সিএনএমঃ
আগামীর বাংলাদেশ গঠনে আলেম-ওলামা ও সমাজের সৎ ও যোগ্য মানুষদের স্থানীয় সরকার পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের ১০ দলীয় জোট সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মরহুম মাওলানা আজমির হুসাইন (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
হান্নান মাসউদ বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এ দেশের আলেম সমাজ ধারাবাহিকভাবে নির্যাতন, অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হয়েছে। সমাজে আলেম-ওলামাদের যে সম্মান ও মর্যাদা পাওয়ার কথা ছিল, তা তারা পাননি। একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে আলেম সমাজের এ ধরনের অবমূল্যায়ন আমাদের জন্য লজ্জাজনক।
তিনি আরও বলেন, অতীতের ফ্যাসিস্ট শাসনামলে ওয়াজ মাহফিল পরিচালনার জন্যও অনুমতি নিতে হতো, যা ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী। দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও আলেম সমাজকে গুটিকয়েক মানুষের কাছে জিম্মি করে রাখা হয়েছিল। এসব বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী দিনের করণীয় প্রসঙ্গে হান্নান মাসউদ বলেন, সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করতে হলে আলেম-ওলামা ও সৎ, নীতিবান মানুষদেরই ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ও চেয়ারম্যান পদে এগিয়ে আসতে হবে। তাদের নেতৃত্বেই সমাজে ন্যায়বিচার ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হলে ১২ তারিখের গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে অবস্থান নেওয়া জরুরি। এই গণভোটের মাধ্যমেই জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হবে।
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মার্কেট মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা ক্বারি মাহমুদুল হাসান, বিভিন্ন মাদ্রাসা ও মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা মুফতি সারওয়ার কাসেমী, হাতিয়া উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ-সভাপতি মুফতি সাহেদুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের সভাপতি মাওলানা কাউসার আহমেদসহ স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বহু বরণ্য আলেম ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব।