মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫

জাতিসংঘের কর্মকর্তা হত্যা : কঙ্গোয় ৫১ জনের মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট সময় রবিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২২, ১.২৯ পিএম
  • ২৪৪ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘের দুই কর্মকর্তাকে হত্যার অভিযোগে ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ৫১ জনের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৯ জানুয়ারি) মধ্য আফ্রিকার এই দেশটির একটি সামরিক আদালত ৫১ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এবং সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে হত্যাকাণ্ডের শিকার জাতিসংঘের ওই দুই কর্মকর্তার নাম জাইদা কাতালান ও মাইকেল শার্প। জাইদা সুইডেনের নাগরিক এবং শার্প মার্কিন নাগরিক ছিলেন। ২০১৭ সালে তারা হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

আলজাজিরা জানিয়েছে, কানাঙ্গায় অবস্থিত সামরিক আদালতের প্রসিকিউটররা ৫৪ জন অভিযুক্তের মধ্যে ৫১ জনের মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছিলেন। যদিও তাদের ২২ জন পলাতক রয়েছেন এবং তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচারকার্য চলেছে।

কাতারভিত্তিক এই সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের শাস্তি হিসেবে কঙ্গোতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনা খুবই সাধারণ। কিন্তু ২০০৩ সালে দেশটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ওপর স্থগিতাদেশ ঘোষণা করার পর থেকে নিয়মিতভাবে সেগুলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। আর তাই অভিযুক্তদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

কেবল জাইদা কাতালান এবং মাইকেল শার্পকেই নয়, কঙ্গোতে তাদের দোভাষী হিসেবে সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তিকেও সেসময় হত্যা করা হয়। অপহরণের ১৬ দিন পর ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা যায়। উদ্ধারের সময় জাইদা কাতালানের মরদেহ শিরশ্ছেদ অবস্থায় ছিল।

জাতিসংঘের দুই কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় সেসময় তাৎক্ষণিকভাবে কামুইনা সাপু সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করেছিলেন কঙ্গোর কর্মকর্তারা।

হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময় ধরে বিচারকার্য চলার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হলো। তবে এই ঘটনা সেসময় আফ্রিকার এই দেশটিতে কর্মরত কূটনীতিক এবং সহায়তা সংস্থাগুলোকে হতবাক করে দিয়েছিল। যদিও এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান কারণ ঠিক কী ছিল, তা এখনও অজানা রয়েছে।

স্থানীয় এক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিকে হত্যার পর ২০১৬ সালে ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর কাসাই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য ২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগপর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ৪০০ জন প্রাণ হারান এবং লাখ লাখ মানুষ তাদের বাড়ি-ঘর হারিয়ে উদ্বাস্ত হন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
প্রকাশনায় : ২৪ ক্রাইম নিউজ মিডিয়া লিমিটেড
Theme Developed BY ThemesBazar.Com