ঢাকা ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

বাণিজ্যমন্ত্রী সিন্ডিকেটকে রক্ষার চেষ্টা করছেন : জোনায়েদ সাকি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৫:২৪:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ ২০২২
  • ২৪১ বার পড়া হয়েছে

বাণিজ্যমন্ত্রী সিন্ডিকেটের পয়সা খেয়ে তাদেরকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

তিনি বলেন, আমরা দেখছি, সরকারের মন্ত্রীরা মূল্যবৃদ্ধির কারণগুলো আপনাদের (সাংবাদিক) সামনে বলছেন। বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা। কিন্তু তিনি বললেন সিন্ডিকেটদের নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সিন্ডিকেটদের নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আপনি ক্ষমতায় বসে আছেন কেন? এজন্য আপনার পদত্যাগ করা উচিত ছিলো।

গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নিয়ে গণশুনানিতে যা কিছু হয়, সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হয় না উল্লেখ করে সাকি বলেন, সরকারের নির্দেশই যদি বাস্তবায়ন হবে, তাহলে এই গণশুনানির শেষ পর্যন্ত কী কাজ হয়?

তিনি আরও বলেন, সরকার বলে আমরা সব ভোক্তা পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই দাম বাড়িয়েছি। অথচ দাম বাড়ানোর জন্য নিজেদের সিদ্ধান্তগুলোকে গ্রহণযোগ্য করার জন্য এই গণশুনানি ডাকা হয়। এজন্য আমি গণশুনানিতে বলেছি, আপনারা এই প্রতিষ্ঠানকে এবং গণশুনানিকে তামাশায় পরিণত করবেন না। লোকে যদি মনে করে এটা নাটক, তামাশ; আপনারা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে এসেছেন, সেটাই বাস্তবায়ন করবেন, তাহলে এই গণশুনানির ওপর মানুষের আস্থা থাকবে না। মানুষ এখানে আসবেও না।

জোনায়েদ সাকি বলেন, তথ্যমন্ত্রী বলেছেন দেশে ভোজ্যতেলসহ সবকিছুর মজুত নাকি ঠিক আছে। কোনো কিছুর অভাব নেই। প্রশ্ন হচ্ছে মজুত যদি ঠিক থাকে তাহলে বাজারে এভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ছে কেন? তারা বলছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এবং চক্র তারা নাকি কারসাজি করেন। যদি অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে এইভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ে, তাহলে এতোদিনে একজন লোকও কেন গ্রেফতার হলো না কেন? কেন তারা আইনের আওতায় এলো না।

তিনি আরও বলেন, যদি অসাধু চক্রকে খুঁজে না পান তাহলে তো আপনাদের সরকারে থাকার কোনো কারণ নেই। আসলে ওই সিন্ডিকেটের পৃষ্ঠপোষকরাই যখন অসাধু চক্রকে খুঁজে পান না, চাপে পড়ে কিছু বলতে পারছেন না, তখন তথ্যমন্ত্রী বিএনপি তত্ত্ব আবিষ্কার করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

বাণিজ্যমন্ত্রী সিন্ডিকেটকে রক্ষার চেষ্টা করছেন : জোনায়েদ সাকি

আপডেট সময় ০৫:২৪:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ ২০২২

বাণিজ্যমন্ত্রী সিন্ডিকেটের পয়সা খেয়ে তাদেরকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

তিনি বলেন, আমরা দেখছি, সরকারের মন্ত্রীরা মূল্যবৃদ্ধির কারণগুলো আপনাদের (সাংবাদিক) সামনে বলছেন। বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা। কিন্তু তিনি বললেন সিন্ডিকেটদের নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সিন্ডিকেটদের নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আপনি ক্ষমতায় বসে আছেন কেন? এজন্য আপনার পদত্যাগ করা উচিত ছিলো।

গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নিয়ে গণশুনানিতে যা কিছু হয়, সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হয় না উল্লেখ করে সাকি বলেন, সরকারের নির্দেশই যদি বাস্তবায়ন হবে, তাহলে এই গণশুনানির শেষ পর্যন্ত কী কাজ হয়?

তিনি আরও বলেন, সরকার বলে আমরা সব ভোক্তা পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই দাম বাড়িয়েছি। অথচ দাম বাড়ানোর জন্য নিজেদের সিদ্ধান্তগুলোকে গ্রহণযোগ্য করার জন্য এই গণশুনানি ডাকা হয়। এজন্য আমি গণশুনানিতে বলেছি, আপনারা এই প্রতিষ্ঠানকে এবং গণশুনানিকে তামাশায় পরিণত করবেন না। লোকে যদি মনে করে এটা নাটক, তামাশ; আপনারা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে এসেছেন, সেটাই বাস্তবায়ন করবেন, তাহলে এই গণশুনানির ওপর মানুষের আস্থা থাকবে না। মানুষ এখানে আসবেও না।

জোনায়েদ সাকি বলেন, তথ্যমন্ত্রী বলেছেন দেশে ভোজ্যতেলসহ সবকিছুর মজুত নাকি ঠিক আছে। কোনো কিছুর অভাব নেই। প্রশ্ন হচ্ছে মজুত যদি ঠিক থাকে তাহলে বাজারে এভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ছে কেন? তারা বলছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এবং চক্র তারা নাকি কারসাজি করেন। যদি অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে এইভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ে, তাহলে এতোদিনে একজন লোকও কেন গ্রেফতার হলো না কেন? কেন তারা আইনের আওতায় এলো না।

তিনি আরও বলেন, যদি অসাধু চক্রকে খুঁজে না পান তাহলে তো আপনাদের সরকারে থাকার কোনো কারণ নেই। আসলে ওই সিন্ডিকেটের পৃষ্ঠপোষকরাই যখন অসাধু চক্রকে খুঁজে পান না, চাপে পড়ে কিছু বলতে পারছেন না, তখন তথ্যমন্ত্রী বিএনপি তত্ত্ব আবিষ্কার করেন।