ঢাকা ১০:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিতাসে হত্যা মামলার আসামীকে মারধরের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:০৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ২৯৭ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধি:
কুমিল্লা তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের যুবলীগের সহ-সভাপতি মো.জহির মোল্লার হত্যা মামলার আসামী মো. জসিম উদ্দিনকে (৪০) মারধর করে গুরতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টায় উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের দুলারামপুর বাজারে। পরে ট্রিপল নাইনে খবর পেয়ে তিতাস থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে আহত জসিমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, জসিম হত্যা মামলার আসামী হয়ে দীর্ঘদিন পলাতক ছিল। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নয়ন মিয়া জসিমসহ কয়েক জনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে অভিযোগ পত্র দাখিল করলে জসিম দুই সপ্তাহ আগে বাড়িতে আসে। বুধবার সন্ধ্যায় দুলারামপুর বাজারে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজনের হাতে মারধরের শিকার হন।
 জসিমের স্ত্রী জুলেখা আক্তার বলেন, নিরপরাধ আমার স্বামীকে হত্যা মামলায় আসামী করা হয়েছে।এক বছর যাবৎ আমার স্বামী বাড়িতে আসতে পারেনা। মামলা থেকে আমার স্বামীর নাম বাদ দিলে দুই সপ্তাহ আগে বাড়িতে আসে। বুধবার সন্ধ্যায় মোবাইলে রিচার্জ করতে দুলারামপুর বাজারে গেলে আবু মোল্লার লোকজন আমার স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে, পরে পুলিশ এসে আমার স্বামীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
জহির হত্যা মামলার বাদী মো. এসহাক মোল্লা জুয়েল বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় আমার ছোট ভাই আজিজুল দুলারামপুর বাজারে গেলে আমার ভাই যুবলীগ নেতা জহির হত্যা মামলার আসামী জসিম, মোখলেছ মেম্বার, খলিল ও জলিলসহ ১০/১২ জন পরিকল্পিতভাবে আমার ছোট ভাই আজিজুলের ওপর হামলা করে গুরতর আহত করে।
 মোখলেছ মেম্বার বলেন, আমি জহির হত্যার ঘটনার সাথে জরিত ছিলাম না, তারপরও আমাকে আসামী করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে আমি এক বছর পর বাড়িতে আসছি। আসার পর থেকে আজ ১৫ দিন হয় আমি বাড়ির বাহিরে যাইনা। বুধবার সন্ধ্যায় জসিম দুলারাপুর বাজারে গেলে তাকে আবু মোল্লার লোকজন অতর্কিত হামলা করে গুরতর আহত করেছে বলে শুনেছি।
তিতাস থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাঞ্চন কান্তি দাস বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় দুলারামপুর বাজারে মারামারির খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি এখন পরিস্থিতি শান্ত আছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর দিনেদুপুরে যুবলীগ নেতা জহির মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। জহির ভিটিকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিতাসে হত্যা মামলার আসামীকে মারধরের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:০৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধি:
কুমিল্লা তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের যুবলীগের সহ-সভাপতি মো.জহির মোল্লার হত্যা মামলার আসামী মো. জসিম উদ্দিনকে (৪০) মারধর করে গুরতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টায় উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের দুলারামপুর বাজারে। পরে ট্রিপল নাইনে খবর পেয়ে তিতাস থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে আহত জসিমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, জসিম হত্যা মামলার আসামী হয়ে দীর্ঘদিন পলাতক ছিল। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নয়ন মিয়া জসিমসহ কয়েক জনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে অভিযোগ পত্র দাখিল করলে জসিম দুই সপ্তাহ আগে বাড়িতে আসে। বুধবার সন্ধ্যায় দুলারামপুর বাজারে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজনের হাতে মারধরের শিকার হন।
 জসিমের স্ত্রী জুলেখা আক্তার বলেন, নিরপরাধ আমার স্বামীকে হত্যা মামলায় আসামী করা হয়েছে।এক বছর যাবৎ আমার স্বামী বাড়িতে আসতে পারেনা। মামলা থেকে আমার স্বামীর নাম বাদ দিলে দুই সপ্তাহ আগে বাড়িতে আসে। বুধবার সন্ধ্যায় মোবাইলে রিচার্জ করতে দুলারামপুর বাজারে গেলে আবু মোল্লার লোকজন আমার স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে, পরে পুলিশ এসে আমার স্বামীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
জহির হত্যা মামলার বাদী মো. এসহাক মোল্লা জুয়েল বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় আমার ছোট ভাই আজিজুল দুলারামপুর বাজারে গেলে আমার ভাই যুবলীগ নেতা জহির হত্যা মামলার আসামী জসিম, মোখলেছ মেম্বার, খলিল ও জলিলসহ ১০/১২ জন পরিকল্পিতভাবে আমার ছোট ভাই আজিজুলের ওপর হামলা করে গুরতর আহত করে।
 মোখলেছ মেম্বার বলেন, আমি জহির হত্যার ঘটনার সাথে জরিত ছিলাম না, তারপরও আমাকে আসামী করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে আমি এক বছর পর বাড়িতে আসছি। আসার পর থেকে আজ ১৫ দিন হয় আমি বাড়ির বাহিরে যাইনা। বুধবার সন্ধ্যায় জসিম দুলারাপুর বাজারে গেলে তাকে আবু মোল্লার লোকজন অতর্কিত হামলা করে গুরতর আহত করেছে বলে শুনেছি।
তিতাস থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাঞ্চন কান্তি দাস বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় দুলারামপুর বাজারে মারামারির খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি এখন পরিস্থিতি শান্ত আছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর দিনেদুপুরে যুবলীগ নেতা জহির মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। জহির ভিটিকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে।