1. hrhfbd01977993@gmail.com : admi2017 :
  2. editorr@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
  3. editor@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫
সংবাদ শিরোনাম ::
ক্ষমতার জন্য বিএনপি বিদেশি প্রভুদের দাসত্ব করছে : ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে থাই বিনিয়োগ চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী যাত্রাবাড়িতে পপুলার ও বলাকা আবাসিক হোটেলে মাদক বেচা-কেনা ও সেবনের মেলা মিলেছে বসেছে নারী বেচা-কেনার হাট বিশ্বের প্রতি যুদ্ধকে ‘না’ বলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর থাইল্যান্ডে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা আসামী প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুজে পায় না যুদ্ধ ব্যয়ের অর্থ জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় ব্যবহার হলে বিশ্ব রক্ষা পেত: প্রধানমন্ত্রী আসামী প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুজে পায় না তাকে আরআরএফের সভাপতি হাবিবুল্লাহ মিজান, সম্পাদক নিশাত বিজয় দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী

৪০ বছর বয়সের পর নারী শ্রমিকদের কারখানা ছাড়তে হয়!

  • আপডেট সময় রবিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২২, ৩.১৬ পিএম
  • ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

দেশের আইনে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত নারী শ্রমিকদের কাজ করতে পারার কথা বলা থাকলেও, ৪০ এর পর অনেককে কারখানা ছেড়ে চলে যেতে হয়। গ্রিন ফ্যাক্টরি, প্লাটিনাম ও গোল্ড ফ্যাক্টরির কথা বলা হলেও আমাদের মূল কাঠামোই ঠিক নেই। অনেক গ্রিন ফ্যাক্টরি ঠিকমত বেতনও দেয় না বলে অভিযোগ করেছেন সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার।

রোববার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টার অডিটোরিয়ামে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত এক ডায়ালগে অংশ নিয়ে তিনি এমন অভিযোগ করেন।

নাজমা আক্তার বলেন, কাজ করতে গেলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। শুধু অবকাঠামো উন্নত হলে হবে না, এখানে নারী শ্রমিকদের অধিকার ও তাদের সুরক্ষা বড় প্রশ্ন। কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন কোনো আইন কিন্তু নেই। এটা করতে হবে। আইএলও কনভেনশনের ১৯০ আর্টিকেলকে বাংলাদেশে বাস্তবায়ন করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো আমাদের নারী শ্রমিকেরা ৪০ বছর বয়সের পর ফ্যাক্টরিতে থাকতে পারেন না। ফ্যাক্টরি ছেড়ে তারা কোথায় যায়, কী করছে সেটার কিন্তু খোঁজ রাখছি না। বাংলাদেশ জনবহুল দেশ হিসাবে শ্রমশক্তি বড় সম্পদ। দেশের আইনে আছে ৬০ বছর পর্যন্ত কাজ করতে পারবে, সেখানে ৪০ এর পরে নারী শ্রমিক ঝরে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, মালিকরা প্রতিনিয়ত আইন ভঙ্গ করে যাচ্ছেন। মেয়েদের কম মজুরি দিয়ে অনেক ধরনের হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা গ্রিন ফ্যাক্টরি, প্লাটিনাম ও গোল্ডের কথা বলি। কিন্তু আমাদের মূল কাঠামোই ঠিক নেই। অনেক গ্রিন ফ্যাক্টরি ঠিকমত বেতনও দেয় না। হয়ত ফ্যাক্টরির ইট-পাথর সুন্দর। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত ভেতরের সিস্টেমগুলো সুন্দর না হবে, ততক্ষণে কিন্তু সামনে এগোবে না। একপেশে কিন্তু হবে না। সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে কীভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়, সেই চেষ্টা থাকতে হবে। কীভাবে শ্রমিকদের রক্ষা করা যায়, সেই জায়গায় মালিক ও ব্রান্ডের কর্তাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

