ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাত বছরেরও কম সময়ে ২৬.৪ বিলিয়ন ডলার দান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:৫১:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

সিএনএম ডেস্কঃ
অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের সাবেক স্ত্রী ম্যাকেঞ্জি স্কট সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বের অন্যতম বড় ব্যক্তিগত দাতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

২০১৯ সালে বেজোসের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকে তিনি তার প্রতিষ্ঠান ‘ইল্ড গিভিং’-এর মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দান করেছেন।
দীর্ঘ ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ২০১৯ সালে জেফ বেজোসের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় স্কটের। তখন তিনি অ্যামাজনের ৪ শতাংশ শেয়ার পেয়েছিলেন। বিচ্ছেদের পরপরই তিনি ‘গিভিং প্লেজ’-এ স্বাক্ষর করে নিজের জীবদ্দশায় অন্তত অর্ধেক সম্পদ মানুষের কল্যাণে দান করার প্রতিজ্ঞা করেন। সেই কথা রাখতেই ‘ইল্ড গিভিং’ নামের নিজস্ব সংস্থার মাধ্যমে তিনি অনুদান দিয়ে যাচ্ছেন।
ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্যমতে, ৫৬ বছর বয়সী ম্যাকেঞ্জি স্কট গত সাত বছরেরও কম সময়ে ২ হাজার ৬৪০ কোটি (২৬.৪ বিলিয়ন) ডলার দান করেছেন। এর মধ্যে কেবল ২০২৫ সালেই তিনি দিয়েছেন ৭২০ কোটি ডলার। অনুদানের এমন বিস্ময়কর রেকর্ডের কারণে তিনি সম্প্রতি ফোর্বসের ‘আইকোক্লাস্ট ৫০’ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। ইতিহাসে কেবল ওয়ারেন বাফেট এবং বিল ও মেলিন্ডা গেটস তার চেয়ে বেশি অর্থ দান করেছেন, তবে সেটি অনেক দীর্ঘ সময় ধরে।

স্কটের অনুদানের অর্থ শিক্ষা, সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা খাতে কাজ করা ২ হাজার ৫০০টিরও বেশি সংস্থায় যাচ্ছে। এর মধ্যে হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটিকে ৮ কোটি এবং ‘মিলস অন হুইলস আমেরিকা’-কে ৭ কোটি ডলার অনুদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তবে অবাক করার বিষয় এত বিপুল অর্থ দান করেও তার সম্পদের পরিমাণ এখনও তাকে বিশ্বের অন্যতম ধনী নারীর তালিকায় ধরে রেখেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

সাত বছরেরও কম সময়ে ২৬.৪ বিলিয়ন ডলার দান

আপডেট সময় ১২:৫১:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিএনএম ডেস্কঃ
অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের সাবেক স্ত্রী ম্যাকেঞ্জি স্কট সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বের অন্যতম বড় ব্যক্তিগত দাতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

২০১৯ সালে বেজোসের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকে তিনি তার প্রতিষ্ঠান ‘ইল্ড গিভিং’-এর মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দান করেছেন।
দীর্ঘ ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ২০১৯ সালে জেফ বেজোসের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় স্কটের। তখন তিনি অ্যামাজনের ৪ শতাংশ শেয়ার পেয়েছিলেন। বিচ্ছেদের পরপরই তিনি ‘গিভিং প্লেজ’-এ স্বাক্ষর করে নিজের জীবদ্দশায় অন্তত অর্ধেক সম্পদ মানুষের কল্যাণে দান করার প্রতিজ্ঞা করেন। সেই কথা রাখতেই ‘ইল্ড গিভিং’ নামের নিজস্ব সংস্থার মাধ্যমে তিনি অনুদান দিয়ে যাচ্ছেন।
ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্যমতে, ৫৬ বছর বয়সী ম্যাকেঞ্জি স্কট গত সাত বছরেরও কম সময়ে ২ হাজার ৬৪০ কোটি (২৬.৪ বিলিয়ন) ডলার দান করেছেন। এর মধ্যে কেবল ২০২৫ সালেই তিনি দিয়েছেন ৭২০ কোটি ডলার। অনুদানের এমন বিস্ময়কর রেকর্ডের কারণে তিনি সম্প্রতি ফোর্বসের ‘আইকোক্লাস্ট ৫০’ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। ইতিহাসে কেবল ওয়ারেন বাফেট এবং বিল ও মেলিন্ডা গেটস তার চেয়ে বেশি অর্থ দান করেছেন, তবে সেটি অনেক দীর্ঘ সময় ধরে।

স্কটের অনুদানের অর্থ শিক্ষা, সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা খাতে কাজ করা ২ হাজার ৫০০টিরও বেশি সংস্থায় যাচ্ছে। এর মধ্যে হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটিকে ৮ কোটি এবং ‘মিলস অন হুইলস আমেরিকা’-কে ৭ কোটি ডলার অনুদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তবে অবাক করার বিষয় এত বিপুল অর্থ দান করেও তার সম্পদের পরিমাণ এখনও তাকে বিশ্বের অন্যতম ধনী নারীর তালিকায় ধরে রেখেছে।