ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউনাইটেডকে রুখে দিল এভারটন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:৫৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

সিএনএম ডেস্কঃ
ম্যাচ শেষ হতে বাকি ছিল মাত্র কয়েক সেকেন্ড। প্রতিপক্ষের কঠিন চ্যালেঞ্জ সামলে নাটকীয় জয়ের পথেই এগোচ্ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সব হিসাব বদলে দেন মেইটল্যান্ড-নাইলস। তাঁর দারুণ গোলে মূল্যবান এক পয়েন্ট আদায় করে নেয় এভারটন।
রোববার প্রিমিয়ার লিগে এভারটনের মাঠে দুইবার এগিয়ে গিয়েও জয় পায়নি ইউনাইটেড। রোমাঞ্চকর লড়াইটি শেষ হয়েছে ২-২ গোলে ড্রয়ে।

চারটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। ব্রায়ান এমবুমোর গোলে এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। ৮৩তম মিনিটে তারিক জর্জ সমতায় ফেরানোর পর ৮৮তম মিনিটে বেনিয়ামিন শেশকোর গোলে আবার এগিয়ে যায় সফরকারীরা। যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে মেইটল্যান্ড-নাইলসের গোলে সমতা ফেরায় এভারটন।

প্রায় পুরো ম্যাচেই প্রিমিয়ার লিগের রেকর্ড চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছে স্বাগতিকরা। বল দখলে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও গোলের প্রচেষ্টায় এগিয়ে ছিল এভারটন। তারা ১৮টি শট নিয়ে ছয়টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। ইউনাইটেডের ১৪ শটের মধ্যে লক্ষ্যে ছিল তিনটি।
ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত ইউনাইটেড। ডি-বক্সে সতীর্থের হেড পাস পেয়ে ভলি করেন ব্রুনো ফের্নান্দেস। তাঁর শট গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।

২২তম মিনিটে আবারও ভীতি ছড়ায় ইউনাইটেড। এবার ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড মাতেউস কুনহার জোরাল শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

বিরতির আগে দারুণ সুযোগ তৈরি করে এভারটন। তবে কাছ থেকে ফরাসি স্ট্রাইকার তিয়ের্নো বাহরির হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

বিরতির পর খেলা শুরু হতেই একক নৈপুণ্যে দারুণ গোলে ইউনাইটেডকে এগিয়ে দেন এমবুমো। ডান দিক থেকে বল পায়ে আড়াআড়ি এগিয়ে প্রতিপক্ষের একাধিক খেলোয়াড়ের মাঝ দিয়ে জায়গা তৈরি করে জোরাল শটে বল জালে পাঠান ক্যামেরুনের এই ফরোয়ার্ড।
৬১তম মিনিটে রাশফোর্ডের ছোট পাস ধরতে গিয়ে প্রতিপক্ষের চ্যালেঞ্জে ডি-বক্সে পড়ে যান কুনহা। পেনাল্টির আবেদন করে ইউনাইটেড, তবে রেফারি তাতে সাড়া দেননি।

৮৩তম মিনিটে অসাধারণ নৈপুণ্যে এভারটনকে সমতায় ফেরান তারিক জর্জ। সতীর্থের পাস ধরে ডি-বক্সে জায়গা বানিয়ে বুলেট গতির শট নেন তিনি। বল কাছের পোস্ট ঘেঁষে জালে জড়ায়।
পাঁচ মিনিট পরেই ফের এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। ফের্নান্দেসের পাস ধরে বাঁ দিক থেকে ক্রস বাড়ান লুক শ। সবার ওপরে লাফিয়ে জোরাল হেডে গোল করেন কিছুক্ষণ আগে কুনহার বদলি হিসেবে মাঠে নামা শেশকো।

গত মৌসুমে এই মাঠেই জয়সূচক গোল করেছিলেন স্লোভেনিয়ার এই ফরোয়ার্ড। সেবার ১-০ গোলে জিতেছিল ইউনাইটেড। এবারও দলকে জয়ের পথে এগিয়ে দিয়েছিলেন শেশকো, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই জয় ধরে রাখতে পারেনি তারা।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মরিয়া হয়ে আক্রমণে ওঠে এভারটন। ইউনাইটেডের খেলোয়াড়েরা বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে ডি-বক্সের বেশ বাইরে বল পেয়ে যান মেইটল্যান্ড-নাইলস। এরপর বুলেট গতির শটে বল জালে পাঠিয়ে সমতা ফেরান ইংলিশ এই মিডফিল্ডার।

এই ড্রয়ে তিন ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে ১১ নম্বরে রয়েছে ইউনাইটেড। এক জয় ও দুই ড্রয়ে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে আছে এভারটন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউনাইটেডকে রুখে দিল এভারটন

