ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান যুদ্ধকে সমর্থন করার জন্য চীন কোনো অস্ত্র ও গোলাবরুদ পাঠাবে না। একইসঙ্গে ইউক্রেন-রাশিয়া ‘সংকট কমাতে সবকিছু’ করবে বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত একথা জানান বলে সোমবার (২১
তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে রাশিয়া। আপাতত যুদ্ধ বন্ধের কোনো লক্ষণ দেখা না গেলেও কিয়েভ-মস্কো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলছেন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক জ্বালানি ও পানি শোধনাগারে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় সাময়িকভাবে জ্বালানি ও পানি শোধন কাজ বন্ধ হয়ে
ইউক্রেনীয় সাঁজোয়া যানে জ্বালানির সরবরাহ করা একটি ডিপো লক্ষ্য করে দেশটিতে ফের হাইপারসনিক কিনঝাল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে রাশিয়া। ইউক্রেনের দক্ষিণের মাইকোলাইভ অঞ্চলের ওই জ্বালানির ডিপো ধ্বংসে এই হামলা
ইউক্রেনে টানা তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে রাশিয়া। পশ্চিমা দেশগুলোসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ মস্কোর নিন্দায় সরব হলেও এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম চীন। ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতে বেইজিং নিজেকে নিরপেক্ষ
রাশিয়ার প্রায় দেড় হাজার সংবাদমাধ্যম ব্লক করে দিয়েছে ইউক্রেন। এসব সংবাদমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ার পেছনে রুশ প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর কথা বলা হয়েছে। রোববার (২০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ
ইউক্রেনের মারিউপোল শহরের একটি স্কুলে হামলা চালিয়েছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরীর ওই স্কুলে ৪০০ জন সাধারণ মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং শনিবার (১৯ মার্চ) সেখানে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ইউক্রেনের ১১টি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ আনা হয়েছে। রোববার (২০ মার্চ) এক
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে কটাক্ষ করে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর আর এখন রাজ্যে মন নেই। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। তাই রাজ্যের মানুষকে এখানকার গুন্ডাদের হাতে তুলে দিয়েছেন।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হরিণঘাটায় বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো হয়েছ। অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন তিনি। হামলার প্রতিক্রিয়ায় দলটির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, সাংসদ সুরক্ষিত না