ঢাকা ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে ঈদ মেলার আয়োজন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৪:৪৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ মে ২০২১
  • ৩৫০ বার পড়া হয়েছে

ঈদ মেলার আয়োজন

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার বরপা বালুর মাঠ এলাকায় তারাব পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জাকারিয়া মোল্লা তার জমিতে ঈদ মেলার আয়োজন করেছেন।
সারা দেশে চলছে লকডাউন। লকডাউনের মাঝে সকল প্রকার সভা-সমাবেশ, অনুষ্ঠান ও মেলার আয়োজন নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

স্থানীয়রা জানান,সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে গত রোববার (১৬ মে) থেকে শুরু হয়েছে ঈদ উপলক্ষে আয়োজন করা মেলা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারাব পৌরসভার বরপা এলাকার বালুর মাঠটি স্থানীয় কাউন্সিলর জাকারিয়া মোল্লার। তিনি তার জমিতে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৬ মে থেকে ১৫ দিন ব্যাপী মেলার আয়োজন করেন। মেলাতে আসা দর্শনার্থীদের মাঝে স্বাস্থ্যবিধির কোন বালাই ছিল না। স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ ও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব খাটিয়ে কাউন্সিলর ঈদ মেলার আয়োজন করেন। এ জন্য মেলার দোকানদারদের দৈনিক ৪ হাজার টাকা মেলার জন্য ভাড়া দিতে হয়। বিকেল হলেই মেলাতে হাজার দর্শনার্থী ভিড় জমায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, মেলায় প্রবেশের প্রধান ফটকের সামনে হলুদ রংয়ের কাপড়ে লাল-কালো রংয়ে লেখা মেলা! মেলা! মেলা! ঈদ আনন্দ মেলা। গেটের সামনেই জিলাপি ও মুড়ি-মুড়কির দোকান। আর একটু ভেতরে গেলেই দেখা মিলে ছোটদের ১৪-২০টি খেলনার দোকান। এ ছাড়া বসানো হয়েছে শিশুদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন ধরনের রাইড।
অভিভাবকরা শিশুদের আনন্দ দিতে নিয়ে আসছেন মেলাতে। অভিভাবক ও শিশুদের কারো মাঝে কোন প্রকার সচেতনতা লক্ষ্য করা যায়নি। মেলায় আসা বেশির ভাগ মানুষের মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন মেলার আয়োজন দুঃখজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কাউন্সিলর জাকারিয়া মোল্লা বলেন, এ ব্যাপারে আমি ফোনে কোন কথা বলতে রাজি নয়। আপনি আমার অফিসে এলে এ ব্যাপারে কথা বলব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূসরাত জাহান বলেন, কাউন্সিলরের উদ্যেগে মেলা বসানোর বিষয়টি আমার জানা নেই। এখনই সেখানে গিয়ে মেলা বন্ধ করে দিচ্ছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে ঈদ মেলার আয়োজন

আপডেট সময় ০৪:৪৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ মে ২০২১

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার বরপা বালুর মাঠ এলাকায় তারাব পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জাকারিয়া মোল্লা তার জমিতে ঈদ মেলার আয়োজন করেছেন।
সারা দেশে চলছে লকডাউন। লকডাউনের মাঝে সকল প্রকার সভা-সমাবেশ, অনুষ্ঠান ও মেলার আয়োজন নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

স্থানীয়রা জানান,সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে গত রোববার (১৬ মে) থেকে শুরু হয়েছে ঈদ উপলক্ষে আয়োজন করা মেলা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারাব পৌরসভার বরপা এলাকার বালুর মাঠটি স্থানীয় কাউন্সিলর জাকারিয়া মোল্লার। তিনি তার জমিতে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৬ মে থেকে ১৫ দিন ব্যাপী মেলার আয়োজন করেন। মেলাতে আসা দর্শনার্থীদের মাঝে স্বাস্থ্যবিধির কোন বালাই ছিল না। স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ ও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব খাটিয়ে কাউন্সিলর ঈদ মেলার আয়োজন করেন। এ জন্য মেলার দোকানদারদের দৈনিক ৪ হাজার টাকা মেলার জন্য ভাড়া দিতে হয়। বিকেল হলেই মেলাতে হাজার দর্শনার্থী ভিড় জমায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, মেলায় প্রবেশের প্রধান ফটকের সামনে হলুদ রংয়ের কাপড়ে লাল-কালো রংয়ে লেখা মেলা! মেলা! মেলা! ঈদ আনন্দ মেলা। গেটের সামনেই জিলাপি ও মুড়ি-মুড়কির দোকান। আর একটু ভেতরে গেলেই দেখা মিলে ছোটদের ১৪-২০টি খেলনার দোকান। এ ছাড়া বসানো হয়েছে শিশুদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন ধরনের রাইড।
অভিভাবকরা শিশুদের আনন্দ দিতে নিয়ে আসছেন মেলাতে। অভিভাবক ও শিশুদের কারো মাঝে কোন প্রকার সচেতনতা লক্ষ্য করা যায়নি। মেলায় আসা বেশির ভাগ মানুষের মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন মেলার আয়োজন দুঃখজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কাউন্সিলর জাকারিয়া মোল্লা বলেন, এ ব্যাপারে আমি ফোনে কোন কথা বলতে রাজি নয়। আপনি আমার অফিসে এলে এ ব্যাপারে কথা বলব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূসরাত জাহান বলেন, কাউন্সিলরের উদ্যেগে মেলা বসানোর বিষয়টি আমার জানা নেই। এখনই সেখানে গিয়ে মেলা বন্ধ করে দিচ্ছি।