ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রক্তপাত এড়াতে ইউক্রেন যাচ্ছেন বরিস জনসন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২২
  • ২৯২ বার পড়া হয়েছে

ইউক্রেন ঘিরে পূর্ব ইউরোপীয় অঞ্চলে যে সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ইউরোপের এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি প্রশমনে আগামী সপ্তাহে ইউক্রেন সফরে যাবেন তিনি। ইউক্রেন সংকটে রক্তপাত এড়াতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন ব্রিটিশ এই প্রধানমন্ত্রী।

ইউক্রেনের সীমান্তে এক লাখের বেশি সৈন্য মোতায়েন করেছে রাশিয়া। পুতিন বলেছেন, তিনি কথা বলার জন্য প্রস্তুত থাকলেও মস্কোর প্রধান নিরাপত্তা দাবিগুলোর সুরাহা করেনি যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটো।

ইউক্রেনে কোনও ধরনের অনুপ্রবেশ ঘটালে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে বলে হুমকি দিয়ে ব্রিটেন একই ধরনের পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। রাশিয়ার ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে সোমবার ব্রিটেনের সরকার কঠোর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এক বিবৃতিতে জনসনের ডাউনিং স্ট্রিটের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ইউরোপে রক্তপাত এড়াতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা বৃদ্ধি করতে বদ্ধপরিকর।’

‘চলতি সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে কথা বলার সময় রাশিয়ার পিছু হটা এবং কূটনৈতিক আলোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করবেন বরিস জনসন।’ তবে কখন অথবা কোথায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই সফর হবে সে ব্যাপারে বরিস জনসনের কার্যালয় বিস্তারিত কোনও তথ্য দেয়নি।

ইউক্রেন সংকটের নেপথ্যে কী?

পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার নিরাপত্তা উদ্বেগ উপেক্ষার অভিযোগ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গত মাসে পশ্চিমাদের কাছে বেশ কয়েকটি দাবি জানিয়েছে রাশিয়া। এসব দাবির মধ্যে আছে…

• ন্যাটোতে রাশিয়ার যোগদানে বাধা দিতে হবে

• পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সামরিক কার্যক্রমের অবসান

• পোল্যান্ডসহ বাল্টিক রাষ্ট্র এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া থেকে ন্যাটো জোটের সৈন্য প্রত্যাহার

• রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে, এমন সব দেশে ন্যাটোর ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা যাবে না

সূত্র: রয়টার্স।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

রক্তপাত এড়াতে ইউক্রেন যাচ্ছেন বরিস জনসন

আপডেট সময় ১০:০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২২

ইউক্রেন ঘিরে পূর্ব ইউরোপীয় অঞ্চলে যে সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ইউরোপের এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি প্রশমনে আগামী সপ্তাহে ইউক্রেন সফরে যাবেন তিনি। ইউক্রেন সংকটে রক্তপাত এড়াতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন ব্রিটিশ এই প্রধানমন্ত্রী।

ইউক্রেনের সীমান্তে এক লাখের বেশি সৈন্য মোতায়েন করেছে রাশিয়া। পুতিন বলেছেন, তিনি কথা বলার জন্য প্রস্তুত থাকলেও মস্কোর প্রধান নিরাপত্তা দাবিগুলোর সুরাহা করেনি যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটো।

ইউক্রেনে কোনও ধরনের অনুপ্রবেশ ঘটালে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে বলে হুমকি দিয়ে ব্রিটেন একই ধরনের পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। রাশিয়ার ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে সোমবার ব্রিটেনের সরকার কঠোর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এক বিবৃতিতে জনসনের ডাউনিং স্ট্রিটের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ইউরোপে রক্তপাত এড়াতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা বৃদ্ধি করতে বদ্ধপরিকর।’

‘চলতি সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে কথা বলার সময় রাশিয়ার পিছু হটা এবং কূটনৈতিক আলোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করবেন বরিস জনসন।’ তবে কখন অথবা কোথায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই সফর হবে সে ব্যাপারে বরিস জনসনের কার্যালয় বিস্তারিত কোনও তথ্য দেয়নি।

ইউক্রেন সংকটের নেপথ্যে কী?

পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার নিরাপত্তা উদ্বেগ উপেক্ষার অভিযোগ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গত মাসে পশ্চিমাদের কাছে বেশ কয়েকটি দাবি জানিয়েছে রাশিয়া। এসব দাবির মধ্যে আছে…

• ন্যাটোতে রাশিয়ার যোগদানে বাধা দিতে হবে

• পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সামরিক কার্যক্রমের অবসান

• পোল্যান্ডসহ বাল্টিক রাষ্ট্র এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া থেকে ন্যাটো জোটের সৈন্য প্রত্যাহার

• রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে, এমন সব দেশে ন্যাটোর ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা যাবে না

সূত্র: রয়টার্স।