত্তর দেহ দান

সিএনএম ডেস্কঃ

ভারতে স্বেচ্ছানির্বাসিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন জানিয়েছেন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও শিক্ষার উদ্দেশে যারা মরোণত্তর দেহ দান করেছিলেন কিন্তু কোভিড-১৯ এ মারা গেছেন এমন ব্যক্তিদের দেহ মেডিকেল কলেজগুলির প্রত্যাখ্যান করা উচিত নয়।

বুধবার (২৬ মে এক টুইটে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, ‘মৃত্যুর ১২-১৪ ঘণ্টা পরে নাক, মুখ গহ্বরে সক্রিয় থাকে না করোনাভাইরাস। তাই মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালগুলিকে এমন লোকদের মৃতদেহ প্রত্যাখ্যান করা উচিত নয়, যারা কোভিড -১৯-এ মারা গেছেন কিন্তু বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও শিক্ষার উদ্দেশে মরোণত্তর দেহ দান করে গিয়েছিলেন।’

তসলিমার এই টুইটে অনেকে ইতিবাচক আবার অনেকে নেতিবাচক জবাব দিয়েছে।

শিব শংকর নামে এক জন লিখেছেন, ‘চীনা গবেষণাগারের এই ভাইরাস জীবনকে এতটাই অস্বস্তিতে ফেলেছে যে, মানুষণ কেবল ভাইরাসকেই ঘৃণা করছে না, মৃতদেহকে দৃশ্যমান ভাইরাস মনে করছে। পৃথিবীর কোনো সংস্কৃতিতে মানবতাকে কখনও অস্পৃশ্য হিসাবে বিবেচনা করা হয়নি।’

জাকুলা আইডি থেকে এক জন লিখেছেন, ‘তাহলে এখন কোভিড উপভোগ করুন।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও শিক্ষার উদ্দেশে যারা মরোণত্তর দেহ দান

আপডেট সময় ০৪:০৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মে ২০২১

সিএনএম ডেস্কঃ

ভারতে স্বেচ্ছানির্বাসিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন জানিয়েছেন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও শিক্ষার উদ্দেশে যারা মরোণত্তর দেহ দান করেছিলেন কিন্তু কোভিড-১৯ এ মারা গেছেন এমন ব্যক্তিদের দেহ মেডিকেল কলেজগুলির প্রত্যাখ্যান করা উচিত নয়।

বুধবার (২৬ মে এক টুইটে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, ‘মৃত্যুর ১২-১৪ ঘণ্টা পরে নাক, মুখ গহ্বরে সক্রিয় থাকে না করোনাভাইরাস। তাই মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালগুলিকে এমন লোকদের মৃতদেহ প্রত্যাখ্যান করা উচিত নয়, যারা কোভিড -১৯-এ মারা গেছেন কিন্তু বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও শিক্ষার উদ্দেশে মরোণত্তর দেহ দান করে গিয়েছিলেন।’

তসলিমার এই টুইটে অনেকে ইতিবাচক আবার অনেকে নেতিবাচক জবাব দিয়েছে।

শিব শংকর নামে এক জন লিখেছেন, ‘চীনা গবেষণাগারের এই ভাইরাস জীবনকে এতটাই অস্বস্তিতে ফেলেছে যে, মানুষণ কেবল ভাইরাসকেই ঘৃণা করছে না, মৃতদেহকে দৃশ্যমান ভাইরাস মনে করছে। পৃথিবীর কোনো সংস্কৃতিতে মানবতাকে কখনও অস্পৃশ্য হিসাবে বিবেচনা করা হয়নি।’

জাকুলা আইডি থেকে এক জন লিখেছেন, ‘তাহলে এখন কোভিড উপভোগ করুন।’