আপডেট সময় ১২:৫৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিএনএম ডেস্কঃ
ম্যাচ শেষ হতে বাকি ছিল মাত্র কয়েক সেকেন্ড। প্রতিপক্ষের কঠিন চ্যালেঞ্জ সামলে নাটকীয় জয়ের পথেই এগোচ্ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সব হিসাব বদলে দেন মেইটল্যান্ড-নাইলস। তাঁর দারুণ গোলে মূল্যবান এক পয়েন্ট আদায় করে নেয় এভারটন।
রোববার প্রিমিয়ার লিগে এভারটনের মাঠে দুইবার এগিয়ে গিয়েও জয় পায়নি ইউনাইটেড। রোমাঞ্চকর লড়াইটি শেষ হয়েছে ২-২ গোলে ড্রয়ে।

চারটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। ব্রায়ান এমবুমোর গোলে এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। ৮৩তম মিনিটে তারিক জর্জ সমতায় ফেরানোর পর ৮৮তম মিনিটে বেনিয়ামিন শেশকোর গোলে আবার এগিয়ে যায় সফরকারীরা। যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে মেইটল্যান্ড-নাইলসের গোলে সমতা ফেরায় এভারটন।

প্রায় পুরো ম্যাচেই প্রিমিয়ার লিগের রেকর্ড চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছে স্বাগতিকরা। বল দখলে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও গোলের প্রচেষ্টায় এগিয়ে ছিল এভারটন। তারা ১৮টি শট নিয়ে ছয়টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। ইউনাইটেডের ১৪ শটের মধ্যে লক্ষ্যে ছিল তিনটি।
ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত ইউনাইটেড। ডি-বক্সে সতীর্থের হেড পাস পেয়ে ভলি করেন ব্রুনো ফের্নান্দেস। তাঁর শট গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।

২২তম মিনিটে আবারও ভীতি ছড়ায় ইউনাইটেড। এবার ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড মাতেউস কুনহার জোরাল শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

বিরতির আগে দারুণ সুযোগ তৈরি করে এভারটন। তবে কাছ থেকে ফরাসি স্ট্রাইকার তিয়ের্নো বাহরির হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

বিরতির পর খেলা শুরু হতেই একক নৈপুণ্যে দারুণ গোলে ইউনাইটেডকে এগিয়ে দেন এমবুমো। ডান দিক থেকে বল পায়ে আড়াআড়ি এগিয়ে প্রতিপক্ষের একাধিক খেলোয়াড়ের মাঝ দিয়ে জায়গা তৈরি করে জোরাল শটে বল জালে পাঠান ক্যামেরুনের এই ফরোয়ার্ড।
৬১তম মিনিটে রাশফোর্ডের ছোট পাস ধরতে গিয়ে প্রতিপক্ষের চ্যালেঞ্জে ডি-বক্সে পড়ে যান কুনহা। পেনাল্টির আবেদন করে ইউনাইটেড, তবে রেফারি তাতে সাড়া দেননি।

৮৩তম মিনিটে অসাধারণ নৈপুণ্যে এভারটনকে সমতায় ফেরান তারিক জর্জ। সতীর্থের পাস ধরে ডি-বক্সে জায়গা বানিয়ে বুলেট গতির শট নেন তিনি। বল কাছের পোস্ট ঘেঁষে জালে জড়ায়।
পাঁচ মিনিট পরেই ফের এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। ফের্নান্দেসের পাস ধরে বাঁ দিক থেকে ক্রস বাড়ান লুক শ। সবার ওপরে লাফিয়ে জোরাল হেডে গোল করেন কিছুক্ষণ আগে কুনহার বদলি হিসেবে মাঠে নামা শেশকো।

গত মৌসুমে এই মাঠেই জয়সূচক গোল করেছিলেন স্লোভেনিয়ার এই ফরোয়ার্ড। সেবার ১-০ গোলে জিতেছিল ইউনাইটেড। এবারও দলকে জয়ের পথে এগিয়ে দিয়েছিলেন শেশকো, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই জয় ধরে রাখতে পারেনি তারা।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মরিয়া হয়ে আক্রমণে ওঠে এভারটন। ইউনাইটেডের খেলোয়াড়েরা বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে ডি-বক্সের বেশ বাইরে বল পেয়ে যান মেইটল্যান্ড-নাইলস। এরপর বুলেট গতির শটে বল জালে পাঠিয়ে সমতা ফেরান ইংলিশ এই মিডফিল্ডার।

এই ড্রয়ে তিন ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে ১১ নম্বরে রয়েছে ইউনাইটেড। এক জয় ও দুই ড্রয়ে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে আছে এভারটন।