1. hrhfbd01977993@gmail.com : admi2017 :
  2. editorr@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
  3. editor@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধ ব্যয়ের অর্থ জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় ব্যবহার হলে বিশ্ব রক্ষা পেত: প্রধানমন্ত্রী আসামী প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুজে পায় না তাকে আরআরএফের সভাপতি হাবিবুল্লাহ মিজান, সম্পাদক নিশাত বিজয় দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছতার সাথে সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাই হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৪ এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু চিরন্তন সত্য — জিএম জামাল কষ্টের জীবন — জিএম জামাল শত বছরের পুরানো কবরস্থানের জায়গায় ভবন নির্মাণের অভিযোগ

শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল, ২০২২, ১০.৫৫ এএম
  • ১২২ বার পড়া হয়েছে

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় টাকার বিনিময়ে টিসিবির কার্ড দেওয়ার প্রতিবাদ করায় এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। সোমবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বাদী হয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানায় মামলাটি করেন। 

অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের নাম আবদুর রউফ (৪৫)। তিনি গঙ্গাচড়ার কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। অভিযোগকারী শিক্ষার্থীর নাম ফরিদুল ইসলাম। তিনি রংপুর কারমাইকেল কলেজের স্নাতকের শিক্ষার্থী।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নির্দেশে টিসিবির ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার জন্য এলাকার দুস্থ ও গরিব পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে অবৈধভাবে ২০০ টাকা করে নেন। এ ঘটনায় গত ২২ মার্চ চেয়ারম্যান আবদুর রউফের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোলকোন্দ গ্রামের ফরিদুল ইসলামসহ ভুক্তভোগী চারজন জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে চেয়ারম্যান ও অভিযুক্ত আসামিরা বিভিন্ন সময়ে ফরিদুল ইসলামকে ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন।

ওই অভিযোগের ঘটনায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি গত বৃহস্পতিবার (০৭ এপ্রিল) বিকেলে ইউপি কার্যালয়ে গিয়ে ঘটনার তদন্ত করেন। এ সময় তদন্তকারী দলের সদস্যরা অভিযোগকারী ফরিদুলকে ডেকে ঘটনার বিষয়ে লিখিত সাক্ষ্য নিয়ে চলে যান।

তদন্ত কমিটি চলে যাওয়ার পর চেয়ারম্যান আবদুর রউফের নির্দেশে তার অনুসারীরা ফরিদুল ইসলামের ওপর হামলা চালান। এক পর্যায়ে ফরিদুলকে টেনেহিঁচড়ে স্থানীয় পীরেরহাট বাজারে চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে নিয়ে মারধর করেন। ঘটনাটি জানতে পেরে গঙ্গাচড়া মডেল থানা পুলিশ আহত ফরিদুলকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন।

রোববার দুপুরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুশান্ত কুমার সরকার ও পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফ আলী নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করে ঘটনার বিস্তারিত শুনেন। এরপর সোমবার পুলিশ ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগটি থানায় নথিভুক্ত করে।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুশান্ত কুমার সরকার জানান, গত বৃহস্পতিবার লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরে শুক্রবার ইউপি চেয়ারম্যান সাদা কাগজে একটি মীমাংসাপত্র থানায় জমা দেন। এ কারণে অভিযোগটি নথিভুক্ত করতে বিলম্ব হয়েছে।

দেরিতে হলেও মামলা নথিভুক্ত হওয়াতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ফরিদুল ইসলাম। তিনি অভিযোগ করে বলেন, টাকার বিনিময়ে টিসিবির কার্ড দেওয়ার বিষয়টি লিখিতভাবে প্রথমে ইউএনওকে জানানো হলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এখন মামলা নথিভুক্ত হয়েছে জেনে ভালো লাগছে। কিন্তু চেয়ারম্যান ও তার লোকজন যেভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন, তাতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি চেয়ারম্যানসহ অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি করছি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

জাতীয় ঈদগাহে সুষ্ঠুভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত করার লক্ষে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। এছাড়াও রাজধানীর প্রতিটি ঈদ জামাতকে ঘিরে আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ডিএমপি কমিশনার। ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীর প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। জাতীয় ঈদগাহে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধান বিচারপতি, মাননীয় বিচারপতিবৃন্দ, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবর্গ, ঢাকাস্থ মুসলিম দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঈদ জামাত আদায় করবেন। প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একত্রে এই ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করতে পারবেন। গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, ঈদের প্রধান জামাতসহ রাজধানীর সকল মসজিদ ও ইদগাহে ঈদের জামাতকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদগাহ ও আশপাশ এলাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এর ইকুইপমেন্ট ও ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করানো হবে। পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়াও ড্রোন পেট্রোলিং ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে জাতীয় ঈদগাহের চারপাশে বহির্বেষ্টনী ও আন্ত:বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে। প্রবেশ গেটে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশ, এসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা সিভিল পোশাকে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোয়াট টিম, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে। এছাড়াও দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিস ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবায় মেডিকেল টিম নিয়োজিত থাকবে। তিনি বলেন, প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে দশটি স্থানে পার্কিং ব্যবস্থা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক রমনা বিভাগ। ঈদ জামাত ঘিরে আটটি রাস্তা ডাইভারসন দেওয়া হবে, যাতে কোনোরকমের হয়রানি ছাড়া মুসল্লিরা আসতে পারেন। নারীদের জন্য নামাজের পৃথক ব্যবস্থা থাকবে, তাদেরকে নারী পুলিশ সদস্যরা তল্লাশি করবেন। তিনি আরো বলেন, এবার ঢাকায় ১৮৪টি ঈদগাহে ও ১ হাজার ৪৮৮ টি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেকটি ঈদ জামাতের জন্য আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। একটি জামাতও নিরাপত্তা বলয়ের বাইরে থাকবে না। নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা ঈদের নামাজে অংশ নিতে আসবেন তারা আমাদের তল্লাশি কার্যক্রমে সাহায্য করবেন। কেউ দাহ্য বা ধারালো বস্তু নিয়ে আসবেন না। যে কোনো সমস্যা হলে পুলিশকে জানান। জামাত থেকে বের হওয়ার সময় ধৈর্যের সঙ্গে সুশৃঙ্খলভাবে বের হবেন। সাংবাদিকদেরে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকায় পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) কোনো তৎপরতার তথ্য নেই। পাশাপাশাপি কোন ধরনের জঙ্গি তৎপরতার তথ্যও নেই। তারপরও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সকল বিষয় বিবেচনায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বাস মালিক সমিতিসহ সকল স্টেকহোল্ডারদের আমাদের বৈঠক হয়েছে। তারা আমাদের নির্ধারিত ভাড়া আদায়েরর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাজধানীর সকল যাত্রীবাহী বাস কাউন্টার ও স্টেশনগুলোতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তৎপর রয়েছে। কোন ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খঃ মহিদ উদ্দিন বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মহাঃ আশরাফুজ্জামান বিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মুনিবুর রহমান বিপিএম-সেবা; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম (বার); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম (বার), পিপিএম (বার); যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণসহ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

themesbazar_crimenew87
© All rights reserved © 2015-2021
Site Customized Crimenewsmedia24.Com