ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিল গেটস করোনা পজিটিভ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মে ২০২২
  • ২৩৬ বার পড়া হয়েছে

করোনা পজিটিভ বলে নিজেই জানিয়েছেন মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। এক টুইটে এ তথ্য জানিয়ে লিখেছেন, তার মৃদু উপসর্গ রয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মে) করোনা পজিটিভ হওয়ার তথ্য জানিয়ে টুইট করেছেন শীর্ষস্থানীয় এ ধনকুবের। করোনা পজিটিভ হওয়ার পর আইসোলেশনে আছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

টুইটে তিনি লেখেন, আমার করোনা পজিটিভ হয়েছে। মৃদু উপসর্গ রয়েছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত নিজেকে আইসোলেশনে রাখছি।

আরেক টুইটে তিনি লেখেন, আমি সৌভাগ্যবান যে আমি টিকা পেয়েছি এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও দুর্দান্ত চিকিৎসা সেবা পেয়েছি।

করোনাভাইরাস মহামারি অবসানে সোচ্চার ভূমিকা রাখছেন বিল গেটস। বিশেষ করে বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোতে করোনা টিকা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ বাড়াতে মার্কিন এই ধনকুবের বেশ সক্রিয়।

গত বছরের অক্টোবর মাসে গেটস ফাউন্ডেশন জানিয়েছিল, নিম্ন আয়ের দেশগুলোর জন্য ১২ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় করবে তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

বিল গেটস করোনা পজিটিভ

আপডেট সময় ১০:৪৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মে ২০২২

করোনা পজিটিভ বলে নিজেই জানিয়েছেন মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। এক টুইটে এ তথ্য জানিয়ে লিখেছেন, তার মৃদু উপসর্গ রয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মে) করোনা পজিটিভ হওয়ার তথ্য জানিয়ে টুইট করেছেন শীর্ষস্থানীয় এ ধনকুবের। করোনা পজিটিভ হওয়ার পর আইসোলেশনে আছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

টুইটে তিনি লেখেন, আমার করোনা পজিটিভ হয়েছে। মৃদু উপসর্গ রয়েছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত নিজেকে আইসোলেশনে রাখছি।

আরেক টুইটে তিনি লেখেন, আমি সৌভাগ্যবান যে আমি টিকা পেয়েছি এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও দুর্দান্ত চিকিৎসা সেবা পেয়েছি।

করোনাভাইরাস মহামারি অবসানে সোচ্চার ভূমিকা রাখছেন বিল গেটস। বিশেষ করে বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোতে করোনা টিকা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ বাড়াতে মার্কিন এই ধনকুবের বেশ সক্রিয়।

গত বছরের অক্টোবর মাসে গেটস ফাউন্ডেশন জানিয়েছিল, নিম্ন আয়ের দেশগুলোর জন্য ১২ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় করবে তারা।