কেমিক্যাল ব্যবহারে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে উল্লেখ করে নাজমা বলেন, নিট ফ্যাক্টরিতে বাংলাদেশে সবচেয়ে ভালো বলছি। কিন্তু কেন পৃথিবীর অন্যান্য দেশে এই ফ্যাক্টরি চায় না। কারণ এটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। নিট ফ্যাক্টরিতে সবচেয়ে বেশি কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। আমরা কতটুকু গ্রিন ফ্যাক্টরির নিয়ম মানছি? আজকে ঢাকা, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জসহ আশেপাশে গেলে দেখবেন প্রতিনিয়ত লাল, সবুজ ও নীল রংয়ের পানি নদী-নালায় মিশে যাচ্ছে। সেখান থেকে পরিবেশ ও মানুষের মারাত্মক ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছি। আমাদের মৎস্যসম্পদ পুরোপুরি ক্ষতির মুখোমুখি। একদিকে আমাদের ব্যবসা হচ্ছে, অন্যদিকে আমাদের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এটা কতটুকু দেখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

জাতীয় ঈদগাহে সুষ্ঠুভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত করার লক্ষে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। এছাড়াও রাজধানীর প্রতিটি ঈদ জামাতকে ঘিরে আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ডিএমপি কমিশনার। ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীর প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। জাতীয় ঈদগাহে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধান বিচারপতি, মাননীয় বিচারপতিবৃন্দ, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবর্গ, ঢাকাস্থ মুসলিম দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঈদ জামাত আদায় করবেন। প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একত্রে এই ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করতে পারবেন। গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, ঈদের প্রধান জামাতসহ রাজধানীর সকল মসজিদ ও ইদগাহে ঈদের জামাতকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদগাহ ও আশপাশ এলাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এর ইকুইপমেন্ট ও ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করানো হবে। পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়াও ড্রোন পেট্রোলিং ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে জাতীয় ঈদগাহের চারপাশে বহির্বেষ্টনী ও আন্ত:বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে। প্রবেশ গেটে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশ, এসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা সিভিল পোশাকে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোয়াট টিম, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে। এছাড়াও দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিস ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবায় মেডিকেল টিম নিয়োজিত থাকবে। তিনি বলেন, প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে দশটি স্থানে পার্কিং ব্যবস্থা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক রমনা বিভাগ। ঈদ জামাত ঘিরে আটটি রাস্তা ডাইভারসন দেওয়া হবে, যাতে কোনোরকমের হয়রানি ছাড়া মুসল্লিরা আসতে পারেন। নারীদের জন্য নামাজের পৃথক ব্যবস্থা থাকবে, তাদেরকে নারী পুলিশ সদস্যরা তল্লাশি করবেন। তিনি আরো বলেন, এবার ঢাকায় ১৮৪টি ঈদগাহে ও ১ হাজার ৪৮৮ টি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেকটি ঈদ জামাতের জন্য আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। একটি জামাতও নিরাপত্তা বলয়ের বাইরে থাকবে না। নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা ঈদের নামাজে অংশ নিতে আসবেন তারা আমাদের তল্লাশি কার্যক্রমে সাহায্য করবেন। কেউ দাহ্য বা ধারালো বস্তু নিয়ে আসবেন না। যে কোনো সমস্যা হলে পুলিশকে জানান। জামাত থেকে বের হওয়ার সময় ধৈর্যের সঙ্গে সুশৃঙ্খলভাবে বের হবেন। সাংবাদিকদেরে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকায় পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) কোনো তৎপরতার তথ্য নেই। পাশাপাশাপি কোন ধরনের জঙ্গি তৎপরতার তথ্যও নেই। তারপরও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সকল বিষয় বিবেচনায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বাস মালিক সমিতিসহ সকল স্টেকহোল্ডারদের আমাদের বৈঠক হয়েছে। তারা আমাদের নির্ধারিত ভাড়া আদায়েরর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাজধানীর সকল যাত্রীবাহী বাস কাউন্টার ও স্টেশনগুলোতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তৎপর রয়েছে। কোন ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খঃ মহিদ উদ্দিন বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মহাঃ আশরাফুজ্জামান বিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মুনিবুর রহমান বিপিএম-সেবা; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম (বার); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম (বার), পিপিএম (বার); যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণসহ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

themesbazar_crimenew87
© All rights reserved © 2015-2021
Site Customized Crimenewsmedia24.Com